21/03/2020
শুধু ইউরোপে নয়, করোনা ভাইরাস আতঙ্ক এখন বাংলাদেশও। যার কারণে হঠাৎ করেই করোনাভাইরাস আতঙ্কে বেড়ে গেছে মাস্কের ব্যবহার ও দাম এবং বেড়েছে মাস্কের চাহিদাও। ভাইরাস জনিত রোগটি প্রতিরোধের প্রাথমিক ব্যবস্থা হিসেবে স্কুল-কলেজ থেকে শুরু করে হাটবাজার কিংবা গণপরিবহণের মতো জনাকীর্ণ পরিবেশে মাস্ক ব্যবহার বেড়েছে।
মাস্ক ব্যবহারকারীরা বলছেন, বাংলাদেশে ধুলা-বালুময় পরিবেশে ভাইরাসজনিত বিভিন্ন ধরনের রোগ-ব্যাধির আশঙ্কা থাকে। এসব থেকে বাঁচতেই তারা মাস্ক পড়ছেন। এছাড়া স¤প্রতি আলোচিত করোনাভাইরাস আতঙ্কের কারণেও অনেকেই মাস্ক ব্যবহার করছেন বলে জানিয়েছেন।
সাধারণ কিছু সতর্কতা অবলম্বন করলে এ ধরনের ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকটা কমিয়ে আনা সম্ভব। যেমন হাঁচি-কাশির সময় মুখ ঢেকে ফেলতে হবে, তারপর সাবান দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে হাত। সাবান ও গরম পানি দিয়ে নিয়মিত হাত ধুলে জীবাণু থাকার ঝুঁকি কমবে। আর না ধোয়া হাত যেন কোনোভাবেই মুখ, চোখ বা নাকের সংস্পর্শে না যায়। পাশাপাশি সুস্থ জীবনযাপনের সাধারণ নিয়মগুলোও মানতে হবে। সবকিছুর পরও যদি কারও মধ্যে অসুস্থতার লক্ষণ দেখা যায়, আতঙ্কিত না হয়ে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
ওষুধ বিক্রেতারা বলেন, ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী বাজারে ১০ টাকা থেকে শুরু করে ৩ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের মাস্কও রয়েছে। এসবের মধ্যে সার্জিক্যাল মাস্ক, ফিল্টার মাস্ক, রেসপিরেটর হিসেবে তৈরি ফেস মাস্ক ছাড়াও একটানা তিন-চার দিন ব্যবহার উপযোগী এন ৯৫ মাস্ক, পি ৯৫ মাস্ক, এন ৯৯, এন ১০০, এয়ার পিউরিফিকেশন মাস্ক ও রেসপ্রো মাস্ক বিক্রি হচ্ছে। তবে সাধারণত যে মাস্ক প্রতিনিয়ত সবাই ব্যবহার করছেন সেটি সার্জিক্যাল মাস্ক। সার্জিক্যাল মাস্কের সামনে নীল আর পেছনে সাদা রংয়ের থাকে। সুস্থ থাকলে শুধু দূষণ থেকে রক্ষার জন্য মাস্কটির সাদা রংয়ের অংশটি সামনে রেখে পরতে হবে এবং অসুস্থ হলে মানে জ্বর, ঠান্ডা, কাশি হলে নীল রংয়ের অংশটি সামনে রেখে পরতে হবে।