মাঝি

মাঝি মানবিকতার ডাকে মানবতার পাশে- মাঝি

Big shout out to my newest top fans! 💎 Pica ChuuDrop a comment to welcome them to our community,
31/10/2024

Big shout out to my newest top fans! 💎 Pica Chuu

Drop a comment to welcome them to our community,

শুভ পয়দা দিবস শ্রদ্ধেয় এডমিন সাহেব।
12/05/2024

শুভ পয়দা দিবস শ্রদ্ধেয় এডমিন সাহেব।

'বাইসাইকেল ধীরে ধীরে মেরে ফেলছে পৃথিবীকে!'===================≠==============কথাটি একজন ব্যাংকারের। তিনি যখন বিষয়টি ডিটেই...
01/05/2023

'বাইসাইকেল ধীরে ধীরে মেরে ফেলছে পৃথিবীকে!'
===================≠==============
কথাটি একজন ব্যাংকারের। তিনি যখন বিষয়টি ডিটেইলসে বলেন, বড় বড় অর্থনীতিবিদরাও তাতে চিন্তার খোরাক পেয়েছেন। আরবান সাইক্লিং ইনস্টিটিউট ব্যাংকার বলেন, একজন সাইক্লিস্ট দেশের অর্থনীতির জন্যে দুর্যোগ স্বরূপ। তিনি গাড়ি কিনেন না। ফলে গাড়ি কেনার জন্য ধারও করতে হয় না তাকে। একজন সাইকেল ব্যবহারকারী ইন্সুরেন্স করেন না। জ্বালানী কিনেন না, তাকে এমনকি গাড়ি মেরামত বাবদও কোনো খরচ করতে হয় না।
ব্যাংকার আরো বলেছেন, যিনি সাইকেল চালিয়ে অভ্যস্ত, তাকে পার্কিং করার জন্যে কোনো পয়সা দিতে হয় না। সাইকেলের কারণে বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনার ঘটে না, ফলে হাসপাতালও রোগী পায় না।
সাইকেল চালানো মানুষ বহুলেইনের রাস্তাও ব্যবহার করে না। এমনকি লোকটি মোটাও হয় না সাইকেল চালানোর কারণে।
ব্যাংকার বলছেন, অর্থনীতির জন্যে স্বাস্থ্যবান মানুষ মোটেও উপকারী বা প্রয়োজনীয় নয়। তাদের ডাক্তার দেখাতে হয় না। হাসপাতালে যেতে হয় না। ওষুধই কিনতে হয় না। তারা দেশের জিডিপিতে কোনো অবদান রাখে না।
অন্যদিকে, ম্যাকডোনাল্ডসের একটা নতুন শপ হওয়া মানে কিছু লোকের চাকরি হওয়া। পাশাপাশি কমপক্ষে ৩০ জনের আয়ের সুযোগ করে দেয় নতুন দোকানটি। তারা হলেন ১০ জন হার্টের ডাক্তার, ১০ জন ডেন্টিস্ট এবং ১০ জন ডায়েটিশিয়ান ও পুষ্টিবিদ।
সুতরাং ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন, সাইকেল কিনবেন নাকি ম্যাকডোনাল্ডসের দোকান? আর যারা পায়ে হাঁটে, তারা সবচেয়ে খারাপ। কারণ তারা একটি সাইকেলও কেনে না!

Collected

 #বাসর_ঘরে_বিড়াল_মারা’ এই কথাটি দিয়ে কী বোঝানো হয়? এই বাক্যাংশটি চালু হওয়ার পিছনে ইতিহাস কী?বাঙালি সহজ একটি জিনিসকে অকার...
27/04/2023

#বাসর_ঘরে_বিড়াল_মারা’ এই কথাটি দিয়ে কী বোঝানো হয়? এই বাক্যাংশটি চালু হওয়ার পিছনে ইতিহাস কী?

বাঙালি সহজ একটি জিনিসকে অকারণে জটিল করে ফেলে। বেড়াল মারা মানে, বেড়াল (cat) ধরে এনে হত্যা করতে হবে না। বেড়াল মারা মানে, নিজের সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা। এ বিষয়ে একটা গল্প প্রচলিত আছে।

দুই বন্ধু খুব গরীব। পথে পথে ঘুরে বেড়ায়। ঠিকভাবে খেতেও পায় না। কি করবে, বুঝতে পারছে না। এমন সময়ে একটি ঘোষণা শুনতে পেলো। রাজার দুই মেয়ে নিজের জন্য এমন বর চাচ্ছে, যারা প্রতিরাতে ১০ বার চাবুকের আঘাত নিতে রাজী আছে। রাজার মেয়েদের এই অদ্ভূত দাবী শুনে, কেউই তাতে রাজী হয়নি। তবে, এই দুই গরীব বন্ধু রাজী হলো।

বিয়ের পরে, দুই এক সপ্তাহ বেশ ব্যস্ত কাটলো। এর পরে দুই বন্ধু সুখ-দুঃখের আলাপ করেছে। প্রতিরাতে কখন চাবুক মারে, জোরে মারে কিনা, এসব ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলো। এই প্রশ্ন শুনে অপর বন্ধু বলল - আমারে তো চাবুক মারে না। অবাক হয়ে, বন্ধু কারণ জানতে চাইলো।

তখন সেই বন্ধু বলেছে - প্রথম রাতে খাবার টেবিলের পাশে একটি বেড়াল ঘোরাফেরা করতে দেখেছি। হঠাৎ বেড়ালটি আমার প্লেটের পাশে চলে এলো। আমি তলোয়ার বের করে, এক কোপে বেড়ালটি মেরে ফেললাম। এটা দেখে হয়তো ভয় পেয়েছে। আমারে চাবুক মারে না।

এই ঘটনা শুনে আরেক বন্ধু মনে মনে ভাবছে, প্রতিদিন বেড়াল আসে, আজকে বেড়ালকে মারতে হবে। রাতে খাবার টেবিলে, বন্ধুর পরামর্শ মতন, সেও আরেকটি বেড়াল মেরে ফেললো। এটা দেখে তার বউ রেগে অস্থির - তুমি আমার বেড়াল মারলে কেন? আজকে থেকে তোমাকে ১৫ বার চাবুক মারা হবে।

চাবুক মারা বেড়ে যাওয়াতে, সে বন্ধুর কাছে গিয়ে বলেছে - তোমার পরামর্শ মতন বেড়াল মেরে, চাবুক তো বেড়ে গেল !! তখন বন্ধু উত্তর দিলো - প্রথম রাতেই বেড়াল মারতে হয় (পরে মারলে কাজ হয় না)।

এটা একটি রূপকথা হলেও, এর শিক্ষা বাস্তব জীবনে খুব কার্যকর। বেশিরভাগ পুরুষ একটি ভুল করে - তারা মনে করে, নতুন বউ, ধীরে ধীরে শিখে যাবে। আসলে, বউ কোনদিনই শিখবে না। বউকে প্রথমেই শেখাতে হবে, পরে শেখে না। কি শেখাবেন? বউ নতুন থাকতেই আপনার পছন্দ-অপছন্দ তাকে শিখিয়ে দিন। পরে কোনদিনই শেখানো যায় না। প্রথমেই শেখান। এটাই আসলে বেড়াল মারা - নিজের সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠিত করা।

08/04/2023

#প্রথম_শ্রেণির_ননক্যাডার_চাকরি_বনাম_রাষ্ট্রায়ত্ত_ব্যাংকের_সিনিয়র_অফিসার_কোন_চাকরিটি_ভালো?

সকল চাকুরীরই ভাল-খারাপ বা সুবিধা-অসুবিধা আছে। তেমনি ব্যক্তির ভাল লাগা-খারাপ লাগার ভিত্তিতেও অনেক কিছু নির্ভর করে। আমি চেষ্টা করব দুইদিকেই ভাল-খারাপ্টা তুলে ধরার, সবশেষে সিদ্ধান্ত নেবার ভার কিন্তু আপনারই।

প্রথম শ্রেণির ননক্যাডার চাকুরী

ভালো দিক:

১. আমাদের দেশে এখনো সরকারি চাকুরীকে একটা স্ট্যাটাস আপগ্রেড হিসাবে দেখা হয়। সেই হিসাবে দেখলে ব্যাংকের চেয়ে প্রথম শ্রেণির ননক্যাডার চাকুরীর সোশ্যাল এক্সেপ্টেন্স বেশি।

২. সাধারনত সরকারি চাকুরীগুলোতে অধিকাংশক্ষেত্রেই ওয়ার্কলোড কম থাকে। ফলে পরিবারে সময় বেশি দিতে পারবেন।

৩. সরকারি নিয়ম মোতাবেক বেতন-ভাতা-ইনক্রিমেন্ট-ছুটি ইত্যাদি সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।

৪. আগে ব্যাংকে চাকুরীর ক্ষেত্রে ‘হাউজলোন’ একটা বড় সুবিধা ছিল। এখন সরকারি চাকুরীতেও এই সুবিধা আছে। ৯ম গ্রেডের একজন এখন ৬৫ লাখ পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পেতে পারেন।

৫. প্রোভিডেন্ড ফান্ড এবং পেনশনের সুবিধা পাবেন। ফলে চাকুরী পরবর্তী নিশ্চয়তা অনেক বেশি।

৬. আয়করের ক্ষেত্রে কিছু সুবিধা পাওয়া যায়।

খারাপ দিক:

১. অধিকাংশ প্রথম শ্রেণির ননক্যাডার পদই ব্লকপোস্ট। সারাজীবন চাকুরী করে ১ টা বা খুব বেশি হলে ২টা প্রমোশন পাওয়া যায়। অনেকে সারাজীবন একই পোস্টে থেকে যান।

২. প্রমোশনের সুবিধা কম থাকায় নিজেকে আরও ভালভাবে তৈরী করার অনুপ্রেরণা কমে যায়। ফলে একটা সমউ যেয়ে দেখা যায় এই মানুষগুলো ভোতা হয়ে যায়।

৩. নিয়মিত ইনক্রিমেন্ট পেলেও প্রমোশন না থাকায় বেতনগ্রেড প্রায় একই থেকে যায়।

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার

ভালো

১. নিয়মিত প্রমোশন আছে। চোখ বুজে থাকলেও গ্রেড ৩/৪ য়ে যেয়ে অবসর নেওয়ার সুযোগ আছে।

২. নিজেকে উন্নত করার একটা তাড়না থাকে, ফলে যোগ্যতাও বাড়ে।

৩. ঋণ সুবিধা অনেক বেশি। খুব তাড়াতাড়ি ফ্ল্যাট করতে চাইলে ব্যাংক খুব ভাল চয়েস।

৪. বছরে ৪/৫ টা পর্যন্ত বোনাস পাওয়া যায়।

খারাপ

১. ব্যাংক মানে ব্যাংক। ওয়ার্কলোড অনেক বেশি। পরিবারকে সময় দেওয়া কঠিন। জনতা ব্যাংকের এজিএম আমার বন্ধু তার বাবা সম্পর্কে বলেছিল, ‘মাঝরাতে কাউকে রাস্তায় দেখলে বুঝবা হয় চোর আর না হইলে ব্যাংকার।’

২. সোশ্যাল এক্সেপ্টেন্স। আমাদের সমাজ ব্যাংকের চাকুরীকে খানিকটা নেগ্লেজেন্সির সাথে দেখা হয়। এদের ব্যাংক সুদ/সঞ্চয় পত্রেস সুদ নিতে আপত্তি নাই, কিন্তু কেউ ব্যাংকে চাকুরী করলেই তার রুজি হালাল নাকি হারাম গবেষণা শুরু করে।

৩. টার্গেটের পিছনে দৌড়াতে হয়। ঋণ বিতরণ, আদায় ইত্যাদি নিয়ে খানিকটা তটস্থ থাকতে হয়।

৪. কৃষি ব্যাংক এবং রাকাব ছাড়া অন্যকোন ব্যাংকে পেনশন সুবিধা পাবেন না।

এট এ গ্লান্স যেগুলো পরল বললাম। এখন ভাল-খারাপ আসলে আপনার ঠিক করে নিতে হবে।

06/02/2023

আঁধারের আলোর চেয়ারম্যান তানিয়া রফিকের আয়োজনে
ফ্রি চক্ষু চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে । এখানে চোখের ছানি অপারেশন সহ চোখের যাবতীয় চিকিৎসা বিনামূল্যে করা হবে।
যোগাযোগের ঠিকানা -প্রিন্স টাওয়ার গোল্ডেন সেন্টার সংলগ্ন , ৬০ নং ওয়ার্ড_,কদমতলী ঢাকা ।
চেয়ারম্যান আধারের আলো মোবাইল নং -০১৯৩ ৮১৮১ ৭২৭।

08/10/2022
ভারতের উচ্চপদস্থ এক সেনা কর্মকর্তা তার ছেলেদের কাছে চিঠি লিখে পিস্তলের গুলিতে নিজেই নিজকে শেষ করে দিলেন। কেনই বা তিনি চি...
08/10/2022

ভারতের উচ্চপদস্থ এক সেনা কর্মকর্তা তার ছেলেদের কাছে চিঠি লিখে পিস্তলের গুলিতে নিজেই নিজকে শেষ করে দিলেন।

কেনই বা তিনি চিঠি লিখলেন আর চিঠিতে কী-ইবা লিখেছিলেন তা জানার আগে পেছনটা দেখে আসা যাক।😥😥

বাবা ছিলেন ইন্ডিয়ান আর্মির অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল। তিনি তার স্ত্রী সহ লখনৌ-এর একটা কলোনিতে বসবাস করতেন। তাদের দুই ছেলে, যারা বাস করে সুদূর আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রে। এটা বলার অপেক্ষা রাখেনা যে, তারা পিতামাতার পরম স্নেহ মায়া মমতায় লালিত পালিত।
অনুকূল পরিবেশে ছেলে দুটি একটার পর একটা সাফল্যের সিড়ি টপকিয়ে বড়টি বিশ্বখ্যাত এক করপোরেট কোম্পানিতে চাকরি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে চলে গেল। কিছুদিন পর ছোটটাও চলে গেল। দুজন ভিন্ন স্টেটে। ফেমিলি নিয়ে তারা সুখেই দিন কাটাচ্ছিল। একদিন ভদ্রলোক বড় ছেলেকে কান্নাবিজরিত কন্ঠে লোমহর্ষক সংবাদটি দিলেন। "কিছুক্ষণ আগে তোমার মা না ফেরার দেশে চলে গেছেন"। ছোটকে নিয়ে এভেইলেবল ফার্স্ট ফ্লাইটে চলে আস। বাবা প্রতীক্ষায়, ছেলেরা আসলে স্ত্রীর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। একদিন পর ছোট ছেলে এলে বাবা জিজ্ঞেস করলেন " বড়" কোথায়? ওকে দেখছিনা যে! ওর তো ফার্স্ট ফ্লাইটে আসার কথা। "ছোট" কিছু বলছে না দেখে বাবা থ' বনে গেলেন। হঠাৎ ছোট'র মুখ ফসকে সত্যি কথাটা বেরিয়ে এল। "ছোট" তার বাবাকে বলছে,"ভাইয়া বলেছে মায়ের শেষকৃত্যে তুই যা! বাবা যখন মারা যাবে তখন না হয় আমি যাব"!

কর্নেল সাহেব ভিতরে গেলেন। নিজেকে সামলাতে বেশ খানিকটা সময় নিলেন। তারপর দৃঢ় হাতে কয়েক লাইন লিখলেন। যা নিম্নরূপঃ

প্রিয় পুত্রদ্বয়,

আমি এবং তোমার মা মিলে বড় আশা নিয়ে তোমাদের কোলে পিঠে করে, আদর যত্নে গড়ে তুলেছিলাম। পৃথিবীর সকল সুখ তোমাদের দিয়েছিলাম। দেশের নামকরা বিদ্যালয়ে উন্নত আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করেছিলাম। তোমাদের মা যখন শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন, আমি তার পাশেই ছিলাম। খুব দেখতে চেয়েছিলো তোমাদের দু'জনকে। শেষে তোমাদের ছবিতে চুমু খেয়ে বিদায় নিলেন। তোমাদের মায়ের কাছে তোমরা সেই শিশুই ছিলে। আমি তোমার মৃত মায়ের পাশে বসেছিলাম কখন তোমরা আসবে! তোমরা আমার সাথে প্রতারণা করলে! তোমরা নিশ্চিত থাকো, আমার মৃত্যুর পর আমার দেহ তোমাদের অপেক্ষায় থাকবে না। আমি চাই না, তোমার বড় ভাই আমার দেহের সৎকার করুক! কী প্রয়োজন! তারচেয়ে বরং তোমার মায়ের সাথে আমার সৎকার হয়ে যাক। আমি বেচে থাকার অধিকার হারিয়ে ফেলেছি। আমার সম্মান, অর্থ সম্পদ যা আমার সমাজ রাষ্ট্র আমাকে দিয়েছে, বিনিময়ে আমি সমাজ দেশকে কী দিয়েছি! দুটো আনসিভিলাইজড সিটিজেন বৈ তো নয়! ভাগ্যিস! আমারা আমেরিকা যাইনি। গেলে হয়তো এই চরম সত্যটা চাপা পড়ে যেতো।

আমার শেষ ইচ্ছা! আমার মেডেল রাষ্ট্রীয় পুরস্কার ব্যাটালিয়নের, নগদ টাকা সম্পদ যা আছে, অর্ধেক বাসার চাকরবাকরদের বাকি অর্ধেক এবং সরকারি বিভিন্ন ফান্ডের টাকা কোন বৃদ্ধাশ্রমে এবং সেনা কল্যাণ তহবিলে দান করবে।
ইতি,
তোমাদের বাবা।

চিঠি লেখা শেষ হওয়ার সাথে সাথে পরপর দুটি পিস্তলের গুলির আওয়াজ শুনা গেল। রুমের ভিতর ঢুকে দেখা গেল, কর্নেল সাহেবের নিথর দেহ মেঝেতে পড়ে আছে।

এমনটা কেন ঘটলো! এর জন্য কে দায়ী! কে-ই বা এই করুন মৃত্যুর দায়ভার নেবে?

কর্নেল ও তার স্ত্রীর ছবি।

সেই আদি আমল থেকে কচ্ছপ আর খরগোশের গল্প আমরা সবাই জানি। কিন্তু মজার বিষয় হল আমরা ১ম অধ্যায়টাই বেশি শুনেছি। কিন্তু এই গল...
07/10/2022

সেই আদি আমল থেকে কচ্ছপ আর খরগোশের গল্প আমরা সবাই জানি। কিন্তু মজার বিষয় হল আমরা ১ম অধ্যায়টাই বেশি শুনেছি। কিন্তু এই গল্পের আরো ৩ টি অধ্যায় আছে। যা হয়তো আমরা কেউ শুনেছি, কেউ শুনিনি।

১ম অধ্যায়ঃ এই অধ্যায়ে খরগোশ ঘুমিয়ে যায়, আর কচ্ছপ জিতে যায়। প্রথমবার হেরে যাওয়ার পর খরগোশ বিশ্লেষণ করে দেখল তার পরাজয়ের মূল কারণ 'অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস।' তার মানে অতি আত্মবিশ্বাস যে কারো জন্যই ক্ষতিকর। আর কচ্ছপ বুঝল, লেগে থাকলে সাফল্য আসবেই!
২য় অধ্যায়ঃ হেরে যাওয়ার পর এবার খরগোশ আবারো কচ্ছপকে দৌড় প্রতিযোগিতায় চ্যালেঞ্জ করল আর কচ্ছপও রাজী হল। এবার খরগোশ না ঘুমিয়ে দৌড় শেষ করল এবং জয়ী হল। খরগোশ বুঝল, মন দিয়ে নিজের সামর্থের পুরোটা দিয়ে কাজ করলে দ্রুত সফল হওয়া যায়। আর কচ্ছপ বুঝল, ধীর স্থিরভাবে চলা ভালো, তবে কাজে উপযুক্ত গতি না থাকলে প্রতিযোগীতামূলক পরিবেশে জয়ী হওয়া অসম্ভব!

৩য় অধ্যায়ঃ কচ্ছপ এবার খরগোশকে আরেকবার দৌড় প্রতিযোগিতার আমন্ত্রন জানালো। খরগোশও নির্দ্বিধায় রাজী হয়ে গেল। তখন কচ্ছপ বলল, "একই রাস্তায় আমরা ২ বার দৌড়েছি, এবার অন্য রাস্তায় হোক।" খরগোশও রাজী। অতএব নতুন রাস্তায় দৌড় প্রতিযোগিতা শুরু হল। যথারীতি খরগোশ জোরে দৌড় শুরু করে দিল। কচ্ছপও তার পিছন পিছন আসতে শুরু করল। কচ্ছপ যখন খরগোশ এর কাছে পৌঁছাল, দেখল খরগোশ দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু দৌড়ের শেষ সীমানায় যেতে পারেনি। কারন দৌড়ের শেষ সীমানার আগে একটি খাল আছে। কচ্ছপ খরগোশ এর দিকে একবার তাকালো, তারপর তার সামনে দিয়ে পানিতে নেমে খাল পার হয়ে দৌড়ের শেষ সীমানায় পৌছে প্রতিযোগিতা জিতে গেল। খরগোশ বুঝল, শুধু নিজের শক্তির উপর নির্ভর করলেই হবে না, পরিস্থিতি আর বাস্তবতা অনুধাবন করাও ভীষণ প্রয়োজনীয়! আর কচ্ছপ বুঝল, প্রথমে প্রতিযোগীর দূর্বলতা খুজে বের করতে হবে, তারপর সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করতে হবে।

গল্প কিন্তু এখানেই শেষ নয়

চতুর্থ অধ্যায়ঃ এবার খরগোশ কচ্ছপকে আরেকটি দৌড় প্রতিযোগিতার জন্য আহবান জানালো এই একই রাস্তায়। কচ্ছপ ও রাজী। কিন্তু এবার তারা ঠিক করল, প্রতিযোগী হিসেবে নয়, বরং এবারের দৌড়টা তারা দৌড়াবে সহযোগী হিসেবে!
শুরু হল প্রতিযোগিতা। খরগোশ কচ্ছপকে পিঠে তুলে দৌড়ে খালের সামনে গিয়ে থামলো। এবার কচ্ছপ খরগোশ এর পিঠ থেকে নেমে খরগোশকে নিজের পিঠে নিয়ে খাল পার হল। তারপর আবার কচ্ছপ খরগোশ এর পিঠে উঠে বাকী দৌড় শেষ করল আর এবার তার দু'জনই একসাথে জয়ী হল।

আমরা শিখলাম, ব্যক্তিগত দক্ষতা থাকা খুবই ভালো। কিন্তু দলবদ্ধ হয়ে একে অপরের দক্ষতাকে কাজে লাগাতে পারলেই আসে সত্যিকারের সাফল্য যেখানে সবাই বিজয়ীর হাসি হাসতে পারে।

কালেক্টেড।

Address

1633 Gas Road
Dhaka
1236

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মাঝি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to মাঝি:

Share

Category