বাংলাদেশ আওআমী যুবলীগ

বাংলাদেশ আওআমী যুবলীগ Change some sector.and some lider.wee can change bangladesh.

30/10/2025

২৪ এ পুলিশ হত্যার বিচার ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে হবে!
আমি সকল হত্যাকান্ডের বিচার চাই সাধারণ মানুষ থেকে পুলিশ।
এবং তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করি।
আর সকল অপরাধের বিচার হবে ই মনে রাখবেন।
অপরাধীদের কোন দল হয়না।এরা কোন দলের নয় বরং সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে ভাত খাওয়া।
পুলিশ কি এ দেশের মানুষ নয় !
জানতে চাই।

https://youtube.com/live/qLqHdHru_uk?si=BLHf40fdMq7OUzOx
29/10/2025

https://youtube.com/live/qLqHdHru_uk?si=BLHf40fdMq7OUzOx

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কর্মীদের অংশগ্রহণে বাংলাদেশের বর্তমান মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ আন্তর্জাতিক ভ....

জুলাই আন্দোলনের ‘জাতিসংঘ রিপোর্ট’ ভলকার তুর্কের ব্যক্তিগত এবং ড. ইউনূসের সাথে ‘যৌথ বানোয়াট’: হারুন আল-রশিদবিশেষ প্রতিবেদ...
28/10/2025

জুলাই আন্দোলনের ‘জাতিসংঘ রিপোর্ট’ ভলকার তুর্কের ব্যক্তিগত এবং ড. ইউনূসের সাথে ‘যৌথ বানোয়াট’: হারুন আল-রশিদ

বিশেষ প্রতিবেদন:

সম্প্রতি জুলাই আন্দোলনের হতাহতের সংখ্যা নিয়ে প্রকাশিত একটি আলোচিত প্রতিবেদনকে সম্পূর্ণরূপে বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশের লেখক, কূটনীতিবিদ ও সমাজকর্মী হারুন আল-রশিদ। ৪৬ হাজার অনুসারীর ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইল থেকে দেওয়া এক জরুরি পোস্টে তিনি অভিযোগ করেছেন যে, এই প্রতিবেদনটি জাতিসংঘের আনুষ্ঠানিক রিপোর্ট নয়, বরং এটি মানবাধিকার কমিশনার ভলকার তুর্ক এবং প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের “যৌথ রিপোর্ট” এবং পুরো বিষয়টিই একটি “বড় জ্বালিয়াতি”।

জাতিসংঘের কোনো অনুমোদন নেই:

হারুন আল-রশিদ তার পোস্টে জোর দিয়ে বলেছেন যে, তথাকথিত এই ‘OHCHR Fact-Finding Report’ প্রকাশে জাতিসংঘের বিধিমালা মানা হয়নি। তিনি দাবি করেন, রিপোর্টটি ভলকার তুর্ক নিজ উদ্যোগে প্রকাশ করেছেন এবং এর কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি নেই।

তাঁর ভাষায়, “জাতিসংঘের হিউম্যান রাইটস কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী কোনো Fact Finding Report প্রকাশ করতে গেলে হিউম্যান রাইটস কাউন্সিলের অনুমোদন নিতে হয় এবং তখন জাতিসংঘ এর জন্য বাজেট অনুমোদন করে। কিন্তু এই রিপোর্ট প্রকাশের জন‍্য কোনো অনুমোদন নেয়া হয়নি।”

তিনি আরও দাবি করেন যে, এই প্রতিবেদনে কোনো ইউএন ডুকোমেন্ট নম্বর নেই, যা জাতিসংঘের আনুষ্ঠানিক রিপোর্টগুলোতে আবশ্যক। ফলে এটি ভলকার তুর্কের ব্যক্তিগত রিপোর্ট ছাড়া আর কিছু নয়। হারুন আল-রশিদ মনে করেন, ভলকার তুর্ক ব্যক্তিবিশেষ বা কোনো রাষ্ট্রের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে এটি মিডিয়ায় প্রচার করেছেন।

ড. ইউনূসের প্রভাবে মৃতের সংখ্যা ১৪০০:

রিপোর্টে উল্লেখ করা ১৪০০ মৃত্যুর সংখ্যা নিয়েও হারুন আল-রশিদ গুরুতর অসঙ্গতি তুলে ধরেছেন। তিনি দাবি করেন, দেশের সকল নামীদামী পত্রিকার হিসাব অনুযায়ী জুলাই আন্দোলনে মৃতের সংখ্যা ছিল ৬৫৭ জন।

তিনি অভিযোগ করেন, এই সংখ্যাটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফুলিয়ে দেখানো হয়েছে এবং এর পেছনে ড. ইউনূসের প্রভাব রয়েছে। পোস্টে লেখা হয়েছে, “ঢাকাস্থ জাতিসংঘ মিশন তাদের প্রাথমিক রিপোর্টে বলেছিল ৬৫০ জনেক পরিবার মারা গেছেন। ইউনূস সাহেবের সাথে আলাপ করার পর ভলকার সাহেব ৬৫০ কে ১৪০০ বানিয়ে ফেলেন।”

এছাড়াও, তিনি উল্লেখ করেন যে ইউনূস সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা সর্বোচ্চ ৮৩৪ জনের মৃত্যুর হিসাব দিলেও, এর মধ্যে ৫২ জন গাড়ি দুর্ঘটনার মতো অন্যান্য কারণে মারা গেছেন এবং অনেকের নাম রিপোর্টে থাকলেও তারা পরে জীবিত ফিরে এসেছেন।

জাতিসংঘ মহাসচিবের কার্যালয় রিপোর্ট অস্বীকার করেছে:

এই ত্রুটিযুক্ত রিপোর্ট নিয়ে জাতিসংঘের গ্রহণযোগ্যতা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় মহাসচিবের কার্যালয়ে নতুন অনুসন্ধানের অনুরোধ জানানো হয়েছিল বলে হারুন আল-রশিদ জানিয়েছেন।

তিনি দাবি করেন, মহাসচিবের কার্যালয় থেকে জানানো হয় যে, “তারা কোনো রিপোর্ট প্রকাশ করেনি। কোনো রিপোর্ট প্রকাশের জন্য কোনো প্রস্তাব পাশ হয়নি এবং কোনো বাজেটও বরাদ্দ হয়নি। হিউম্যান রাইটস কাউন্সিলে এনিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।”

হারুন আল-রশিদ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সবচেয়ে লক্ষণীয় যে রিপোর্টেটি জাতিসংঘ প্রকাশ করেনি। তবে জাতিসংঘের নাম দিয়ে এটাকে প্রচার করা হচ্ছে — এটা একটা বড় জ্বালিয়াতি বৈকি।”

পোস্টের শেষে তিনি দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, "সুতরাং টের পান আমরা কেমন সব বাটপারদের খপ্পরে পড়েছি?" তিনি দেশের অনুসন্ধানী সাংবাদিকদেরও এই বিষয়ে নীরবতা ভেঙে সংবাদ প্রকাশের অনুরোধ জানান।

(তথ্যসূত্র: কথাসাহিত্যিক, লাইফিস্ট ও কূটনীতিবিদ হারুন আল-রশিদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্রোফাইল থেকে প্রাপ্ত ব্যক্তিগত বক্তব্য।)

Address

Dhaka

Telephone

+8801720190499

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশ আওআমী যুবলীগ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share