উপদেশ । Advice

উপদেশ । Advice 📢 সকল প্রকার উপদেশ ও তথ্য পেতে আমাদের পেজটিকে ফলো করতে পারেন।
(10)

✅ বজ্রপাতের সময় ভুলেও করবেন না যে ৭টি কাজ: সাধারণত মার্চ থেকে মে এবং অক্টোবর থেকে নভেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ...
30/03/2026

✅ বজ্রপাতের সময় ভুলেও করবেন না যে ৭টি কাজ: সাধারণত মার্চ থেকে মে এবং অক্টোবর থেকে নভেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বজ্রঝড় হয়ে থাকে।

বজ্রপাতের সময় বাসা-বাড়ির মধ্যে থাকলে এর প্রভাব থেকে কিছুটা বাঁচা যায়। তবে রাস্তায় কিংবা খোলা মাঠে থাকাকালীন এমন পরিস্থিতি সামনে পড়লে কীভাবে সুরক্ষিত থাকবেন? বজ্রপাতের সময় ভুলেও করবেন না এই ৭টি কাজ ;-

১. বজ্রপাতের সময় উঁচু গাছপালার কাছাকাছি থাকবেন না। কারণ ফাঁকা জায়গায় কোনো যাত্রী ছাউনি বা বড় গাছ ইত্যাদিতে বজ্রপাত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। তাই গাছ থেকে কমপক্ষে ৪ মিটার দূরত্বে অবস্থান করতে হবে।

২. ঘন ঘন বজ্রপাত হতে থাকলে কোনো অবস্থাতেই খোলা, উঁচু জায়গায় কিংবা টিনশেডের বাড়িতে না থাকাই ভালো। সবচেয়ে ভালো হয় যদি কোনো পাকা বাড়িতে আশ্রয় নেওয়া যায়।

৩. বজ্রপাতের সময় রাস্তায় গাড়িতে থাকলে যত দ্রুত সম্ভব গাড়ি থেকে বেরিয়ে পাকা কোনো বাড়ির ছাউনি কিংবা বারান্দায় অবস্থায় নেওয়া।

৪. বজ্রপাতের সময় মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, টিভি, ফ্রিজসহ সকল বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির সুইচ বন্ধ রাখা। বজ্রপাতের আভাস পেলে আগেই এগুলোর প্লাগ খুলে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করুন।

৫. বজ্রপাত ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করবেন না। এমনকি ল্যান্ড লাইন টেলিফোনও স্পর্শ করবেন না। বজ্রপাতের সময় এগুলোর সংস্পর্শ এসে অনেকে আহত হন।

৬. নদীতে নৌকায় অবস্থান করলেও পানি থেকে সরে আসতে হবে এবং নৌকার ছাউনিতে ঢুকে পড়তে হবে।

৭. বিদ্যুতের খুঁটিতে বজ্রপাতের আশঙ্কা বেশি থাকে। তাই বৈদ্যুতিক খুঁটি বা তার আছে এসব জায়গায় যাবেন না বা কাছাকাছি থাকবেন না।

✅ কোথায় কীভাবে পাবেন জমি সংক্রান্ত উল্লেখযোগ্য সব ডকুমেন্ট। ★. পর্চা বা খতিয়ান। ★. দলিল। ★. ম্যাপ বা নকশা।★★.এই ডকুমেন্...
30/03/2026

✅ কোথায় কীভাবে পাবেন জমি সংক্রান্ত উল্লেখযোগ্য সব ডকুমেন্ট।
★. পর্চা বা খতিয়ান।
★. দলিল।
★. ম্যাপ বা নকশা।
★★.এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি জমি ক্রায়-বিক্রয় ও হস্তান্তর অথবা ব্যাংক লোন নিতে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হয়।
সেকারণে, জমির খতিয়ান, দলিলসহ সকল কাগজ পত্র সরকারি বিভিন্ন দপ্তর রয়েছে।
★★.আপনার জমির খতিয়ান বা পর্চা কোথায় পাবেন।
জমির পর্চা বা খতিয়ান মূলত তিন/ চারটি অফিসে পাবেন।
১/ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
২/উপজেলা ভূমি অফিস।
৩/জেলা ডিসি অফিস।
৪/সেটেলমেন্ট অফিস।
★★.ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা তহশিল অফিস। ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যদিও খতিয়ান বা পর্চার বালাম বহি থাকে কিন্তু আপনি এই অফিসে হতে খতিয়ানের কপি নিতে পারবেন না। ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে শুধু খসরা খতিয়ান নিতে পারবেন যেটা আইনত কোন মূল্য নেই তারপরেও এই অফিসটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার জমির খতিয়ান নাম্বার জানা না থাকলে এই অফিস থেকে জেনে নিতে পারবেন এছাড়া জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর এই অফিসে দিতে হয়।
★★.উপজেলা ভূমি অফিস।
যদিও উপজেলা ভূমি অফিসের মূল কাজ নামজারী বা খারিজ বা মিউটেশন করা তবে খসরা খতিয়ান তুলতে পারবেন। এই অফিস হতে খতিয়ানের সার্টিফাইড পর্চা বা কোর্ট পর্চা তুলতে পারবেন না।
★★.জেলা ডিসি অফিস।
এই অফিস হতে পর্চা বা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব সর্বাধিক। সব জায়গায় এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব রয়েছে।
★★.সেটেলমেন্ট অফিস।
শুধুমাত্র নতুন রেকর্ড বা জরিপের পর্চা / খতিয়ান এই অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে।
পাশাপাশি নতুন রেকর্ড এর ম্যাপ ও সংগ্রহ করা যায়।
★★. খতিয়ান তুলতে কত টাকা লাগবে.?
উত্তরঃ সি এস, এস এ, আর এস, এর জন্য কত টাকা দিতে হবে তা নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।

★★. আপনার জমির দলিল বা বায়া দলিল কোথায় পাবেন।
দলিল বা দলিল এর সার্টিফাইড কপি বা নকল মূলত দুটি অফিস হতে সংগ্রহ করা যায়, তা হলো।
**/উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস।
**/জেলা রেজিস্ট্রি বা সদর রেকর্ড রুম অফিস।

★★.উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
যেখানে নতুন দলিল রেজিস্ট্রেশন করা হয় এই অফিস হতে নতুন দলিলের নকল ও মূল দলিল পাওয়া যায়। কিন্তু পুরাতন দলিল বা বায়া দলিল এই অফিসে পাওয়া যায় না।

★★.জেলা রেজিস্ট্রি অফিস বা সদর রেকর্ড রুম।
এই অফিসে নতুন বা পুরাতন দলিলের সার্টিফাইড কপি বা নকল পাওয়া যায়।

★★.মূল অথবা সার্টিফাইড দলিল তুলতে কত টাকা লাগতে পারে।
মূলতঃ সরকারি খরচ যদিও সামান্য কিন্তু নকলের খরচ নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।

★★ আপনার জমির মৌজা ম্যাপ বা নকশা যেখানে পাওয়া যাবে।
সাধারণত ম্যাপ বা নকশা দুইটি অফিসে পাবেন, তা হলো
১/জেলা ডিসি অফিস
২/ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ( DLR) অফিস, ঢাকা।

★★.জেলা ডিসি অফিস:
এই অফিস হতে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস যেকোনো মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করা যাবে।

★★.ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, (তেজগাঁও সাতরাস্তার মোড়), ঢাকা।
সারা বাংলাদেশের যে কোনো মৌজা ম্যাপ সিএস, এসএ, আরএস, বিএস, জেলা ম্যাপ, বাংলাদেশ ম্যাপ উক্ত অফিস হতে তুলতে পারবেন।

এই অফিসের ম্যাপের গ্রহণযোগ্যতা ও অনেক বেশি। সারা বাংলাদেশের যে কোন ম্যাপ এই অফিসে পাওয়া যায়।

ধন্যবাদ সবাইকে, প্রয়োজন মনে করলে টাইমলাইনে শে*য়ার করে রেখে দিতে পারেন।

♦️ বাড়ি বানানোর ক্ষেত্রে কিছু কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। মূলত স্ট্রাকচারাল ডিজাইন, আর্কিটেকচারাল ডিজাইন এবং কিছু কিছু...
30/03/2026

♦️ বাড়ি বানানোর ক্ষেত্রে কিছু কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। মূলত স্ট্রাকচারাল ডিজাইন, আর্কিটেকচারাল ডিজাইন এবং কিছু কিছু ইঞ্জিনিয়ারিং এর টার্মে এগুলো ফলো করা হয়ে থাকে তাতে কাজ একটু সহজ হয়ে যায়।

♻ থাম্ব রুলস (Thumb Rules)
(১) ভিত্তি (ফাউন্ডেশন) সম্পর্কিতঃ
ক) যত তলা ইমারত ভিত্তির গভীরতা তত ফুট হবে। অর্থাৎ চারতলা ইমারতের জন্য সর্বনিম্ন ৪ ফুট মাটির নীচে ভিত্তি দিতে হবে।
(খ) যত তলা ইমারত ভিত্তির প্রস্থ তত (১০) ইঞ্চি হবে। অর্থাৎ তিনতলা ইমারতের জন্য ভিত্তির প্রস্থ ৩০ ইঞ্চি হবে।
(গ) ইমারতের প্লিন্থ লেভেল বিদ্যমান রাস্তার লেভেল থেকে (১'-৬")-(২'-০") উপরে হবে।
(ঘ) ৫" পার্টিশানের ওয়ালের জন্য কোনো ফাউন্ডেশনের প্রয়োজন নেই ।
ঙ) ১০" ইটের দেয়ালের কাঠামোর চেয়ে RCC কাঠামোতে ১৫-২০% খরচ বেশি।
(চ) সম্পূর্ন ইমারত খরচের ১৫% লেবার খরচ।
(ছ) ভরাট মাটিতে মেঝে ঢালাই-এর পূর্বে কমপক্ষে ১.৫ মাস সময় কমপ্যাকশান করতে হবে।
জ) ইটের সলিং বালি ভর্তির পরিমাণ হবে প্রতি ১০০ বঃ ফুঃ এর জন্য ৫ (সিএফটি) cft।
(ঝ) ২৪ ঘন্টা পর কিউরিং এর জন্য পানি ব্যবহার করা যাবে।
(ঞ) ইটের ফাউন্ডেশনের মর্টারে ব্যবহৃত সিমেন্ট বালির অনুপাত (১:৪)। সিড়ির স্টেপের সাইজঃ ন্যূনতপক্ষে (১০"×৬")।
সাধারণ ইমারতের RCC কাজের (কলাম, লিন্টেল, বীম ও স্লাব) অনুপাত ১ঃ২ঃ৪।
সাধারণতঃ বীমের দৈর্ঘ্য যত ফুট, বীমের গভীরতা তত ইঞ্চি ধরা হয়।
যেমন ১৪ ফুট স্পেনের বীমের গভীরতা কমপক্ষে ১৪ ইঞ্চি হয়।
বীমের প্রস্থ কমপক্ষে ১০" হবে।
(ত) যতফুট স্প্যানের বীমঃ ততোদিন পর সাটারিং খোলার নিয়ম তবে সর্বনিন্ম ১৪ দিন।

ধন্যবাদ, তবে এগুলো ইঞ্জিনিয়ার কর্তৃক পরিবর্তনও হতে পারে।

🏬 কমার্স ডিপার্টমেন্টের কয়েকজন ছাত্র ট্রেনে চড়ে কোথাও যাচ্ছিল এবং মার্কেটিং নিয়ে আলোচনা করছিল। একজন বয়স্ক ভদ্রলোক তাদ...
30/03/2026

🏬 কমার্স ডিপার্টমেন্টের কয়েকজন ছাত্র ট্রেনে চড়ে কোথাও যাচ্ছিল এবং মার্কেটিং নিয়ে আলোচনা করছিল। একজন বয়স্ক ভদ্রলোক তাদের আলোচনা মন দিয়ে শুনছিলেন আর মুচকি মুচকি হাসছিলেন।

হঠাৎ ভদ্রলোকটি ছাত্রদেরকে বললেন, আমি কি মার্কেটিং বিষয়টি সহজ দুএকটি কথায় ব্যাখ্যা করতে পারি?

ছাত্ররা কৌতূহলী হয়ে তার দিকে তাকাল।

ভদ্রলোক বলতে শুরু করলেন, মনে করো তুমি কোনো বিয়ে বাড়ীতে দাওয়াত খেতে গিয়েছ। তো সেখানে গিয়ে এক অসামান্য সুন্দরী মেয়ের দেখা পেলে।

♦️ তুমি তার কাছে গিয়ে বললে, "আমি উচ্চশিক্ষিত এবং ধনী। তুমি কি আমায় বিয়ে করবে?" এটাকে বলে সরাসরি বিপণন (ডাইরেক্ট মার্কেটিং)।

♦️ তোমার বন্ধু তার কাছে গিয়ে তোমাকে দেখিয়ে বলল, "ও উচ্চশিক্ষিত এবং ধনী। তুমি কি ওকে বিয়ে করবে?" এটাকে বলে বিজ্ঞাপন।

♦️ মেয়েটি নিজেই তোমার কাছে এগিয়ে এসে বলল, 'আপনি উচ্চশিক্ষিত এবং ধনী। আপনি কি আমায় বিয়ে করবেন?' এটাকে বলে ব্র্যান্ড ভ্যালু।

♦️ তুমি বিয়ের প্রস্তাব দেবার পর মেয়েটি জানাল যে, সে বিবাহিতা। এটাকে বলে চাহিদা ও জোগানের ফারাক (ডিম্যান্ড সাপ্লাই গ্যাপ)।

♦️ তুমি মেয়েটির কাছে গিয়ে কিছু বলার আগেই আরেকজন তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিল এবং মেয়েটি সম্মত হয়ে তার সাথে চলে গেল। এটাকে বলে প্রতিযোগিতা (কম্পিটিশন)।

♦️ মেয়েটি তোমার বিয়ের প্রস্তাব গ্রহণ করল এবং বছর ঘুরতেই তোমাদের একটি সন্তান হলো। একে বলে প্রোডাকশন (উৎপাদন)।

♦️ তুমি মেয়েটিকে বিয়ের অফার দেবার সাথে সাথে সে তোমার গালে ঠাস করে একটা চড় মারল। এটাকে বলে উপভোক্তার প্রতিক্রিয়া (কাস্টমার্স ফিডব্যাক)।

♦️ তুমি যখন মেয়েটিকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে সেই সময় তোমার স্ত্রী এসে উপস্থিত হল। এটাকে বলে নতুন ব্যবসাক্ষেত্রে প্রবেশ করার ঝুঁকি (রিস্ক অফ এন্টারিং নিউ মার্কেট)।"

😀 ছাত্রদের তো আক্কেলগুড়ুম!💥

✅ একবার এক লোক বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি বিল গেটসকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, "পৃথিবীতে তোমার চেয়ে ধনী আর কেউ আছে কি?"বিল গে...
30/03/2026

✅ একবার এক লোক বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি বিল গেটসকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, "পৃথিবীতে তোমার চেয়ে ধনী আর কেউ আছে কি?"

বিল গেটস জবাব দিয়েছিল, "হ্যাঁ, এমন একজন আছেন যিনি আমার চেয়েও ধনী”।

তারপর তিনি একটি গল্প বললেন।

“এই সময়টি ছিল যখন আমি ধনাঢ্য বা বিখ্যাত ছিলাম না।

“একবার নিউইয়র্ক বিমান বন্দরে একজন সংবাদপত্র বিক্রেতার সাথে আমার সাক্ষাত হলো।’’

“আমি একটি সংবাদপত্র কিনতে চেয়েছিলাম কিন্তু দেখেছি আমার কাছে যথেষ্ট টাকা নেই। তাই আমি কেনার সিদ্ধান্ত ছেড়ে পেপারটি বিক্রেতার কাছে ফিরিয়ে দিয়েছিলাম।

“আমি তাকে আমার অবস্থার কথা বলেছি। বিক্রেতা বললেন, ‘আমি আপনাকে বিনামূল্যে দিচ্ছি।’ আমি পত্রিকাটি নিয়েছিলাম।

“দুই থেকে তিন মাস পরে, আমি একই বিমান বন্দরে আবার অবতরণ করেছি এবং কাকতালীয়ভাবে আবারও সেই পত্রিকা বিক্রেতার সাথে দেখা হলো। বিক্রেতা আমাকে আজও একটি পত্রিকা অফার করলেন। আমি অপারগতা প্রকাশ করেছিলাম এবং বলেছিলাম যে আমি এটি নিতে পারি না কারণ এখনও আমার পরিবর্তন আসেনি। তিনি বললেন, ‘আপনি এটি নিতে পারেন, আমি এটি আমার লাভাংশ থেকে আপনাকে দিচ্ছি, আমার ক্ষতি হবে না’। বিক্রেতার আগ্রহে আমি পত্রিকাটি নিয়েছিলাম।

“ঐ ঘটনার ১৯ বছর পরে আমি বিখ্যাত এবং মানুষের কাছে পরিচিত হয়ে উঠি। হঠাৎ একদিন মনে পড়ে গেল সেই পত্রিকা বিক্রেতার কথা। আমি তাকে খুঁজতে শুরু করে দিলাম এবং প্রায় দেড় মাস অনুসন্ধানের পরে আমি তাকে খুঁজে পেলাম।

“আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম,‘ আপনি কি আমাকে চেনেন? ’তিনি বলেছিলেন,‘ হ্যাঁ, আপনি বিল গেটস। ’

“আমি তাকে আবার জিজ্ঞাসা করলাম,‘ আপনার কি মনে আছে একবার আমাকে বিনামূল্যে একটি পত্রিকা দিয়েছিলেন? ’

“বিক্রেতা বললেন,‘ হ্যাঁ, মনে আছে। আপনাকে দু’বার দিয়েছি। ’

“আমি বললাম,‘ আপনি যে আমাকে বিনামূল্যে পত্রিকা দিয়েছিলেন তা আমি ফিরিয়ে দিতে চাই। আপনি আপনার নিজের জন্য যা চান বলুন? আমি এটি পূরণ করব। ’'

“বিক্রেতা বললেন,‘ স্যার, আপনি এমন কিছু দিতে পারবেন না, যা আমার সাহায্যের সমান হবে। ’

“আমি জিজ্ঞাসা করলাম,‘ কেন? ’

“তিনি বলেছিলেন,‘ আমি আপনাকে সংবাদপত্র দিয়েছিলাম আমার দরিদ্র অবস্থান থেকে । আর আপনি এখন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হয়ে আমাকে সাহায্য করার চেষ্টা করছেন। আপনার সাহায্য কীভাবে আমার সাহায্যের সমান হবে? ’

"সেদিন আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে সংবাদপত্রের বিক্রেতা আমার চেয়ে বেশি ধনী, কারণ তিনি কাউকে সাহায্য করার জন্য ধনী হওয়ার অপেক্ষা করেন নি।"

মানুষের বুঝতে হবে যে সত্যিকারের ধনী ব্যক্তি হলো তাঁরাই যাদের প্রচুর অর্থের চেয়ে প্রাচুর্যপূর্ণ হৃদয় রয়েছে।

সত্যিকারের ধনী হওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ।

♦️ বুড়ো হয়েছেন বুঝবেন কিভাবে?
30/03/2026

♦️ বুড়ো হয়েছেন বুঝবেন কিভাবে?

30/03/2026

❤️ কিভাবে বিবাহিত জীবন সুন্দর করবেন ?
১) দুইজন একসাথে কখনো রেগে যাবেন না। একজন রেগে গেলে আরেকজন শান্ত থাকবেন।

২) একসাথে সময় কাটানোর জন্য সময় বের করুন।একসাথে মুভি দেখুন , একসাথে রান্না করুন , একসাথে শপিং এ যান।দিনে এক বেলা হলেও একসাথে টেবিলে বসে খাওয়ার অভ্যাস করুন !

৩) আমাদের অনেক ইগো।তাই ক্ষমা চাবোনা। এটা ভুল।অনেক কষ্ট হলেও ক্ষমা চান আর ক্ষমাটা মন থেকে হতে হবে।

৪) অতীতের ভুল নিয়ে কেউ কাউকে বারবার কথা শুনাবেন না বা খোটা দিবেন না।আর অতীতের ভুল বারবার করবেন না। অতীত চলে গেছে , বর্তমান সুন্দর করলে ভবিষ্যৎ সুন্দর হবে।

৫) পার্টনার কে কখনো ছোট করে কথা বলবেন না। মানুষের সামনে মজা করেও ছোট করবেন না। বেশি বেশি প্রশংসা করবেন।

৬) মনে রাখতে হবে আপনারা একটা টিম। টিম হয়ে কাজ করতে হবে। একে ওপরের স্বপ্ন , কাজকে সাপোর্ট করতে হবে , সেই কাজে সাহায্য করতে হবে। তার সাকসেস আপনারও সাকসেস !

৭)একসাথে থাকলে রাগারাগি, ঝগড়া খুবই স্বাভাবিক বিষয়। এটাকে স্বাভাবিক ভাবেই দেখতে হবে। অস্বাভাবিক বানিয়ে ড্রামা করা যাবেনা !
দিন ঝগড়া দিয়ে শুরু হলেও চেষ্টা করতে হবে দিনের শেষটা যেন ঝগড়া দিয়ে না হয়। দিনের শেষটা মাথা ঠান্ডা করে , সব ভুলে , নরমাল হয়ে শেষ করতে হবে।

৮) ব্লেম গেম খেলা যাবেনা।নিজের ভুল আগে স্বীকার করা শিখুন।দেখুন কোথায় আপনার ভুল আছে।

৯) সবথেকে বড় বিষয় ইচ্ছা থাকতে হবে ! একই মানুষের সাথে ১০০ বছর কাটানোর ইচ্ছা থাকতে হবে ! মন যদি বারবার এদিক ঐদিক চলে যায় অন্য নারী - পুরুষের প্রতি তাহলে কেউ ১০০% এফোর্ট দিলেও কাজে দিবেনা।

১০) সিক্রেটস রাখা যাবেনা ! কথা লুকানো যাবেনা। দুইজন দুইজনের কাছে খোলা বই এর মতো এই আকাশের মতো স্বচ্ছ থাকতে হবে !

😊

30/03/2026

🌏 সাদকার জন্য কিছু সুন্দর টিপসঃ🌏
🟣 ১. আপনার পুরাতন অথবা ব্যবহার হচ্ছে না এমন পোশাক গরিবকে দান করুন।

🟣 ২. একটি জায়নামাজ কিনে মসজিদে রেখে দিন, যে ব্যক্তি তাতে নামাজ আদায় করবে, ইনশাআল্লাহ আপনি সেই আমলের জন্য পুরস্কৃত হবেন।

🟣 ৩. একটি বাটি বা গ্লাসে কিছু পানি আপনার জানালায় রেখে দিন পাখিদের জন্য, এটাও এক ধরনের সদকা। এটিকে অভ্যাসে পরিণত করুন। আপনি পুরস্কৃত হবেন।

🟣 ৪. আপনার রুমে একটি বক্স রাখুন এবং যখনই আপনি মনে করবেন যে আপনি কোন অন্যায় করেছেন, তখনি তাতে সাধ্যমতো পয়সা রাখুন। মাস শেষে তা খুলে দেখুন এবং তা দান করে দিন। এতে নিজের ভুলগুলোর পরিমাণ বুঝতে পারবেন এবং অনুতপ্ত হয়ে নিজেকে সংশোধনের জন্য এটা সুন্দর একটি পন্থা।

🟣 ৫. বাড়িতে ঢুকার ও বের হবার পথে দোয়া লিখে রাখুন একটি কাগজে। যে এই দোয়াগুলো দেখতে পেয়ে পাঠ করবে, ইনশাআল্লাহ আপনি সেজন্য পুরস্কৃত হবেন৷ একইভাবে ঘরের এমন কোন স্থানে দোয়া লিখে রাখতে পারেন যেটা সবার নজরে আসে।

🟣 ৬. আপনার হাত খরচের টাকা দিয়ে একজন এতিমকে সহায়তা করুন আপনার সাধ্যমতো।

🟣 ৭. আপনার বাড়ির আশপাশে যদি কোন নির্মাণ কাজ চলে কিংবা শ্রমিকেরা কাজ করে, তবে কিছু ঠাণ্ডা পানি বা খাবার তাদেরকে দিতে পারেন। ইনশাআল্লাহ আপনি পুরস্কৃত হবেন।

🟣 ৮. কোন মসজিদে কোরআন শরীফ দিন, যে কোন ব্যক্তি যখন অন্তত একটি অক্ষর পাঠ করবে সেটার জন্য ১০ গুন সওয়াব লিখিত হবে আপনার আমলে।

🟣 ৯. আপনি পান করা গ্লাসে পানি অবশিষ্ট থেকে গেলে তা একটি ফুলদানির পাত্রে রেখে দিন, অপচয় করবেন না।

🟣 ১০. আপনার মুসলমান ভাই বোনদের উৎসাহ দিন, দুর্দিনে সাহায্য করুন, সহানুভূতিশীল হোন যখন তারা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকবেন।

🟣 ১১. অসুস্থ আত্মীয় কিংবা পরিচিতদের দেখে আসুন। একটু হাসুন, কথা বলুন। এটাও সাদকা। মৃদু হাসি বিনিময় করাও সদকা।

🟣 ১২. ততক্ষণ পর্যন্ত ঘুমাবেন না যতক্ষণ পর্যন্ত আপনাকে যারা কষ্ট দিয়েছে তাদের ক্ষমা করেছেন।

🟣 ১৩. কাউকে এক অক্ষর হলেও দীন শিক্ষা দিন। সেই ব্যক্তি যখন তার সন্তানসন্ততি, বন্ধুবান্ধব কিংবা তার সন্তানদের মাধ্যমে তার পরের প্রজন্ম এই দীন অর্জন করবে, সে সকল সওয়াব মৃত্যুর পরেও আপনার কবরে পৌঁছাবে।

🟣 ১৪. সামর্থ্য থাকলে মসজিদ, মাদ্রাসা, হাসপাতাল স্থাপনে সহায়তা করুন। গাছ লাগান, টিউবওয়েল বা পান করার পানির ব্যবস্থা করুন। আপনার মৃত্যুর পরেও মাদ্রাসা দীন শিক্ষা দিতে থাকবে।

30/03/2026

✅পবিত্র কোরআন থেকে ৪০টি উপদেশবাণী:-
১. কঠোর ভাষায় কথা বলনা (৩:১৫৯)।
২. রাগ দমন কর (৩:১৩৪)।
৩. অন্যের সাথে ভাল আচরণ কর (৪:৩৬)।
৪. নিষ্ঠুর হইও না (৭:১৩)।
৫. অন্যের ভুলকে ক্ষমা কর (৭:১৯৯)।
৬. মানুষের সাথে নম্র ভাষায় কথা বল (২০:৪৪)।
৭. আস্তে শব্দ কর (৩১:১৯)।
৮. অন্যকে বিপদগ্রস্ত করোনা (৪৯:১১)।
৯. পিতা মাতার উপর দায়িত্ববান হও (১৭:২৩)।
১০. পিতা মাতার সাথে উফ শব্দটাও বলনা
(১৭:২৩)।
১১. না বলে পিতা মাতার ঘরে প্রবেশ করনা
(২৪:৫৮)।
১২. বকেয়া লিখে রাখো (২:২৮২)।
১৩. কাউকে অন্ধভাবে অনুসরণ করো না (২:১৭০)
১৪. ঋণ ফিরিয়ে দেওয়ার আরো সুযোগ দিতে হবে (২:২৮০)।
১৫. সুদ নিও না (২:২৭৫)।
১৬. ঘুষ খেয়ো না (২:১৮৮)।
১৭. শর্ত ভাঙিয়ো না (২:১৭৭)।
১৮. বিশ্বাস বজায় রাখো (২:২৮৩)।
১৯. সত্যকে মিথ্যার সাথে মিলিয়ে দিও না (২:৪২)।
২০. মানুষের মাঝে সঠিক বিচার কর। (৪:৫৮)।
২১. সুবিচারে কঠোর অবস্থান রাখো (৪:১৩৫)।
২২. মৃত ব্যাক্তির সম্পদ তার পরিবারে সঠিকভাবে ভাগ করে দেও (৪:৭)।
২৩. নারীদেরও উত্তরোধিকার হওয়ার নিয়ম আছে (৪:৭)।
২৪. ইয়াতিমের সম্পত্তি গ্রাস করোনা (৪:১০)।
২৫. ইয়াতিমকে রক্ষা করো (২:২২০)।
২৬. অন্যের সম্পদ কৌশলে গ্রাস করোনা (৪:২৯)।
২৭. মানুষের মধ্য বিবাদ মিমাংসা কর (৪৯:৯)।
২৮. সন্দেহ এড়িয়ে চল (৪৯:১২)।
২৯. পিছে কান পেত না (২:২৮৩)।
৩০.সাহায্যার্থে সম্পদ ব্যয় কর (৫৭:৭)।
৩১. গরীবকে খাওয়াতে উৎসাহ প্রদান কর (১০৭ : ৩)।
৩২. প্রয়োজনে সাহায্য করো (২:২৭৩)।
৩৩. অপচয় করোনা (১৭:২৯)।
৩৪. অতিথি আপ্যায়ন কর। (৫১:২৬)
৩৫. নিজে যাচাই করে অন্যকে করতে বল (২:৪৪)।
৩৬. পৃথিবীতে কোন কিছুর অপব্যবহার করনা (২:৬০)।
৩৭. যুদ্ধের সময় পালায়ন কর না (৮:১৫)
৩৮. যে যুদ্ধ করে শুধু তার সাথে যুদ্ধ কর। (২:১৯০)।
৩৯. যুদ্ধে শিষ্টাচার বজায় রাখ। (২:১৯১)
৪০. ধর্মের ব্যাপারে জোর কর না (২:২৫৬)।

আল্লাহ পাক আমাদেরকে কুরআনের আমল অনুযায়ী জীবন গড়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

✅ জমির পরিমাণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন তথ্য: - ১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ১ কাঠা = ৬৬.৮৯ বর্গমিটার১ কাঠা = ১.৬...
29/03/2026

✅ জমির পরিমাণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন তথ্য: -
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ
১ কাঠা = ৬৬.৮৯ বর্গমিটার
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ কাঠা = ৩২০ বর্গহাত
২০ কাঠা = ১ বিঘা
৬০ কাঠা = ১ একর
১৪৮২০ কাঠা = ১ বর্গকিলোমিটার
১৪৮.২ কাঠা = ১ হেক্টর
কানি পরিমাপক
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট = ১৬১৯ বর্গমিটার = ৪০০০০ বর্গলিংক = ৮০ করা
১ কানি = ৭৬৮০ বর্গহাত = ১৯৩৬ বর্গগজ = ১২০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা = ৪০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা=৪০০০০ বর্গলিংক
১ কানি = ২৪ কাঠা
বিঘা পরিমাপক
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ = ১ পাকি
১ বিঘা =২০ কাঠা
১ বিঘা = ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ৩৩০০০ বর্গলিংক
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ
১ বিঘা = ১৪৪০০ বর্গফুট = ১৩৩৮ বর্গ মিটার
১ বিঘা = ১৬ গন্ডা ২ করা ২ ক্রান্তি
৩ বিঘা = ১ একর (মোটামুটি) = ১৬০০ বর্গইয়ার্ড
৭৪১ বিঘা=১৪৮২০ কাঠা=১০৬৭০৪০০ বর্গফুট =৯৯১৬৭২ বর্গমিটার= ১বর্গকিলোমিটার=
২৪৭একর
৭.৪১বিঘা=১৪৮.২কাঠা=১০৬৭০৪ বর্গফুট =৯৯১৩ বর্গমিটার=১ হেক্টর=২.৪৭একর
জেনে নিন খতিয়ান, পর্চা, চিটা, দখলনামা, বয়নামা, জমাবন্দি, দাখিলা, হুকুমনামা, জমা খারিজ, মৌজা কি?
পাকি পরিমাপক
১ পাকি = ১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ
১ পাকি = ২০ কাঠা = ৩৩ শতাংশ
শতাংশ নির্ণয়ের সুত্র
১.৬৫ শতাংশ = ১ কাঠা = ১৬৫ অযুতাংশ =৭২০ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১ শতক = ৪৩৫.৬ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
৩৩ শতাংশ = ১ পাকি = ১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ শতাংশ =১৯৩.৬ বর্গহাত
২৪৭.১০৫ শতাংশ = ১ আয়ের
একর পরিমাপক
১ একর = ১০ বর্গচেইন = (৬৬*৬৬০) = ৪৩৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ৪৩৫৬৯ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ১০০০০০ বর্গলিংক
১ একর = ১৯৩৬০ বর্গহাত
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৪০৪৭ বর্গ মিটার = ০.৬৮০ হেক্টর
৬৪০ একর = ১ বর্গমাইল
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ একর = ২ কানি ১০ গন্ডা ( ৪০ শতক কানি অনুসারে)
২৪৭ একর = ১ বর্গকিলোমিটার
হেক্টর পরিমাপক
১ হেক্টর=২.৪৭একর
১ হেক্টর = ৭.৪১বিঘা
১ হেক্টর = ১৪৮.২কাঠা
১ হেক্টর = ১০৬৭০৪ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গমিটার =৯৯১৩ বর্গমিটার
১ হেক্টর = ১১৯৬০ বর্গগজ
১ হেক্টর = ১.৪৭ একর
১ আয়ের = ২৮.৯ বিঘা
১ হেক্টর = ২৪৭.১০৫ শতক
১ হেক্টর = ৪৭৮৯.৫২৮ বর্গহাত
১ হেক্টর = ১০৭৬৩৯ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১১৯৫৯.৮৮২ বর্গগজ
১ হেক্টর = ৭.৪৭৪ বিঘা
১ হেক্টর = ১০০ আয়ের গন্ডা পরিমাপক ১ গন।

✅ বিদেশ থেকে পণ্য আমদানির প্রক্রিয়া:মোতিন একজন তরুন উদ্যোক্তা। সে চাচ্ছে বিদেশ থেকে কিছু পন্য নিয়ে এসে বাংলাদেশের বাজার...
27/03/2026

✅ বিদেশ থেকে পণ্য আমদানির প্রক্রিয়া:
মোতিন একজন তরুন উদ্যোক্তা। সে চাচ্ছে বিদেশ থেকে কিছু পন্য নিয়ে এসে বাংলাদেশের বাজারে বিক্রি করতে। কিন্তু সে জানেনা কিভাবে পন্য বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়।

তো চলুন এখন আমি আপনাদের দেখাবো বিদেশ থেকে পন্য আমদানির পুরো
প্রক্রিয়া।

প্রথমেই বলে নেই যে, পৃথিবীর যেকোন দেশ থেকে পন্য আমদানির পদ্ধতি প্রায় একই রকম । তো ধরে নেই, মোতিন চায়না থেকে কিছু ইলেকট্রনিক পন্য আমদানি করতে চায়। পন্য আমদানির শুরুতে মোতিনকে ‘আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রকের অধিদপ্তর’ থেকে একটি আমদানি লাইসেন্স করতে হবে।

✅ আমদানি লাইসেন্স করতে আপনাদের যে সমস্ত কাগজপত্র লাগবেঃ-

আমদানি কারকের জাতীয় পরিচয় পত্র
আমদানি কারকের ৩ কপি ছবি
ট্রেড লাইসেন্স
ব্যাংক সলভেন্সী সার্টিফিকেট
ট্রেড এ্যাসোসিয়েশন সনদ
আমদানি কারকের TIN সার্টিফিকেট।

আমদানি লাইসেন্স করার পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাইলে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে “আমদানি লাইসেন্স করার প্রক্রিয়া” নিয়ে একটি ভিডিও আছে সেই ভিডিওটি দেখতে পারেন।

আমদানি লাইসেন্স করার পর এবার আপনি যে দেশ থেকে পন্য আনবেন সেই দেশের একজন উৎপাদনকারী/সরবরাহকারীর সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

এক্ষেত্রে বাংলাদেশের অনেকেই alibaba.com থেকে পন্যের বিক্রেতাদের সাথে যোগাযোগ করে থাকে। এছাড়া আরো অনেক উপায়ে আপনি আপনার পছন্দের বিক্রেতার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। তবে বর্তমানে সবাই ইন্টারনেট ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্রেতা-বিক্রেতার যোগাযোগ এবং বাকি কাজগুলো করে থাকে।

তো আপনি যখন আপনার পছন্দের সরবরাহকারীকে পেয়ে যাবেন তখন উক্ত সরবরাহকারীকে আপনার প্রয়োজন অনুসারে পন্যের ধরন, কালার, সংখ্যা ইত্যাদি বিষয়গুলোর তালিকা পাঠাবে্‌ একইসাথে পন্যের মূল্য ঠিক করে নিবেন।

সরবরাহকারীর সাথে সবকিছু ঠিক হয়ে গেলে এবার সরবরাহকারী আপনাকে একটি PI- প্রফরমা ইনভয়েস পাঠাবে। উক্ত প্রফরমা ইনভয়েজে পন্যের সমস্ত তথ্য থাকবে এবং উক্ত ইনভয়েস অবশ্যই বিক্রেতার প্রতিষ্ঠানের প্যাডে হতে হবে এবং বিক্রেতার স্বাক্ষর থাকবে। উক্ত প্রফরমা ইনভয়েস আপনাকে মেইল করলেও হবে।

এবার আপনাকে উক্ত সরবরাহকারীর উদ্দেশ্যে LC ওপেন করতে হবে । LC আপনাকে ব্যাংক থেকে ওপেন করতে হবে। LC করতে হলে আপনাকে প্রফরমা ইনভয়েসের কপি, আমদানি লাইসেন্সের কপি, ট্রেড লাইসেন্সের কপি, পন্যের মূল্য ইত্যাদি নিয়ে একটি ব্যাংক যেতে হবে। সবকিছু ঠিক দেখলে LC ওপেন করে দিবে।

এখানে বলে রাখি সরবরাহকারী যদি আপনার থেকে LC না দাবী করে তবে আপনাকে LC দেওয়া লাগবে না। আসলে LC হল সরবরাহকারী টাকা পাওয়ার নিশ্চয়তার কপি। অর্থাৎ মনে করুন সরবরাহকারীর পন্য হাতে পেয়ে যদি আপনি টাকা না দেন তবে সরবরাহকারী কি করবে ? আবার আপনিও পন্য না পেয়ে টাকা সরবরাহকারীকে দিবেন না। তাই ব্যাংক দুই পক্ষের মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় কাজ করে।

যাইহোক, LCর কাগজ এবার আপনাকে সরবরাহকারীর নিকট পাঠাতে হবে। সরবরাহকারী LCর কাগজ পাওয়ার পরে আপনার পন্য উৎপাদন এবং সরবারহের ব্যবস্থা করবে। এবার সরবরাহকারী আপনার চাহিদা মত পন্যগুলো জাহাজে/বিমানে লোড করবে। সাধারনত সবাই জাহাজে করে পন্য আনে । জাহাজে পন্য লোড করার পরে জাহাজ কর্তৃপক্ষ সরবরাহকারীকে Bill of Loading প্রদান করবে।

এবার সরবরাহকারী Bill of Loading এর একটি কপি আপানেক মেইল করবে। এতেকরে আপনি নিশ্চিত হলেন যে আপনার পন্য জাহাজে সত্যি উঠানো হয়েছে। উক্ত Bill of Loading এ পন্য কত তারিখে বাংলাদেশে আসতে পারে তার একটি আনুমানিক তারিখ থাকবে।

এবার নির্ধারিত তারিখে আপনি পোর্টে গিয়ে C&F এজেন্টের সহযোগিতায় আপনার পন্য খালাস করিয়ে আনবেন। এখানে আপনি C&F এজেন্টের সহযোগিতা না নিতে চাইলে আপনি একাও কাজগুলো করতে পারেন। তবে কাস্টমসের কাজগুলো কঠিন বিধায় সবাই C&F এজেন্টের সহযোগিতা নিয়ে থাকে , তারা আপনার পক্ষ হয়ে কাস্টমসের সব কাজ করে দিবে।

কাস্টমসের কাজ শেষ করার পর এবার আপনি আপনার পন্য বন্ধর থেকে বের করার অনুমতি পাবেন। এবার আপনি মনের আনন্দে পন্য আপনার হেফাজতে নিয়ে নিবেন।

তো আশাকরি এই ভিডিওর মাধ্যমে আমরা বুঝাতে সক্ষম হয়েছি কিভাবে বিদেশ থেকে পন্য কিনে দেশে নিয়ে আসতে হয়।

সবাইকে ধন্যবাদ।

✅ বিল্ডিং নির্মাণের ক্ষেত্রে কোথায় কতটুকু ঢাল ব্যবহার করতে হয়:১: সিড়ির স্লাবের ঢাল কত হওয়া উচিত ?উত্তর: ২৫৹ থেকে ৪০৹ এর ...
27/03/2026

✅ বিল্ডিং নির্মাণের ক্ষেত্রে কোথায় কতটুকু ঢাল ব্যবহার করতে হয়:
১: সিড়ির স্লাবের ঢাল কত হওয়া উচিত ?
উত্তর: ২৫৹ থেকে ৪০৹ এর ভিতর সীমাবদ্ধ থাকা উচিত।

২: সিড়ির নুন্যতম প্রস্থ বসতবাড়ির ক্ষেত্রে কত হবে ?
উত্তর: বসতবাড়িতে সিড়ির প্রস্থ ৯০ সে:মি: এর কম হবে না।

৩: পাবলিক বিল্ডিং এর সিড়ির প্রস্থ নুন্যতম কতটুকু হবে ?
উত্তর: পাবলিক ভবনে ১৫০ সে:মি: এর কম হবেনা।

৪: সিড়ির ট্রেড ও রাইজের পরিমাপ সচরাচর কত ?
উত্তর: সচরাচর ট্রেড ২৫ সে:মি: রাইজ ১৫ সে:মি: ধরা হয়।

৫: আরামে উঠানামা করার জন্য প্রতি ফ্লাইটে কতটি ধাপ থাকা যুক্তিযুক্ত ?
উত্তর: প্রতি ফ্লাইটে ৩টির কম নয় এবং ১২ টির বেশি নয়। তবে সর্বচ্চ ১৭ টি পর্যন্ত ধাপ রাখা হয়।

৬: সিড়ি ঘরে হেডরুম কতটুকু রাখা হয় ? উত্তর: হেডরুম সিড়িতে ২১০ সে:মি: হলে ভালো।

৭: ভবনের সাধারন ভিত্তির ক্ষেত্রে মাটি ভরাটের পরিমান, মাটি খননের কতটুকু ধরা হয় ?
উত্তর: মাটি খননের ১/৫ অংশ ধরা হয়।

৮: কতটুকু ফাকা অংশের জন্য গাথুনীর হিসাবে কোন বাদ দেওয়া হয় না ?
উত্তর: সাধারনত ০.১ বর্গমিটার ফাকা অংশের জন্য ইটের গাথুনীতে কোন বাদ দেওয়া হয় না। আর ০.০৫ বর্গমিটার প্রস্থচ্ছেদ বিশিষ্ট বীম, পারলিন, রাফটারের প্রান্ত এর পরিমাপও বাদ যাবেনা।

৯: প্লাস্টারের ক্ষেত্রে বাদ দেওয়ার নিয়ম কী ?
উত্তর: ০.৫ বর্গমিটার ওপেনিং পর্যন্ত প্লাস্টারিং কাজে কোন ডিডাকশন হবেনা। ০.৫ থেকে ৩ বর্গমিটার পর্যন্ত ওপেনিং এর ক্ষেত্রে উভয় পাশে প্লাস্টার করলে একপাশ বাদ যাবে। এবং জানালার জাম্ব ও সীলের জন্য কোন পরিমাপ যোগ করতে হবেনা। ৩ বর্গমিটারের বেশি হলে, দুইপাশে বাদ দিতে হবে। জাম্ব ও সীলের পরিমাপ আলাদা ধরে দিতে হবে।

১০: স্লাবের ডাক্ট এর আকার কতটুকু হলে আরসিসি কাজে বাদ দিতে হবে ?
উত্তর: যদি স্লাবের ডাক্টের আকার ০.১ বর্গমিটারের বেশি না হয়, তবে তাহার জন্য আরসিসিতে কোন বিয়োগ হবেনা।

১১: দরজার চৌকাঠের হিসাবের একক কী ?
উত্তর: চৌকাঠ ঘনমিটারে হিসাব করা হয়।

১২: দরজার পাল্লার কাজের একক কি ?
উত্তর: পাল্লার পুরুত্ব আলাদা ভাবে উল্লেখ করা হয়, আর কাজের হিসাব বর্গমিটারে করা হয়।

১৩: জানালার গ্রিলের ও গ্রিল রঙের কাজের একক কী ?
উত্তর: উভয় আইটেম জানালার ওপেনিং এর পরিমাপের সমান হয়। আর হিসাব করা হয় বর্গমিটার এককে।

১৪: প্যানেল, ফ্রেমড, ব্রেসড দরজার ক্ষেত্রে দরজার ওপেনিং এর কতগুন ধরা হয় রঙের কাজে ?
উত্তর: দরজার ওপেনিং।

সংগৃহীত তথ্য

Address

Sher-e-Bangla Nagar
Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when উপদেশ । Advice posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to উপদেশ । Advice:

Share