07/06/2020
[] আপনি কি এই সমাজ ব্যবস্থা আর অভিভাবকদের অবহেলার কারনে আপনার যৌবন নষ্ট করতে চান?
আমাদের সমাজ ব্যবস্থার কারনে একজন যুবক ছেলের যৌবনের পুরোটা সময়ই এখন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ২৫-৩০ এর আগে কোনো যুবকই বিবাহ করতে পারছে না। এটা যেমন বাবা মায়ের অবহেলার কারনে তেমনি এর পিছনে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা ও সমাজ ব্যবস্থা দায়ী।
অনেক ভাই শত চেষ্টা করেও বিয়ে করতে পারছেন না।তারা এক প্রকার হাল ছেড়ে দিয়েছেন।বিয়ের প্রতি অনেকের আগ্রহ কমে যাচ্ছে।
আবার কিছু ভাই প্রেম করছেন- বা হারাম উপায়ে নিজের যৌন কামনা মিটাচ্ছেন।
এই সমাজে প্রেম করা সহজ- আবার ১৪ বছরের কোনো মেয়েকে রাজি করিয়ে খুব সহজেই ডার্করেস্টুরেন্টে যেতে পারেন - এটা আইনগত ভাবে নিষিদ্ধ না। আবার এখনকার যুগে এটা বিয়ের তুলনায় খুবই সহজ।
অনেক ভাই- হয়তো কাউকে মনে মনে পছন্দ তো করেন- কিন্তু বাবা মায়ের অসম্মতির কারনে পরস্পরে বৈধ ভাবে একত্রিত হতে পারছেন না।
ভাই আমার কেন এই মুল্যবান যৌবনকালটা আপনি নষ্ট করছেন?? কেন এই সমাজ আর পরিবারের জন্য আপনি আপনার জীবনের সবচেয়ে মুল্যবান সময়টাকে হেলায় কাটিয়ে দিচ্ছেন বা কবিরা গুনাহ এর কারনে নিজের যৌবনকালকে কলঙ্কিত করছেন??
প্রেম ভালোবাসার জন্য যৌবন কাল থেকে উত্তম কোনো সময় আর হতেই পারে না।এই সময়ই একটা মেয়ে সবচেয়ে সুন্দরী রুপে আবির্ভূত হয়- একটা যুবকের শারিরিক সুস্থতা ও স্বামর্থ থাকে তার জীবনের অন্য যে কোনো সময়ের থেকে বেশি।
যারা বিয়ে করা ব্যতিত গুনাহের আশঙ্কা করছেন- কিংবা গুনাহে জরিত- যেমন হস্তমৈধন করা- এটা কবিরা গুনাহ- পর্ন দেখা বা বিভিন্ন অশ্লীল গল্প পড়া- এসব যাদের মাঝে মাঝেও হয়ে যায়- তাদের জন্য বিয়ে করা ফরজে আইন।
বাবা মা বিয়ে না করে নিজেই বিয়ে করে নিতে হবে।
যারা প্রেম করতেছেন- আমি তাদের পরামর্শ দিবো ভাই- দুজন সাক্ষির সামনে ইজাব কবুল করুন।যাস্ট প্রোপজ করার মতো..
আমি তোমাকে বিয়ে করলাম- তুমি কি এতে রাজি আছো??
বালিকা যদি হাসতে হাসতে লজ্জিত মুখে বলে দেয়- হ্যা প্রিয়তম।
আর এই কথোপকথন যদি হয় দুজন মুসলিম বালেগ পুরুষ বন্ধুর সামনে - তবে শরিয়তের দৃষ্টিতে আপনারা আজ থেকে বৈধ স্বামীস্ত্রী।
এবার প্রেম করুন- ঘুরুন- এক সাথে আড্ডা দিন - রাতভর কথা বলুন- চ্যাটিং করুন।একে অপরকে স্পর্শ করুন। কোনো সমস্যা নাই।
যৌবনে যার প্রেম হয় না তার জীবনটা আসলে বৃথা- তাই প্রেম করুন তবে বিয়ে করে।
▪ বিয়ে : অর্ধেক দ্বীন ( )