Md Irfan Uddin

Md Irfan Uddin আমি জয় বাংলার লোক, আমি বাংলাদেশের দালাল..🇧🇩💚

07/09/2026
07/09/2026

মৃত্যুঞ্জয়ী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরবেন-ই—প্রদীপ্ত আলোকবর্তিকা হয়ে

লেখা: রৌদ্র রুদ্র, রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক।

“চির-উন্নত মম শির!”

কাজী নজরুলের এই পঙ্‌ক্তি কেবল কাব্যের চরণ নয়—এটি আপসহীন সংগ্রামের এক অগ্নিঝরা মহাকাব্য। মাথা নত না করা, মৃত্যুকে তুচ্ছ জ্ঞান করা এবং ঝড়ের বিপরীতে দাঁড়িয়ে নিজের পথ তৈরি করে নেওয়ার এক অদম্য হুঙ্কার। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনার রাজনৈতিক জীবন যেন সেই বজ্রকঠিন প্রত্যয়েরই এক রক্তস্নাত অধ্যায়।

আজ যখন সারা দেশ ব্যাকুল প্রতীক্ষায়, তখনই ধ্বনিত হয়েছে তাঁর সেই অমোঘ ঘোষণা: তিনি আবার ফিরছেন, আগামী ডিসেম্বর ২০২৬-এ ফিরছেন নিজের রক্তস্নাত জন্মমাটিতে। এই ফেরা কেবল একটি বার্তা নয়; এটি অন্ধকার ভেদ করে আলোয় ফেরার ঐতিহাসিক ঘোষণা।

তিনি কেবল শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা নন—তিনি স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের লড়াই, ঘুরে দাঁড়ানো এবং মাথা উঁচু করে বাঁচার এক জীবন্ত প্রতীক। হাজার বছরের বাঙালি ইতিহাস যাঁকে চিনেছে বাতিঘর হিসেবে, কুয়াশাচ্ছন্ন সময়ে তিনিই পথ দেখান, দিকনির্ণয় করেন।

তাঁকে বারবার থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। বুলেটের গর্জনে চক্রান্তকারীরা স্তব্ধ করতে চেয়েছে তাঁর পথচলা। কিন্তু প্রতিবারই তিনি ধ্বংসস্তূপ থেকে উঠে দাঁড়িয়েছেন আরও অপ্রতিরোধ্য হয়ে। রাজনীতি তাঁর কাছে নিছক ক্ষমতার সিঁড়ি ছিল না; ছিল এক রক্তাক্ত ইতিহাস, বাংলাদেশকে অন্ধকার থেকে আলোয় আনার আজীবন অঙ্গীকার এবং পিতার অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নের এক পবিত্র দায়বদ্ধতা।

মৃত্যুকে তুচ্ছ করেছিলেন যিনি

ইতিহাসের পাতায় নজর দিলে দেখা যায়, অন্তত ২০ বার তাঁকেই চিরতরে স্তব্ধ করে দেওয়ার নৃশংস ষড়যন্ত্র হয়েছে। ১৯৮৭-র রক্তঝরা রাজপথ, ১৯৮৮-র চট্টগ্রামে ঘাতকের বুলেটের বৃষ্টি, ১৯৮৯-এ ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক বাড়িতে হামলা কিংবা ১৯৯৪-এ ঈশ্বরদীতে ধেয়ে আসা মৃত্যুর ট্রেনবহর—প্রতিটি ঘটনা তাঁর অসীম সাহসের পরীক্ষা নিয়েছে।

২০০০ সালে কোটালীপাড়ায় মাটির নিচে পুঁতে রাখা ৭৬ কেজি বিস্ফোরক কিংবা ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের সেই নারকীয় গ্রেনেড হামলা—মৃত্যু তাঁর চোখের একদম সামনে দিয়ে গেছে, কিন্তু তাঁকে স্পর্শ করতে পারেনি। কারণ, মৃত্যু যাঁকে বারবার তাড়া করেছে, তিনি মৃত্যুভয়কে জয় করে প্রদীপ্ত আলোকবর্তিকার মতো এগিয়ে গেছেন সামনের দিকে।

আলো কখনো অন্ধকারের অনুমতি চায় না

একটি প্রদীপের শক্তি অন্ধকার ভেদ করে আলো ছড়ানোর ক্ষমতায়। প্রতিকূলতা এসেছে, পথ রুদ্ধ করার চক্রান্ত হয়েছে; কিন্তু শেখ হাসিনার প্রত্যয়ের শিখা নিভে যায়নি। তাই আগামী ডিসেম্বরে ফিরে আসার যে সাহসী অবস্থান তিনি নিয়েছেন, তা প্রমাণ করে—আলোকবর্তিকা কখনো সাময়িক অন্ধকারের কাছে মাথা নোয়ায় না।

রক্তের দাগ মুছে স্বপ্নের বাংলাদেশ নির্মাণ

শেখ হাসিনার নেতৃত্ব মানেই রূপান্তরের বাংলাদেশ। যে দেশকে একসময় অবহেলার চোখে দেখা হতো, সেই বাংলাদেশকে তিনি বিশ্বমঞ্চে আত্মমর্যাদা ও সক্ষমতার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। পদ্মা সেতুর প্রদীপ্ত বিশালতা, মেট্রোরেলের ক্ষিপ্র গতি, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, প্রযুক্তিগত বিপ্লব কিংবা সামাজিক নিরাপত্তার সুদৃঢ় ভিত—সবই তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বের অমলিন নিদর্শন। তিনি কেবল অবকাঠামো বদলাননি, বদলে দিয়েছেন বাঙালি জাতির আত্মবিশ্বাসের জায়গাটিকেও। আর সেই অর্জনের ভিাতেই আজ তাঁর অবধারিত প্রত্যাবর্তনের ডাক।

১৯৮১ ও ২০০৭: ফিনিক্স পাখির মতো পুনরুত্থান

১৯৭৫-এর ভয়াবহ স্বজন হারানোর বেদনা নিয়ে দীর্ঘ নির্বাসন শেষে ১৯৮১ সালের ১৭ মে যখন তিনি পা রেখেছিলেন এই বাংলায়, তা ছিল শোককে জাতীয় সংগ্রামে রূপান্তরের এক মহাকাব্যিক সূচনা। একইভাবে ২০০৭ সালের কারাপ্রকোষ্ঠের অন্ধকারও তাঁর ইস্পাতকঠিন সংকল্পকে ভাঙতে পারেনি।

ইতিহাস সাক্ষী, প্রতিটি আঘাতের পর তিনি আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে এসেছেন। তাই ২০২৬-এর ডিসেম্বরে তাঁর প্রত্যাবর্তনের ঘোষণা কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়—এটি তাঁর জীবনের সেই ধারাবাহিক ফিনিক্স পাখির মতো পুনরুত্থানেরই আখ্যান।

রবার্ট ফ্রস্টের সেই অমর বাণী যেন তাঁর জীবনেরই গভীর সুর—

“And miles to go before I sleep,
And miles to go before I sleep.”

ঘুমিয়ে পড়ার আগে এখনও বহু পথ পাড়ি দিতে হবে। কারণ, একজন সত্যিকারের রাষ্ট্রনায়কের যাত্রা থামে না, যতক্ষণ না দেশের মানুষের জন্য তাঁর স্বপ্ন ও অঙ্গীকারের পথচলা পূর্ণতা পায়।

ডিসেম্বর—বিজয়ের মাস ও শিকড়ের টানে ফেরা

শেখ হাসিনা বেছে নিয়েছেন ডিসেম্বরকে—যে মাস বাঙালির বিজয়ের মাস, মাথা উঁচু করার মাস। এই মাটিতে মিশে আছে তাঁর পিতার রক্ত, পরিবারের স্মৃতি আর স্বজনদের মহতী আত্মত্যাগ। তাই বিজয়ের মাসে যখন জাতির পিতার কন্যা বলেন—“আমি আসছি, ডিসেম্বরেই ফিরছি দেশের মাটিতে”—তখন তা আর সাধারণ কোনো রাজনৈতিক ঘোষণা থাকে না; তা হয়ে ওঠে রক্তে লেখা এক অমোঘ আত্মিক টান।

রবীন্দ্রনাথ গেয়েছিলেন—

“বাংলার মাটি, বাংলার জল,
বাংলার বায়ু, বাংলার ফল—
পুণ্য হউক, পুণ্য হউক……. ।”

সাধারণ রাজনীতিকরা দেশে ফেরেন রাজনৈতিক প্রয়োজনে, কিন্তু বঙ্গবন্ধুর কন্যার ফেরা যেন নির্বাসনের কুয়াশা ঠেলে নিজের মাটিতে শক্তির প্রবেশ। তাঁর ফেরা মানে কোটি মানুষের বিশ্বাসের ঘরে আবার প্রদীপ জ্বলে ওঠা।

একটি নাম, একটি ইতিহাস, একটি বাংলাদেশ

গ্রেনেডের বিস্ফোরক তাঁকে থামাতে পারেনি,
কারাগারের অন্ধকার তাঁকে রুদ্ধ করতে পারেনি,
নির্বাসনের দূরত্ব তাঁকে মুছে দিতে পারেনি।

কারণ, তাঁর গন্তব্য এক ও অদ্বিতীয়—বাংলাদেশ।

ইতিহাসে অন্ধকার এসেছে বারবার, কিন্তু কোনো অন্ধকারই চিরস্থায়ী হয়নি। রাত যত দীর্ঘই হোক, ভোর তার পথ খুঁজে নেবেই। আর তাই শেখ হাসিনার এই প্রত্যাবর্তনের বার্তার সঙ্গে জড়িয়ে আছে জন্মমাটির কাছে ফিরে যাওয়ার আকুলতা এবং একটি জাতির স্বপ্নকে আবার বিশ্বমঞ্চে উঁচুতে তুলে ধরার সুদৃঢ় অঙ্গীকার।

মৃত্যুঞ্জয়ী শেখ হাসিনা ফিরবেন-ই—প্রদীপ্ত আলোকবর্তিকা হয়ে।

ফিরবেন ডিসেম্বর ২০২৬-এর বিজয়ের রক্তিম আলোয়।

ফিরবেন নিজের জন্মমাটিতে, নিজের আপামর মানুষের কাছে—বঙ্গবন্ধুর রক্তস্নাত স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশে।

06/09/2026

ছবিটি ঐতিহাসিক, ৩০ মে ২০২৪, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে গণভবনে বৈঠকে বসেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের দুই মন্ত্রী আজরা জাবিন, ডোনাল্ড লু, দুজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার ডি. হাস।

বহু আলোচনা, বৈঠক, দেন-দরবার কিন্তু বঙ্গবন্ধু কন্যা আপোষ করেননি, ছাড় দেননি; পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে বলেছেন- যুক্তরাষ্ট্র চাইলে যেকোনো দেশের ক্ষমতা উল্টাতে-পাল্টাতে পারে। অর্থাৎ ক্ষমতা চলে গেলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আপোষ না করার ইঙ্গিত তিনি দিয়েছিলেন।

বঙ্গবন্ধু কন্যা তার কথা রেখেছেন, ক্ষমতা চলে গেছে, দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন তবুও দেশের স্বার্থ বিলিয়ে দিয়ে পরাশক্তির সাথে আপোষ করেন নি 🇧🇩 #
Following

১৫,৭১৭ শিশু নিখোঁজ!পুলিশ বলছে ৮৭ শতাংশ উদ্ধার হয়েছে।তাহলে এখনো প্রায় ১৩ শতাংশ—অর্থাৎ প্রায় ২,০৪৩ শিশু কোথায়?একবার ভাবুন-...
04/09/2026

১৫,৭১৭ শিশু নিখোঁজ!
পুলিশ বলছে ৮৭ শতাংশ উদ্ধার হয়েছে।
তাহলে এখনো প্রায় ১৩ শতাংশ—অর্থাৎ প্রায় ২,০৪৩ শিশু কোথায়?

একবার ভাবুন- ২,০৪৩!

এটা কোনো সংখ্যা নয়।
এটা ২,০৪৩টি শিশু।
২,০৪৩টি পরিবার।
২,০৪৩ জন মা-বাবার বুকের ভেতর জমে থাকা আতঙ্ক, কান্না আর অনিশ্চয়তা।

বিভিন্ন থানায় করা জিডির ভিত্তিতে গত সাত মাসে দেশে ১৫,৭১৭ শিশুর নিখোঁজ হওয়ার তথ্য সামনে এসেছে। প্রশাসনের দাবি, তাদের ৮৭ শতাংশকে উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু সেই হিসাব অনুযায়ী প্রায় ২,০৪৩ শিশু এখনো উদ্ধার হয়নি।

প্রশ্ন হচ্ছে! এই শিশুরা কোথায়?

তারা কি বেঁচে আছে?
তারা কি নিরাপদে আছে?
তারা কি কোনো অপরাধী চক্রের হাতে পড়েছে?
তারা কি শিশু পাচারের শিকার হয়েছে?
নাকি আরও ভয়াবহ কোনো পরিণতির শিকার হয়েছে?

রাষ্ট্রের কাছে এসব প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর চাই।

একটি শিশুও নিখোঁজ হওয়া একটি পরিবারের জন্য মহাবিপর্যয়। সেখানে হাজার হাজার শিশুর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা কোনোভাবেই স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

শিশুরা আমাদের ভবিষ্যৎ।
শিশুরা আগামী দিনের বাংলাদেশ।
আজ যে শিশুটি মায়ের হাত ধরে স্কুলে যাওয়ার কথা, সে যদি হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যায়! তার নিরাপত্তার দায়িত্ব কার?

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে যখন একের পর এক প্রশ্ন উঠছে, তখন শিশুদের নিরাপত্তার এই ভয়াবহ চিত্র আমাদের আরও গভীরভাবে ভাবতে বাধ্য করে।

আরেকটি বিষয়ও পরিষ্কার হওয়া দরকার- নিখোঁজ মানেই শিশু পাচারের শিকার হয়েছে, এমন সিদ্ধান্ত এখনই দেওয়া যায় না। কিন্তু এত বিপুলসংখ্যক শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর শিশু পাচার, অপহরণ, অপরাধী চক্র কিংবা মানবপাচারের সম্ভাবনাগুলো রাষ্ট্র কেন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করবে না?

আমরা কোনো শিশুর ভাগ্য নিয়ে অনুমান করতে চাই না।

আমরা সত্য জানতে চাই।

প্রতিটি নিখোঁজ শিশুর বর্তমান অবস্থান জানতে চাই।
প্রতিটি পরিবারের কাছে রাষ্ট্রের জবাব চাই।
কোন শিশু কোথায় উদ্ধার হয়েছে, তার স্বচ্ছ হিসাব চাই।
আর যারা এখনো নিখোঁজ, তাদের উদ্ধারে কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, তার নিয়মিত তথ্য চাই।

কারণ ২,০৪৩টি শিশুকে ‘নিখোঁজ’ বলে একটি সংখ্যার মধ্যে আটকে রাখা যায় না।

প্রতিটি শিশুর একটি নাম আছে।
একজন মা আছে।
একজন বাবা আছে।
একটি পরিবার আছে।
একটি ভবিষ্যৎ আছে।

ক্ষমতার চেয়ার বদলায়। সরকার বদলায়। রাজনৈতিক দল বদলায়।

কিন্তু একজন সন্তানের জন্য একজন মায়ের অপেক্ষা বদলায় না।

এই অপেক্ষার সঙ্গে কোনো অবহেলা, কোনো গাফিলতি, কোনো প্রশাসনিক উদাসীনতা মেনে নেওয়া যায় না।

সরকারের প্রতি আমাদের স্পষ্ট দাবি-

২,০৪৩ নিখোঁজ শিশুর বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে অনুসন্ধান জোরদার করুন।
প্রতিটি শিশুকে উদ্ধারে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করুন।
শিশু পাচার ও অপহরণ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিন।
নিখোঁজ শিশুদের পরিবারকে নিয়মিত তথ্য দিন।
এবং জনগণের সামনে স্বচ্ছভাবে পুরো পরিস্থিতি তুলে ধরুন।

আমরা দল-মত বুঝি না যখন কথা আসে একটি শিশুর নিরাপত্তার।

কারণ-

শিশুর কোনো দল নেই।
শিশুর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই।
শিশুর একটাই পরিচয়- সে বাংলাদেশের সন্তান।

আর বাংলাদেশের কোনো সন্তান নিখোঁজ হয়ে যাবে, তার পরিবার বছরের পর বছর অপেক্ষা করবে! এটা কোনো সভ্য রাষ্ট্রের স্বাভাবিক চিত্র হতে পারে না।

২,০৪৩ শিশুর সন্ধান চাই।
নিখোঁজ প্রতিটি শিশুকে ফিরিয়ে আনার দাবি জানাই।
শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানাই।
রাষ্ট্রের জবাবদিহি চাই।

আজ যদি আমরা নীরব থাকি, কাল এই কান্না আমাদের ঘরেও পৌঁছাতে পারে।

তাই আসুন! শিশুদের নিরাপত্তার প্রশ্নে দল-মত নির্বিশেষে সোচ্চার হই।
প্রতিবাদ করি।
জনমত গড়ে তুলি।
রাষ্ট্রকে জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি তুলি।

কারণ ২,০৪৩ কোনো সংখ্যা নয়!
২,০৪৩টি শিশুর জীবন।

#নিখোঁজ_শিশু
িশুর_সন্ধান_চাই
#শিশু_নিরাপত্তা
#শিশু_পাচার_রোধ_করতে_হবে
#রাষ্ট্রের_জবাবদিহি_চাই
#শিশুদের_নিরাপত্তা_চাই

Address

Chittagong
4386

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md Irfan Uddin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category