Chairman of UGC Bangladesh

Chairman of UGC Bangladesh Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Chairman of UGC Bangladesh, Government Official, UGC Bhaban, Plot # E-18/A, Agargaon Administrative Area, Sher-e-Bangla Nagar, Dhaka.

Official page of the Chairman of the University Grants Commission of Bangladesh | Working towards excellence in higher education, research and innovation.

বিশ্ববিদ্যালয়ে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা নিরসনে ইউজিসি’র সঙ্গে কাজ করবে ইউএন উইমেনদেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে যৌন ও লিঙ...
04/06/2026

বিশ্ববিদ্যালয়ে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা নিরসনে ইউজিসি’র সঙ্গে কাজ করবে ইউএন উইমেন

দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে যৌন ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা নিরসনে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন এবং ইউএন উইমেন বাংলাদেশ যৌথভাবে নতুন কার্যক্রম গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠান দু’টি দেশের পাঁচটি নির্বাচিত পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে হাইকোর্টের নির্দেশনা বাস্তবায়নসহ বেশ কিছু অগ্রাধিকারভিত্তিক কার্যক্রম গ্রহণ করবে।

আজ (০৪ জুন ২০২৬) ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ-এর সঙ্গে ইউএন উইমেন বাংলাদেশ-এর দুই সদস্যের প্রতিনিধি দলের এক সভায় এ বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন ইউএন উইমেন বাংলাদেশ-এর প্রোগ্রাম এনালিস্ট শ্রবণা দত্ত এবং তোসিবা কাশেম। সভায় ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মাছুমা হাবিব এবং কমিশনের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের পরিচালক জেসমিন পারভীন উপস্থিত ছিলেন।

ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের অর্থায়নে বাস্তবায়িত “বাংলাদেশের জনপরিসর, কর্মক্ষেত্র ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা নিরসন” প্রকল্পের আওতায় উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহিংসতামুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে চলতি বছরের জুন মাসের শেষ দিকে অথবা জুলাই মাসের শুরুতে ইউজিসি ও ইউএন উইমেন বাংলাদেশ-এর মধ্যে একটি আনুষ্ঠানিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পরিকল্পনা রয়েছে।

সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নের জন্য একটি কার্যকরী ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হবে। একই সঙ্গে কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়মিতভাবে পর্যালোচনার জন্য ত্রৈমাসিক সভা আয়োজন করা হবে।

সভায় ইউএন উইমেন বাংলাদেশ-এর প্রতিনিধি দলের সদস্যরা জানান, প্রকল্পের সামগ্রিক বেসলাইন স্টাডি পরিচালনার দায়িত্ব ইউএন উইমেন গ্রহণ করবে। এ লক্ষ্যে একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান নিয়োগের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে। জুলাই-আগস্ট ২০২৬ সময়ের মধ্যে তথ্য সংগ্রহ সম্পন্ন হওয়ার পর বেসলাইন তথ্য যাচাই ও চূড়ান্তকরণের কাজ করা হবে।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ এবং যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটির সদস্যদের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে হাইকোর্ট বিভাগের ২০০৯ সালের নির্দেশনা অথবা প্রাসঙ্গিক নতুন আইন বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণের জন্য একটি অনলাইন টুল উন্নয়ন এবং জেন্ডার পলিসি ফ্রেমওয়ার্ক প্রণয়নে কারিগরি সহায়তা প্রদান করা হবে।

ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, দেশের উচ্চশিক্ষা খাতের অভিভাবক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইউজিসি নারী শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য নিরাপদ, সম্মানজনক ও সহায়ক ক্যাম্পাস পরিবেশ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্য অর্জনে ইউএন উইমেন বাংলাদেশ-এর উদ্যোগকে তিনি সময়োপযোগী ও ইতিবাচক হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে কার্যকর ও অর্থবহভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে যৌন ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা নিরসনে গৃহীত কার্যক্রম বাস্তবায়নে ইউজিসি প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।


মোহাম্মদ জামিনুর রহমান
পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব)
জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগ, ইউজিসি।

পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা
26/05/2026

পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা

ইউজিসি’র জাতীয় কর্মশালা সমাপ্তউচ্চশিক্ষার টেকসই রূপান্তরে গবেষণা, উদ্ভাবন ও দক্ষতা উন্নয়নে জোরদেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার...
13/05/2026

ইউজিসি’র জাতীয় কর্মশালা সমাপ্ত

উচ্চশিক্ষার টেকসই রূপান্তরে গবেষণা, উদ্ভাবন ও দক্ষতা উন্নয়নে জোর

দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার টেকসই রূপান্তর, গবেষণা ও উদ্ভাবনভিত্তিক জ্ঞানসমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ক্যারিয়ার সাপোর্ট সেন্টার, উদ্ভাবনী কেন্দ্র ও স্টার্টআপ ইনকিউবেটর স্থাপন, শিক্ষা ও গবেষণা অবকাঠামো গড়ে তুলতে বাজেট বৃদ্ধি, সফট স্কিল ও নৈতিক শিক্ষা বাধ্যতামূলককরণসহ একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ তুলে ধরেছেন দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, গবেষক, শিল্প প্রতিনিধি, নীতি প্রণেতা, শিক্ষা প্রশাসক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণ।

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) আয়োজিত “বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার রূপান্তর: টেকসই উৎকর্ষের রোডম্যাপ” শীর্ষক জাতীয় কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে এসব সুপারিশ উপস্থাপন করা হয়। মঙ্গলবার (১২ মে ২০২৬) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে দিনব্যাপী এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য প্রফেসর মো. আখতার হোসেন খান, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর আবদুল হান্নান চৌধুরী এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) উপাচার্য প্রফেসর এ বি এম বদরুজ্জামান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মো. সাইদুর রহমান।

কর্মশালায় উচ্চশিক্ষার পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র নিয়ে পাঁচটি টেকনিক্যাল সেশন অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা শেষে সুপারিশসমূহ উপস্থাপন করেন বুয়েটের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. মো. সামসুজ্জোহা বায়েজীদ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. এনামউল্যা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রফেসর শাহ শামীম আহমেদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ড. এস এম সোহরাব উদ্দিন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে গবেষণা খাতে বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ কেবল জ্ঞান গ্রহণকারী রাষ্ট্র হিসেবে নয়, বরং গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে জ্ঞান সৃজনকারী রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বে পরিচিত হতে চায়। এ লক্ষ্য অর্জনে কর্মশালার সুপারিশসমূহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সভাপতির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ বলেন, কর্মশালার সুপারিশসমূহ দেশের উচ্চশিক্ষা খাতের সার্বিক উন্নয়ন, উদ্ভাবন, গবেষণা এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণে একটি কার্যকর রোডম্যাপ হিসেবে কাজ করবে।

কর্মশালায় দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ নিশ্চিতকরণ, কী পারফরম্যান্স ইন্ডিকেটর (KPI) ভিত্তিক মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু, বার্ষিক পারফরম্যান্স রিভিউ, পিএইচডি ও পোস্ট-ডক্টরাল গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং শিল্পখাতের অর্থায়নে গবেষণা তহবিল গঠণের সুপারিশ করা হয়।

এছাড়া শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ সুবিধা বৃদ্ধি, উচ্চশিক্ষার পাঠ্যক্রম প্রণয়নে শিল্প প্রতিনিধিদের সম্পৃক্তকরণ, সেক্টরভিত্তিক জনবল চাহিদা নিরূপণ, আউটকাম-বেইজড এডুকেশন (OBE) বাধ্যতামূলক করা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টার্নশিপ কার্যক্রম নিশ্চিত করার সুপারিশ করা হয়।

গবেষণা ও উদ্ভাবন জোরদারে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণা ও উদ্ভাবন কেন্দ্র স্থাপন, প্রযুক্তি স্থানান্তর অফিস গঠন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ, যৌথ ডিগ্রি প্রোগ্রাম চালু এবং শিল্প ও অ্যালামনাই-ভিত্তিক গবেষণা তহবিল গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

অংশগ্রহণকারীরা সামাজিক প্রভাবসম্পন্ন গবেষণা পরিচালনা, পেটেন্ট নীতি হালনাগাদ, আধুনিক ল্যাব ও গবেষণা সরঞ্জাম সরবরাহ এবং বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধানমুখী গবেষণার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।

উচ্চশিক্ষা খাতের কার্যকর সুশাসন নিশ্চিত করতে ইউজিসি’র প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, ডিজিটাল মনিটরিং ও ইআরপি সিস্টেম চালু, ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলকে (IQAC) কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানে উন্নীতকরণ, পারফরম্যান্সভিত্তিক তহবিল বরাদ্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয় র‍্যাংকিং ব্যবস্থা চালুর সুপারিশও করা হয়। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় গবেষণা ডাটাবেস তৈরি এবং স্বচ্ছ হিসাবরক্ষণ ব্যবস্থা অনুসরণের ওপর জোর দেওয়া হয়।

সমাপনী অনুষ্ঠানে কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব ও প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলামসহ বিভিন্ন পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষাবিদ, গবেষক, শিল্পখাতের প্রতিনিধি এবং উন্নয়ন-সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১২ তারিখ (মঙ্গলবার) সকালে এ কর্মশালার উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

মোহাম্মদ জামিনুর রহমান
পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব)
জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগ, ইউজিসি।

13/05/2026
12/05/2026
12/05/2026

ইউজিসি আয়োজিত “Transforming Higher Education in Bangladesh: Roadmap to Sustainable Excellence” শীর্ষক জাতীয় কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মশালায় উপস্থিত আছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান ।

উচ্চশিক্ষার রূপান্তরে ইউজিসি’র জাতীয় কর্মশালা কালউদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানদেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে সময়ো...
11/05/2026

উচ্চশিক্ষার রূপান্তরে ইউজিসি’র জাতীয় কর্মশালা কাল
উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী ও টেকসই করার লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) আগামীকাল (মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬) "বাংলাদেশে উচ্চ শিক্ষা রূপান্তর: টেকসই উৎকর্ষতার রোডম্যাপ (Transforming Higher Education in Bangladesh: Roadmap to Sustainable Excellence)" শীর্ষক একটি জাতীয় কর্মশালা আয়োজন করছে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সকাল ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে দিনব্যাপী এই কর্মশালার উদ্বোধন করবেন। অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন শিক্ষাবিদ, মন্ত্রী পরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, ইউজিসি’র সদস্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, নীতি প্রণেতা, সিনিয়র সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক, গবেষক, শিল্পখাতের প্রতিনিধি এবং উন্নয়ন-সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করবেন ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ।

উদ্বোধনী পর্বের পর পাঁচটি টেকনিক্যাল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। সেসব অধিবেশনে "গ্রাজুয়েটদের কর্মসংযোগযোগ্যতা, সফট স্কিল উন্নয়ন ও চাহিদাভিত্তিক শিক্ষা; শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতা এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা; ডিজিটাল রূপান্তর, ডিজিটাল সাক্ষরতা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংযোজন; শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়ন, গবেষণায় উৎকর্ষ এবং আন্তর্জাতিকীকরণ; গভর্ন্যন্স, মান নিশ্চিতকরণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার নিয়ে আলোচনা করা হবে আলোচনা ও সুপারিশ প্রণীত হবে।

কর্মশালার অংশগ্রহণকারীদের মতামতের ভিত্তিতে উচ্চশিক্ষা উন্নয়নে বাস্তবায়নযোগ্য নীতিগত পথনকশা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ বলেন, "উচ্চশিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে এই কর্মশালা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এছাড়া, এটি উচ্চশিক্ষা নিয়ে সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে।"

কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। এছাড়া, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ বি এম বদরুজ্জামান, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আবদুল হান্নান চৌধুরী এবং স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ-এর উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আখতার হোসেন খান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এটি তাঁর প্রথম আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ।

এদিকে কর্মশালা উপলক্ষ্যে সোমবার বিকেলে ইউজিসিতে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর মামুন আহমেদ সাংবাদিকদের কর্মশালা আয়োজনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য, প্রস্তুতিসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। এসময় কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, প্রফেসর ড. মো. সাইদুর রহমান, প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব ও প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।


মোহাম্মদ জামিনুর রহমান
পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব)
জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগ, ইউজিসি।

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বিদেশি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তোলা হবে: ইউজিসি চেয়ারম্যানদেশের বিশ...
09/05/2026

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বিদেশি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তোলা হবে: ইউজিসি চেয়ারম্যান

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বিশ্বের শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষার আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। এমন একটি উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে, যেখানে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিদেশি শিক্ষার্থীরাও পড়াশোনার সুযোগ পাবে বলে জানিয়েছেন ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ।

শনিবার (৯ মে) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ‘চীন-বাংলাদেশ শিক্ষা সহযোগিতা ফোরাম-২০২৬’-এর আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও- এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আবু বোরহান মোহাম্মদ বদরুজ্জামান এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর মহাপরিচালকের প্রফেসর খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল।

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, শিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণ বর্তমান সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের অনেক শিক্ষার্থী বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন। তবে তাঁদের সঙ্গে বাংলাদেশের আত্মিক বন্ধন অটুট রয়েছে। দেশে এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন, যাতে বিদেশে অবস্থানরত মেধাবী ও দক্ষ মানবসম্পদ দেশের প্রয়োজনে যেকোনো সময় অবদান রাখতে পারে। মেধা পাচার নয়, বরং মেধার সার্কুলেশন নিশ্চিত করা জরুরি বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে টেকসই ও ফলপ্রসূ সহযোগিতা গড়ে তুলতে ইউজিসি সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। তিনি বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, উচ্চশিক্ষার মান সত্যিকার অর্থে উন্নত করতে হলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনের দিকে দৃষ্টি দিতে হবে এবং শিক্ষাক্ষেত্রে অগ্রগামী দেশগুলোর সঙ্গে শক্তিশালী সেতুবন্ধন তৈরি করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, গত কয়েক দশকে চীনের উচ্চশিক্ষা খাতে যে অসাধারণ অগ্রগতি হয়েছে, তা থেকে অভিজ্ঞতা অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করতে আগ্রহী। বিশেষ করে আধুনিক ল্যাবরেটরি অবকাঠামো, যৌথ গবেষণা তহবিল এবং শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচির ক্ষেত্রে ইউজিসি আরও গভীর সম্পৃক্ততা প্রত্যাশা করে।

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, “এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কেবল আনুষ্ঠানিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। যৌথ ডিগ্রি প্রোগ্রাম, পিএইচডি গবেষকদের জন্য দ্বৈত তত্ত্বাবধান (dual supervision) এবং উচ্চমানের জার্নালে যৌথ গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশের মতো কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।”

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপপরিচালক অধ্যাপক ড. লিয়া পেং, হুয়াঝং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন তান গাংই, গুয়াংডং ফাইন্যান্স অ্যান্ড ট্রেড ভোকেশনাল কলেজের প্রেসিডেন্ট ঝাং শিয়াওইয়ান এবং চায়না এন্টারপ্রাইজ অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট হান কুন।

অনুষ্ঠানে রাজধানীর বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

ইউজিসির চেয়ারম্যানের সাথে ইউনেস্কো প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎইউনেস্কো বাংলাদেশের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল আজ (০৫ মে ২০...
05/05/2026

ইউজিসির চেয়ারম্যানের সাথে ইউনেস্কো প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

ইউনেস্কো বাংলাদেশের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল আজ (০৫ মে ২০২৬) বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে।

সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধি দল ২০২৪ সালের আগস্ট গণআন্দোলন-পরবর্তী সময়ে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইউনেস্কো ও ইউজিসি গৃহীত কার্যক্রম সম্পর্কে ইউজিসি চেয়ারম্যানকে অবহিত করেন। পূর্ববর্তী প্রকল্পের সফলতার ধারাবাহিকতায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নতুন একটি প্রকল্প গ্রহণে ইউনেস্কোর আগ্রহের কথাও তারা জানান।

বাংলাদেশে ইউনেস্কোর প্রতিনিধি ড. সুজান ভাইজ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা হলেন ইউনেস্কো ঢাকা অফিসের শিক্ষা প্রধান নরিহিড ফুরুকাওয়া, ভারতের ইউনেস্কো মহাত্মা গান্ধী ইনস্টিটিউট অব এডুকেশন ফর পিস অ্যান্ড সাস্টেইনেবল ডেভেলপমেন্টের (ইউনেস্কো এমজিআইইপি) অ্যাসোসিয়েট প্রজেক্ট অফিসার ড. রিচা বানশাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর সৈয়দ তানভীর রহমান এবং ইউনেস্কোর প্রোগ্রাম অফিসার (শিক্ষা) রাজু দাস।

সাক্ষাৎকালে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, নানা কারণে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা তীব্র মানসিক চাপের মধ্যে থাকে। শিক্ষার্থীদের সামাজিক ও মানসিক চাপের কারণগুলো চিহ্নিত করে কার্যকর প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা না গেলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সুষ্ঠু ও সহায়ক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা কঠিন হবে।

তিনি বলেন, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের প্রায় ৮০ শতাংশ শহরের বাইরের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসে। শহরের পরিবেশ তাদের অনেকের জন্য সম্পূর্ণ নতুন। এসব শিক্ষার্থীর উল্লেখযোগ্য অংশ সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের সদস্য। তাদের অনেকেই পরিবারের প্রথম সদস্য হিসেবে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে। ফলে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ, পাঠদান পদ্ধতি, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক এবং বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের নানা বিষয়ে তাদের পর্যাপ্ত ধারণা থাকে না।

ইউজিসি চেয়ারম্যান আরও বলেন, সফট স্কিলের ঘাটতির কারণে অনেক শিক্ষার্থী শিক্ষকদের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে না। আবার অনেক শিক্ষার্থীকে নিজের পড়াশোনা ও জীবনযাপনের খরচ বহনের পাশাপাশি পরিবারকেও আর্থিক সহায়তা করতে হয়। এসব কারণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অস্থিরতা, মানসিক চাপ ও হতাশা তৈরি হয়।

এ অবস্থা থেকে উত্তরণে শিক্ষার্থীদের সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সেবা অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে সুষ্ঠু শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সফট স্কিল উন্নয়ন কার্যক্রমও সম্ভাব্য নতুন প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান।

সভায় ইউজিসি ও ইউনেস্কো সম্ভাব্য প্রকল্পের কার্যক্রম নির্ধারণের জন্য একটি যৌথ ওয়ার্কিং কমিটি গঠনের বিষয়ে সম্মত হয়।

উল্লেখ্য, ইউনেস্কো ও ইউজিসি’র যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ‘সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা’ প্রকল্পের আওতায় দেশের ২২টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থীকে বিশেষ মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হয়েছে। এর বাইরে প্রকল্পের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে আরও অন্তত ২০ হাজার শিক্ষার্থী এ সেবা গ্রহণ করেছে।

মোহাম্মদ জামিনুর রহমান
পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব)
জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগ, ইউজিসি।

বাংলাদেশে ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরা, অস্ট্রেলিয়া শাখা ক্যাম্পাস স্থাপনে আগ্রহী ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরা, অস্ট্রেলিয়া বি...
05/05/2026

বাংলাদেশে ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরা, অস্ট্রেলিয়া শাখা ক্যাম্পাস স্থাপনে আগ্রহী

ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরা, অস্ট্রেলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়টির একটি শাখা ক্যাম্পাস সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশে স্থাপন করতে চায়। আট সদস্যের এক প্রতিনিধি দল ৪ মে ২০২৬ তারিখ ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ-এর সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাতকালে এ আগ্রহের বিষয়টি তুলে ধরে।
প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোঃ হাসান উজ জামান, এনডিইউ, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, এমফিল। প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন মেজর জেনারেল মোহাম্মদ কামরুল হাছান, এসজিপি, এসইউপি, এনডিসি, এইচডিএমসি, পিএসসি, প্রফেসর দি অনারেবল বিল শর্টেন, ভাইস-চ্যান্সেলর ও প্রেসিডেন্ট, প্রফেসর মাইকেল লিংকন, ডেপুটি ভাইস-চ্যান্সেলর ও ভাইস প্রেসিডেন্ট (একাডেমিক), ড. ফিওনা রিচার্ডস, চিফ গ্লোবাল এনগেজমেন্ট অফিসার, ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরাসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। এছাড়াও বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।
ইউজিসি’র পক্ষে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, প্রফেসর ড. মোঃ সাইদুর রহমান, প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব ও প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম। এছাড়া, অন্যান্যের মধ্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কমিশনের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক ড. সুলতান মাহমুদ ভূইয়া ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের পরিচালক জেসমিন পারভিন ।
সভায় প্রতিনিধি দলটি বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারকরণের লক্ষ্যে ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরার একটি শাখা ক্যাম্পাস স্থাপনের সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে। তারা বলেন যে প্রস্তাবিত এ উদ্যোগ সফল হলে দেশের শিক্ষার্থীরা নিজ দেশেই বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষা গ্রহণ এবং পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ পাবে।
ইউজিসি চেয়ারম্যান এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে অংশীদারিত্ব দেশের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি আরও বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার গুণগতমান বৃদ্ধির পাশাপাশি বৈশ্বিক শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে বাংলাদেশের সংযোগ আরও জোরদার করবে। এর মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে এবং জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলার পথ সুগম হবে। ইউজিসি চেয়ারম্যান বিদ্যমান বিধি-বিধানের আলোকে প্রতিনিধি দলকে এ ব্যাপারে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস প্রদান করেন।
তিনি আরও বলেন, ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরা-এর শাখা ক্যাম্পাস স্থাপনের বিষয়টি আমাদের দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা, শিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণ এবং ট্রান্সন্যাশনাল হায়ার এডুকেশনের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন বর্তমানে কাজ করছে।
মেজর জেনারেল মোঃ হাসান উজ জামান তাঁর বক্তব্যে বলেন, ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরা-এর শাখা ক্যাম্পাস বাংলাদেশে স্থাপিত হলে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ পাবেন।
প্রফেসর বিল শর্টেন বলেন, ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরা, অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয়টির শখা ক্যাম্পাস স্থাপিত হলে এদেশের শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক শিক্ষায় প্রবেশিধিকার পাবে এবং উচ্চশিক্ষার আন্তর্জাতিকিকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। উচ্চশিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরা একাডেমিক ও প্রশাসনিক মানদণ্ড বজায় রাখতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকে।
সভায় উভয় পক্ষই সময়োপযোগী ও ভবিষ্যতমুখী শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন, বিশেষ করে বর্তমান বিশ্বের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বিগ ডাটা, মেশিন লার্নিং ইত্যাদি বিষয়সমূহ শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হলে শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন দক্ষতা অর্জনে সক্ষম হবে এবং বৈশ্বিক কর্মবাজারে প্রবেশের সুযোগ পাবে। এছাড়া সভায় একাডেমিক বিনিময়, গবেষণা সহযোগিতা এবং দক্ষতা উন্নয়নমূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণের সুযোগ সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা হয়।

মোহাম্মদ জামিনুর রহমান
পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব)
জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগ, ইউজিসি।

Address

UGC Bhaban, Plot# E-18/A, Agargaon Administrative Area, Sher-e-Bangla Nagar
Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chairman of UGC Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share