25/03/2025
তামিম ইকবাল যখন বুকে ব্যথা পান—
দুই ঘণ্টার মধ্যে এনজিওগ্রাম, রিং—সব সেরে ফেলেন ডাক্তার!
❗কিন্তু সিরিয়ার অবস্থায় আমার #বাবাকে হসপিটালে নেওয়া হলে, ডাক্তার এর কড়াকড়ি হসপিটালে বেড নেই,
-আমিঃ- ডাক্তার আমার বাবা শ্বাস নিতে পারতেছে না, দয়া করে চিকিৎসা'র ব্যবস্থা করেন
-ডাক্তারঃ- আমাদের ক্ষেত্রে সম্ভব নয়, অন্য কোথাও নিয়ে যান, রোগী সিরিয়াস, আমরা পারবো না❗
-আমিঃ- যতো টাকা লাগে আমি দিবো, দয়া করে চিকিৎসা'র ব্যবস্থা করেন
-ডাক্তারঃ- অনেক রাত এখন সম্ভব নয়, আপনারা অন্য হসপিটালে নিয়ে যান!!!
একটা দেশের মূল্যবান ক্রিকেটার,
তাই তার প্রাণ বাঁচাতে দেরি নেই—
হাসপাতালও তখন সেবা দেয়, দয়া করে নয়।
আল্লাহর রহমতে তামিম ভাই বেঁচে আছেন—
কিন্তু যারা তামিম না? যারা শুধুই নাগরিক?
তাদের বুক ব্যথা মানেই— বুকের উপরে ভর্তি ফরম, সিরিয়াল, অ্যানালাইসিস ফি,
প্রতীক্ষার ওয়ার্ড, আর হয়তো একটা শোকবার্তা!
এখানে সেবা পেতে হলে
তুমি ধনী হতে হবে, জনপ্রিয় হতে হবে,
নয়তো হতে হবে নিছক ভাগ্যবান!
একই রিং,
একই ডাক্তার,
একই অপারেশন—
তবু কারো জন্য পঁচিশ হাজার,
আর কারো জন্য দুই লাখ!
এটা কি সেবা?
না ভাই, এটা স্টেন্ট নামের চুক্তিভিত্তিক ডাকাতি।
বাংলাদেশে চিকিৎসা নেই—এই মিথ্যে বলে যারা,
তারা আসলে সত্যকে আড়াল করে।
চিকিৎসা আছে—সততা নেই।
ডাক্তার আছে—দায়িত্ব নেই।
হাসপাতাল আছে—মানবতা নেই।
এখানে ওটি মানে 'অপারেশন থিয়েটার' না,
এটা একেকটা 'অফিস টেবিল',
যেখানে প্রতিটি রোগী একটা টাকার ইউনিট।
বুকের ব্যথা কেটে যাবে একদিন,
কিন্তু এই ব্যবস্থার ব্যথা কাটবে কবে?
একদিন রিং পড়বে এই সিস্টেমের বুকে—
হৃদপিণ্ড খুলে বের করা হবে প্রতারণার রক্ত।
সেইদিন চিকিৎসা হবে আবার সেবা,
ব্যবসা নয়।