08/03/2026
মধ্যপ্রাচ্যে *যুদ্ধের কারনে জ্বালানি তেলের সংকট তৈরি না হলেও, এদেশের অসৎ,লোভী,অপরিণামদর্শী মানুষ নিশ্চিতভাবে সংকট তৈরি করবেই। নিজের কয়েকটা অভিজ্ঞতা বলি-
০১. বাসার নিচে এক লোক তাঁর ড্রাইভারকে পরামর্শ দিচ্ছে, "গাড়ীতে যদি ২০/২৫ হাজার টাকার তেল লোড করতে পারো, আগামী সপ্তাহে মোটারসাইকেল চালকদের কাছে এ তেল ১ লাখ টাকায় বিক্রি করতে পারবা!"
০২. এক পাম্প কর্মচারীর ভাষ্য, "গত ৩ দিন যে পরিমান তেল বিক্রি হইছে, এক সপ্তাহেও এ পরিমান তেল বেঁচা হয় না!"
০৩. পাম্প মালিকরা ডিপো থেকে যে পরিমান তেল পাচ্ছে, সেটির বড় অংশ বেশি দামে খুচরা বাজারে বিক্রি করতেছে। কারন, পাম্পে দাম বেশি নেয়ার সুযোগ নাই। আর খুচরা বাজারের অসৎ ব্যবসায়ীরা বেশি দাম হাকিয়ে বসে আছে। ওখানে সরকারি তদারকি কম।
০৪. ডিলার, খুুচরা ব্যবসায়ীদের অন্যতম লক্ষ্য কিছু পরিমানে হলেও মজুদ করা।
০৫. অকটেন, পেট্রোলের সাথে মধ্যপ্রাচ্য সংকটের সম্পর্ক প্রায় নাই, তারপরও প্যানিংক বায়িং এর কারনে সংকট তৈরি হচ্ছে।
০৬. ভোক্তাদের সবার এখন একমাত্র টার্গেট গাড়ীতে তেল ফুল লোড করা, ভাবখানা এমন একবার ফুল লোড করতে পারলেই জীবন স্বার্থক। এক পাম্পে পরিমানের বেশি না দেওয়ায় ভিন্ন ভিন্ন পাস্পে যাচ্ছে অনেকে।
০৭. মিডিয়ার লোকজন সরবরাহের স্বাভাবিক অবস্থা দেখাতে নারাজ। ভাবখানা এমন, সংকট না দেখালে নিউজ হবে না।