Palliative Care Society of Bangladesh

Palliative Care Society of Bangladesh Palliative Care Society of Bangladesh is trying its best to reduce the suffering of death passersby people.

We are committed to maintaining the necessary medicine and home care at the marginal time of their life.

28/05/2026

আপনার পরিচিত নিঃসঙ্গ মানুষটিকে আজ ডেকে নিন আপনার উৎসবের আঙ্গিনায়, উদযাপনের আনন্দে।

27/05/2026
টিম মমতাময় কড়াইল
26/05/2026

টিম মমতাময় কড়াইল

24/05/2026

শেষ কর্মদিবসে "মমতাময় কড়াইল" এর আনন্দঘন মুহূর্ত! নিরাপদে আপনার ঈদের প্রস্তুতি শুরু হোক !!

"আজ মমতাময় কড়াইলে 'আনন্দ প্রকল্পে' আমাদের বন্ধুদের ঈদের নতুন জামা, চুড়ি দিয়েছে। একটু পোজ না দিলে হয়?সেরিব্রাল পালসি ...
24/05/2026

"আজ মমতাময় কড়াইলে 'আনন্দ প্রকল্পে' আমাদের বন্ধুদের ঈদের নতুন জামা, চুড়ি দিয়েছে। একটু পোজ না দিলে হয়?

সেরিব্রাল পালসি / সিপি বাচ্চা কঠিন কঠিন নামে ডাকো আমাদের। না হয় আমাকে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুই বলছো। তাতে কি? উপহার পেলে, আনন্দ হয় না বুঝি?

তোমরা যারা অনেক অনেক উপহার পাও... তারা এই আনন্দ হয়তো বুঝবে, কিন্তু পুরোপুরি অনুভব করবে না...

জানো তো, আমার আনন্দ কারো থেকে কম হয় না! হয় কি?"

24/05/2026

বাবার রিক্সা মুছে শুরু হয় দিন... দুরন্ত শৈশবের প্রত্যাশা আর বাস্তবতার সমীকরণ লেখার ব্যস্ততা কচি হাতে...

আজ Fellowship in Palliative Care-এর ক্লাশরুম সেশন ১২ অনুষ্ঠিত হলো। আজকের সেশনের দ্বিতীয় পর্বে “Making a Compassionate Re...
23/05/2026

আজ Fellowship in Palliative Care-এর ক্লাশরুম সেশন ১২ অনুষ্ঠিত হলো। আজকের সেশনের দ্বিতীয় পর্বে “Making a Compassionate Response – Expectations vs. Realities” বিষয়ে গভীর ও মানবিক আলোচনা করেন অধ্যাপক নিজামউদ্দিন আহমেদ স্যার।

তিনি অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরেন যে, আমরা অনেক সময় একজন শোকগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে “ঠিক কী বলা উচিত” তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকি। কিন্তু প্রকৃত মমতা সবসময় নিখুঁত শব্দে নয়, বরং নীরবে পাশে থাকা, মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং মানুষের কষ্টকে সম্মান করার মধ্যেই প্রকাশ পায়।

সেশনে প্রত্যাশা ও বাস্তবতার পার্থক্যে আলোচনা হয়। আমরা অনেক সময় সরল সমাধান আশা করি, কিন্তু বাস্তবের শোক ও কষ্ট অনেক জটিল, অগোছালো এবং গভীর।

প্রেজেন্টেশনের পর অংশগ্রহণকারীদের আলোচনা ছিল অত্যন্ত প্রাণবন্ত ও অর্থবহ। বিভিন্ন দেশের অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের অভিজ্ঞতা, চ্যালেঞ্জ এবং মমতার প্রয়োগের বাস্তব অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন, যা পুরো সেশনকে আরও সমৃদ্ধ করে তোলে।

“Compassion is not about having the right words; it is about remaining present in the face of suffering.”

এই সেশন আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছে—
মমতা কোনো কৌশল নয়, এটি একটি মানবিক উপস্থিতি।

লায়লাতুল ফেরদৌস
কোর্স কোঅর্ডিনেটর
পিসিএসবি

20/05/2026

রোগীর বয়স:৫৫ বছর
রোগ:ESRD on (maintenance hemodialysis) with DCM with HTN
উনি আজ সকাল ৭ টার দিকে ইন্তেকাল করেছেন।
ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন।

মা ছেলের অনবদ্য যুগলবন্দির যবনিকাপাত হলো আজ।সেই ২০২১সাল থেকে আমাদের নিবন্ধিত রোগী। তখন থেকেই ডায়লাইসিস পান।

কঠিন,নিরাময়অযোগ্য রোগ ধরা পড়ার পর প্রিয়তমা স্ত্রীও সেবা করতে অস্বীকৃতি জানালেন,দূরে চলে গেলেন,কিন্তু ছেড়ে যেতে পারলেন না মা।শিরিন বেগম,বয়স বর্তমানে ৬৪বছর।মাত্র ৯বছর বয়সেই যিনি মা হয়েছিলেন রোগীর,তাঁকে সেই ২০২১সাল থেকেই দেখেছি কী অদম্য সাহস,কী দৃঢ় মানসিকতা।যেন ছেলের জন্য যমের সাথে লড়াই করতে কোমর বেধে নেমেছেন।

এই ৫বছরে আমি কোনোদিন উনাকে ভেঙে পড়তে দেখি নি।সপ্তাহ তিনেক আগে পিসিএ পপি একদিন ভিজিট শেষে এসে অসহায়ের সুরে বলল,”ম্যাম,মা ছেলের ঝগড়া লেগেছে।”

আমি ফলোআপ দেখতে দেখতে জিজ্ঞেস করলাম,”বিষয়বস্তু কী আজকে?”

পপি জানালেন, "মা খুব খবরদারি করছেন রোগীর (ছেলে)
খাওয়া দাওয়া নিয়ে,অনেক বেছে খাওয়াচ্ছেন,তাই ছেলে ব্যঙ্গ করে বলেছে,”তুমি কত বড় ডাক্তার যে আমারে এতকিছু খাইতে মানা কর?”

পাল্টা জবাবে শিরিন বেগম বলেছেন,”সন্তানের জন্য মা ই সবচেয়ে বড় ডাক্তার।” এই নিয়ে তর্ক,পাল্টা তর্ক।

মাঠকর্মী পপি বুঝিয়ে শুনিয়ে সেদিনের মতো মিলিয়ে দিয়েছে মা ছেলেকে।

তবে আমি ভাবছিলাম,মা এর কথা কি আদৌ মিথ্যা?

কড়াইল অনানুষ্ঠানিক বসতির মত (বস্তির) মতো জায়গায় থেকে,প্রতি সপ্তাহে ২বার করে ডায়লাইসিস করানো,পয়সা জোগাড় করতে বসতভিটার অর্ধেকটা বন্ধক দেওয়া,এত অভাবের মধ্যেও নিয়ম করে প্রতিদিন ২টা ডিমের সাদা অংশ খাওয়ানো,মেপে মেপে পানি খাওয়ানো,এসব ৫টা বছর ধরে যিনি নিয়মমাফিক করে আসছেন,তিনি কী কোন ডাক্তারের চেয়ে কম?

থাক,কে কম কে বেশি সেই তর্কে আমরা যাব না।তবে নিজেও হাইপারটেনশন এর রোগী হয়েও যেভাবে গত ৫টা বছর রোগীকে দেখভাল করেছেন উনার মা,তা অতুলনীয়।৫টা বছর যুদ্ধ করেছেন একসাথে,আজ একা হয়ে গেলেন।

মাঠকর্মী পপি আক্তার জানালেন,বেশ কয়েক বছর ধরে ২০টাকার একটি সমিতি করতেন রোগী, উদ্দেশ্য ছিল যে টাকা জমবে তা দিয়ে যেন দাফন কাফন এর খরচ হয়ে যায়,তার মৃত্যুর পর তার মা তার জন্য মানুষের কাছে হাত পাতবেন,এই অসহায় দৃশ্য কল্পনা করেই নাকি এই সমিতি করা।আজ মা জানালেন,সেই সমিতি থেকেই সব ব্যবস্থা হচ্ছে।

কি বিচিত্র মানুষের জীবন!এতদিন মায়ের ভালোবাসা দেখলাম ছেলের প্রতি,আর আজ ছেলের ভালোবাসা দেখলাম মায়ের প্রতি।মৃত্যুর পর মাকে যেন ছোট হতে না হয় তার ব্যবস্থা করে গেছেন মৃত্যুর আগেই।পরপারে অনেক ভালো থাকুন,শান্তিতে থাকুন।

ডাক্তার তাসনীম জেরিন
প্রকল্প চিকিৎসক ও নির্বাহী প্রধান
মমতাময় কড়াইল

আমার মা তখন পিজি হাসপাতালের প্যালিয়েটিভ কেয়ার সেন্টারে ভর্তি। হাসপাতালে প্রায় ৩ মাস দৌড়াদৌড়ির পর অন্তত: তাঁর ব্যথানাশের ...
20/05/2026

আমার মা তখন পিজি হাসপাতালের প্যালিয়েটিভ কেয়ার সেন্টারে ভর্তি। হাসপাতালে প্রায় ৩ মাস দৌড়াদৌড়ির পর অন্তত: তাঁর ব্যথানাশের একটি কার্যকর ব্যবস্থা হয়েছে। দেশের প্রথিতযশা ৫ জন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ ও প্রেসক্রিপশন তখন আমার হাতে—যার ৫টি ছিল ৫ ধরনের! এর বাইরেও ছিল নানাবিধ পরামর্শের দীর্ঘ তালিকা। এগুলো বুঝতে এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে আমার একজন নিরপেক্ষ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের প্রয়োজন ছিল, যিনি পুরো বিষয়টা সহজ করে বুঝিয়ে দিতে পারেন। চারদিকে যখন অন্ধকার দেখছিলাম, তখন আমার সামনে আলো হয়ে উপস্থিত হলেন অধ্যাপক ডা. নিজামউদ্দিন আহমেদ স্যার।

​উনার প্রথম কথা ছিল—'ফাইল দেখে মনে হচ্ছে আপনার একটু সময় লাগবে। আজ আমার বেশ ব্যস্ততা, আপনাকে একটু ধৈর্য ধরে বসতে হবে।' তারপর প্রায় ৩ ঘণ্টা উনি নিজের কাজের পাশাপাশি আমার সব কাগজপত্র ও রিপোর্ট খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখলেন এবং পরম যত্নে ব্যাখ্যা করলেন। সবশেষে সমাপনী টানলেন এভাবে—'আশাকরি আপনি সবকিছু বুঝতে পেরেছেন, এবার আর সিদ্ধান্ত নিতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। তবে সিদ্ধান্ত কিন্তু আপনাকেই নিতে হবে।'

​আমার মা তাঁর শেষ নিশ্বাস এই প্যালিয়েটিভ কেয়ারেই ত্যাগ করেছিলেন। মায়ের কাছে ডা. নিজামউদ্দিন আহমেদ স্যার ছিলেন নির্ভরতার এক পরম আশ্রয়। মা উনার মধ্যে উনার নিজের বাবার ছায়া দেখতেন, বলতেন—'বাবা ডাক্তার'। আর আমরা বলতাম—'নানা ডাক্তার'

বুরহানুর রহমান

(সংগৃহীত)

19/05/2026

যায়যায়দিন মিডিয়াপ্লেক্স ৪৪৬ ই+এফ+জি তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল ঢাকা ১২০৮

13/05/2026

কিছু কিছু লেখা চোখে পানি আনে নিরবে!
Palliative care is every ones business! …...............................................................................তো, আমি আমার ছেলের সাথে বিভিন্ন বিষয়েই একেবারে খোলামেলা আলাপ করি, পরিপূর্ণ এডাল্টদের মত আলাপ যাকে বলে। আমি তাকে জানিয়েছি, "আব্বা সব মানুষেরই কিছু না কিছু সমস্যা থাকে, যেমন আমার সমস্যা আমার পাব্লিক স্পিকিং ভীতি। তোমার বাবার সমস্যা সে আবার দরকারের বেশি কথা বলে। 🙃 তো তোমার সমস্যা হল তোমার অটিজম আছে। এর মানে হল, তুমি হয়তো যাদের অটিজম নাই তাদের মত করে না ভেবে অন্য রকম করে চিন্তা কর বা বুঝো। এতে করে অন্য অনেকে তোমার চিন্তা, কথা বা কাজ না বুঝায় তোমাকে হয়তো আজেবাজে কথা বলতে পারে, তোমার সাথে খেলতে না চাইতে পারে। আবার অনেকেই আছে তোমাকে বন্ধু ভাববে বা ভালো কথা বলবে। যারা তোমাকে ভালোবাসবে, তুমিও তাদের সাথে অলওয়েজ ভালো ব্যবহার করবে, তাদের উপকার করার চেষ্টা করবে সুযোগ পেলেই। এছাড়া যদি দেখ কেউ কাউকে বুলি করছে, তুমি যাকে বুলি করা হচ্ছে তাকে প্রটেক্ট করবা সব সময়, নিজে কোনদিন কাউকে বুলি করবে না। আর যে বা যারা বুলি করে তাদের কি করবা?"

আমি ভাবছি সে উত্তর দিবে, মাইর দিব।

কিন্তু সে ভেবে বলল, "তাদের কাইন্ডনেস দেখাবো। আর বলব, বুলি করা পচা কাজ, আল্লাহ পানিশমেন্ট দিবে।"

বাহ! এই আলাপে আমি তার কাছ থেকে উলটা শিখলাম! তার আগের স্কুলে কিছু বাচ্চা যে বুলি করত, কয়েকজন টিচার যে চরম দুর্ব্যবহার করতেন, শ্যাডো টিচার যে ঠিকমতো ম্যানেজ করতে সক্ষম ছিলেন না; তা আমি তখনই কয়েকজন গার্ডিয়ান (তেমন একজন ভালো গার্ডিয়ান প্রথম স্ক্রিনশটে) এবং স্বয়ং জায়ীনের কাছ থেকে জেনেছিলাম৷ কিন্তু স্কুলে মিটিংগুলিতে সেগুলি নিয়ে কথা উঠালে কেউ স্বীকার করত না, মানে সব দোষ জায়ীনের একারই ছিল৷ গার্ডিয়ানরাও কে কি করেছেন, কে এই কমেন্ট করেছেন (দ্বিতীয় স্ক্রিনশটে) আমি জানি , কিভাবে জানি জানতে চেয়েন না, বলব না; শুধু বলব, আমি সব দিক দিয়েই আপনার চাইতে এডভান্স লেভেলের, সাক্সেস্ফুল ও হ্যাপি পার্সন। 😃

কাজেই, যারা যারা এগুলি করেছেন এবং আমার বাচ্চাটাকে আরেকটু হলেই পাগল বানিয়ে ফেলতে গিয়েছিলেন, তাদের প্রত্যেকের উপর আমার অসম্ভব রকম রাগ আছে। একচুয়ালি এটা রাগ বললে হাল্কা শোনায়, অনুভূতিটা আরো কঠিন। যাই হোক, আমি ভয়াবহ রকম প্রতিশোধপরায়ণ ব্যক্তি, তবে আমার প্রতিশোধ আমার নিজে নিতে হয়নি কখনো। আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ কোন না কোনভাবে আমার বা আমার ছেলের ক্ষতি করতে চাওয়া মানুষদের কোন না কোন প্যাঁচে ফেলে আমার মন শান্ত করে দিয়েছেন। এবারও ইনশাআল্লাহ তাই হবে। কিন্তু আপাতত, আমার ছেলের শান্ত উত্তর মন আসলেও প্রশান্ত করেছে আমার।

ওই নিউরোটিপিক্যাল বাচ্চাগুলির কেউ ওর বুকে পেটে খেলার নাম করে জোরে ঘুষি দিয়েছে, কেউ ফুটবল খেলার সময় তুমি কিছু পারোনা বলে জোর ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিয়েছে, কেউ বাজে কথা বলেছে, কেউ ইঁচড়ে পাকা কোন শব্দ শিখিয়ে উলটা বকা খাইয়েছে, কেউ মিথ্যা নালিশ দিয়ে বকা খাইয়েছে (এটা আমার নিজের দেখা)। অথচ, আমি অন্যদের চাইতে আরো ৫ হাজার টাকা বেশি খরচ করে একজন আস্ত শ্যাডো টিচারই রেখেছিলাম তাকে এসব থেকে প্রটেক্ট করার জন্য।

আর আমার অটিজম ১ লেভেলের ছেলে বলতেছে, ওদের কাইন্ডনেস দেখায়ে বুঝাবে! ওর কথা শুনে আমিও ক্ষমা মোডে আছি এখন, পরে আবার কি হবে তা পরের কথা, আমাকে আমি নিজেই বিশ্বাস করিনা! 😒



লেখা: সাদিয়া শবনম হেমা

(সংগৃহীত)

Address

Bou Bazar, Korail, Banani
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Palliative Care Society of Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category