11/08/2025
>>>গ্রামের এক কোণে, ঝুপড়ি ঘরে বাস করতো রহিম মিয়া। পেশায় দিনমজুর। সকাল হলেই কোদাল কাঁধে তুলে বেরিয়ে পড়ত কাজের খোঁজে। কিন্তু কাজ জোটানো যেন সোনার হরিণ পাওয়ার মতো কঠিন হয়ে উঠেছিল। কয়েক দিন ধরে কোনো কাজ নেই। পকেট খালি, ঘরে চাল নেই, ছেলেমেয়েদের মুখে অন্ন নেই। অথচ ছোট ছেলে হাসানের মুখে একটাই প্রশ্ন, “বাবা, আজ ভাত পাবো?”
>>>>>রহিম মিয়া একবার ছেলের মুখের দিকে তাকায়, আরেকবার খালি হাঁড়ির দিকে। চোখে জল আসে, কিন্তু ছেলের সামনে সেটা লুকিয়ে রাখে। “পাবি বাবা, একটু সময় দে,” বলেই সে বেরিয়ে পড়ে। জানে না কোথায় যাবে, কী করবে, শুধু একটা কাজের খোঁজে ছুটে চলে।
>>>>দুপুর গড়িয়ে যায়। রোদের তাপে তৃষ্ণায় জিভ শুকিয়ে আসে, পেট চোঁচোঁ করে। পথের পাশে একটা হোটেল। ভাত-তরকারির গন্ধে মন কেঁপে ওঠে। কিন্তু টাকাও তো নেই। হোটেলের পেছনে গিয়ে আবর্জনার পাশে দাঁড়িয়ে দেখে, কেউ ফেলে দেওয়া কিছু শুকনো ভাত, মাছে কাঁটা। কিছুটা তুলে নিয়ে মুখে পুরে দেয় — ক্ষুধা এতই প্রবল যে লজ্জাও হার মানে।
>>>>>অবশেষে একটা ইটভাটায় কিছু কাজ মেলে। দিনশেষে ২০০ টাকা পায়। সাথে একটা পুরনো লুঙ্গি ও এক প্যাকেট বিস্কুট। চোখে জল চলে আসে — এ যেন রাজার ধন পেয়ে গেছে সে।
>>>>_সন্ধ্যায় ঘরে ফিরে দেখে তার বউ ফাতেমা কাঁদছে, হাসান জ্বরে পুড়ছে। কিন্তু মুখে যখন বিস্কুট তোলে, ছেলেটা একটুও হাসে না, শুধু কাঁপা কাঁপা গলায় বলে, “বাবা, খিদা পাইছে।”
>>>>>রহিম মিয়া ছেলেকে বুকে টেনে নিয়ে বলে, “খিদা একটা জ্বালা, রে বাবা। গরিবের পেট সব সহ্য করে, কিন্তু খিদার জ্বালা সবচেয়ে বড় আগুন।”
ফাতেমা চোখ মুছে বলে, “তুই তো অন্তত লড়তেছিস, আল্লাহ নিশ্চয়ই একদিন তোরে ফিরাই দিবে।”
পরদিন রহিম মিয়া আবার বেরিয়ে পড়ে।
খিদার বিরুদ্ধে যুদ্ধটা তখনও শেষ হয়নি।
শেষ নয়, শুরু… কারণ গরিবের খিদা কখনোই মিটে না।
>>>>>অথচ আমাদের যাদের আছে,,,
আমরা দামি দামি রেস্টুরেন্টে যাচ্ছি,,
যতটুকু খেতে পারব না তার চাইতে বেশি অর্ডার করেছি,,,,,
অল্প একটু খেয়ে বাকিটা ছেড়ে দিচ্ছি,,,
।
দেশের বড় লোক গুলো যদি গরিবের খিদার জ্বালা বুঝতো
আমার মনে হয় না দেশে মানুষ না খেয়ে ১বেলা থাকতো।
।
>>>>>হিসাব করে খরচা করুন,
অপচয় না করে ক্ষুধার্ত ব্যক্তিকে খাওয়ার কিনে দিন।
।
আপনি যদি সম্পূর্ণ গল্পটা পড়েন আপনাকে আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আপনার মতামত জানিয়ে দেবেন।
অনুরো