জাতীয়বাদী দল বি এন পি উওর খোশবাস ৬নং ওয়াড ঐক্য ফোরাম

  • Home
  • Bangladesh
  • Chittagong
  • জাতীয়বাদী দল বি এন পি উওর খোশবাস ৬নং ওয়াড ঐক্য ফোরাম

জাতীয়বাদী দল বি এন পি উওর খোশবাস ৬নং ওয়াড ঐক্য ফোরাম রাজনীতি

13/10/2024

I got 11 reactions and 14 replies on my recent top post! Thank you all for your continued support. I could not have done it without you. 🙏🤗🎉

06/10/2024

আরিফপুর, মস্কিপুর স্বদেশ ও প্রবাসী সমন্বয়ে জাতীয়াতাবাদী ঐক্য ফোরাম,শুভ উদ্বোধন, আগামী শুক্রবার বিকাল ৩ ঘটিকা, ফোরামের সকল সদস্যদের উপস্থিতি কামনা করছি।
আমন্ত্রণ রহিলো ৩নং উওর খোশবাস ইউনিয়নের সর্বসাধারণ ও নেত্রীবিন্দুু কে সবার উপস্থিত কামনা করিছি।
প্রচার সম্পাদক
রেজাউল করিম সুমন ❤️

06/10/2024
যেটা এখনকার ছাত্র সমাজ চায় সেটাই তারেক জিয়া ১ বছর আগে চেয়েছে। আর এটাই বি এন পির সদেশ রাজনীতি ❤️🇧🇩
06/10/2024

যেটা এখনকার ছাত্র সমাজ চায় সেটাই তারেক জিয়া ১ বছর আগে চেয়েছে।
আর এটাই বি এন পির সদেশ রাজনীতি ❤️🇧🇩

06/10/2024

১। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সম্মুখ সারির মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, পাকিস্তানে ৯ মাস পলাইয়া ছিলেন না।

২। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নামে আজ অব্দি কেউ একটা দুর্নীতির অভিযোগ তুলতে পারবে না।

৩। জিয়াউর রহমান কি কি করেছে সেইটা চ্যাটজিপিটি তে লিখলেই পেয়ে যাবেন। আজকে আপনি যেসব ভোগ করেন সবকিছুর ভিত্তি হলো জিয়া।

৪। জিয়াউর রহমান এর ছিলো UNDEFINABLE AURA. বাংলাদেশের আর কোনো নেতার মধ্যে এইটা পাওয়া যায় নাই।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে শতকোটি টাকার কমিশন বাণিজ্য👇স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে গত তিন অর্থবছরে ৩১৮ কোটি টাকার চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ও স...
05/10/2024

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে শতকোটি টাকার কমিশন বাণিজ্য
👇

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে গত তিন অর্থবছরে ৩১৮ কোটি টাকার চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষাসামগ্রী কেনাকাটায় শতকোটি টাকার কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অধিদপ্তরের একটি সিন্ডিকেট এসব চিকিৎসা উপকরণ সরবরাহে নিয়োজিত কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে কার্যাদেশ প্রদানের আগেই কমিশনের অর্থ হাতিয়ে নিত। এমনকি লুটপাটের সুবিধার জন্য এক বছরের ব্যবধানে দ্বিগুণ দামে যন্ত্রপাতি কেনার তথ্যও পাওয়া গেছে। এসব অপকর্মের নেপথ্যে ছিলেন তৎকালীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের ছেলে রাহাত মালেক (শুভ্র) এবং তার প্রধান সহযোগী ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইন ডিরেক্টর মাজহারুল হক (তপন)। দুর্নীতির অভিযোগে এ বছরের শুরুতেই তাকে তাকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে অন্যত্র বদলি করা হয়। বর্তমানে এই পদে বসা নতুন লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলামের বিরুদ্ধেও বরাদ্দ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে।

প্রতি প্যাকেজে ২৫ শতাংশ কমিশন : অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০২১ সালের মাঝামাঝি থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ও সুরক্ষাসামগ্রী সরবরাহ করা প্রায় প্রতিটি কোম্পানি থেকে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিশন নেওয়া হয়েছে, যার ১২ থেকে ১৫ শতাংশ চলে যায় রাহাতের পকেটে। বাকি ৫ থেকে ৮ শতাংশ পান সাবেক লাইন ডিরেক্টর মাজহারুল। বর্তমানে এইচএসএমের লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম। সরবরাহকারী কোম্পানিগুলো বলছে, তাকেও প্রতি প্যাকেজে ১৫ শতাংশ এবং অন্যান্য কর্মকর্তাকে ৫ শতাংশ কমিশন দিতে হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০২১-২২ থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছর পর্যন্ত ৩১৮ কোটি ৮৭ লাখ ৫৮ হাজার

৬৮৮ টাকার যন্ত্রপাতি ক্রয় করা হয়। এর মধ্যে ২০২১-২২ অর্থবছরে ১৪২ কোটি ৮০ লাখ ৪৩ হাজার ২০০ টাকা, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১১৯ কোটি ১০ লাখ ৮৮ হাজার ১৭২ টাকা এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৫৬ কোটি ৯৬ লাখ ২৭ হাজার ৩১৬ টাকা ব্যয় হয়। এসব কেনাকাটার ৯০ শতাংশ হয়েছে মাজহারুল হকের নেতৃত্বে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দুজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আমাদের সময়কে জানান, কারা কাজ পাবেন সেটি নির্ধারণ করে দিতেন রাহাত। নির্দিষ্ট কোম্পানি ছাড়া দরপত্রে কেউ যাতে অংশ নিতে না পারে, সে অনুযায়ী স্পেসিফিকেশন তৈরি করতেন মাজহারুল। ফলে একই কোম্পানি বারবার কাজ পেয়েছে। কাজ পাওয়া প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কাজ শুরুর আগেই কাজ পাইয়ে দেওয়ার নিশ্চয়তা দিয়ে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ কমিশন নেওয়া হতো। এভাবে প্রায় ৮০ কোটি টাকা হাতানো হয়েছে, যার ৭০ কোটি গেছে রাহাতের পকেটে। অন্তত ১০ কোটি পান মাজহারুল ।

তারা বলেন, যতদিন দপ্তরে আছেন, টাকা ছাড়া কোনো কাজ দেবেন না বলে ঘোষণা দেন মাজহারুল। লেনদেনের এসব টাকা রাহাতের বারিধারার বাসা, বনানীর অফিস এবং গুলশানের একটি পার্কে তৃতীয় পক্ষের একজন বস্তা ভরে গাড়িতে রেখে আসত।

ওই দুই কর্মকর্তা আরও বলেন, আনিফকো হেলথকেয়ার, ট্রেড হাউস, বাংলাদেশ সায়েন্স হাউস, ডায়ামেট, নিউ টেক জিটি লিমিটেড ও টেকনোওয়ার্থ অ্যাসোসিয়েট লিমিটেড নামের প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যোগসাজশ ছিল রাহাত মালেক ও মাজহারুলের। টাকা নেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি দল দেখতেন না, যারা বেশি দেবে তারাই কাজ পাবে-এটাই ছিল তার নীতি।

এই দুই কর্মকর্তার বক্তব্যের মিল পাওয়া যায় এমআরআই, সিটি স্ক্যানের মতো ভারী যন্ত্রপাতি সরবরাহকারী একটি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারীর ভাষ্যে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে আমাদের সময়কে তিনি বলেন, অধিদপ্তরে কাজ পেতে হলে টাকা দেওয়া বাধ্যতামূলক। কাজ পাওয়ার আগেই প্যাকেজপ্রতি অগ্রিম লভ্যাংশের ২৫ শতাংশ দিতে হয়। বড় অংশ নিতেন জাহিদ মালেকের ছেলে রাহাত, বাকি অংশ লাইন ডিরেক্টর মাজহার। তিনি বলেন, অভিযোগ পাওয়ায় মাজহারকে সরানো হলেও থেমে নেই দুর্নীতি। বর্তমান লাইন ডিরেক্টের নাজমুল ইসলামকেও ১৫ শতাংশ ও অন্যান্য কর্মকর্তাকে ৫ শতাংশ কমিশন দেওয়া লাগে।

এ দুই কর্মকর্তাই আওয়ামী লীগপন্থি চিকিৎসকদের সংগঠন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপের) শীর্ষনেতা। জানা গেছে, গণ-অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে সরাসরি অংশ নেন মাজহার ও নাজমুল। এর মধ্যে নাজমুল শেখ হাসিনার পালানোর আগের দিনও সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘন করে অধিদপ্তরে রাজনৈতিক মিছিলের নেতৃত্ব দেন।

কাগজে স্বাক্ষর করেই বছরে হাতানো ২০ কোটি : জেলা সদর হাসপাতালে সুরক্ষাসামগ্রী সরবরাহকারী একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক আমাদের সময়কে বলেন, সদর হাসপাতালে বরাদ্দ পেতে ন্যূনতম ১০ শতাংশ কমিশন দিতে হয়। বিভাগীয় মেডিক্যাল ও বিশেষায়িত হাসপাতালে এই হার ১৫ থেকে ২০ শতাংশ। শুধু কাগজেই স্বাক্ষর দিয়েই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইন ডিরেক্টরসহ অন্য কর্মকর্তারা বছরে ২০ থেকে ৩০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।

এক বছরের ব্যবধানে দ্বিগুণ দামে যন্ত্র ক্রয়: অনিয়মের বড় অংশ সংঘটিত হয়েছে যন্ত্রপাতি কেনাকাটায়। এক বছরের ব্যবধানে অনেক যন্ত্রই কেনা হয়েছে দ্বিগুণ দামে। আল্ট্রাসনোগ্রাম ফোর ডি কালার ডোপলার ২০২০ সালে ২৯ লাখ টাকায় কেনা হলেও একই যন্ত্র পরের বছর কেনা হয় প্রায় ৬০ লাখ টাকায়। এমন ১০টি আল্ট্রাসনোগ্রাম যন্ত্র কেনা হয়েছে, যেখানে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকা। একইভাবে ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকার আইসিইউ বেড ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা, দুই লাখ ৭০ হাজার পেশেন্ট মনিটর কেনা হয়েছে ৫ লাখ টাকায়। এ ছাড়াও ৮৫ হাজার টাকার ইনফিউশন পাম্প ১ লাখ ২৯ হাজার টাকা, ৮০ হাজার টাকার সিরিং পাম্প কেনা হয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার টাকায়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সংলাপনির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার আহ্বান বিএনপির👇অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউ...
05/10/2024

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সংলাপ
নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার আহ্বান বিএনপির
👇

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে আগামী জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ জানতে চাওয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি দাবি পেশ করেছে বিএনপি।

শনিবার, অক্টোবর ৫, ২০২৪, বিকেলে যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সংলাপের পর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য জানান।

প্রশাসনে ফ্যাসিবাদের অনেক দোসর কর্মরত আছেন জানিয়ে তাদের অপসারণ, জেলা প্রশাসক নিয়োগে নতুন ফিট লিস্ট এবং যেসব জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তাদের নিযোগ বাতিল, ফ্যাসিবাদের সময়ের চুক্তিভিত্তিক সব নিয়োগ বাতিলের দাবি জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল।

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের মধ্যে দু-একজন আছেন যারা বিপ্লব-গণঅভ্যুত্থানের যে মূল স্পিরিট তাকে ব্যাহত করছে, তাদের সরানোর কথা বলেছি। আমরা গত ১৫ বছর ধরে সরকারি কর্মকর্তাদের পদোন্নতির বঞ্চিতদের ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি নিশ্চিত করার জন্য বলে এসেছি।

তিনি আরও বলেন, #নির্বাচন কমিশন নিয়োগ আইন স্থগিত করে প্রধান রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে অনতিবিলম্বে নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে। আমরা একটা রোডম্যাপ দিতে বলেছি। নির্বাচন কমিশন কবে নির্বাচন করবে সে ব্যাপারে একটা রোডম্যাপ দিতে বলেছি।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, আমরা এনআইডি কার্ড যেটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে ন্যাস্ত করতে আইন করা হয়েছিল সেটাকে অর্ডিন্যান্স জারির মাধ্যমে বাতিল করতে বলেছি।

তিনি বলেন, বিতর্কিত কোনো ব্যক্তি যাতে নির্বাচন সংস্কার কমিশনে না যায় সেকথা আমরা প্রধান উপদেষ্টাকে বলেছি। আমরা বলেছি যে, ফ্যাসিস্ট সরকারের ভুয়া ভোটে নির্বাচিত সব ইউনিয়ন পরিষদ বাতিল করতে বলেছি। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে যেসব প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং কমিশনারসহ ছিল তাদেরকে ভুয়া ও ব্যর্থ নির্বাচন, পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচন করার অভিযোগে তাদের আইনের আওতায় আনার কথা বলেছি।

বিচার বিভাগের প্রসঙ্গ টেনে ফখরুল বলেন, আমরা বলেছি, বিচার বিভাগের হাইকোর্ট বিভাগে এখন পর্যন্ত পরিবর্তন হয়নি। হাইকোর্ট বিভাগে বেশির ভাগ নিয়োগই ছিল দলীয় ভিত্তিতে এবং প্রায় ৩০ জন বিচারক বহাল তৈবিয়তে কাজ করছেন এখনো। এদের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলেছি। দলকানা কিছু বিচারক আছেন, তাদের অপসারণের কথা বলেছি। একই সঙ্গে অতিদ্রুত পিপি ও জিপি নতুনভাবে নিয়োগ দেওয়ার কথা বলেছি।

তিনি আরও বলেন- ২০০৭ সালে থেকে শেখ হাসিনার শাসনামলে সব মিথ্যা মামলা, গায়েবি মামলা প্রত্যাহারের জন্য নীতিগত সিদ্ধান্ত ঘোষণা ও প্রত্যাহারের ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেছি।

মির্জা ফখরুল বলেন, শুনতে পাই, কিছু জায়গায় সাবেক মন্ত্রীরা দেশ ছেড়ে পালাচ্ছে। কিভাবে পালিয়ে যাচ্ছে, কার সহযোগিতায় পালাচ্ছে এই বিষয়গুলো দেখার জন্য বলেছি। আজকে পতিত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা ভারতে আছেন। ভারতে থেকে তাকে কেন্দ্র করে, তার মাধ্যমে যে সমস্ত ক্যাম্পেইন চলছে, যে সমস্ত অপপ্রচার চলছে সেই বিষয়গুলো নিয়ে ভারতের সরকারের সঙ্গে আলোচনার জন্য এবং তাকে ওই অবস্থা থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য আমরা সরকারকে অনুরোধ করেছি তারা যেন ভারত সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে।

তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে অস্থিরতার সৃষ্টি পেছনে কারা আছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং গুম-খুনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জাননো হয়েছে।

#বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, সম্প্রতি দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে আপনারা লক্ষ্য করেছেন যে, সনাতনী কিছু মানুষ… সবাই না তারা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে জনগণকে উস্কে দিচ্ছে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। হিন্দু কমিউনিটির ওপর নির্যাতন হচ্ছে ইত্যাদি কথা বলছে যা সর্বব্যৈ মিথ্যা। এটা তাদের সূদূর পরিকল্পনা। এই কথাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বলেছি এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছি।

বিএনপির দাবির বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা কি বলেছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়গুলো অত্যন্ত সহযোগিতার সঙ্গে তারা দেখছেন। তারা মনে করেন আমাদের দাবিগুলো জনগণের দাবি, আমাদের দাবিগুলো তাদেরও দাবি।

সংলাপে ছয় সদস্যের বিএনপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন- স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান ও সালাহউদ্দিন আহমেদ।


সড়কে সীমাহীন দুর্নীতি, নেপথ্যে কাদেরসহ প্রভাবশালীরা!আওয়ামী লীগের সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে সড়কের ঠিকাদারি কাজ নিয়ন্ত্রণ করত...
05/10/2024

সড়কে সীমাহীন দুর্নীতি, নেপথ্যে কাদেরসহ প্রভাবশালীরা!

আওয়ামী লীগের সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে সড়কের ঠিকাদারি কাজ নিয়ন্ত্রণ করতো দলটির প্রভাবশালী নেতাসংসদ সদস্য, সাবেক সড়কমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের স্বজন ও ঘনিষ্ঠ কয়েকজন এবং সওজের কয়েকজন প্রকৌশলী। সড়ক ও জনপথের বরাতে এই খবর প্রকাশ করেছে প্রথম আলো।

বলা হচ্ছে, ২০১১ সালে ওবায়দুল কাদের সড়কমন্ত্রী হওয়ার পর তার স্ত্রী, ভাই সেই সঙ্গে ফেনীর সাবেক সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী এবং নোয়াখালীর সাবেক সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরীকে নিয়ে একটি চক্র গড়ে ওঠে। সড়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেন, আসলে বিগত সরকারের আমলে কাকে কাজ দেওয়া হবে, তা আগে ঠিক করা হতো। এরপর দরপত্র ডাকার আনুষ্ঠানিকতা করা হতো।

গত ছয় বছরে সড়কের মোট ঠিকাদারি কাজের ১০ শতাংশ করেছে ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স (এনডিই) নামে একটি প্রতিষ্ঠান। ২০১৭ সালের শেষ দিকে প্রতিষ্ঠানটি সড়কে কাজ শুরু করে। মাত্র ছয় বছরে তারা সড়কে একক ও যৌথভাবে সাড়ে আট হাজার কোটি টাকার ঠিকাদারি পায়।

প্রতিষ্ঠানটির পেছনে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক সামরিক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক। এনডিই ঠিকাদারি কাজ পেতে ওবায়দুল কাদেরের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করত বলে জানা যায়।

এনডিইর মতো ১৫টি প্রতিষ্ঠান ব্যয়ের দিক দিয়ে মোট কাজের ৯০ শতাংশ পেয়েছে। এক যুগে সড়ক ও সেতু নির্মাণ এবং রক্ষণাবেক্ষণে ৮৩ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয় করেছে সরকার।

যার মধ্যে প্রায় ৭৫ হাজার কোটি টাকার কাজ একক ও যৌথভাবে পেয়েছে ওই ১৫টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। যাদের পেছনে আশীর্বাদ ছিল কাদের, শেখ সেলিম, শেখ হেলাল, তারিক সিদ্দিকের।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক সামছুল হক বলেন, ‘ঠিকাদারি কাজ পাওয়া, নিম্ন মানের কাজ করে টাকা তুলে নেওয়া এবং বেশি কাজ করা দেখিয়ে বাড়তি বিল আদায়—এগুলোর জন্য ঠিকাদারেরা মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও নেতাদের হাতে রাখতেন। এটা বিগত সরকারের আমলে ‘ওপেন সিক্রেট’ হয়ে পড়েছিল। এটা ছিল দুর্নীতির মহামারি।’

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জাতীয়বাদী দল বি এন পি উওর খোশবাস ৬নং ওয়াড ঐক্য ফোরাম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share