12/12/2025
আজকে ওসমান হাদীরে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়ার পর তার চিকিৎসাজনিত সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন ডক্টর জাহিদ রায়হান,যিনি বিএনপির ড্যাব সমর্থিত বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক।
এতো বড়ো ভূমিকা রাখার পর কোনো বিএনপির নেতা-কর্মীদের এটা উল্লেখ করতে দেখেছেন? কিন্তু রক্তাক্ত হাদীর সাথে একটা ছবি তুলে সাথে সাথে নিজের আসন উল্লেখ করে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন জামায়াতের একজন কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারক।
এখানেই বিএনপির তৃনমূলের নেতা-কর্মীদের সাথে জামায়াতের একজন কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারকের পার্থক্য;জামায়াত শিবির করার পূর্বশর্তই হলো আপনাকে আগাগোড়া ছোটোলোক হইতেই হবে।
----
মির্জা আব্বাস যার নামের সাথে গত ৫০ বছরের ঢাকার রাজনীতি ওতোপ্রোতো ভাবেই জড়িত সে-ই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মির্জা আব্বাস ঐ ওসমান হাদীকে দেখতে হসপিটালে গিয়েছেন।
মির্জা আব্বাস হসপিটালে যাওয়ার পর তাকে হেনেস্তা করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করলো ছাগী সংস্থার একজন নেত্রী।মির্জা আব্বাস শুধু অসহায় ভাবে তাকিয়েই ছিলো আর মির্জা আব্বাসের সকল নেতা-কর্মী অশ্রুসিক্ত নয়নে সেই দৃশ্য অবলোকন করলো।
কিন্তু মির্জা আব্বাসের মতো প্রভাবশালী নেতার জায়গায় এখানে আওয়ামী লীগ কিংবা জামায়াতের কোনো জেলা পর্যায়ের নেতার সাথেও কেউ এমন ব্যবহার করতো তাহলে আজ এখানেই গণপিটুনির শিকার হতেন সে-ই ছাগী সংস্থার নেত্রী।
শুধুমাত্র বিএনপির নেতা মির্জা আব্বাস হওয়াতে তিনি আজ বেঁচে গেলেন আর বিএনপি নেতাদের বলবো এসব বালের রাজনীতি ছেড়ে ছুড়ি পরে ঘরে বসে থাকুন।
আপনি মির্জা আব্বাস আপনি ঐ মুহুর্তে ঐখানে যাবেন কেনো?আপনি ঐখানে সর্বোচ্চ আপনার ওয়াইফ আফরোজা আব্বাস কিংবা আপনার সবচেয়ে একনিষ্ঠ কর্মী রফিকুল ইসলাম মজনুকে পাঠাতে পারতেন।
উদারতা শিষ্টাচারের উদাহরণ তৈরী করার জন্য আপনি নিজেই গেলেন,আপনিও লজ্জিত হলেন আর বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের প্রতিটি নেতা-কর্মীদের আজ অশ্রুসিক্ত করলেন।
মির্জা আব্বাস আপনার নামটাই একটা ইতিহাস কিন্তু আজকের এই মির্জা আব্বাসকে অন্তত আমি চিনি না...
Imtiaj লিখেছেন