11/07/2026
চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকীকরণ ও ডিজিটালাইজেশনে রিয়ার এডমিরাল মনিরুজ্জামানের যুগান্তকারী সাফল্যে বৈশ্বিক শিপিং জায়ান্ট ‘সিএমএ সিজিএম’-এর ভূয়সী প্রশংসা :
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কার্যক্রমে আধুনিকায়ন, ডিজিটালাইজেশন এবং পরিবেশবান্ধব টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে এক অভূতপূর্ব পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মনিরুজ্জামানের দূরদর্শী ও সাহসী নেতৃত্বের কারণে বিগত মাত্র ছয় মাসেই বন্দরের পরিচালনগত সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই অসামান্য সাফল্যে বৈশ্বিক শিপিং ও লজিস্টিকস জায়ান্ট 'সিএমএ সিজিএম' (CMA CGM) বন্দর কর্তৃপক্ষের গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের প্রতি তাদের অকুন্ঠ সমর্থন ও ভূয়সী প্রশংসা জ্ঞাপন করেছে।
সম্প্রতি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মনিরুজ্জামানের সাথে ‘সিএমএ সিজিএম’-এর উচ্চপদস্থ প্রতিনিধি দলের এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশের সামুদ্রিক খাতের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে চেয়ারম্যানের দূরদর্শী ভাবনার প্রশংসা করে সিএমএ সিজিএম-এর এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের নেটওয়ার্ক ম্যানেজার জুলিয়েন লেকুয়ার (Julien LECUYER) একটি আনুষ্ঠানিক ই-মেইল বার্তা প্রেরণ করেন।
চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে বাস্তবায়িত প্রধান সাফল্য ও যুগান্তকারী উদ্যোগসমূহের মধ্যে রয়েছে:
জাহাজের টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম হ্রাস: বিগত ছয় মাসে নেওয়া বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে বন্দরে জাহাজের অপেক্ষমাণ সময় (Turnaround time) উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে, যা বন্দরের ইতিহাসে এক বড় অর্জন।
ডিজিটালাইজেশন ও ই-গেট পাস: বন্দরের সামগ্রিক নিরাপত্তা জোরদার ও কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে সফলভাবে ইলেকট্রনিক ই-গেট পাস (Electronic e-gate pass) প্রবর্তন করা হয়েছে।
কাগজবিহীন আধুনিক প্রক্রিয়া: দাপ্তরিক কাজ ও বন্দর ব্যবস্থাপনায় গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ‘পেপারলেস’ (Paperless processes) বা কাগজবিহীন প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ সুরক্ষা: সামুদ্রিক পরিবেশ রক্ষা ও টেকসই গ্রিন-পোর্ট গড়ে তুলতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা (Waste management) ও পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিশেষ জোর দিয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান। এই লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে ‘সিএমএ সিজিএম’-এর প্রতিনিধিদল দেশের অর্থনীতি ও জনগণের কল্যাণে বন্দর চেয়ারম্যানের এই অঙ্গীকারের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করে। একই সাথে, বাংলাদেশের সামুদ্রিক খাতের এই উচ্চাভিলাষী ও আধুনিক পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সাথে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার এবং বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে অংশীদারিত্ব বজায় রাখার দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছে বৈশ্বিক এই প্রতিষ্ঠানটি।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, রিয়ার এডমিরাল মনিরুজ্জামানের এই গতিশীল নেতৃত্ব ও ডিজিটালাইজেশন প্রকল্পসমূহ কেবল চট্টগ্রাম বন্দরের পরিচালনগত দক্ষতাই বৃদ্ধি করেনি, বরং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের সামুদ্রিক বাণিজ্যের ভাবমূর্তিকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।