04/09/2026
জুলাই আন্দোলনে হাসিনা গালি খাইছে । পোলাপাইন দেয়ালে লিখে দিছিলো ' হাসিনা C*Di...
এটা তখন অশ্লী**লতা মনে হয় নি?
তোমার তখন কেনো মনে হয় নাই এটা গা*লি?
কারণ হাসিনার গণহ*ত্যা থেকে আমরা ধইরা নিছিলাম হাসিনাকে গা**লি দেওয়ার লেজিটম্যাসি তৈরী হয়ে গেছে ।
৭১ এ জামায়াতের নেগেটিভ ইমেজের কারণে এদের গালি দেওয়া হয় রাজাকারের বাচ্চা ।
এটাও একটা লেজিটম্যাসি!
ক্যাপ্টেন মাশরাফি জুলাই আন্দোলনে মানুষ হ*ত্যার সময় চুপ ছিলো বলে বুয়েটের পোলাপাইন দেয়ালে লিখে দিয়েছিলো ' হ্যা*ডার এক্সপ্রেস। '
ঐ গা*লি দেইখা আমরা দুঃখ পাইছিলাম না উচ্ছ্বসিত হয়েছিলাম ?
তারমানে আপনার দেশের রাজনীতিতে ' গালি*কে বৈধ**তা ' দেওয়ার নিয়ম আছে ।
এই বৈ*ধতা কখন আসে?
সরকারের প্রতি জনগণের ক্রোধ থেকে । কখনো কখনো একটা বিশেষ পরিস্থিতিতে ।
এই গালি আবার ক্রাইম হয় , যদি তুমি যা'রে গালি দিছো সে ক্ষমতায় থাকে ।
ক্ষমতায় না থাকলে যা'রে খুশি গালি দাও , এটা আবার তখন ক্রাইম না।
দুইদিন আগে দেখলাম এক এমপি বইসা জনগণরে গালি দিতেছে । এটা কিন্তু ক্রাইম না...
এবার বলি ' ভুতূড়ে বিদ্যুৎ এর জের ধরে ' সিফাতের গা*লা*গা*লি নিয়ে ।
আমার এখানে ২ টা জিনিস বাড়াবাড়ি মনে হয়েছে।
১। ছেলেটা যে ওয়েতে প্রধানমন্ত্রীকে গা**লাগা**লি করেছে এটা একসেপ্টবল না । তার ক্রোধ থেকেই তার প্রতিবাদের ভাষা ভিন্ন হইতে পারতো ।
কিন্তু সে প্রতিবাদ করলো ' প্রধান*মন্ত্রী তারেক জা***রজের বাচ্চা ' বইলা।
এটা নিন্দনীয় ব্যাপার । রুচিসম্মত না । মানসিক বিকৃতিই বলা যায় ।
ধরেন , আপনি রাজনৈতিক কারণে এই গালিরে লেজিটমেসি দিলেন ।
এরপর দেখা গেলো পুরো রাজনীতি আর রাজনীতি নাই , সবাই যে কোনো ক্ষোভে লাইভে আইসা গালি দেওয়াটাই ট্রেন্ড হয়ে গেছে ।
সবাই সবাইরে গালি দিতেছে ।
তাহলে কি হইবো পরিস্থিতি?
আর আমি মনে করি , গালাগা**লি কোনো বাকস্বাধীনতা না।
আপনি যখন নিজের স্বাধীনতা প্রকাশ করতে গিয়ে আরেকজনের স্বাধীনতা নষ্ট করবেন , তখন বুঝবেন সেটা আর আপনার স্বাধীনতা নাই ।
২। পুলিশের এই ছেলেকে গ্রেফতার করা ।
আমার সেন্স বলে , এই পোলারে থানায় মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া উচিত ছিলো ।
কারণ ' ইউনুস গালি খাইছে , শফিক সাহেব গালি খাইছে , উপদেষ্টা গালি খাইছে....
কিন্তু তারেক রহমান গালি খাইয়া রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে গ্রেফ**তার করছে , এই ন্যারেটিভ তারেক রহমানের ইমেজেরই ডাউনফল করে ।
কিন্তু সবচেয়ে তিক্ত সত্য হইলো , এই দেশের প্রতিটা সরকারই গালি খায় । রাজনীতিবিদরা গালি খায় ।
মন্ত্রীরা গালি খায় ।
এক — অফলাইনে গালি খায় , ক্যামেরা বন্ধ কইরা ।
দুই — অনলাইনে গালি খায় , ক্যামেরা অন কইরা ।
চট্টগ্রামে যে ব্যবসায়ী চাঁদার টাকা দেয় নাই বইলা ৪০-৫০ জনের একটা দল অ**স্ত্রের মহড়া দিয়া তার ঘর , সব সহায় সম্পদ লু**ট করে গেছে দিনে দুপুরে -
সে সরকাররে গা**লি না দিয়া প্রশংসা করবে ?
গ্যাস না থাকার কারণে রান্নার কষ্ট করা, লোডশেডিং এ বিপর্যস্ত জনজীবন অথবা ভুতূড়ে বিলে আটকে থাকা মানুষেরা কেউই সরকারকে চুমু খাইতে বসে নাই।
তারেক রহমানের সরকারের ' ভুতূড়ে বিল ' নিয়ে ভাবা উচিত, এটা আরও বেশি হাইলাইটস হবে এখন।
সরকারের ভাবা উচিত প্রশাসন নিয়ে৷।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আর অ**স্ত্রের ঝনঝনানি দেইখা দেশরে আফ্রিকা মনে হইতেছে ।
সামনে পে স্কেলের কারণে মূল্যস্ফীতি বাড়বে ।
দু্র্নীতি , ঋণখেলাপী , চাঁদাবাজি , ডাকাতি, ছিনতাই বন্ধ করতে না পারলে জনজীবন আরো নষ্ট হইবো ।
একজন দুইজনরে গ্রেফতার কইরা আসলে গা**লি আটকানো যাইবো না ।
গালি আটকানোর সহজ উপায় হইলো ' গালি খাওয়ার / গালির লেজিটম্যাসি ক্রিয়েট হওয়ার পথগুলা ' বন্ধ কইরা দেওয়া...
তারেক রহমানের সরকারকে বলি , পারলে এটাই করুন।
গালি ব*ন্ধ করার সদিচ্ছা থাকলে দুই জায়গাতেই বন্ধ করার পথ ক্রিয়েট করুন।
ধন্যবাদ।