08/01/2026
এ জীবনের মোটামুটি মাঝভাগে এসে যে জিনিসটা সত্য বইলা মনে হইলো,
তা বলি আপনাদের,
এ জীবনে ভালোবাসার থেকে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই হয়না!
মনের ভিতরের খারাপ লাগা, যন্ত্রনা, স্ট্রেস অস্থিরতার সমস্ত কিছুর ঐ একটাই ঔষধ, ভালোবাসা।
ভালোবাসা বুঝতে হইলেও, মনরে নরম রাখা লাগে।
মনের ভিতরে যদি ভায়োলেন্স জাইগা থাকে,
যদি ঘৃণা থাকে, থাকে হিংসা,
আর থাকে তীব্র প্রতিযোগিতা
তাইলে আর স্থির হইয়া জীবনের গাঢ়তম স্বাদ, কোনভাবেই পাইবেন না!
ভালোবাসার জন্যও মনটারে তৈরি করা লাগে।
ভিতরে কিছু ইনোসেন্স পুষে রাখা লাগে।
এ জগতের জটিল করুণ হিসাব, আপনারে যেন একেবারে বদলায়া না দেয়, সেই দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখা লাগে।
নিজের ভিতরে নিজের ছেলেবেলার একটা অংশ যেন থাকে!
যেন স্বল্পে তুষ্ট, অল্পে নিষ্মিত হইবার ম্যাজিক ক্ষমতাটা চইলা না যায়।
খেয়াল রাইখেন!
মানুষের সম্পর্কে খারাপ কথা বললে, ইনোসেন্স মরে যেতে থাকে, মন ধীরে ধীরে স্যাটানিক হয়ে উঠে!
নিজেরে রক্ষা করার উপায়, আর সুখি রাখার উপায় হচ্ছে
মানুষের গূণ দেখবার চেষ্টা করা,
খারাপ কথা বলা একেবারে মিনিমাম লেভেলে নিয়ে আসার চেষ্টা করা
অনবরত মাফ করা আর মাফ চাওয়া!
মাফ, ক্বালবের ওজু!
নিজেরে পবিত্র রাখার একটা মোক্ষম দাওয়াই!
আরেকটা ইন্টারেস্টিং কথা বলি শোনেন,
কোন কিছুর মালিক আপনি না, এই সত্যটা কেবল মাথায় রাইখেন।
মনে রাইখেন গাড়ি৷ বাড়ি। সম্পদ। যা কিছু নিজের বলিয়া ভ্রম হয় তাহা আসলে একটা ডিলিউশন!
যে কোন সময় সবকিছু বালির বাধের মতন ভেঙে যাবে।
কোরআনের জ্ঞানটা বলি মিলাতে পারবেন,
লিল্লাহি মা ফিস্সামাওয়াতি ওয়া মা ফিল্ আরদ্
( সূরা আল বাকারা, ২৮৪)
আকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে—সবই আল্লাহর।
আপনি এই মুহূর্তে আপনার সামনে যা কিছু দেখছেন
পুত্র, কন্যা, স্ত্রী / স্বামী, সোফা, বাড়ি, জমিন,
কারো/ কোন কিছুরই মালিক আপনি না। আপনি বড়জোর কদিনের কেয়ারটেকার, দেখভালের একট দায়িত্ব পেয়েছেন কেবল!
বোকার মতন, এই দেখনাদারির শয়তানি জগতে গা ডুবিয়ে দিয়ে, আমি আমি, আমার আমার করিয়া, অস্থির হয়ে উইঠেন না!
সহজে নেন সব। মাইনা নেন।
জীবন সরল সিধা রাখার চেষ্টা করেন।
ভাবেন
আহা, আর মোটে ক টা দিন। তারপর?
মৃত্যু এসে দাঁড়াবে সমুখে, বেদনার জল হয়ে।
দেখবেন কেউ নেই।কিছু নেই।
কোন তাড়া নেই আর কোথাও যাবার!