Mahbub Alom Ratan/মাহবুব আলম রতন

Mahbub Alom Ratan/মাহবুব আলম রতন সদস্য, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি এবং
সদস্য সচিব, ঢাকা মহানগর উত্তর at গণসংহতি আন্দোলন।

এই যে এতো এতো বস্তা সিমেন্ট নষ্ট করলো, এই সিমেন্ট গুলো দিয়ে দেশের কত উন্নয়ন করা যেতো!         --- মাননীয় উন্নয়নমারান...
02/09/2026

এই যে এতো এতো বস্তা সিমেন্ট নষ্ট করলো, এই সিমেন্ট গুলো দিয়ে দেশের কত উন্নয়ন করা যেতো!
--- মাননীয় উন্নয়নমারানী!
(চোখে গ্লিসারিন, নাকে সর্দি আর হাতে টিস্যু নিয়ে কান্নার অভিনয়রত)
কুখ্যাত জেনারেল জিয়াউল আহসান গুলি করার আগে যমটুপি খুলে নিতো। তাকে একবার নৌকার মাঝি জিজ্ঞাসা করেছিল, স্যার টুপি খুলেন কেন, তার উত্তর ছিল মাথায় ঠিকঠাক জায়গায় গুলি না লাগলে মরতে সময় লাগে অনেক্ষণ।

খুব কাছ থেকে গুলি করলে মগজ আর রক্ত ছিটে এসে হাতে লাগতো। সেজন্য জিয়াউল নৌকায় বালিশ রাখতে বলতো। বালিশে মাথায় ঠেকিয়ে গুলি করতো।

পিশাচ জিয়াউলের বিরুদ্ধে সাক্ষী দেয়া এক র‍্যাব অফিসার বলেছেন— একবার তাকে তার সিনিয়র ফোন করে বললো জিয়াউল আহসান আসবে, নৌকা রেডি রাখতে।

নৌকায় ৩ জন তরুণকে উঠিয়ে সে নিয়ে গেলো নদিতে।
তারপর জিয়াউল তাকে বললো মাথায় শুট করতে। এই র‍্যাব অফিসার তাদেরকে চেনেনা, অপরাধী কিনা জানে না, এই বলে গুলি করতে অস্বীকার করে।

তখন জিয়াউল তাদের প্রথম জনকে মাথায় গুলি করে। শরীরের সাথে ইটের বস্তা বেধে পেট কেটে নদীতে ফেলে দেয়।

২য় জনকে ইনজেকশন পুশ করে, সে তাৎক্ষণিক মারা যায়। তাকেও সেইম কায়দায় পেট কেটে নদিতে ফেলে দেয়।

৩য় জনকে গুলি করে হত্যা করে। এবং পেট কেটে শরীরে ইটের বস্তা বেধে তারপর নদীতে ফেলে দেয়।

জিয়াউল সাধারণত খুন করতো মাঝ নদীতে। যেন কোনো প্রমান না থাকে। একইভাবে সকলের পেট কেটে ইটের বস্তা বেধে দিতো শরীরের সাথে। যেন লাশ ভেসে না উঠে।

জিয়াউল শুধু বেসামরিক মানুষকেই গুম খুন করেনি। সামরিক অফিসারদেরকেও গুম খুন করেছে। বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পর প্রত্যক্ষ সাক্ষী অনেক অফিসারকেই গুম করে খুন করেছে সে।

পিলখানা হত্যাকান্ডের তদন্তকারীরা একজন প্রত্যক্ষদর্শী অফিসারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য খুঁজছিলেন, তখন জিয়াউল তাদেরকে বলেছিল— “ওকে খুঁজতেসেন কেন? ওকে খুঁজবেন না, ও সুন্দরবনে মাছের পেটে আছে। ওকে টুকরো টুকরো করে ফেলে দেওয়া হইছে।” যখন তারে জিজ্ঞাসা করা হলো কেন এই কাজ করেছে সে। তার উত্তর ছিল “নাম্বার ওয়ানের (হাসিনা) আদেশেই করা হয়েছে।”

জেনারেল জিয়াউল আহসান পৃথিবীর ইতিহাসে এমন একজন সিরিয়াল কিলার যে নিজ হাতে ১ হাজার মানুষকে খুন করেছে। সঠিকভাবে বললে সংখ্যাটা ১০২৭ জন।

বিশ্বের অন্যতম ভয়ানক সিরিয়াল কিলার হিসেবে যার কুখ্যাতি রয়েছে, কলম্বিয়ার পেদ্রো লোপেজের খুনের সংখ্যা হইলো ২০০ জন।

যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত কিলার H.H HOLMES খুন করেছিল ২০০ জনকে। তবে আনুষ্ঠানিক প্রমাণ মিলেছে মাত্র ২৭ জনের।

অন্যদিকে বাংলাদেশের জেনারেল জিয়াউল আহসান একাই খুন করেছে ১০২৭ জনকে। ক্যান ইউ ইমাজিন?? পৃথিবীর সবচাইতে কুখ্যাত নাম্বার ওয়ান সিরিয়াল কিলার হইলো এই দেশের রাষ্ট্রযন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ চেয়ারে বসে থাকা জেনারেল জিয়াউল।

এই খুন করেছে আপনার আমার পয়সায় কেনা লিথেল উইপেন, ভেইকেল, আর সমরাস্ত্র ব্যবহার করে।

আজ সংবাদে দেখলাম জিয়াউল তদন্তকারীদের প্রশ্নের বিপরীতে বলেছে “নো গিল্টি” অর্থাৎ এতগুলো খুন করেও তার মধ্যে কোনো অনুশোচনা নেই।

জিয়াউল বরাবরেই মতোই আদালতে আসতো হাসিমুখে, করতো ঔদ্ধত্য আচরণ। এবং এমন একজন সিরিয়াল কিলারের কোনো হ্যান্ডকাফ কিংবা ডান্ডাবেরি ছিল না।

এই প্রথম তাকে হ্যান্ডকাফ পরানো হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করতে চাই, সরকার এই খুনীদের বিচার করে দেশবাসীকে সস্তি দেবেন। অন্যথায় এই জিয়াউলেরা একদিন মুক্তি পেয়ে তারেক রহমানকেও খুন করতে এক সেকেন্ড ভাববে না।

কেউ যদি পারেন উইকিপিডিয়ায় সিরিয়াল কিলারদের তালিকাটা আপডেট করে দিয়েন। সেখানে ১ নাম্বারে জিয়াউলের জন্য, ২য় নাম্বারে ওসি প্রদিপ (টেকনাফে কর্তব্যরত অবস্থায় ২২ মাসে ২০৪ খুন) এর নাম বসায়ে দিয়েন।

জিয়াউলের খুনের ফিরিস্তি!
- মাসুদুর রাহমান আদনান

নেপালের সাম্প্রতিক বন্যা এবং ভুমিধসসহ নজিরবিহীন ধ্বংসযজ্ঞ নির্দেশনা দেয় যে বাংলাদেশের উজানে ৫৪ টি আন্তর্জাতিক নদীতে ভারত...
28/08/2026

নেপালের সাম্প্রতিক বন্যা এবং ভুমিধসসহ নজিরবিহীন ধ্বংসযজ্ঞ নির্দেশনা দেয় যে বাংলাদেশের উজানে ৫৪ টি আন্তর্জাতিক নদীতে ভারত ৪ হাজারের বেশী বাঁধ নির্মাণ করে তাতে কোটি কোটি কিউবিক মিটার পানি সংরক্ষণ করেছেঃ

"গঙ্গা অববাহিকায় ভারতে সম্পন্ন ও নির্মাণাধীন প্রকল্পগুলোর মোট লাইভ স্টোরেজ ২০১৫ সালের হিসাবে প্রায় ৫৬.৩ বিলিয়ন ঘনমিটার (BCM)। অর্থাৎ ৫,৬৩০ কোটি ঘনমিটার।
* ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় একই হিসাবে সম্পন্ন ও নির্মাণাধীন প্রকল্পগুলোর লাইভ স্টোরেজ প্রায় ২.৫১ BCM, অর্থাৎ ২৫১ কোটি ঘনমিটার।
* তবে এগুলো বাংলাদেশের উজানে অবস্থিত সব বাঁধের সুনির্দিষ্ট যোগফল নয়; এগুলো পুরো ভারতীয় গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার হিসাব।
* কিছু বড় প্রস্তাবিত/পরিকল্পিত প্রকল্পের সক্ষমতা অনেক বেশি। যেমন একটি পুরোনো প্রকল্প-তালিকায় দিবাং ৪.৭ BCM, সুবানসিরি ১০ BCM, দিহাং ৩৫.৫ BCM এবং টিপাইমুখ ৯ BCM লাইভ স্টোরেজ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল।"

আমার প্রশ্ন যদি হিমালয় অঞ্চলে কখনো ৮ রিখটার স্কেলের ভূমিকম্প হয় কিংবা পুরোনো হয়ে যাবার কারণে বাংলাদেশের উজানে ভারতের এবং চীনের বাঁধ ভেঙ্গে যায় তাহলে বিলিয়ন বিলিয়ন কিউবিক মিটার সংরক্ষণকৃত ধেয়ে আসা নিম্নমুখী পানির তোড়ে যে অভিঘাত সৃষ্টি হবে তাহবে শতশত পারমানবিক বোমার ধ্বংসযজ্ঞের চেয়ে অধিক। আমার ধারণা বাংলাদেশের উজান থেকে ধেয়ে আসা বিলিয়ন বিলিয়ন ঘনমিটার পানি বাংলাদেশের সব ঘরবাড়ী ও স্হাপনা মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিবে। বাংলাদেশের মানুষ এবং গরু- মহিষ সবকিছুকে ভাসিয়ে নিয়ে বঙ্গোপসাগরে ফেলবে।

এই মহা ধ্বংস যজ্ঞের হাত থেকে বাংলাদেশের মানুষ এবং সহায়সম্বল রক্ষা করার মাষ্টার প্লান তৈরীর মহাপরিকল্পনা সময় থাকতে আমাদের গ্রহণ করার বাস্তব পদক্ষেপ নেয়া সমীচীন মনেকরি। কারণ সময়ের একফোড়ে যা হয় অসময়ের দশফোড়ে তা অর্জিত হয় না।

27/08/2026

আদানির সাথে চুক্তি নিয়ে ২০২২ সালে একটি গবেষণা রিপোর্ট বেরিয়েছিল। রিসার্স গেট জার্নালে আর্টিকেলটা আছে। প্রায় ৬০ পৃষ্ঠার ওই রিপোর্টে দেখানো হয়েছিল, এই চুক্তিতে বাংলাদেশ কতভাবে ক্ষতির মুখে পড়বে। ২০২৫ সালে ন্যাশনাল রিভিউ কমিটিও সরকারকে বিস্তারিত প্রতিবেদন দিয়েছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, অন্যান্য উৎসের তুলনায় আদানির কাছ থেকে বিদ্যুৎ নিতে বাংলাদেশকে বছরে ৫-৬ হাজার কোটি টাকা বাড়তি দেওয়া লাগছে। ২৫ বছরে অতিরিক্ত ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা।

২০১৭ সালের হিসাব অনুযায়ী, খোদ ভারত থেকেই আমদানি করা বিদ্যুতের দাম ছিল যখন ৪.৪৬ সেন্ট, তখন আদানির সঙ্গে ৮.৬১ সেন্টে চুক্তি করা হয়।

রয়টার্সের রিপোর্টে এসেছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ আদানিকে ইউনিট প্রতি বিদ্যুৎখরচ দিয়েছে ১৪.৮৭ টাকা। অথচ ওই বছরে ভারতের অন্যান্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ বিক্রি হয়েছে ইউনিট প্রতি ৯.৫৭ টাকা। প্রতি ইউনিটে ৫.৩০ টাকা বেশি। ওই বছরে বিদ্যুৎ নেওয়া হয়েছে ৮.১৬ বিলিয়ন ইউনিট। তার মানে বাড়তি খরচ হয়েছে ৪৩২৫ কোটি টাকা।

একই বছরে বাংলাদেশের মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিক্রয়মূল্য ছিল ইউনিট প্রতি ৮.৪৫ টাকা। নেপালের জলবিদ্যুৎকেন্দ্রে বিদ্যুতের দাম ছিল প্রতি ইউনিট ৮.৩৫ টাকা। আদানির কাছ থেকে প্রায় ৫৫% বেশি দামে নেওয়া হয়েছে।

চু্ক্তির বড় ফাঁদ হচ্ছে ক্যাপাসিটি চার্জ। ২৫ বছরের মধ্যে কোনো বিদ্যুৎ প্রয়োজন না হলেও বা কম পরিমাণ নিলেও অন্তত ৪২০০ কোটি টাকার ফিক্সড পেমেন্ট এক্সপোজার থাকতে হবে। ভবিষ্যতে সৌরবিদ্যুৎ বা জলবিদ্যুৎ প্লান্টে অন্য কারো থেকে কম দামে বিদ্যুৎ পাওয়া গেলেও চুক্তি অনুযায়ী আদানিকে টাকা দিয়ে যেতে হবে।

গবেষণায় দেখানো হয়েছে, বাংলাদেশের বড় কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রের সাধারণ ক্যাপাসিটি চার্জ ইউনিট প্রতি ২.৮৩ টাকা, সেখানে আদানির চুক্তিতে এই চার্জ ৩.২৬ টাকা ধরা হয়েছে। বিদ্যুৎ না নিলেও প্রতিমাসে ৩৫২ কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হবে। এরকম বিপজ্জনক শর্তে ২৫ বছরের দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করা বাংলাদেশকে বন্দী করার নামান্তর। অথচ চাইলে No Electricity No Payment ধরনের চুক্তি করা সম্ভব ছিল। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ২০২১ সালে NVVN-এর সঙ্গে বিদ্যুতের চুক্তি নবায়ন করেছিল No Electricity, No Payment ভিত্তিতে।

আদানির গোড্ডা কেন্দ্রটি কয়লাভিত্তিক। তাই বিদ্যুতের ভ্যারিয়েবল কস্ট এর বড় অংশ নির্ভর করে কয়লার দাম ও পরিবহন খরচের ওপর। আদানি অস্ট্রেলিয়া থেকে কয়লা আমদানি করবে। কয়লার বাড়তি দাম বাংলাদেশকে দিতে হবে। জাহাজ খরচ ও গোড্ডা পর্যন্ত পরিহন খরচও বাংলাদেশকে দিতে হবে। আবার গোড্ডা থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুত পৌছানো পর্যন্ত লাইনের জন্য বাংলাদেশকে হুইলিং চার্জ দিতে হবে, যা বছরে ১% করে বাড়বে।

গবেষণা অনুযায়ী, গোড্ডা বিদ্যুতের খরচ বছরে প্রায় ৫.৪৯% হারে বাড়তে পারে। ২০৪৭ সাল নাগাদ আদানি বিদ্যুৎ দিবে ইউনিট প্রতি ৩৬.৪ টাকা হারে (ফিগার কমেন্টে)। অন্যদিকে ভারতে সোলার ট্যারিফ বছরে ১০% হারে কমছিল।

চুক্তি অনুযায়ী, ভারত সরকার যদি কর্পোরেট কর বাড়ায়, তবে তা বাংলাদেশকে পরিশোধ করতে হবে। কিন্তু সরকার তাদের কর মওকুফ করলে বা ছাড় দিলে সেটার ডিসকাউন্ট বাংলাদেশ পাবে না। এছাড়া পেমেন্ট করতে হবে ডলারে। তার মানে ডলারের বিপরীতে টাকার মান যদি ১০% দুর্বল হয়, তাহলে অন্য সব ঠিক থাকলেও ১ বিলিয়ন ডলার পেমেন্টে অতিরিক্ত ১২০০ কোটি দেওয়া লাগবে।

হাসিনার পতনের পর অন্তর্বতী সরকার এটা নিয়ে আন্তর্জাতিক সালিশি লড়াইয়ে গেছে। কিন্তু চুক্তিতে বলা আছে, বিরোধ নিষ্পত্তি হবে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী। আর এদিকে টাকা বকেয়া হওয়ায় আদানি বিদ্যুৎ সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। ১৪৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দেওয়ার কথা থাকলেও বকেয়া বিরোধে ২০২৪ সালের নভেম্বরে তা একপর্যায়ে মাত্র ৪৭ মেগাওয়াটে নেমে এসেছিল।

২০২৫ সালের জুনে অন্তর্বর্তী সরকার ৪৩৭ মিলিয়ন ডলার এককালীন দিয়ে মার্চ পর্যন্ত বকেয়া পরিশোধ করে। তারপর থেকে মাসে প্রায় ১০০ মিলিয়ন পরিশোধ করা হচ্ছে। এরপরও গত মাস পর্যন্ত বকেয়া দাঁড়িয়েছে ৪০০ মিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ চাহিদা রাফলি ১৭০০০ মেগাওয়াট। অথচ দেশেই উৎপাদন সক্ষমতা রয়েছে ২৯০০০ মেগাওয়াট। কিন্তু গ্যাস, জ্বালানি ও বকেয়া বিল সংকটে কেন্দ্রগুলো পূর্ণ উৎপাদন করতে পারে না।

তারপরও বর্তমানে প্রায় ১২০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দেশে উৎপাদন হয় (চাহিদার ৭০%)। আদানির সাথে চুক্তি ১৪৯৬ মেগাওয়াট (চাহিদার মাত্র ৯%)। ভারতের অন্য উৎস ও নেপাল থেকে আরও ১২০০ মেগাওয়াট পাওয়া যায়। সবমিলিয়ে প্রায় ১৫ হাজার মেগাওয়াট সরবরাহ আছে। লোডশেডিং আছে আনুমানিক ২০০০ মেগাওয়াট।

২৫ বছর ধরে আদানিকে বিপুল পরিমাণ অর্থ দেওয়া বাংলাদেশের জন্য অসহনীয় বোঝা। সেই টাকা দিয়ে বাংলাদেশের জ্বালানি সংকটের সমাধান করতে পারলে চাহিদার তুলনায় দ্বিগুণ উৎপাদন দেশেই করা যেত।

25/08/2026

আদানি বিদ্যুৎ চুক্তি বাতিল প্রসঙ্গে

ফেসবুক দিয়া রাজনীতিবিদ হওয়া অনেকে কথায় কথায় দাবি করেন, ভারতের আদানি কোম্পানির সঙ্গে করা বিদ্যুৎ আমদানি চুক্তি বাতিল করে দিতে হবে। সমস্যা হলো, এদের অনেকেই না বোঝেন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ চুক্তির আইন, না জানেন এমন চুক্তি ভঙ্গ বা বাতিলের পরিণতির ইতিহাস।

যাই হোক, তাদের প্রিয় একটি দেশের আন্তর্জাতিক বিনিয়োগসংক্রান্ত বিরোধের শেষ পরিণতি কী হয়েছিল, তার একটি বাস্তব ঘটনা আলোচনা করি।

দেশটির নাম পাকিস্তান। ঘটনাটি Reko Diq তামা ও স্বর্ণখনি প্রকল্প।

পাকিস্তানের বেলুচিস্তান সরকার ২০১১ সালে Tethyan Copper Company-এর খনি ইজারার আবেদন প্রত্যাখ্যান করে। কোম্পানিটি এরপর Australia–Pakistan Bilateral Investment Treaty-এর অধীনে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাংকের International Centre for Settlement of Investment Disputes (ICSID)-এ আন্তর্জাতিক আরবিট্রেশনে যায়। পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টও ২০১৩ সালে মূল CHEJVA চুক্তিটিকে অবৈধ ঘোষণা করে। কিন্তু দেশের অভ্যন্তরীণ আদালতের সেই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ-চুক্তির অধীনে পাকিস্তানের দায় শেষ করে দেয়নি।

দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর ২০১৯ সালে ICSID tribunal পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রায় ৫.৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের award দেয়। এর ওপর সুদের দায়ও ছিল। এখানেই শেষ নয়। একই প্রকল্প নিয়ে চলমান আরেকটি ICC arbitration-এ পাকিস্তানের নিজস্ব আন্তর্জাতিক আইন ও আর্থিক পরামর্শকদের হিসাবে আরও প্রায় ২–৩ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণের ঝুঁকি ছিল। অর্থাৎ সব মিলিয়ে পাকিস্তানের মাথার ওপর প্রায় ৮–৯ বিলিয়ন ডলার বা তারও বেশি আর্থিক দায়ের ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের ২০২২ সালের নথিতেই এই অঙ্কগুলো উল্লেখ আছে।

শেষ পর্যন্ত কী হলো?

কয়েক বছর মামলা-মোকদ্দমা চালিয়ে পাকিস্তান আবার আলোচনার টেবিলে ফিরে গেল। ২০২২ সালের সমঝোতায় Reko Diq প্রকল্প পুনর্গঠন করা হলো। Barrick প্রকল্পটির operator হলো এবং প্রকল্পের ৫০ শতাংশ পাকিস্তানি স্বার্থের অধীনে রাখার ব্যবস্থা হলো। Antofagasta-কে ৯০০ মিলিয়ন ডলার দিয়ে প্রকল্প থেকে বের করে দেওয়া হয় এবং সংশ্লিষ্ট ICSID ও ICC দাবিগুলো নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করা হয়।

এই জন্যই প্রবাদে আছে, ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না।

আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ বা বাণিজ্যিক চুক্তি করা যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো চুক্তিতে স্বাক্ষর করার আগেই দেশের স্বার্থ রক্ষাকারী শর্ত নিশ্চিত করা। কারণ সরকার পরিবর্তন হলেই একটি রাষ্ট্রের পূর্ববর্তী আন্তর্জাতিক চুক্তিগত দায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে উধাও হয়ে যায় না। আবার চুক্তি বাতিল করলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যায়, বিষয়টি এত সহজও নয়।

তাই আদানি–বাংলাদেশ বিদ্যুৎ চুক্তি নিয়ে আলোচনা অবশ্যই হওয়া উচিত, চুক্তিটি বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী হলে তার সমালোচনাও হওয়া উচিত। কিন্তু “চুক্তি পছন্দ না, তাই কালকেই বাতিল করে দেন” আন্তর্জাতিক চুক্তি এভাবে চলে না। আগে দেখতে হবে চুক্তির termination clause, default provision, compensation formula, governing law এবং dispute-resolution mechanism কী বলে। তারপর হিসাব করতে হবে, চুক্তি বহাল রাখলে বাংলাদেশের ক্ষতি কত, renegotiate করলে কী পাওয়া সম্ভব, আর একতরফাভাবে বাতিল করলে সম্ভাব্য আর্থিক ও আইনি দায় কত।

কী ভ*য়াবহ অবস্থা! মা*দক সমাজটাকে ধ্বং*স করে দিলো। পুরো ঘটনা কোনো থ্রিলার সা*ইকো সিনেমার থেকেও হার হিম করা।জিলা স্কুলের প...
23/08/2026

কী ভ*য়াবহ অবস্থা! মা*দক সমাজটাকে ধ্বং*স করে দিলো। পুরো ঘটনা কোনো থ্রিলার সা*ইকো সিনেমার থেকেও হার হিম করা।

জিলা স্কুলের প্রাক্তন স্যার গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর স্ত্রী-সন্তানসহ পুরো পরিবারের মোট ৪ জনকে হ*ত্যার ঘটনার বিস্তারিত।

এই হ*ত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল হোতা দুই জা*নোয়ার-সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস। এই জা*নোয়ার দুটো ঠান্ডা মাথায় হার হিম করা জ*ঘন্য এই হ*ত্যাকাণ্ড চালায়। গত শুক্রবার ভোররাত থেকে তারা এই নি*র্মম হ*ত্যাকাণ্ড চালায়।

পুলিশের ভাষ্যমতে, ভিকটিমের পাশের পাশা ছাদ টপকে তারা স্যারদের বাসার ছাদে এসে বরাবরের মতো ই*য়াবা সে*বন করছিল। ঘটনার দিন স্যার ছাদে কোথাও একটু শব্দ পেলে চেক করার জন্য উপরে যান। গিয়ে তিনি দেখতে পান, সেখানে এই দুই কাল*প্রিট ই*য়াবা সে*বন করছিল। স্যার তাদের দুজনকে দেখে চিনতে পারায় তারা স্যারকে দুনিয়া থেকে স*রিয়ে দেওয়ার প্ল্যান করে সাথে সাথেই। তারা ভাবে, তাদের এই মাদক সেবনের বিষয়টি প্রকাশ হয়ে যেতে পারে।

স্যার খালি গায়ে ছিলেন এবং গলায় একটি গামছা ছিল। জানোয়ার দুটো সেই গামছা দিয়েই স্যারের গ*লা পেঁ*চিয়ে সাথে সাথেই তাঁকে সেখানে হ*ত্যা করে।

উপরে একটু ধ*স্তাধ*স্তির শব্দ পেয়ে স্যারের স্ত্রী দ্রুত ছাদে ছুটে চলে আসেন। এবং স্যারের স্ত্রীকেও তারা ধা*ক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে একইভাবে গ*লায় গামছা পেঁ*চিয়ে মে*রে ফেলে।

বাবা-মায়ের অনুপস্থিতি এবং শব্দ পেয়ে বড় মেয়ে আগামী চক্রবর্তীও ছাদে চলে আসেন। কারমাইকেল কলেজের মাস্টার্সের এই শিক্ষার্থী আগামী চক্রবর্তীকেও তারা গামছা পেঁ*চিয়ে হ*ত্যার চেষ্টা করেন।

খু*নিদের ভাষ্যমতে, তারা আগামী চক্রবর্তীকে গামছা পেঁ*চিয়ে হ*ত্যা করার চেষ্টা করলেও কিছুতেই তাঁর প্রা*ণ যাচ্ছিল না। প্রায় ৪–৫ মিনিট তাঁকে হ*ত্যা করতে সময় লেগেছে। তারা আগামী চক্রবর্তীর মুখে এবং গলায় এতটাই জোরে গামছা পেঁ*চিয়ে চে*পে ধরেছিল যে, চাপের জোরে আগামী চক্রবর্তীর মুখের ক*বজি ভেঙে যায় এবং একটি চো*খ বাহিরে বেরিয়ে আসে। এরপর তারা তাঁকে মা*রতে সফল হয়।

এরপর তারা তাদের এই হ*ত্যাকাণ্ডের সবচেয়ে নি*র্মম ও হিং*স্র হ*ত্যাকাণ্ড চালায়।

স্যারের সবচেয়ে ছোট ছেলে প্রিয়ম। সে জিলা স্কুলের ৫ম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী। জা*নোয়ার দুটো এরপর রুমে এসে প্রিয়মকে দেখতে পেলে তারা সেখানে থাকা কাপড় তুলে তা প্রিয়মের মুখে পেঁ*চিয়ে হ*ত্যার চেষ্টা করে। এতে তার প্রা*ণ না গেলে তাকে আবার পুনরায় বা*লিশ চাপা দিয়ে শ্বা*সরোধ করে তার মৃ*ত্যু নিশ্চিত করে জা*নোয়ার দুটো।

একটা ১০ বছরের বা*চ্চাকেও তারা ছাড়লো না। এর কারণ হিসেবে তারা জানায়, ছোট্ট এই প্রিয়ম, মুগ্ধ-সিদ্ধার্থের ছোট ভাইয়ের সাথে খেলাধুলা করে। তাই সে জা*নোয়ার দুটোকে চিনে ফেলেছিল। প্রমাণ না রাখতে তাই তাকেও তারা মে*রে ফেলে খাটের নিচে ছূ*ড়ে ফেলে দেয়।

ঘটনা এখানেই শেষ নয়। মানুষরূপী এই পি*শাচ দুটোর ভ*য়াবহ রূপ দেখানো আরও বাকি।

সবার মৃ*ত্যু নিশ্চিতের পর তারা ভোররাত থেকে সেখানেই অবস্থান করে। সবাইকে মে*রে ফেলার পর প্রিয়ম যে রুমে থাকত, সেই রুমের ওয়াশরুমে গিয়ে তারা গোসল করে ফ্রেশ হয়। এরপর ডাইনিংয়ে বসে টেবিলে রাখা খেজুরের বক্স থেকে খেজুর খায় ও রেস্ট নেয়!

চিন্তা করেন, তারা কিছুক্ষণ আগে ৪টা তর*তাজা প্রা*ণ নিলো। একট হাসিখুশি পরিবার'কে কয়েক মিনিটেই শে*ষ করে দিলো। এরা কি মানুষ?

এরপর তাদের কাছে অবশিষ্ট আরও ১ পিস ই*য়াবা ছিল, যেটি তারা টেবিলে বসে সে*বন করে।

সকাল হলে তারা অপেক্ষা করে, বাইরে মানুষের আনাগোনা কখন কম হয়। এরই মাঝে তারা ঘটনাকে অন্যদিকে মোড় দিতে ঘরের সমস্ত জিনিসপত্র এলোমেলো করতে থাকে। ঘটনাক্রমে তাদের লো*ভ জাগলে কিছু স্বর্ণালংকার ও দামি জিনিসপত্র নিয়ে নেয়।

সময় গড়িয়ে যখন নামাজের সময় হয় এবং শুক্রবার হওয়াতে বাইরের লোকজন সবাই জুমার নামাজে যায় ও বাইরে মানুষের আনাগোনা কমে যায়, সেই সময় তারা ছাদ টপকে পাশের বাসা দিয়ে পা*লিয়ে যায়। পালানোর পর তারা চু*রি করা জিনিস পাশের মন্দিরের পিছনে লুকিয়ে রাখে।
ভ*য়ংকর এই ঘটনার বিবরণ তারা নিজ মুখেই পুলিশের কাছে স্বীকার করে।

মানুষ কীভাবে এতটা ভ*য়ংকর হতে পারে?
হার হিম করা নি*র্মম এই ঘটনাটার বিস্তারিত লিখতে আমাদের হাত কাঁ*পছিল, চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছিল।

এদের-এই জা*নোয়ার দুটোর-একমাত্র সাজা জনসম্মুখে ফাঁ*সি। ১ মাসের মধ্যেই আমরা এদের ফাঁ*সি চাই।

আপনার-আমার আশেপাশেই ঘুরছে মানুষরূপী এই ভ*য়ংকর জা*নোয়ারগুলো।
সবাই সাবধান থাকবেন। শান্তির শহর রংপুর ভালো নেই।

লেখা- Rangpur Division Crushes & Confession
- এডমিন

ব্রেকিং নিউজরংপুর জিলা স্কুলের শিক্ষক হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে দুই খুনিকে (মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ) গ্রেফতার করেছে প...
23/08/2026

ব্রেকিং নিউজ

রংপুর জিলা স্কুলের শিক্ষক হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে দুই খুনিকে (মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দুই মাদক সেবী স্যারের বাসার ছাদে বসে ইয়াবা খাওয়ার সময় স্যার দেখে ফেলায় প্রথমে স্যার এর সাথে তর্কে জড়িত হয় ও পরে সেখানেই গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করে। এর পরে স্যারের স্ত্রী ছাদে কোলাহলের শব্দ শুনে সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠার সময় সিঁড়ির মধ্যে তার স্ত্রীকে হত্যা করে। এর পরে সিঁড়ির মধ্যে চিল্লা-চিল্লির শব্দ শুনে স্যারের মেয়ে এগিয়ে আসলে তাকেও সিঁড়ীর মধ্যে গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করে। ও সর্বশেষে রুমে প্রবেশ করে শিশু সন্তানকে হত্যা করে।

হত্যা কান্ডের অভিযুক্ত আসামী দুইজনই হিন্দু ধর্মের অনুসারী ও মাদকাসক্ত। দুই খুনি সম্পর্কে মামাত ভাই হয় ও এদের মধ্যে একজন স্বর্নের দোকানের কর্মচারী।

আশা করি এই নির্মম ও মর্মান্তিক হত্যাকান্ড নিয়ে ধর্মকার্ড বা রাজনৈতিক কার্ড খেলা থেকে সবাই বিরত থাকবেন।

21/08/2026

🗣️ কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানো ও গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট সমাধানের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে বক্তব্য রাখেন গণসংহতি আন্দোলন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তর এর সদস্য সচিব মাহবুব আলম রতন।
২নং ওয়ার্ড, পল্লবী থানা আয়োজিত সমাবেশে কামাল হোসেনের সঞ্চালনায় ও সজল রাজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির রাজনৈতিক পরিষদ সদস্য মনির উদ্দীন পাপ্পু। আরো বক্তব্য রাখেন পল্লবী থানার সমন্বয়কারী আশরাফুল ইসলাম নোমান, যুগ্ম সমন্বয়কারী শাহ্ মান্না, নির্বাহী সমন্বয়কারী প্রদীপ রায়, ২নং ওয়ার্ডের বাবুল আশরাফী, জাহাঙ্গীর ও মোঃ সেলিম।
সমাবেশে ২নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল মিরপুর ডিওএইচএস মোড় ঘুরে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।

🗓️ ২১ আগস্ট ২০২৬
🕙 বিকাল ৩:৩০টা
📍পল্লবী থানা কার্যালয়ের সামনে, মিরপুর, ঢাকা

শ্রম আইন ২০২৬-এর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন, মজুরি বোর্ড গঠন ও গণতান্ত্রিক শ্রম বিধি প্রণয়ন, শ্রমিক ও শিল্প বাঁচাতে ছাঁটাই বন্ধ...
21/08/2026

শ্রম আইন ২০২৬-এর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন, মজুরি বোর্ড গঠন ও গণতান্ত্রিক শ্রম বিধি প্রণয়ন, শ্রমিক ও শিল্প বাঁচাতে ছাঁটাই বন্ধ এবং নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতের দাবিতে বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির সভাপ্রধান ও জিএসএর রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য তাসলিমা আখতারের সভাপতিত্বে এই সমাবেশে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন জিএসএর শ্রমখাত বিষয়ক সম্পাদক আলিফ দেওয়ান, কেন্দ্রীয় সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তর সদস্য সচিব মাহবুব আলম রতন।

সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন জিএসএর প্রযুক্তিখাত বিষয়ক সম্পাদক আবদুল্লাহ নাদভী, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি সৈকত আরিফ সহ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির কেন্দ্রীয় ও বিভচিন্ন স্তরের নেতাকর্মীবৃন্দ।

🗣️ শ্রম আইন ২০২৬ পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন, মজুরি বোর্ড গঠন ও গণতান্ত্রিক শ্রম বিধি প্রণয়ন, শ্রমিক ও শিল্প বাঁচাতে ছাঁটাই বন্ধ...
20/08/2026

🗣️ শ্রম আইন ২০২৬ পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন, মজুরি বোর্ড গঠন ও গণতান্ত্রিক শ্রম বিধি প্রণয়ন, শ্রমিক ও শিল্প বাঁচাতে ছাঁটাই বন্ধ ও গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতের দাবিতে মিছিল ও সমাবেশে অংশ নিন!

🗓️ ২১ আগস্ট ২০২৬
🕙 সকাল ১১:০০টা
📍জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে, ঢাকা

🗣️ কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানো ও গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট সমাধানের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে অংশ নিন!

🗓️ ২১ আগস্ট ২০২৬
🕙 বিকাল ৩:৩০টা
📍পল্লবী থানা কার্যালয়ের সামনে, মিরপুর, ঢাকা

অভিনন্দন, বাংলাদেশের ২৩তম নবনির্বাচিত মহামান্য রাষ্ট্রপতি জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর!একজন ক্লিন ইমেজের রাজনীতিবিদ হি...
20/08/2026

অভিনন্দন, বাংলাদেশের ২৩তম নবনির্বাচিত মহামান্য রাষ্ট্রপতি জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর!

একজন ক্লিন ইমেজের রাজনীতিবিদ হিসেবে আগামী দিনগুলোতে রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে ইনসাফ কায়েম, গণতন্ত্রকে সমুন্নতকরণ এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তিনি তাঁর সর্বোচ্চ যোগ্যতা ও প্রজ্ঞাকে কাজে লাগাবেন বলে আমি আশাবাদ ব্যক্ত করতে চাই!

Address

305-306 Rose View Plaza, Hatirpool
Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mahbub Alom Ratan/মাহবুব আলম রতন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share