Voice of Bangladesh Awami League

Voice of Bangladesh Awami League আসসালামু আলাইকুম,
আমার প্রিয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় ভাই বোনেরা,এই পেজটা কে সবাই একটু সাপোর্ট করে।

17/04/2026

১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসে বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক সংসদ সদস্য, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি জয়নাল আবেদীন পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

- আলহামদুলিল্লাহ্..

আপনার আশেপাশে নিশ্চয়ই বাংলাদেশের রূপকার
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আপার কোনো না কোনো উন্নয়নের চিহ্ন আছে। আপনার ফেসবুকে আপনার ভাষায় এইসব উন্নয়নের ছবি-ভিডিও পোস্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু !

✊🇧🇩জয় বাংলা🛶জয় বঙ্গবন্ধু🇧🇩✊
মুজিব তোমার স্মরণে ভয় করিনা মরণে


#পদ্মাসেতু #রুপপুর_বিদ্যুৎ_কেন্দ্র

আমাদেরকে অপবাদ দিতো দেশ বিক্রি করে দিয়েছি ভারতের সাথে। গোলামীর চুক্তি করেছি। স্বাধীনতার দীর্ঘ ৫৫ বছর পরেও কেউ তার প্রমাণ...
17/04/2026

আমাদেরকে অপবাদ দিতো দেশ বিক্রি করে দিয়েছি ভারতের সাথে। গোলামীর চুক্তি করেছি। স্বাধীনতার দীর্ঘ ৫৫ বছর পরেও কেউ তার প্রমাণ দিতে পারেনি। দেশবাসী নিজের চোখে দেখছে সব কারা দেশ বিক্রি করেছে। আমেরিকা ৬০ দিনের ছাড় দেয়, মানে তাদের মর্জিতে এই বাংলাদেশ চলবে। কি লজ্জা লজ্জা লজ্জা আর লজ্জা। টিভির টকশোজীবিদের আর কথা শুনতে পান এখন? পাবেন না। কারন নন্দ ঘোষ আওয়ামী লীগ নেই যে!!

17/04/2026

তীব্র জ্বালানি সংকটের কারনে গাবতলী-আমিনবাজার মহাসড়কে বিক্ষুব্ধ জনতার রাস্তা অবরোধ কর্মসূচি!

দুর্নীতির বর পুত্র যখন দেশের অবৈধ প্রধানমন্ত্রী।


#পদ্মাসেতু #রুপপুর_বিদ্যুৎ_কেন্দ্র

17/04/2026

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার গড়া বাংলাদেশ 🇧🇩

- আলহামদুলিল্লাহ্..

আপনার আশেপাশে নিশ্চয়ই বাংলাদেশের রূপকার
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আপার কোনো না কোনো উন্নয়নের চিহ্ন আছে। আপনার ফেসবুকে আপনার ভাষায় এইসব উন্নয়নের ছবি-ভিডিও পোস্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু !

✊🇧🇩জয় বাংলা🛶জয় বঙ্গবন্ধু🇧🇩✊
মুজিব তোমার স্মরণে ভয় করিনা মরণে


#পদ্মাসেতু #রুপপুর_বিদ্যুৎ_কেন্দ্র

17/04/2026

আজ জুম্মার নামাজ শেষে রাজধানীর রাজপথে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল।

✊🇧🇩জয় বাংলা🛶জয় বঙ্গবন্ধু🇧🇩✊
মুজিব তোমার স্মরণে ভয় করিনা মরণে


#পদ্মাসেতু #রুপপুর_বিদ্যুৎ_কেন্দ্র

আজ  ১৭ই এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস।
17/04/2026

আজ ১৭ই এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস।

আজ ১৭ই এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সুদীর্ঘ ইতিহাসের এক চির ভাস্বর অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৭১...
17/04/2026

আজ ১৭ই এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সুদীর্ঘ ইতিহাসের এক চির ভাস্বর অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে কুষ্টিয়া জেলার তদানীন্তন মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে স্বাধীন-সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে। এ অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে পঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রণীত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র। এ দিন থেকে স্থানটি মুজিবনগর নামে পরিচিতি লাভ করে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচালনা ও স্বদেশ ভূমি থেকে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীকে বিতাড়িত করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত ও নির্দেশিত পথে স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ সরকার গঠন করা হয়।

১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর তৎকালীন পাকিস্তানের শাসকচক্র নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে অস্বীকৃতি জানায় এবং বেআইনিভাবে জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে। পরবর্তীতে ১৯৭১-এর ২৫শে মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ন্যায়-নীতি বর্হিভূত এবং গণহত্যা শুরু করলে ২৬শে মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ওয়ারলেসের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তারই ধারাবাহিকতায় ১০ই এপ্রিল মেহেরপুরের সীমান্তবর্তী এলাকার মুক্তাঞ্চলে নির্বাচিত জাতীয় পরিষদে আওয়ামী লীগের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা এক বিশেষ অধিবেশনে মিলিত হন এবং স্বাধীন-সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠন করেন। এই অধিবেশনে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অনুমোদন ও বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবর্তমানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনকারী উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, এবং তাজউদ্দিন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে গঠিত হয় বাংলাদেশ সরকার। মেহেরপুর হয়ে ওঠে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী রাজধানী। মুজিবনগর সরকারের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার দু’ঘন্টার মধ্যেই পাকিস্তান বিমান বাহিনী বোমাবর্ষণ ও আক্রমণ চালিয়ে মেহেরপুর দখল করে। ফলে, সরকারের প্রতিনিধিগণ ভারতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয় এবং সেখান থেকে কার্যক্রম চালাতে থাকে। নয় মাস সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয় এবং স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

নবজাত রাষ্ট্রের এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের জনগণকে তাদের বীরত্ব, সাহসিকতা ও বিপ্লবী কার্যক্রমের মাধ্যমে পাকিস্তান হানাদারবাহিনীর বিরুদ্ধে স্বাধীনতা লাভের লক্ষে অদম্য স্পৃহায় মরণপণ যুদ্ধে অবতীর্ণ হওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়। সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত সৃষ্টি ও মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকার পরিচালনায় নবগঠিত এই সরকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং এই সরকারের যোগ্য নেতৃত্ব ও দিক-নির্দেশনায় মুক্তিযুদ্ধ দ্রুততম সময়ে সফল সমাপ্তির দিকে এগিয়ে যায়। এই সরকার গঠনের ফলে বিশ্ববাসী স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র সংগ্রামরত বাঙালিদের প্রতি সমর্থন ও সহযোগিতার হাত প্রসারিত করেন। অবশেষে ৩০ লক্ষ শহীদের রক্ত এবং ২ লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় চূড়ান্ত বিজয়। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে মুজিবনগর সরকারের গুরুত্ব ও অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

#১৭এপ্রিল #মুজিবনগরদিবস #বাংলাদেশ #আওয়ামীলীগ #মুক্তিযুদ্ধ #মুজিবনগর

আজ ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস।আজ ১৭ই এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সুদীর্ঘ ইতিহাসের এক চির ভ...
17/04/2026

আজ ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস।

আজ ১৭ই এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সুদীর্ঘ ইতিহাসের এক চির ভাস্বর অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে কুষ্টিয়া জেলার তদানীন্তন মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে স্বাধীন-সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে। এ অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে পঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রণীত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র। এ দিন থেকে স্থানটি মুজিবনগর নামে পরিচিতি লাভ করে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচালনা ও স্বদেশ ভূমি থেকে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীকে বিতাড়িত করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত ও নির্দেশিত পথে স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ সরকার গঠন করা হয়।

১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর তৎকালীন পাকিস্তানের শাসকচক্র নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে অস্বীকৃতি জানায় এবং বেআইনিভাবে জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে। পরবর্তীতে ১৯৭১-এর ২৫শে মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ন্যায়-নীতি বর্হিভূত এবং গণহত্যা শুরু করলে ২৬শে মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ওয়ারলেসের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তারই ধারাবাহিকতায় ১০ই এপ্রিল মেহেরপুরের সীমান্তবর্তী এলাকার মুক্তাঞ্চলে নির্বাচিত জাতীয় পরিষদে আওয়ামী লীগের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা এক বিশেষ অধিবেশনে মিলিত হন এবং স্বাধীন-সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠন করেন। এই অধিবেশনে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অনুমোদন ও বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবর্তমানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনকারী উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, এবং তাজউদ্দিন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে গঠিত হয় বাংলাদেশ সরকার। মেহেরপুর হয়ে ওঠে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী রাজধানী। মুজিবনগর সরকারের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার দু’ঘন্টার মধ্যেই পাকিস্তান বিমান বাহিনী বোমাবর্ষণ ও আক্রমণ চালিয়ে মেহেরপুর দখল করে। ফলে, সরকারের প্রতিনিধিগণ ভারতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয় এবং সেখান থেকে কার্যক্রম চালাতে থাকে। নয় মাস সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয় এবং স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

নবজাত রাষ্ট্রের এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের জনগণকে তাদের বীরত্ব, সাহসিকতা ও বিপ্লবী কার্যক্রমের মাধ্যমে পাকিস্তান হানাদারবাহিনীর বিরুদ্ধে স্বাধীনতা লাভের লক্ষে অদম্য স্পৃহায় মরণপণ যুদ্ধে অবতীর্ণ হওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়। সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত সৃষ্টি ও মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকার পরিচালনায় নবগঠিত এই সরকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং এই সরকারের যোগ্য নেতৃত্ব ও দিক-নির্দেশনায় মুক্তিযুদ্ধ দ্রুততম সময়ে সফল সমাপ্তির দিকে এগিয়ে যায়। এই সরকার গঠনের ফলে বিশ্ববাসী স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র সংগ্রামরত বাঙালিদের প্রতি সমর্থন ও সহযোগিতার হাত প্রসারিত করেন। অবশেষে ৩০ লক্ষ শহীদের রক্ত এবং ২ লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় চূড়ান্ত বিজয়। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে মুজিবনগর সরকারের গুরুত্ব ও অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

#১৭এপ্রিল #মুজিবনগরদিবস #বাংলাদেশ #আওয়ামীলীগ #মুক্তিযুদ্ধ #মুজিবনগর

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা,দ্য গ্রেট আর্টিস্ট....... "শেখ হাসিনা ১৭ বছরে দেশের জন্য যা করেছে আগামী ১০০ বছরেও হয়তো এ...
17/04/2026

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা,দ্য গ্রেট আর্টিস্ট.......

"শেখ হাসিনা ১৭ বছরে দেশের জন্য যা করেছে আগামী ১০০ বছরেও হয়তো এতোটা কেউ করতে পারবে না।"
-অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন

"আওয়ামী লীগ যে উন্নয়ন করে গিয়েছে তা রক্ষণাবেক্ষণ করতেই একটা সরকারের মেয়াদকাল চলে যাবে নতুন কিছু করা লাগবে না।"
- রুমিন ফারহানা

জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু জয় রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা....

- আলহামদুলিল্লাহ্.............

আপনার আশেপাশে নিশ্চয়ই বাংলাদেশের রূপকার
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আপার কোনো না কোনো উন্নয়নের চিহ্ন আছে। আপনার ফেসবুকে আপনার ভাষায় এইসব উন্নয়নের ছবি-ভিডিও পোস্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু !

✊🇧🇩জয় বাংলা🛶জয় বঙ্গবন্ধু🇧🇩✊
মুজিব তোমার স্মরণে ভয় করিনা মরণে


#পদ্মাসেতু #রুপপুর_বিদ্যুৎ_কেন্দ্র

Address

23, Bangabandhu Avenue
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Voice of Bangladesh Awami League posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share