দেশদ্রোহীদের ধইরাদে

দেশদ্রোহীদের ধইরাদে ইসলাম এবং দেশ রক্ষায় আমাদের পাশে থাকুন🇧🇩❤️

এটা ইসলামের প্রতি ভালোবাসা শিবরের প্রতি নয়
04/06/2026

এটা ইসলামের প্রতি ভালোবাসা শিবরের প্রতি নয়

05/01/2026
30/12/2025

২০০১ সালে বেগম খালেদা জিয়া কর্নেল (অব.) অলি আহমেদকে অনুরোধ করেছিলেন—চট্টগ্রামের একটি আসন জামায়াতের জন্য ছেড়ে দিতে। কর্নেল অলি আহমেদ স্পষ্টভাবে বেগম জিয়াকে বুঝিয়ে দেন যে তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা; রাজাকার, আলবদর ও আলশামসের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত জামায়াতের জন্য একটি আসনও তিনি ছাড়বেন না। জামায়াতের সঙ্গে আপোসের প্রশ্নই ওঠে না। বরং তিনি উল্টো ম্যাডাম জিয়াকে জামায়াত সম্পর্কে আরও সজাগ এবং সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।

কর্নেল অলি ওই আসনে ছাড় দেননি। যদিও পরে তাঁর প্রার্থী সেই আসনে পরাজিত হন। নির্বাচন শেষে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার গঠন করে। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়া তাঁর ভেতরের ক্ষোভ ভোলেননি বলেই কেউ কেউ ধারণা করেন। তিনি কর্নেল অলি আহমেদকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করেননি; উল্টো জামায়াতের দুইজন শীর্ষ নেতাকে মন্ত্রী করেন। অলি আহমেদ তখন বিষয়টি ভালোভাবে নেননি। তাঁর ধারণা ছিল, এই সিদ্ধান্তের পেছনে সরাসরি তারেক রহমান ও মান্নান ভাইয়ার ভূমিকা রয়েছে।

১৯৭১ সালে জামায়াতের দেশবিরোধী অবস্থান এবং বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের অতিমাত্রায় বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অলি আহমেদের কাছে কখনোই গ্রহণযোগ্য ছিলনা। মন্ত্রী না হওয়াকে তিনি ব্যক্তিগত অপমান হিসেবেই দেখেছিলেন। তবুও তখন তিনি দল ছাড়েননি। কিন্তু বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের শেষের দিকে, ২০০৬ সালে এসে তিনি দল ত্যাগ করেন। সাংবাদিক সম্মেলনে ঘোষণা দেন, 'জামায়াত একদিন বিএনপিকে গ্রাস করে ফেলবে। দল শহীদ জিয়ার আদর্শ থেকে সরে যাচ্ছে, তাই আমিও বিএনপি ছাড়লাম।'
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে যদি বিএনপি জামায়াতকে ত্যাগ করে এবং কর্নেল অলির প্রয়োজন পড়ে, তবে তিনি দলে ফিরতেও পারেন। এরপর তিনি বিএনপি ছাড়েন এবং নতুন রাজনৈতিক দল এলডিপি (লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি) গঠন করেন।

এখানেই চ্যাপ্টার ওয়ান শেষ হতে পারতো। অলি আহমেদ আজীবন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও দৃঢ় জামায়াতবিরোধী রাজনীতিক হিসেবে নিজের নীতিগত অবস্থান অটুট রাখতে পারতেন। কিন্তু এখন কী হলো? আজ আমরা কী দেখছি? যে জামায়াতের কারণে তিনি বিএনপি ছেড়েছিলেন, যাদেরকে তিনি একসময় আলবদর ও আলশামস বলে আখ্যা দিয়েছিলেন, আজ সেই জামায়াতের সঙ্গেই তিনি রাজনৈতিকভাবে জোটবদ্ধ হলেন!

জীবনের শেষ প্রান্তে এসে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা অলি আহমেদ শেষ পর্যন্ত সেই জামায়াতের সঙ্গেই আপোস করলেন। নিজের উচ্চ নৈতিক অবস্থান তিনি নিজেই প্রশ্নবিদ্ধ করলেন। বিনিময়ে তিনি কী পাবেন, তা আমরা জানি না। সময়ই তার উত্তর দেবে। তবে এটুকু নিশ্চিত যে, দেশে এক ভয়ংকর আদর্শহীন ও নষ্ট রাজনীতির খেলা শুরু হয়ে গেছে। হয়তো বাংলাদেশের রাজনীতি সত্যিই এখন 'asking for a break'. Jewel Mamin এর পেজ থেকে।
#ছবি কারুকাজ নিজ।

22/12/2025

Tickets

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দেশদ্রোহীদের ধইরাদে posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share