29/09/2025
মাওলানা জুবায়ের সাহেব দাঃবা এক বয়ানে বলেন:
“মানুষের মধ্যে হারাম ঢুকে গেলে তার দোয়া আল্লাহ পাকের কাছে কবুল হয় না। হারাম জিনিস ভক্ষণ করার দ্বারা শরীরে রক্ত-মাংস নাপাক হয়ে যায়।”
আজকে দুঃখজনক বিষয় হলো— আমরা না বুঝে, কখনো বুঝেও হারাম জিনিস খাচ্ছি, ব্যবহার করছি, কিন্তু কী করছি না। এজন্যই আমাদের দোয়া ও ইবাদত কবুল হচ্ছে না।
রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন:
“এক ব্যক্তি দীর্ঘ সফর করে আসে, এলোমেলো চুল, ধুলোমাখা, আকাশের দিকে হাত উঠিয়ে দোয়া করে—‘হে আমার রব, হে আমার রব’। অথচ তার খাবার হারাম, পানীয় হারাম, পোশাক হারাম এবং হারাম দ্বারা লালিত। কিভাবে তার দোয়া কবুল হবে?”
(সহীহ মুসলিম, হাদিস: 1015)
কোরআনুল কারীমে আল্লাহ তাআলা বলেন:
“হে ঈমানদারগণ! তোমরা যা হালাল ও পবিত্র তা-ই খাও, আর আল্লাহকে ভয় কর, যদি তোমরা শুধু তাঁরই বান্দা হও।”
(সূরা আল-বাকারা: 172)
বাহ্যিকভাবে মানুষ দাড়ি-টুপি, পাঞ্জাবি পরে নামাজ পড়লেও যদি ভিতরে হারামের রক্ত-মাংস মিশে যায়, তাহলে তার দোয়া ও ইবাদত কবুল হয় না। যেমন একজন মানুষ জাল দিয়ে সারাদিন নদীতে মাছ ধরে খালয়েতে রাখলো, কিন্তু খালয়ের তলা ফাঁটা থাকায় সন্ধ্যায় এসে দেখে মাছ কিছুই নেই। তেমনি হারাম খাবারের কারণে যতই ইবাদত-বন্দেগী করা হোক, তা কবুল হয় না।
এই জন্য আমাদের উচিত হারাম থেকে বেঁচে থাকা, আল্লাহর কাছে তওবা করা, হালাল জীবিকা অবলম্বন করা।
তাবলীগের মেহনত মানুষকে বদলায়, হালাল-হারাম শিক্ষা দেয়। তাই আসুন, অন্তত মৃত্যুর আগে এক চিল্লা, তিন চিল্লা বের হয়ে আল্লাহর রাস্তায় সময় দিই, ইসলামিক মৌলিক জ্ঞান অর্জন করি এবং মানুষকে দাওয়াত দিই। আল্লাহ পাক আমাদের কবুল করুন।