ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চন্দনাইশ উপজেলা.

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চন্দনাইশ উপজেলা.

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চন্দনাইশ উপজেলা. Welcome to all.This is official page of IAB. No connection with awami league,bnp,jamat shibir or any other political parties. Join & Learn Islam Perfectly

Islami Andolan Bangladesh is the real Islamic political Organization in Bangladesh . It's Founded by Maulana Fazlul Karim ( Ex- Shayekh of Charmonai ) .We want to establish Islamic Rules and it's a Farz work for all Muslims. No connection with awami league, bnp, jamat shibir or any other political parties.
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর পরিচিতি
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
ভূমিকা
আল্লাহ রাব্বুল আ’লামী

ন মানবজাতিকে সৃষ্টি করেছেন এবং তাদের সঠিক পথে পরিচালনার জন্য যুগে যুগে সত্য দীনসহ অগণিত নবী-রাসূল সা. প্রেরণ করেছেন। নবী-রাসূলগণ সা. হক-বাতিল, ভাল-মন্দ, ন্যায়-অন্যায়, সফলতা-ব্যর্থতার মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য বিধানপূর্বক শান্তি, কল্যাণ ও মুক্তির সঠিক পন্থা নির্ধারণ করে গেছেন। তাঁরা ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা ও অন্যায়ের প্রতিরোধের মাধ্যমে মানবজীবনকে সুন্দর , সফল, সার্থক ও শ্রেষ্ঠত্বের মর্যাদায় সমাসীন করেছেন। আখেরী নবী হযরত মুহাম্মদ সা.-এর পর এ দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে উম্মতে মুহাম্মদী অর্থাৎ গোটা মুসরিম জাতির ওপর। এ দায়িত্ব মুসলমানরা যে যুগে যতটুকু পালন করেছেন সে যুগে ততটুকু শান্তি, কল্যাণ ও মুক্তি পেয়েছেন।
আল্লাহ প্রদত্ত ইসলামের সুমহান আদর্শে দেশের শতকরা প্রায় ৯০ জন লোক বিশ্বাসী।ইসলামের প্রতি এদেশের মানুষের আস্থা, বিশ্বাস ও দরদ অত্যন্ত গভীর। জনগণ চায় ইসলামী আদর্শ অনুযায়ী দেশ পরিচালিত হোক। কিন্তু শাসকগোষ্ঠী, কায়েমী স্বার্থবাদী মহল, সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদের এজেন্টদের বহুমুখী ষড়যন্ত্র ইসলামী আদর্শ কায়েমের পথে অন্তরায় হয়ে রয়েছে। একদিকে জনগণকে বার বার ধোকা দিয়ে ক্ষমতায় থাকার জন্য শাসকগোষ্ঠী ইসলামের নাম ব্যবহার করে আসছে। অন্যদিকে ইসলামের উত্থানকে ঠেকানোর জন্য গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। ফলে দেশে বিরাজ করছে অগণিত সমস্যা। এ সমস্যার কথা অনেকেই স্বীকার করেন এবং তা সমাধানে বার বার আন্দোলনও হয়েছে, কিন্তু সমস্যা রয়েই গেছে। সমস্যার স্থায়ী সমাধানেরর জন্য সর্বাগ্রে মূল কারণ চিহ্নি করা প্রয়োজন। আমরা মনে করি, যতক্ষণ পর্যন্ত নৈতিক আদর্শ বিবর্জিত সমাজ কাঠামোর পরিবর্তন ও দুর্নীতিবাজ নেতৃত্বের অবসান ঘটিয়ে ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠা এবং সমাজের সর্বস্তরে যোগ্য, খোদাভীরু লোকের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত দেশের কোন সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। এ সত্য উপলব্ধির প্রেক্ষিতে দেশের সর্বজন শ্রদ্ধেয় ওলামায়ে কিরাম, পীর-মাশায়েখ ও দীনদার বুদ্ধিজীবীগণের নেতৃত্বে ১৯৮৭ সালের ১৩ই মার্চ জালেম শাসকগোষ্ঠী ও শোষণমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে দেশকে একটি পূর্ণাঙ্গ কল্যাণরাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্যে ‘ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন ’ প্রতিষ্ঠিত হয়। যা গত ২০ নভেম্বর’০৮ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ‘ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’ নামে নিবন্ধন লাভ করে। নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ‘ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’ এর নিবন্ধন নং-০৩৪।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রচলিত কোন রাজনৈতিক দল নয়। দলাদলী ইসলাম সমর্থন করে না, কারণ দলীয় রাজনীতি সংকীর্ণতা, কোন্দল ও হানাহানি সৃষ্টির নামান্তর। দলীয় রাজনীতি মুসলিম উম্মাহর সংহতি ও ঐক্যকে বিনষ্ট করে উম্মাহকে শতধাবিভক্ত করে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বস্তুতঃ ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দল-মত নির্বিশেষে একটি সর্বজনীন ইস্যুভিত্তিক আন্দোলন। স্বাধীনতা আন্দোলন কিংবা ভাষা আন্দোলন যেমন কোন দলীয় আন্দোলন ছিল না, যা ছিল দু’টি ইস্যুকে সামনে রেখে দলমত নির্বিশেষে একটি সর্বজনীন আন্দোলন। অনুরূপ নিছক নেতা বা সরকার পরিবর্তন নয়, দেশে প্রচলিত মানবরচিত সকল অনৈসলামী নীতি এবং জাহেলী সমাজের সার্বিক পরিবর্তন সাধন করে ইসলামকে রাষ্ট্রীয়ভাবে একটি বিজয়ী আদর্শ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাই ইসলামী আন্দোলনের চূড়ান্ত লক্ষ্য। এখানে একটি বিষয় বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, ৫২’র ভাষা আন্দোলন বা ’৭১ এর স্বাধীনতা আন্দোলনের সাথে ইসলামী আন্দোলনের কোনরূপ তুলনা করা হয়নি। কারণ ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের সাথে অন্য কোন আন্দোলনের তুলনা করা আদৌ যুক্তিসঙ্গত নয়। এটা শুধুমাত্র আন্দোলনের ধরণ বুঝাবার জন্য উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ইসলামী আন্দোলনের মূল ইস্যু হচ্ছে ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠা।
অতএব, যতদিন বাংলার জমিনে পূর্ণাঙ্গ ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠা না হবে ততদিন পর্যন্ত এ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ।
উদ্দেশ্য ঃ দুনিয়ায় শান্তি ও আখিরাতের মুক্তি লাভের জন্য আল্লাহ তা’আলার সন্তুষ্টি অর্জন।
লক্ষ্য ঃ প্রচলিত জাহেলী সমাজব্যবস্থার পরিবর্তন সাধন করে ইসলামী আদর্শ বাস্তবায়নের মাধ্যমে খেলাফতে রাশেদা নমুনায় বাংলাদেশকে একটি কল্যাণরাষ্ট্রে পরিণত করা।

কর্মসূচি
১. দাওয়াত ঃ একটি সুখী সমৃদ্ধ কল্যাণরাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য জনসাধারণকে সচেতন করা এবং সর্বস্তরে ‘আমর বিল মা’রূফ ও নাহি আনিল মুনকার’ তথা ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা চালাতে সকলকে উদ্বুদ্ধ করা।
২. সংগঠন ঃ আন্দোলনের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যে প্রতি আগ্রহী সংগঠন, প্রতিষ্ঠান, দল ও ব্যক্তিদেরকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কাফেলায় সংঘবদ্ধ করা।
৩. জ্ঞানার্জন ও প্রশিক্ষণ ঃ নৈতিকতাসমৃদ্ধ আলোকিত মানুষ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ধর্মীয় জ্ঞান প্রসারের পাশাপাশি প্রচলিত জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা, কর্মমূখি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জনগণকে সুশিক্ষিত, দক্ষ ও আদর্শিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা। সংঘবদ্ধ লোকদের আদর্শিক আধ্যাত্মিক রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংগঠনিক দিক থেকে ইসলামী সমাজ গঠনের যোগ্য সৈনিক হিসেবে গড়ে তোলা।
৪. ঐক্য ঃ ইসলামের সুমহান আদর্শের ভিত্তিতে গণমানুষের মধ্যে সুসম্পর্ক ও সংহতি সৃষ্টির চেষ্টা চালানো।
৫. শিক্ষা সংস্কার ঃ জাতীয়ভাবে সর্বজনীন কল্যাণকে সামনে রেখে প্রচলিত মাদরাসা শিক্ষার উন্নয়ন এবং স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষাকে ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থার সমন্বয়ে কর্মমূখি শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তনের চেষ্টা চালানো।
৬. খেদমতে খালক ঃ খেদমতে খালক বা সমাজের অবহেলিত, বঞ্চিত মানুষের সেবা, জালিমের প্রতিরোধ এবং খেটে খাওয়া মজলুম মানুষের অধিকার আদায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা।
৭. সমাজ সংস্কার ও অর্থনৈতিক মুক্তি ঃ সর্বস্তরে সুদ, ঘুষ দুর্নীতি, সন্ত্রাস, খুন, ধর্ষণ, চুরি-ডাকাতি ইত্যকার সামাজিক ব্যাধি উচ্ছেদ করে গণবিপ্লবের মাধ্যমে একটি আদর্শ সমাজ গঠন করা। অপরদিকে দারিদ্রের অভিশাপ থেকে দেশ ও জাতিকে মুক্ত করতে সম্পদের সর্বোত্ত ও সঠিক ব্যবহার, ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দেশীয় শিল্পের বিকাশ এবং কৃষি বিপ্লবে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদানের পাশাপাশি দুসভিত্তিক সমাজব্যবস্থা উৎখাত করে ইসলামের যাকাত ও হালাল ব্যবসার নীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি স্বনির্ভর ও সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করা।
৮. অপশক্তি-অপসংস্কৃতি প্রতিরোধ ঃ জাহেলী অপশক্তি ও অপসংস্কৃতির সয়লাব রোধ করে সুস্থ্য ধারার সৃজনশীল ইসলামী সংস্কৃতির বিকাশ ঘটানোর সক্রিয় প্রয়াস চালানো।
৯. অমুসলিম বা সংখ্যালঘুদের অধিকার ঃ অমুসলিম বা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জান-মাল, ইজ্জত-আবরুর নিরাপত্তা ও ধর্মীয় স্বাধীনতাসহ সকল নাগরিক অধিকারের নিশ্চয়তা বিধান।
১০. গণআন্দোলন ঃ সমাজ ও রাষ্ট্রের অকল্যাণকামী ভোগবাদী ও খোদাদ্রোহী নেতৃত্বের অবসান ঘটিয়ে খোদাভীরু দেশপ্রেমিক যোগ্য লোকের নেতৃত্বে ইসলামী আদর্শভিত্তিক একটি কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য জনসাধারণকে অনুপ্রাণিত করে গণ-আন্দোলন গড়ে তোলা।

সাংগঠনিক কাঠামো
ইসলামী আন্দোলন বাংলাশে-এর কেন্দ্রীয় কাঠামোতে রয়েছে ঃ
ক. একজন আমীর
খ. মজলিসে সাদারাত (প্রেসিডিয়াম)
গ. মজলিসে শুরা (পরামর্শ পরিষদ)
ঘ. মজলিসে আমেলা (কার্যনির্বাহী পরিষদ)
সাংগঠনিক স্তর ঃ
আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত লোকদের সাংগঠনিক মানে উন্নীত করার জন্য তিনটি স্তর রয়েছে ঃ (ক) সদস্য (খ) কর্মী (গ) মুবাল্লিগ।
ক. সদস্য ঃ
যিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর লক্ষ্য-উদ্দেশ্যের সাতে একমত হয়ে সদস্য ফরম পূরণ এবং সাপ্তাহিক বৈঠকসহ বিভিন্ন সভা-সমাবেশে উপস্থিত থাকার চেষ্টা করবেন তিনি আন্দোলনের একজন সদস্য বলে গণ্য হবেন।
খ. কর্মী ঃ
যে সদস্য নিম্মলিখিত ছয়টি কাজ নিয়মিত আঞ্জাম দিবেন তিনি আন্দোলনের কর্মী বলে গণ্য হবেন।
১. নিয়িমিত সাপ্তাহিক, মাসিক বৈঠক ও সভা-সমাবেশে যোগদান।
২. নির্ধারিত হারে নিয়মিত মাসিক এনায়ত (চাঁদা) প্রদান।
৩. নিয়মিত কুরআন-হাদীস, বুজুর্গানেদীনের কিতাব, ইসলামী সাহিত্য ও সাংগঠনিক সিলেবাসভুক্ত বই অধ্যয়ন করা।
৪. নির্ধারিত ফরমে ব্যক্তিগত রিপোর্ট সংরক্ষণ।
৫. তিন ছবকের বাস্তবায়ন (ক. দীন কায়েমের নিয়তে প্রতিদিন দু’রাকাত নামাজ আদায় খ. সাধ্যানুযায়ী আল্লাহর রাস্তায় দান করা,
গ. মাসে কমপক্ষে ৪ জনকে দাওয়াতের মাধ্যমে আন্দোলনের সদস্য করা।)
গ. মুবাল্লিগ ঃ
উপরোক্ত ছয়টি কাজ অব্যাহত রেখে যে কর্মী নিুলিখিত পাঁচটি গুণ অর্জন করবেন তিনি আন্দোলনের সর্বোচ্চ স্তরের অধিকারী অর্থাৎ মুবাল্লিগ হবেন।
১. ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠার কাজকে জীবনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য বানানো অর্থাৎ সকল কাজের উপর আন্দোলনের কাজকে প্রাধান্য দান।
২. ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর উন্নতির-জন্য সার্বক্ষণিক চিন্তা-ফিকির করবেন।
৩. উত্তরোত্তর ইলম-আমল, জান-মাল ও সময়ের কুরবানী বৃদ্ধির চেষ্টা চালাবেন।
৪. সকল প্রকার প্রলোভন ও ভয়কে পরিহার করে আন্দোলেনর জন্য যেকোন ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত থাকবেন।
৫. দশটি মৌলিক দোষ: যথা- কাম, ক্রোধ, লোভ, হিংসা, মিথ্যা, কীনা, গীবত, কৃপনতা, রিয়া ও বড়াই বর্জন করা এবং দশটি মৌলিক গুণাবলী: যথা- ছবর, শোকর, ভক্তি একীন, ইলম, তওবা, খুলুছ ভয়, তাওয়াক্কুল ও মহব্বত অর্জন করা।

বাইতুল মাল
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর নীতিমালা অনুযায়ী সংগঠনের সর্বস্তরে বাইতুল মাল বা অর্থ তহবিল থাকবে। দায়িত্বশীল, সদস্য, কর্মী, মুবাল্লিগ, অধঃস্তন শাখাসমূহ, শুভাকাক্সক্ষী ও সহযোগি সংগঠনের নিয়মিত মাসিক এককালিন এয়ানত-ই (চাঁদা) এ আন্দোলনের আয়ের উৎস। প্রকাশ থাকে যে, নিরীক্ষা কমিটির মাধ্যমে আয়-ব্যয়ের সার্বিক হিসাব নিরীক্ষা করা হয়।

বৈশিষ্ট্যসমূহ
১. ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রচলিত কোন দলীয় রাজনীতি নয় বরং এটা দীন কায়েমের এক সর্বজনীন আন্দোলন যা সম্পূর্ণরূপে আল্লাহ ও রাসূল সা. নির্দেশিত এবং হযরত সাহাবায়ে কিরামের অনুসৃত পথে পরিচালিত।
২. হক্কানী ওলামা-পীর-মাশায়েখ ও দীনদার বুদ্ধিজীবীদের সমন্বিত নেতৃত্ব।
৩. পরামর্শের ভিত্তিতে (শুরা) সকল কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
৪. দেশে বিরাজমান মতাদর্শগত (অর্থাৎ এদেশের মানুষ পুঁজিবাদী, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ, চায় না ইসলামী আদর্শভিত্তিক কল্যাণরাষ্ট্র চায়) সংকট নিরসনকল্পে গণভোট (রেফারেন্ডাম) ও মুসলিম জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার প্রবক্তা।
৫. রূহানিয়াত ও জিহাদের সমন্বিত প্রয়াস।
৬. অপশক্তি (ঊারষভড়ৎপব), অপসংস্কৃতি (উবাবষরংয ঈঁষঃঁৎব) ও সকল প্রকার জুলুম-নির্যাতন প্রতিরোধে সোচ্চার কণ্ঠ।
৭. আদর্শ মানুষ গড়ার এক অনন্য সংগঠন।
৮. প্রচলিত ধারার রাজনীতি নয় বরং আমর বিল মারুফ ও নাহি আনিল মুনকারের দায়িত্ব পালনে একটি ঐক্যপ্রয়াসী শক্তি।
৯. ইসলামীবিরোধী নারী নেতৃত্বসহ সকর বাতিলের বিরুদ্ধে আপোষহীন অবস্থান।
১০. এই আন্দোলনের বিপ্লবী শ্লোগান-
“শুধু নেতা নয়, নীতির পরিবর্তন চাই”
অতএব, দলমত নির্বিশেষে সকলের কাছে উদাত্ত আহ্বান, আসুন দেশের স্থায়ী শান্তি ও মানবতার সার্বিক মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশে যোগদানের মাধ্যমে ঈমানী দায়িত্ব পালন করি এবং বাংলাদেশকে একটি পূর্ণাঙ্গ কল্যাণরাষ্ট্রে পরিণত করার সর্বাত্মক আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে উভয় জাহানের কামিয়াবী অর্জন করি।

কর্মী /মুবাল্লিগদের দৈনন্দিন আমল
১. পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামায়েতে আদায় ও তাহাজ্জুদের অভ্যাস গড়ে তোলার চেষ্টা করা।
২. প্রতিদিন ফজর ও মাগরিব নামাজের পর কিছু সময় জিকির, অযিফা, তেলাওয়াতে কুরআনসহ নফল ইবাদতের চেষ্টা করা।
৩. নিয়মিত কুরআন-হাদীস, মাসয়ালা-মাসায়েল,আল্লাহর অলীদের কিতাব, আন্দোলনের বই পুস্তক ও পত্র-পত্রিকা পড়ার অভ্যাস করা।
৪. সাধ্য মোতাবেক চলতে-ফিরতে , ওঠতে-বসতে সর্বদা জিকরুল্লাহ ও দরুদ শরীফ জারী রাখা।
৫. দৈনিক সাধ্যানুযায়ী আন্দোলনের দাওয়াত দেয়া।
৬. দীন কায়েমের নিয়তে প্রতিদিন দু’রাকাত নামায (সালাতুল হাজত) আদায় করা।
৭. আল্লাহর পথে পরিমানে কম হলেও নিয়মিত দান করা ও জান-মাল কুরবানীর জন্য আল্লাহর দরবারে তাওফীক কামনা করা।
৮. প্রতিদিনের পারস্পরিক লেনদেন পরিস্কার রাখা এবং আচার-আচরণ সুন্দর হওয়ার দিকে লক্ষ্য রাখা।
৯. প্রত্যহ কারো কোন উপকার করা।
১০. হালাল উপার্জন ও হারাম থেকে বেঁচে থাকার আপ্রাণ চেষ্টা করা।
১১. অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে আদায়ের চেষ্টা করা।
১২. রাতে ঘুমানোর পূর্বে সমস্ত দিনের কাজকর্মের এহতেসাব (আত্মসমালোচনা করে ভুল-ত্র“টির জন্য আল্লাহর দরবারে এস্তেগফার ও ভাল কাজের জন্য শুকরিয়া আদায় করা।
১৩. ঘুমানোর সময় অজু রেখে সুরায়ে ফাতেহা ও সুরায়ে এখলাসসহ দোয়া-দরুদ পড়ার অভ্যাস করা।
আল্লাহ্ আমাদের সকলকে দ্বীন কায়েমের পথে শহীদ অথবা গাজী হিসেবে কবুল করুন-আমীন।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চন্দনাইশ উপজেলার সহ-সভাপতি মাওলানা মুহাম্মাদ মুদ্দাসসির সাহেবের উপর হামলাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস...
09/06/2020

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চন্দনাইশ উপজেলার সহ-সভাপতি মাওলানা মুহাম্মাদ মুদ্দাসসির সাহেবের উপর হামলাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবিতে মসজিদ ও মাদ্রাসা কমিটি বরাবর স্মারকলিপি।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চন্দনাইশ উপজেলার সহ-সভাপতি ও চন্দনাইশস্থ বরমা সেবন্দী সৈয়দ বাড়ী মসজিদের ইমাম ও খতীব মাওলানা মুহা...
08/06/2020

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চন্দনাইশ উপজেলার সহ-সভাপতি ও চন্দনাইশস্থ বরমা সেবন্দী সৈয়দ বাড়ী মসজিদের ইমাম ও খতীব মাওলানা মুহাম্মাদ মুদ্দাসসিরের উপর নৃশংস হামলাকারী কলিমুল্লাহ গং এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

ইসলাম এসেছিলো মানুষে মুক্তি ও কল্যাণের বার্তা নিয়ে। যতদিন মানুষ ইসলামকে আকড়ে ধরেছিলো ততদিন তাদের ন্যায্য অধিকার ভোগ কর...
05/11/2019

ইসলাম এসেছিলো মানুষে মুক্তি ও কল্যাণের বার্তা নিয়ে। যতদিন মানুষ ইসলামকে আকড়ে ধরেছিলো ততদিন তাদের ন্যায্য অধিকার ভোগ করেছিলো। কিন্তু আজ মানুষ বিভিন্ন তন্ত্রমন্ত্রের অনুসরণের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। একমাত্র ইসলাম ছাড়া- অন্য কোন তন্ত্রমন্ত্রে মানুষের কল্যাণ ও মুক্তি নেই। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আয়োজিত ঐতিহাসিক পল্টন ময়দানে 2005 সালের মহাসমাবেশে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখছেন মাও: ফজলে বারী মাসউদ।

ইসলাম এসেছিলো মানুষে মুক্তি ও কল্যাণের বার্তা নিয়ে। যতদিন মানুষ ইসলামকে আকড়ে ধরেছিলো ততদিন তাদের ন্যায্য অধি.....

বর্তমান অনেক দল’ই নামধারী মুসলমান, মূলত: এরা ইসলামকে পরিত্যাগ করে।এরা কেহই চায় না দেশে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হউক। ই...
24/10/2019

বর্তমান অনেক দল’ই নামধারী মুসলমান, মূলত: এরা ইসলামকে পরিত্যাগ করে।এরা কেহই চায় না দেশে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হউক। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আয়োজিত 2005 সালে ঐতিহাসিক পল্টন ময়দানের মহাসমাবেশে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন মাও: আব্দুল কাদের।

বর্তমান অনেক দল’ই নামধারী মুসলমান, মূলত: এরা ইসলামকে পরিত্যাগ করে।এরা কেহই চায় না দেশে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠি...

সন্ত্রাস, দুর্নীতি, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও দেশের সম্পদ লুটে নেয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। জাতি কখনোই তা মেনে নেবে না। দেশে মানুষ ...
17/10/2019

সন্ত্রাস, দুর্নীতি, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও দেশের সম্পদ লুটে নেয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। জাতি কখনোই তা মেনে নেবে না। দেশে মানুষ স্বাধীনভাবে বাচতে চায়। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কর্তৃক আয়োজিত ঢাকা বিভাগীয় মহাসমাবেশ-এ গুরুত্ব পূর্ণ বক্তব্য দিচ্ছেন মরহুম এটিএম হেমায়েত উ্দ্দিন রহ.

সন্ত্রাস, দুর্নীতি, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও দেশের সম্পদ লুটে নেয়ার ষড়যন্ত চলছে। দেশে মানুষ স্বাধীনভাবে বাচতে চায....

দুলর্ভ সংগ্রহ!যা আগে কখনো দেখননি।ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা এটিএম হেমায়েত উদ্দিন রহ.-এর বর্নাট্য রাজণেতিক...
15/10/2019

দুলর্ভ সংগ্রহ!
যা আগে কখনো দেখননি।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা এটিএম হেমায়েত উদ্দিন রহ.-এর বর্নাট্য রাজণেতিক জীবন

দুলর্ভ সংগ্রহ- যা আগে কখনো দেখননি।

দেশ মাতৃকার জন্য, দেশের স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য প্রয়োজনে দেহের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও লড়াই করে যাব। বাংলাদে...
14/10/2019

দেশ মাতৃকার জন্য, দেশের স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য প্রয়োজনে দেহের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও লড়াই করে যাব। বাংলাদেশকে মুরুভূমি করা জন্য বাংলাদেশের প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত টিপাইমুখ বাধ দেয়ার প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কর্তৃক আয়োজিত লংমার্চ এ গুরুত্বপুর্ণ বক্তব্য রাখছেন মরহুম অধ্যাপক এটিএম হেমায়েত উদ্দিন (র.)

দেশ মাতৃকার জন্য, দেশের স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য প্রয়োজনে দেহের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও লড়াই করে ....

খুন, গুম, ধর্ষণসহ যত অণৈতিক ও অশান্তিকর পরিস্থিতি আছে, সব আজ বাংলাদেশে বিদ্যমান। ২০০৫ সালের ঐতিহাসিক পল্টন ময়দানে চারদল...
13/10/2019

খুন, গুম, ধর্ষণসহ যত অণৈতিক ও অশান্তিকর পরিস্থিতি আছে, সব আজ বাংলাদেশে বিদ্যমান। ২০০৫ সালের ঐতিহাসিক পল্টন ময়দানে চারদলীয় জোট সরকারের ইসলামবিরোধী ভূমিকা ও আওয়ামীলীগের ইসলামবিদ্ধেষী কার্যক্রমের ব্যাপারে ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের কর্তৃক আয়োজিত মহাসমাবেশে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দিচ্ছেন কেএম আতিকুর রহমান।

খুন, গুম, ধর্ষণসহ যত অণৈতিক ও অশান্তিকর পরিস্থিতি আছে, সব আজ বাংলাদেশে বিদ্যমান। ২০০৫ সালের ঐতিহাসিক পল্টন ময়দান....

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে, আইনের ভাষায়’ই কথা বলতে হবে। চারদলীয় জোট সরকারের ইসলামবিরোধী ভূমিকা ও আওয়ামীলীগের ইসলাম...
10/10/2019

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে, আইনের ভাষায়’ই কথা বলতে হবে। চারদলীয় জোট সরকারের ইসলামবিরোধী ভূমিকা ও আওয়ামীলীগের ইসলামবিদ্ধেষী কার্যক্রমের ব্যাপারে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আয়োজিত 2005 সালে ঐতিহাসিক পল্টন ময়দানে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন এভোকেট আব্দুল মতিন।

চারদলীয় জোট সরকারের ইসলামবিরোধী ভূমিকা ও আওয়ামীলীগের ইসলামবিদ্ধেষী কার্যক্রমের ব্যাপারে ইসলামী আন্দোলন বাং...

নাস্তিকদের ব্যাপারে কঠিন হুশিয়ারী- পীর সাহেব চরমোনাইঐতিহাসিক পল্টন ময়দানে ইসলমী আন্দোলন বাংলাদেশের উদ্যোগে ২০০৫ এর জাত...
03/10/2019

নাস্তিকদের ব্যাপারে কঠিন হুশিয়ারী- পীর সাহেব চরমোনাই
ঐতিহাসিক পল্টন ময়দানে ইসলমী আন্দোলন বাংলাদেশের উদ্যোগে ২০০৫ এর জাতীয় মহাসমাবেশে মরহুম সায়েখ (র.) এর জীবদ্দশায় বর্তমান পীর সাহেব চরমোনাই’র নাস্তিকদের ব্যাপারে কঠিন হুশিয়ারী।

ঐতিহাসিক পল্টন ময়দানে ইসলমী আন্দোলন বাংলাদেশের উদ্যোগে ২০০৫ এর জাতীয় মহাসমাবেশে মরহুম সায়েখ (র.) এর জীবদ্দশায...

'নারী নেতৃত্ব হারাম' এ কথার উপর যদি মরহুম পীর সাহেব চরমোনাই অটল না থাকতেন তাহলে বাংলাদেশের মানুষ জানত না যে নারী নেতৃত্ব...
10/09/2019

'নারী নেতৃত্ব হারাম' এ কথার উপর যদি মরহুম পীর সাহেব চরমোনাই অটল না থাকতেন তাহলে বাংলাদেশের মানুষ জানত না যে নারী নেতৃত্ব হারাম।
-শাইখ মিজানুর রহমান হাফিযাহুল্লাহ

গতকাল ৫ ই সেপ্টেম্বর দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ও সংবর্ধনা- ২০১৯ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন ইসলামী আন্দোলন রিয়াদ মহানগর।
আলহাজ্ব মাওলানা বেলাল সাহেবের সভাপতিত্বে উক্ত সম্মেলনে সঞ্চালনা করেন জনাব আলহাজ্ব ওসমান গনী রাসেল ও জনাব কবির।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন সৌদি আরব কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব শাইখ মিজানুর রহমান বলেন ইসলামী (শাসনতন্ত্র) আন্দোলন প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত নীতির উপর অটল ছিলেন, যদিও প্রতিষ্ঠা কাল থেকে অনেক ওলামায়ে কেরাম ইসলামী শাসন কায়েমের লক্ষ্যে ওয়াদাবদ্ধ থাকলেও সংগঠনের কনিষ্ঠ নেতা সৈয়দ মাওলানা ফজলুল করীম মরহুম পীর সাহেব চরমোনাই ছাড়া সবাই যার যার ব্যক্তিগত মত নিয়ে সরে দাড়ান, প্রধান অতিথি আরো বলেন আমরা যদি ইসলামী আন্দোলনের সদস্যরা নীতিতে অটল থাকি তাহলে বাংলাদেশে ইসলামী হুকুমত আসবেই ইনশা আল্লাহ, তিনি উপস্থিত শ্রোতাদের আশাবাদী করতে খলিফাতুর রাসূল সাঃ আবু বকর ছিদ্দিক রাদিঃ এর অটল নীতির কথা তুলে ধরেন, রাসূল সাঃ ইন্তেকালের পর আবু বকর রাদিঃ খলিফা নিযুক্ত হওয়ার পর বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়, সবচেয়ে বড় সমস্যার সম্মুখীন হন যাকাত অস্বিকার কারীদের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করা, তৎকালীন ওমর রাদিঃ আবু বকরের উক্ত নীতির বিরুধিতা করেছিলেন, কিন্তু আবু বকর রাদিঃ এর অটল অবিচল আর যুক্তিতে ওমর রাদিঃ তার ভুল বুঝতে পেরে আবু বকর এর মত হতে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন, বক্তব্যের ইতি টানতে শাইখ বলেন যদি আবু বকর রাদিঃ নীতির উপর অটল না থাকতেন তাহলে হয়তো যাকাতের পাশাপাশি ইসলামের অন্য রোকনকেও মানুষ অস্বিকার করত, তখন কুফর শিরকে ভরে যেত পৃথিবী, মানুষ ইসলামী শাসনকে গ্রহন কর‍ত না, ঠিক মরহুম পীর সাহেব চরমোনাই যদি নীতির উপর অটল না থেকে নারী নেতৃত্বের পক্ষে যেতেন তাহলে বাংলাদেশের আলেমরাও 'নারী নেতৃত্ব হারাম' তা বলতে পারত না, মানুষরাও জানত না যে নারী নেতৃত্ব হারাম, আজ বাংলাদেশে নারী নেতৃত্ব থাকার পাশাপাশি কুফরি সমাজ ব্যবস্থা চালু আছে, আমাদের সজাগ থেকে ধীরে ধীরে ইসলামী হুকুমত কায়েমের লক্ষ্যে কুরআন সুন্নাহর উপর অটল অবিচল থাকতে হবে, আশা করা যায় বিজয়ের; ইনশা আল্লাহ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন সৌদি আরবের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি জনাব আলতাফুর রহমান বলেন মুসলমানদের আজ অধপতন, কাশ্মীর, আরাকান ফিলিস্তিন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে মুসলমানরা মার খাচ্ছে, কারণ একটাই তা হল অনৈক্য, অথচ আল্লাহ তায়ালা বলেছেন সূরা আছ-ছফ:4 - 'আল্লাহ তাদেরকে ভালবাসেন, যারা তাঁর পথে সারিবদ্ধভাবে লড়াই করে, যেন তারা সীসাগালানো প্রাচীর'
সুতরাং নেতা কর্মিদের কাজ থাকবে আল্লাহর পথে সারিবদ্ধভাবে সংগ্রাম করার লক্ষে গণমানুষদের গণ দাওয়াত দেয়া।

সম্মেলনে আরো বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন সৌদি আরব কেন্দ্রীয় কমিটির সেক্রেটারি আলহাজ্ব আসাদুল্লাহ গালিব, তিনি বলেন সংগঠনকে সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে সংগঠকদের প্রচুর জ্ঞান অর্জন করতে হবে, ইসলামী হুকুমতের দাওয়াত দিতে গেলে সংগঠনের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, বৈশিষ্ট্য, কর্মসূচি জানা থাকতে হবে, তা নাহলে সাধারণ মানুষদের বিভিন্ন প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে, দাওয়াত গ্রহণ না করে উল্টো তাগুতের দাওয়াত নিয়ে আসতে হতে পারে।

অতিথি ও স্থানীয়দের বক্তব্যের পর ২০১৭-২০১৯ এর কমিটি বিলুপ্ত করে ২০১৯-২০২১ এর নতুন কমিটির তালিকা প্রকাশ করেন শাইখ মিজানুর রহমান,
আলহাজ্ব মাওলানা বেলাল সাহেবকে সভাপতি,
মুফতি জহিরকে সহ-সভাপতি,
আলহাজ্ব জনাব কবিরকে সেক্রেটারি ও
জনাব শওকতকে সাংগঠনিক সম্পাদক ঘোষণা করেন।
-----------------
সম্মেলনে অতিথি ও রিয়াদের যারা ইসলামী আন্দোলন সৌদি আরব কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান পেয়েছেন উনাদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন ইসলামী আন্দোলন রিয়াদ মহানগর।।
জানব আলতাফুর রহমানের মোনাজাতের মধ্য দিয়ে সম্মেলন সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

#প্রেস বিজ্ঞপ্তি ৬-৯-২০১৯ ইং//
মুহাম্মাদ ইয়াসিন রোকন, সহকারী প্রশিক্ষণ সম্পাদক ইসলামী আন্দোলন রিয়াদ মহানগর।।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দেরা দুবাই শাখার অর্থআয়েনে চন্দনাইশ থানার বরকল ইউনিয়নের কানাইমাদারী নিদাগের পাড়ায়  বন্যায় খতি গ্...
01/08/2019

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দেরা দুবাই শাখার অর্থআয়েনে চন্দনাইশ থানার বরকল ইউনিয়নের কানাইমাদারী নিদাগের পাড়ায় বন্যায় খতি গ্রস্ত মানুষের কাছে ত্রান বিতরণ করা হয়। ত্রান সামগ্রী বিতরণ করেন মাওঃ আবদুল হামিদ সাহেব

নেতৃত্ব দিচ্ছেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দেরা দুবাই শাখার সভাপতি হাফেজ মাওঃ নুর হোসেন সাহেব।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চন্দনাইশ উপজেলা. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share