30/08/2024
অতি উৎসাহী হয়ে কোন সম্মানিত ও বয়োবৃদ্ধ শিক্ষকদের প্রতি অন্যায় আচরণ থেকে বিরত থাকুন।
শিক্ষকদের কোন দায় নেই তা অস্বীকার করছি না।
তবে নিয়ম তান্ত্রিক উপায়ে শালীনতা বজায় রেখে প্রতিবাদ হোক।
দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের কাছে শিক্ষকগণ অপমানিত ও লাঞ্ছিত হচ্ছেন। অনেক সময় শারীরিকভাবে নিগৃহীত হওয়ার প্রমান ও পাওয়া যাচ্ছে
যা অত্যন্ত ঘৃণ্য ও অমানবিক কাজ।
আমরা ধারণা করছি এ ধরনের জঘন্য ও নিকৃষ্ট আচরনের সাথে কোন আদর্শবান ও মেধাবী শিক্ষার্থীগন জড়িত নয়।
শিক্ষকদের অপমানিত ও লাঞ্ছিত করার ঘটনা বাংলাদেশে নতুন নয়। যা আমরা বিগত বছরগুলোতে ও প্রত্যক্ষ করে আসছি।
আমরা দেখেছি জনৈক শিক্ষার্থীর উশৃংখল স্টাইলে চুল রাখার কারণে শিক্ষক শাসনের উদ্দেশ্য তার চুল কেটে দেওয়ার দায়ে তৎকালীন প্রশাসন কর্তৃক গ্রেফতার হতে হয়েছিলো এ ধরণেন আরো বহু ঘটনা বর্ণনা করতে পারবো।
একটি মহল এমনভাবে প্রচার শুরু করছে যে বর্তমানেই
শুধু এধরণের অমানবিক কাজগুলো সংগঠিত হচ্ছে
তাদের উদ্দেশ্য ছাত্র -জনতার বিজয় কে ব্যঙ্গ করা।
এবং বিচ্ছিন্ন কিছু বেয়াদবদের পূঁজি করে গোটা ছাত্র সমাজের ইমেজ ক্ষুন্ন করা।
তবে প্রতিবাদ হওয়া জরুরি কিন্তু মতলব অন্য কিছু হওয়া কাম্য নয়।
মনে রাখবেন শিক্ষকতা হচ্ছে সর্বজনীন স্বীকৃত সম্মানজনক পেশা, একজন আদর্শ শিক্ষক হচ্ছেন জাতি গড়ার কারিগর। তাই তাদের শ্রদ্ধা করুন।
সম্মানিত শিক্ষক মহোদয়গন!
যেহেতু আপনারা জাতির মেধা গড়ার কারিগর, তাই আপনাকে হতে হবে দশজন থেকে সেরা উন্নত নৈতিক চরিত্রের অধিকারি। যেন আপনার কারনে পুরো শিক্ষক জাতির গায়ে কেউ কালিমা লেপন করার সূযোগ না পায়।
একজন ভালো শিক্ষক একজন ছাত্রের জীবন
আমূল বদলে দিতে পারেন। তাকে নবজন্ম দিতে পারেন। সম্ভাবনা আর সাফল্যের দুয়ারে পৌঁছে দিতে পারেন।তাই ছাত্র -শিক্ষক সম্পর্কের ভিত্তি মজবুত ও দৃঢ় হওয়া প্রয়োজন। স্নেহ -ভালোবাসা আর শ্রদ্ধা - সম্মানে যে সম্পর্ক রচিত হয় সেই সম্পর্ক যেন
সর্বদাই অটুট থাকে। ছাত্র -শিক্ষকের পবিত্র সম্পর্ক অক্ষুন্ন রাখা সকলেরই নৈতিক দায়িত্ব।