এডুলিচার পাঠশালা

এডুলিচার পাঠশালা শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, বিশুদ্ধজ্ঞান

‘অন্যভূবন’ মিসির আলি সিরিজের চতুর্থ বই; এই উপন্যাসেও মিসির আলি বাস্তব-যুক্তিবাদী মানুষ, এবং সম্পুর্ণভাবে পরাবাস্তবতার জগ...
08/12/2024

‘অন্যভূবন’ মিসির আলি সিরিজের চতুর্থ বই; এই উপন্যাসেও মিসির আলি বাস্তব-যুক্তিবাদী মানুষ, এবং সম্পুর্ণভাবে পরাবাস্তবতার জগতে ঢুকে যান। যতক্ষণ পড়েছিলাম, ততক্ষণ বেশ ভাল লাগলেও উপন্যাস শেষে এক রাশ জিজ্ঞাসা, মাথার ভিতর উঁকি দিয়ে গেছে। যার জবাব বইয়ে নেই, এবং আর কখনই আমাদের জানা হবে না।
নয় বছরের মেয়ে তিন্নি, যে অন্যভূবনের মানুষ; মূলত মানুষ নয়, গাছ। সঙ্গত কারণেই সে অন্য সাধারণ বাচ্চা থেকে ভিন্ন। তাকে চিকিৎসা করতে গিয়ে মিসির আলিকে গলদঘর্ম হয়ে যেতে হয়। মিসির আলি মনোবিজ্ঞানের বই বাদ দিয়ে উদ্ভিদবিজ্ঞান পড়া শুরু করেন।
মিসির আলি সিরিজের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় উপন্যাসের মত, এই উপন্যাসেও মিসির আলি সমস্যা সমাধানের জন্য অনেক পরিশ্রম করেন, শেষ পর্যন্ত তাঁর বিশ্বাস, তাঁর বাস্তব ও বৈজ্ঞানিক যুক্তিকে ব্যর্থ করে দেয় পরাবাস্তবতা। তিনি সিরিজের প্রথম চারটি উপন্যাসের একটিতেও রহস্যের মীমাংসা করতে পারেন নি। এই উপন্যাসেও—
১. ‘অন্যভূবনে’ যে রহস্যের অবতারণা করা হল তার কিনারা বা বৈজ্ঞানিক কোন ব্যাখ্যা মিসির আলি করতে পারেন নি। হুমায়ূন আহমেদ আর সব গল্পে যা করেন, এই গল্পেও কিছু অনুমান আর অধিকাংশ অন্ধকারে রেখেই শেষ করে ফেললেন কাহিনী।
২. এই উপন্যাসটিকে কল্পবিজ্ঞান বলা হয়ে থাকলেও, এটি কল্পবিজ্ঞান হয়ে ওঠেনি। এতে টেলিপ্যাথিকে এতে রীতিমত সমর্থন করা হয়েছে। টেলিপ্যাথি অবশ্যই একটি অপবিজ্ঞান; আর কোন কল্পবিজ্ঞানে অপবিজ্ঞানের কোন জায়গা থাকার কথাই না।
৩. এই উপন্যাসে মিসির আলি বিবাহিত; তাঁর স্ত্রী নীলা—আগের তিন উপন্যাসে নীলা একটি রহস্যময়ী চরিত্র, যদিও তার রহস্যের মীমাংসা করার চেষ্টা করেননি মিসির আলি। এই উপন্যাসেও নীলা চরিত্র সামান্য রহস্য রয়েছে, অবশ্য বেশি কিছু থাকা সম্ভবও ছিল না, কেননা, নীলার উপস্থিতিও অল্প সময়ের জন্য।
৪. মিসির আলি ও নীলার একটি পুত্র সন্তান আছে, এই পুত্রটির কী পরিণাম হয়েছিল লেখক আমাদের জানান নি, তবে অনুমান করা চলে, মিসির আলির পুত্রটির পরিণামও তিন্নির অনুরূপ হয়ে থাকবে।
৫. বইটিকে কল্পবিজ্ঞান নয়, একটি রহস্য উপন্যাস হিসেবেই পড়তে হবে। আর এভাবে পড়তে পারলে বেশ রোমাঞ্চকর কিছু সময় কাটবে, এটা নিশ্চিত।
৬. হুমায়ুন আহমেদের প্রয়াণে বাস্তবিকভাবেই মিসির আলিরও মৃত্যু ঘটিয়েছে। হুমায়ূন আহমেদের বেশির ভাগ গল্পেরই শেষ পরণিত নেই। পাঠককে তিনি একটি দোলাচালে রেখে গল্প শেষ করতেন। এই পদ্ধতি পাঠকের জন্য একটা ধাঁধাও বটে, পাঠক নিজের ইচ্ছেমত কল্পনা করে নিতে পারেন, এতে পাঠক গল্পে অভিভূত থাকতে হয় বাধ্য হয়েই। হুমায়ূন আহমেদ আরও বহুদিন আমাদের মাঝে জীবিত থাকলে, অনেক অনেক কাহিনী লিখলে হিমু-রুপার মিলন হতে পারত কি পারত না, এই প্রশ্নের তুলনায় ‘অন্যভূবনে’ উল্লেখিত মিসির আলির স্ত্রী নীলা ও তাঁদের পুত্রের কী পরিণাম হত, এই প্রশ্নই পাঠককে আলোড়িত করে বেশি।

‘অন্যভূবন’ মিসির আলি সিরিজের চতুর্থ বই; এই উপন্যাসেও মিসির আলি বাস্তব-যুক্তিবাদী মানুষ, এবং সম্পুর্ণভাবে পরাবাস....

24/10/2024

মহামূল্য চা এখন কে জ্বাল দিবে? এ-বাড়ির বড়বৌ ও-বাড়ির ছোটবৌ—সকলে মিলিয়া পরামর্শ করিয়া যাহার যত রন্ধন-বিদ্যা জানা ছিল সমস্ত উজাড় করিয়া সেই অপূর্ব চা রন্ধন-পর্ব সমাধা করিল। অবশেষে চা বদনায় ভর্তি হইয়া বৈঠকখানায় আগমন করিল। কবির সঙ্গে আমরাও তাহার কিঞ্চিৎ প্রসাদ পাইলাম। কবি তো মহাপুরুষ। চা পান করিতে করিতে চারাঁধুনিদের অজস্র প্রশংসা করিয়াছিলেন। আমরাও কবির সঙ্গে ধুয়া ধরিলাম। গ্রামচাষীর বাড়িতে যত রকমের তরকারী রান্না হইয়া থাকে, সেই চায়ের মধ্যে তাহার সবগুলিরই আস্বাদ মিশ্রিত ছিল। কমিউনিস্ট-কর্মী আবদুল হালিম বড়ই সমালোচনাপ্রবণ। তাঁহার সমালোচনা মতে সেই চা-রামায়ণের রচয়িত্রীরা নাকি লঙ্কাকাণ্ডের উপর বেশী জোর দিয়াছিলেন। আমাদের মতে চা-পর্বে সকল ভোজনরসের সব গুলিকেই সম মর্যাদা দেওয়া হইয়াছিল। পরবর্তীকালে বহু গুণীজনের কাছে এই চা খাওয়ার বর্ণনা করিয়া কবি আনন্দ পরিবেশন করিতেন।

24/10/2024

বিভ্রান্ত হবেন না, যারা স্বার্থের প্রয়োজনে কুরআন-হাদীসে বিকৃতি করতে পারে, তারা ইতিহাসে বিকৃতি করবে না এমন আশাও করবেন না। আংশিক সত্য সত্য নয়, আংশিক সত্য হচ্ছে মিথ্যাকে প্রতিষ্ঠিত করার কূটকৌশল।

21/10/2024

একদিন কথা প্রসঙ্গে কবি বলিলেন, দেখ, আমার বিষয়ে লোকে যখন তখন যা-কিছু লিখতে পারে। কেউ কোন উচ্চবাচ্য করে না।
আমি বলিলাম, ‘আপনি কবি, সাহিত্যিক,—আপনাকে নিন্দা করেও সাহিত্য তৈরী হয়। তাই আপনার নিন্দা করা সহজ। কিন্তু একথা নিশ্চয় জানবেন, দেশের শতসহস্র লোক আপনার কবিতা পড়ে আনন্দ পায়—আপনাকে শ্রদ্ধা করে। শ্রদ্ধা অন্তরে অনুভব কববার বস্তু। নিন্দার মত শ্রদ্ধা বাহিরে তত মুখর নয়। আপনাকে যারা শ্রদ্ধা করে আপনি তাদের দেখেন নি।’
কবি অনেকক্ষণ চুপ করিয়া রহিলেন, পরে উত্তর করিলেন, দেখ মহাত্মা গান্ধীকে ত কেউ নিন্দা করতে সাহস করে না।
আমি বিনীতভাবে উত্তর করিলাম, ‘মহাত্মা গান্ধী বিশিষ্ট ব্যক্তি হলেও তাঁকে নিন্দা করলে সাহিত্য তৈরী হয় না। আপনার সঙ্গে আপনার নিন্দুকেরাও কিছুদিন বেঁচে থাকতে চায়। ছুছুন্দরী কাব্যের লেখকের নাম আজ কে মনে রাখত যদি মাইকেলের অমর কাব্যের সঙ্গে এই কাব্য জড়িত না থাকত?’
এই আলোচনার পরে দেশে এমন দিনও আসিয়াছিল, যে জনতা গান্ধীজীকে মহাত্মা না বলিলে ক্ষেপিয়া যাইত, তাহারাই তাঁহার গায়ে ইষ্টক নিক্ষেপ করিয়াছে—তাহার গাড়ি আক্রমণ করিয়াছে। পরিশেষে সেই জনতার একজনের হাতেই গান্ধীজীকে জীবন পর্যন্ত দিতে হইল।

//ঠাকুরবাড়ির আঙিনায় থেকে...

07/10/2024

ভালবাসাটাকে খুঁজে বেড়িও না। ওটা ঘোড়ার পায়ের নালও নয় আর মাটির তলায় মোহরের কলসীও নয়। হাতড়ে চললেই হোঁচট খাবে। তবে কোথায় আর কবে সত্যিকারের ভালবাসবার মত ভালবাসাটুকুকে পাবে তা জানবার চেষ্টাও করো না। খানেখানে পাওয়া যায়—সবটুকু রসগোল্লায় মত একজায়গার তাল পাকিয়ে রসের গামলায় ভাসে না।

06/10/2024

মায়া উঠিয়া মুখ ধুইয়া আসিয়া চুল আঁচড়াইতে আঁচড়াইতে গান ধরিল–
তোমার আনন্দ ঐ এলো দ্বারে
এলো–এলো–এলো গো!
বুকের আঁচলখানি I beg your pardon, miss–
সুখের আঁচলখানি ধূলায় পেতে
আঙ্গিনাতে মেল গো—’
নাঃ, আমার মুখটা দেখছি সত্যিই খারাপ হয়ে গেছে। ভাগ্যিস কেউ ছিল না—‘বুকের আঁচল’ বলে ফেলেছিলাম!
দীপ্তি হাসিয়া বলিল—বাঃ বাঃ! দিদি, তোকে পারবার যো নেই!
মায়া। কেন, দোষটা শুধরে নিলাম তাতেও অপরাধ?
দীপ্তি। ওর নাম দোষ শুধরে নেওয়া? ও ত চিমটি কাটা।
মায়া। তা হলে আমার দ্বারা হয়ে উঠল না সভ্য হওয়া। তোদের মত ভাল মেয়ের পাশে থেকে যে একটু-আধটু দেখে শুনেও শিখব, তাও দিবি না? আচ্ছা সবাই এত রেগে যায় কেন বলতে পারিস? সেদিন যখন কমলা ঐ গানটা গাইছিল, মিসেস ডি এমন করে তার দিকে তাকালেন যে বেচারীর বুকের আঁচল বুকেই রইল, তাকে আর ধূলায় মেলতে হল না। মিসেস ডি বলে দিলেন, বই-এ ওটা ছাপার ভুল কমল, সুখের আঁচল হবে–
কমলা বলল—কিন্তু রবিবাবুকে আমি ওটা বুকের আঁচল–
মিসেস ডি বলিল—তর্ক কোর না, যা বলছি শোন। আর কমলাটারও আচ্ছা বুদ্ধি! না হয় রবিবাবু গেয়েছিলেন বুকের আঁচল–কিন্তু এদিকে বুকের আঁচলটা ধূলায় পাততে গেলে যে ব্যাপারটা হবে তার সম্বন্ধে কবির অনভিজ্ঞতাকে কি প্রশ্রয় দেওয়া উচিত?…

06/10/2024

মুরলীদা, শৈলজা, প্রেমেন আর আমি চারজন ভবানীপুর থেকে এক দলে, আর অন্য দলে ডি-আর, গোকুল, নৃপেন, ভূপতি, পবিত্র, সুকুমার— সকলে সদলবলে হুগলিতে এসে উপস্থিত হলাম। প্ল্যাটফর্মে স্বয়ং নজরুল। “দে গরুর গা ধুইয়ে” অভিনন্দনের ধ্বনি উঠল। পূর্ব-পরিচয়ের নজির এনে ব্যবধানটা কমাবার চেষ্টা করা যায় কিনা সে-কথা ভেবে নেবার আগেই নজরুল সবল আলিঙ্গনে বুকে টেনে নিলে—শুধু আমাকে নয়, ভনে-জনে প্রত্যেককে। তোমরা হেঁটে-হেঁটে একটু-একটু করে কাছে আস আর আমি লাফিয়ে-ঝাঁপিয়ে পড়ে জাপটে ধরি–সাঁতার জানা থাকতে সাঁকোর কি দরকার!

“থানা থেকে আসছি” স্বনামধন্য নাট্যকার Mr. J. B. Priestleyর “Aln Inspector Calls” নাটকের অনুসরণে রচিত। বিগত পঞ্চাশ বছর ধরে...
03/10/2024

“থানা থেকে আসছি” স্বনামধন্য নাট্যকার Mr. J. B. Priestleyর “Aln Inspector Calls” নাটকের অনুসরণে রচিত। বিগত পঞ্চাশ বছর ধরে বিভিন্ন পেশাদারী নাট্যসংস্থা এই নাটকটি মঞ্চে সফল উপস্থাপনা করেছে যেমন: চতুর্মুখ, মাস থিয়েটার্স ইত্যাদি।
এই নাটকটি দুইবার চলচ্চিত্রে রূপায়িত হয়েছে।
‘থানা থেকে আসছি’-র প্রথমবার চলচ্চিত্র হয় ১৯৬৫ সালে।
সুর সংযোজনা— তিমিরবরণ, পরিচালনা— হীরেন নাগ, পরিবেশনা— চণ্ডীমাতা ফিল্মস প্রাঃ লিঃ। রূপায়ণে— উত্তম কুমার, ছায়াদেবী, কমল মিত্র, দিলীপ মুখার্জী, জহর রায়, অঞ্জনা ভৌমিক ও মাধবী মুখার্জী।
‘থানা থেকে আসছি’-র দ্বিতীয়বার চলচ্চিত্র হয় ২০১০ সালে।
পরিচালনা— সারণ দত্ত, পরিবেশনা— মরফিউস মিডিয়া ডেনচার।
রূপায়ণে— সব্যসাচী, পাওলি, পরমব্রত, রুদ্রনীল, দুলাল ইত্যাদি।
‘থানা থেকে আসছি’-র মঞ্চে পেশাদার প্রযোজনা ১৯৭৮ সালে অগাস্ট মাসে। আলো— তাপস সেন, পরিচালনা– শ্যামল সেন, অভিনয়ে– অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃপ্তি মিত্র, এন বিশ্বনাথন, দেবরাজ রায় ইত্যাদি।
‘থানা থেকে আসছি’-র মঞ্চে স্বপ্ন সন্ধানীর প্রযোজনা ২০১৩ সালের মে মাসে। পরিচালনা— কৌশিক সেন। অভিনয়ে— কাঞ্চন মল্লিক, কৌশিক সেন, রেশমি সেন ইত্যাদি।

থানা থেকে আসছি নাটকের লিংক আছে প্রথম মন্তব্যে—

12/07/2024

দিঘিরপাড় কাছারির নায়েব সীতানাথ ভৌমিককে দেখে ভদ্র বলেই মনে হয়েছিল ফজলের। কিন্তু তার কথা-বার্তার ধরন দেখে সে বু...

উত্তরে মূলভাওড়, দক্ষিণে হোগলাচর, পুবে মিত্রের চর আর পশ্চিমে ডাইনগাঁও–এই চৌহদ্দির মধ্যে ছোট বড় অনেকগুলো চর। চারদিকে জলব...
11/07/2024

উত্তরে মূলভাওড়, দক্ষিণে হোগলাচর, পুবে মিত্রের চর আর পশ্চিমে ডাইনগাঁও–এই চৌহদ্দির মধ্যে ছোট বড় অনেকগুলো চর। চারদিকে জলবেষ্টিত পলিদ্বীপ। এগুলোর উত্তর আর দক্ষিণদিক দিয়ে দ্বীপবতী পদ্মার দুটি প্রধান স্রোত পুব দিকে বয়ে চলেছে। উত্তর দিকের স্রোত থেকে অনেকগুলো শাখা-প্রশাখা বেরিয়ে চরগুলোকে ছোট বড় গোল দিঘল নানা আকারে কেটে-হেঁটে মিশেছে গিয়ে দক্ষিণদিকের স্রোতের সঙ্গে।

চরগুলোর বয়স দুবছরও হয়নি। এগুলো জেগেছে আর জঙ্গুরুল্লার কপাল ফিরেছে। প্রায় সবগুলো চরই দখল করে নিয়েছে সে। আর এ চরের দৌলতে নানাদিক দিয়ে তার কাছে টাকা আসতে শুরু করেছে। কোলশরিকদের কাছ থেকে বাৎসরিক খাজনার টাকা আসে। বর্গা জমির ধান-বেচা টাকা আসে। আসে ঘাস-বেচা টাকা।

কোলশরিক আর কৃষাণ-কামলারা নিজেদের মধ্যে বলাবলি করে, ‘ট্যাহারা মানুষ চিনে। ওরা বোঝে, কোন মাইনষের ঘরে গেলে চিৎ অইয়া অনেকদিন জিরাইতে পারব।’

‘হ, ঠিক কথাই কইছ। আমরা তো আর ট্যাহা-পয়সারে এক মুহূর্তুক জিরানের ফরসত দেই না। আইতে না আইতেই খেদাইয়া দেই।’

উত্তরে মূলভাওড়, দক্ষিণে হোগলাচর, পুবে মিত্রের চর আর পশ্চিমে ডাইনগাঁও–এই চৌহদ্দির মধ্যে ছোট বড় অনেকগুলো চর। চার...

07/03/2024

বাংলা সাহিত্যের নবজাগরণের পথিকৃৎ-কর্মী বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। বঙ্কিমচন্দ্রের জন্ম ১৮৩৮ সালের ২৬ শে জুন, অধ...

ফারসি ইতিহাসগ্রন্থ মুজাফ্‌ফরনামা থেকে আলিবর্দির রাজত্বের শেষদিকে রাজধানী মুর্শিদাবাদ শহরের যে বিস্তৃতি ও সমৃদ্ধির কথা জা...
28/02/2024

ফারসি ইতিহাসগ্রন্থ মুজাফ্‌ফরনামা থেকে আলিবর্দির রাজত্বের শেষদিকে রাজধানী মুর্শিদাবাদ শহরের যে বিস্তৃতি ও সমৃদ্ধির কথা জানা যায়, তা থেকে স্পষ্ট যে নবাব আলিবর্দি মারাঠা আক্রমণের ক্ষতচিহ্ন সম্পূর্ণভাবে মুছে দিতে পেরেছিলেন। আসলে, বাংলায় মারাঠা আক্রমণের যে নেতিবাচক প্রভাব, তার ওপর ঐতিহাসিকরা বড্ড বেশি জোর দিয়েছেন। তার মধ্যে অনেক অত্যুক্তি দেখা যায়। বলা বাহুল্য, মারাঠা আক্রমণের ফলে বাংলার কোনও কোনও অঞ্চলের অর্থনীতি কিছুটা বিপর্যস্ত হয়েছিল ঠিকই কিন্তু এটা ছিল সাময়িক ব্যাপার এবং কোনও কোনও বিশেষ অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ। বাংলার যে সামগ্রিক অর্থনীতি তার ওপর মারাঠা আক্রমণের কোনও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব পড়েনি।

প্রাক্‌-পলাশি বাংলার রূপরেখা অষ্টাদশ শতকের প্রথমার্ধে, নবাবি আমলে, বাংলার শ্রীবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধি সম্বন্ধে সন্দেহ.....

Address

Laxhan Pur
Cumilla
3571

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when এডুলিচার পাঠশালা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to এডুলিচার পাঠশালা:

Share

Category