23/04/2026
শাহাদত হোসেন তসলিম ২০০১ সালের পর বিএনপির শাসনকালে কুমিল্লা -১০ আসনে বিএনপি এমপি আব্দুল গফুর ভূঁইয়ার একান্ত সচিব ছিলেন। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগের লোটাস কামালের সঙ্গে মিশে যান। তারপর আওয়ামী লীগ যাত্রা শুরু। ওমর ফারুক চৌধুরী আওয়ামী যুব লীগ চেয়ারম্যান হওয়ার পর তসলিমকে করা হয় সহ আন্তর্জাতিক সম্পাদক। পরশ চেয়ারম্যন হয়ে করেন প্রেসিডিয়াম সদস্য। একই সময় লোটাস কামাল তার আদম ব্যবসার সুবিধার জন্য তাকে বাংলাদেশে হজের ব্যবস্থাপনার সাথে জড়িত বেসরকারি এজেন্সিগুলোর সংগঠন হলো হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব বা HAAB) সভাপতি। এখানে থেমে নেই রেল মন্ত্রী মুজিবুল হক তাকে কুমিল্লা জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি করেন। সভাপতি ছিলেন লোটাস কামাল, যিনি ২০১৮ সালের পর কোন দিন এলাকায় যাননি।
👉😭 ইনবক্সে একজন আমাকে দিলেন।কুমিল্লার মানুষ এই বিষয়ে ভালো বলতে পারবেন।
২০২২ সালের ১৫ ই আগষ্ট " জাতীয় শোক দিবস" এর পরের দিন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুব আক্ষেপ করে বলেছিলেন -
" ১৫ ও ১৬ ই আগষ্ট ওই লাশগুলো ধানমন্ডিতে পড়ে ছিল।কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। আমাদের নেতারাও তো এখানে আছেন।জাতির পিতা তো অনেককে ফোনও করেছিলেন ।কী করেছিলেন তারা ? বেঁচে থাকলে সবাই থাকেন ।মরে গেলে যে কেউ থাকে না , এটা তার জীবন্ত প্রমাণ।"
বঙ্গবন্ধুর আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বঙ্গবন্ধুর ৪৭ তম মৃত্যুবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন এই কথাগুলো বলছিলেন , তখন আমি বাংলাদেশ থেকে হাজার হাজার মাইল দূর থেকে ইউটিউবে বারবার সংবাদটি দেখছিলাম, আর মনের অজান্তেই চোখের জল ফেলছি।যে রাতে বঙ্গবন্ধুকে যখন হত্যা করা হয়, সেই রাতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উপ প্রধান (ডেপুটি চীফ অফ আর্মি স্টাফ )জিয়াউর রহমানের নির্দেশে বঙ্গবন্ধুর খুনি কর্ণেল ফারুকের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর একটি অংশ ২৮ টি T54 ট্যাঙ্ক ও ১৮ টি কামান ( 105 mm howitzer) বঙ্গবন্ধুর বাসা ঘিরে রেখেছিল। রক্ষীবাহিনী কয়েকবার বঙ্গবন্ধুকে নিরাপত্তা দিতে চাইলে বঙ্গবন্ধু তা প্রত্যাখ্যান করে বলেছিলেন,
" এই দায়িত্বটা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর ।এটা ( রাষ্ট্রপতিকে) নিরাপত্তা দেওয়া রক্ষীবাহিনীর কাজ নয়"
রক্ষীবাহিনীর উপ-পরিচালক ( প্রশিক্ষণ) আনোয়ার উল আলম ( শহীদ) এর " রক্ষীবাহিনীর সত্য- মিথ্যা " ও
রক্ষীবাহিনীর উপ-পরিচালক ( অপারেশন্স) সরোয়ার আলম মোল্লা এর " রক্ষীবাহিনীর অজানা অধ্যায় " বই দুটি পড়লে এই বিষয়ে আপনারা আরও বিস্তারিত জানাবেন।সাভারে রক্ষীবাহিনীর ছোট ছোট দুটি ব্যাটালিয়ন ছাড়া ঢাকায় রক্ষীবাহিনীর বড় কোন ঘাঁটি ছিলো না। রক্ষীবাহিনীর ২০ হাজার সদস্যের বেশীরভাগ ছিলেন বাংলাদেশের বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলোতে।এই সুযোগটাই নিয়েছিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একাংশ।১৪ আগষ্ট রাত দশটায় নিয়মিত প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে ক্যান্টনমেন্ট থেকে ট্যাংক বাহির করে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে সেনাবাহিনীর একাংশ। ১৯৭৩ সালে আরব - ইসরায়েল ( ইয়ম কিপুর যুদ্ধ) বঙ্গবন্ধু ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য আরবকে সহযোগিতা করায় মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত বঙ্গবন্ধুর উপর খুশি হয়ে বঙ্গবন্ধু সরকারকে ৩০ টি T54 ট্যাংক উপহার দিয়েছিলেন। এজন্য বঙ্গবন্ধু হত্যার পর মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার উল সাদাত বাঙালি জাতিকে বিশ্বাসঘাতক উল্লেখ করে বলেছিলেন ,
" তোমরা আমারই দেওয়া ট্যাঙ্ক দিয়ে আমার বন্ধু মুজিবকে হত্যা করেছ! আমি নিজেই নিজেকে অভিশাপ দিচ্ছি।"
আজ থেকে ৫০ বছর আগেই বঙ্গবন্ধু হত্যার পরের দিন ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় লিখেছিলো, " বাংলাদেশের লাখ লাখ লোক বঙ্গবন্ধুর জঘণ্য হত্যাকাণ্ডকে অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে বিবেচনা করবে।"
আজ ৫৫ বছর পরও বাঙালি বঙ্গবন্ধুর অভাব অনুভব করছে। জার্মানির পত্রিকা বঙ্গবন্ধুকে চতুর্দশ লুইয়ের সাথে তুলনা করে লিখেছিল " বঙ্গবন্ধু নিজেই রাষ্ট্র"। বঙ্গবন্ধু হত্যার মধ্য দিয়ে মূলত বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের স্বপ্ন ও স্বপ্নদ্রষ্টাকে হত্যা করা হয়েছে।
বঙ্গবন্ধুকে যখন হত্যা করা হয় তখন আমার জন্মই হয়নি। মানুষ উপহাস করে বলতো, " বঙ্গবন্ধু হত্যার পর বাংলাদেশে কোন মিছিল হয়নি!" পরবর্তীতে বাবার মুখে শুনলাম, বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদ করতে গিয়ে সেনাবাহিনী তার উপর নির্মম নির্যাতন চালিয়েছে।" বড় হয়ে জানলাম , বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিশোধ নিতে দলে দলে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিল। এদের অনেকেই ভারতে গিয়েছিলো আবার আরেকটি যুদ্ধের আশায়। কিন্তু আওয়ামীলীগ রাজনীতি বিভক্ত থাকায় ও জাতীয় চার নেতার মৃত্যুর পর সেই প্রতিরোধ যুদ্ধ আর হয়ে উঠেনি।"
ইতিহাস বড় সত্য ও নির্মম। স্বাধীনতার ইতিহাস পড়তে পড়তে জানলাম বঙ্গবন্ধুর স্নেহধন্য আওয়ামীলীগ নেতা তাহের উদ্দিন ঠাকুর , খন্দকার মোশতাক , মাহবুবুল আলম চাষী ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আওয়ামীলীগের এমপি কেএম ওবায়দুর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যায় জিয়ার সাথে জড়িত ছিলেন।এই হত্যাকাণ্ডের আরও গভীরে গিয়ে জানলাম , মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতে বসেই আমেরিকার সহায়তায় বঙ্গবন্ধুকে হত্যার চক্রান্ত করেছে আওয়ামীলীগের একটা অংশ।এর পেছনে ছিলো জিয়া ও খন্দকার মোশতাকের ক্ষমতালোভের রাজনীতি ও কোল্ড ওয়ারের পর দুইভাগে বিভক্ত বিশ্ব রাজনীতি। আলজেরিয়ার সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু পরিস্কার ভাষায় বলে দিয়েছিলেন ,
" বিশ্ব আজ দুইভাগে বিভক্ত - শোষক এবং শোষিত; আমি শোষিতের পক্ষে।"
গরীব - দুঃখী মানুষের পক্ষ নেওয়াটাই বঙ্গবন্ধুর জন্য কাল হয়ে গিয়েছিল। বাকশালের মাধ্যমে দুর্নীতিবাজদের খতম করার স্বপ্ন দেখেছিলেন বঙ্গবন্ধু। দুর্নীতিবাজ ও ক্ষমতালোভীরা তাকেই হত্যা করে প্রতিশোধ নিলো।
নব্বইয়ের দশক থেকে রাজনীতি একটু একটু করে বুঝতে শুরু করেছি।১৯৯১ সালের নির্বাচনে সমগ্র বাংলাদেশের সকল পত্রিকা আওয়ামীলীগের বিজয় একপ্রকার ঘোষণা করে দিয়েছিলো। কিন্তু নির্বাচনের পর দেখলাম সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র। ভারতের দালাল আখ্যা দিয়ে আওয়ামীলীগকে হারিয়ে দেওয়া হলো। দীর্ঘ একুশ বছর পর বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা যখন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন তখন সমগ্র বাংলাদেশে যে আনন্দের বন্যা বয়ে গিয়েছিল তার রাজসাক্ষী আমি নিজেও। কিন্তু মাত্র তিন বছর না যেতেই ১৯৯৯ সাল থেকে দলে দলে বিএনপি ও জামায়াত থেকে আওয়ামীলীগে যোগদান শুরু হলো। শেখ হাসিনা অসংখ্যবার পত্রিকায় এসব যোগদানের বিরোধিতা করেছেন। বারবার তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু আওয়ামীলীগের ভেতরে ক্ষমতালোভী অংশটি তা কান পর্যন্ত নেয়নি।
২০০৯ সালে আওয়ামীলীগ আবার ক্ষমতায় আসার পর আমাদের বাবাদের মতো আওয়ামী লীগার দের রাজনীতি করা কঠিন করে দেয়া হলো। বাংলাদেশের রাজনীতিবীদদের জন্য এই রাজনীতি কঠিন করে দিয়েছিলেন ক্ষমতালোভী স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান। জিয়াউর রহমান বলেছিলেন , " আই উইল মেক পলিটিক্স ডিফিকাল্ট পর পলিটিশিয়ান।"
সেই থেকে বাংলাদেশের রাজনীতি ধীরে ধীরে রাজনীতিবীদদের হাত থেকে দুর্নীতিবাজ , আমলা ও ব্যবসায়ীদের হাতের মুঠোয় চলে যেতে লাগলো।আদর্শিক রাজনীতি করা দিন দিন বাংলাদেশের মানুষের জন্য কঠিন হয়ে গেল।২০০১ সালে সৎ ও আদর্শিক রাজনীতি ধরে রাখার খেসারত দিলো আওয়ামীলীগ। ফলে বিএনপি ও জামায়াত আবার বিজয়ী হলো। ২০০১ সালের পরাজয় থেকে শিক্ষা নিয়ে আওয়ামীলীগ ২০০৯ সালে ব্যাপকহারে ব্যবসায়ী ও আমলা নমিনেশন দিলো।২০১৩ সাল থেকে আমাদের মতো তরুণ প্রজন্মের জন্য আদর্শিক রাজনীতি সোনার হরিণ হয়ে গেলো। রাজনীতি বাংলাদেশে হয়ে গেল একটি রাজনৈতিক ব্যবসা।
জন্ম দুঃখী শেখ হাসিনা তাঁর বাবার মতো এদের বিরুদ্ধে লড়ে যেতে চেয়েছেন। বারবার তিনি আওয়ামীলীগের নেতাদের বিএনপি ও জামায়াতের যোগ দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছেন। কিন্তু ততদিনে আওয়ামীলীগ আর আওয়ামীলীগ নাই। আওয়ামীলীগের প্রতিটি কেন্দ্র থেকে শুরু করে জেলা ও উপজেলা কমিটি হয়ে গেছে বিএনপি ও জামায়াতের বি - টীম।কোন আদর্শ ও সাংগঠনিক গঠনতন্ত্রের তোয়াক্কা না করে বিএনপি ও জামায়াত থেকে যাকে তাকে দিয়ে আওয়ামীলীগ নেতারা তাদের পাল্লা ভারী করেছেন।আজ বাংলাদেশ থেকে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গবন্ধুর কন্যা দু' জনেই নির্বাসিত। ইতিহাসের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে আমিও আজ জানতে চাই -
" এই দায় কার ⁉️"
বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর নোবেল বিজয়ী উইলিবান্ট বলেছিলেন ,
" মুজিব হত্যার পর বাঙালিদের আর বিশ্বাস করা যায় না। যারা মুজিবকে হত্যা করেছে তারা যেকোন জঘণ্য কাজ করতে পারে।"
বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা নোবেল বিজয়ী উইলিবান্ট এর এই উক্তিটি যেন তাঁর মৃত্যুর শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত মনে রাখেন।এই অকৃতজ্ঞ জাতিকে যারাই বিশ্বাস করবে তারাই ঠকবে। এদের অধিকাংশের শরীরেই এখনও পাকিস্তানের দূষিত রক্ত।জর্জ সান্তায়ানা তাঁর " দ্য লাইফ অফ রিজন" গ্রন্থে তাই যথার্থই বলেছিলেন,
" Those who learned from history are doomed to repeat it."
( যারা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিতে পারে না , তারা তার পুনরাবৃত্তি করতে বাধ্য।"
শেখ হাসিনা ও আওয়ামীলীগের সকল নেতাকর্মীর উদ্দেশ্য বলবো,
" ইতিহাস থেকে এখনি শিক্ষা নিন। দলের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা খন্দকার মোশতাক , তাহের উদ্দিন ঠাকুর , ওবায়দুর রহমান ও সেনাবাহিনীর ছদ্মবেশে জিয়াউর রহমান ( ওয়াকারুজ্জামান) দের এখনি খুঁজে খুঁজে বের করে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগকে পবিত্র করুন। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের এখনও ৫ কোটি সমর্থক জীবিত আছে। দলের ভেতরের ত্যাগি , আদর্শিক ও মেধাবী নেতৃত্বদের খুঁজে বের করুন। ছাত্রলীগ ও বিভিন্ন সংগঠনের নামে নতুন নতুন কমিটি করে খন্দকার মোশতাক জন্ম দেওয়াদের এখনি থামান। প্রথমে দলের ভেতরে সংস্কার ও পরে কমিটি গঠন করুন। ১৯৯৯ সাল থেকে হওয়া বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সকল কমিটির তালিকা নিন। এদের এখন চিহ্নিত করে রেখে পরবর্তীতে সময়মতো এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। আওয়ামীলীগের বিভিন্ন কমিটির নামে আওয়ামীলীগের আত্মহত্যার যে নাটক রচিত হচ্ছে তাই হয়তো ভবিষ্যতের " রিফাইন্ড আওয়ামীলীগ"। দয়া করে এই ফাঁদে পা দিবেন না। আওয়ামীলীগ রিফাইন্ড হলে বঙ্গবন্ধুর কন্যার হাত দিয়ে হবে। বঙ্গবন্ধুর কন্যা ছাড়া আওয়ামীলীগের আর কাউকে বিশ্বাস করি না , প্রশ্নই আসে না।প্রত্যেকটা জেলা ও উপজেলায় মনিটরিং কমিটি গঠন করে রাজনৈতিক নেতাদের বায়োডাটা ও তাদের পারিবারিক বায়োডাটা সংগ্রহ করুন।
" দয়া করে আর একটিও ভুল করবেন না।"
এখনও আমাদের মতো লক্ষ লক্ষ যুবক আপনার জন্য হাসিমুখে জীবন দিতে প্রস্তুত আছে। কিন্তু আওয়ামীলীগের অতি সর্বনাশী কার্যক্রম আমাদের এক পা এগিয়ে গেলে দুই পা পিছিয়ে যেতে বাধ্য করে।"
সমগ্র বাংলাদেশ থেকে বাছাই করে আওয়ামীলীগের একটি রিজার্ভ ফোর্স গঠন করুন। দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম মনিটরিং করার জন্য সৎ ও আদর্শিক মানুষদের নিয়ে মনিটরিং সেল গঠন করুন। রাজনীতির অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিন। দলের ভেতরে ক্ষমতালোভী ও খন্দকার মোশতাক আর জন্ম দিবেন না। আওয়ামীলীগের ইতিহাস সাক্ষী , আওয়ামীলীগ তার পায়ের উপর ভর করে দাঁড়ায়। প্রতিটি অপকর্মের বিচার করা হবে । বঙ্গবন্ধু হত্যা , জাতীয় চার নেতা হত্যা, ত্রিশ লক্ষ শহীদের হত্যার বিচার যেভাবে হয়েছে সব অপরাধের সেভাবেই বিচার করা হবে।এর জন্য আওয়ামীলীগ নামক বটবৃক্ষের চারপাশে যত আগাছা জন্মেছে এগুলো এখন থেকে ছাটাই করা শুরু করুন।
আগামীর যুগোপযোগী রাজনীতির ভবিষ্যত আমরাই তৈরি করে দিবো। আপনি শুধু সঠিক সময়ের অপেক্ষায় থাকুন। আপনার উপর যে অবিচার হয়েছে তার বিচার এই দেশের মাটিতেই হবে। যাদের জন্য এত উন্নয়ন করেছেন তারাই আপনাকে নির্বাসনে পাঠিয়েছে। বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গবন্ধুর কন্যা দুটোই বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সম্পদ। অদূর ভবিষ্যতে আর কাউকেই বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সম্পদ নিয়ে ব্যবসা করার সুযোগ দিবেন না। প্রকৃতির নিয়মেই স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াত-শিবির এর বিরুদ্ধে ১৭ কোটি বাঙালির মুক্তির হুংকার হয়ে আপনি আবার বাঙালির রাজকন্যা হয়েই ফিরবেন।
আজ আমিও ডেইলি টেলিগ্রাফ এর মতো ভবিষ্যৎ বাণী করে বলছি,
" আপনার মৃত্যুর পরও শত শত বছর কোটি কোটি বাঙালি তাদের ভুলের প্রায়শ্চিত্ত করবে। আগামীর শত শত প্রজন্মের তরুণ তরুণীরা আপনার ত্যাগ , সংগ্রাম ও সফলতার কথা ভেবে বারবার চোখের জল ফেলবে।
এই জনম দুঃখী বাংলা আপনার কথা ভেবে রোজ কাঁদবে ।"
সত্য সবসময় সুন্দর।
লুসিড ড্রিম
১৯-০৪-২০২৬