16/05/2026
রাউজানের সচেতন রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের জনসাধারণের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ⚠️
আজ আপনাদের সামনে এমন এক মুখোশধারী এবং মীরজাফরের আসল রূপ উন্মোচন করতে যাচ্ছি, যার নাম মুমিনুল হক চৌধুরী মুবিন (সবার কাছে ‘লেংটা মুবিন’ নামে পরিচিত)। রাউজানের রাজনীতিতে সে মূলত একজন বহুরূপী গুপ্তচর ও সুবিধাবাদী হিসেবে কাজ করে আসছে।
তার অতীত এবং বর্তমানের কিছু চাঞ্চল্যকর সত্য নিচে তুলে ধরা হলো, যা প্রত্যেক কর্মীর জানা জরুরি:
মুবিন প্রথম দিকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হক চৌধুরী রোটনের অন্ধ অনুসারী ছিল। পরবর্তীতে রোটনের সাথে 'মনোমালিন্য হয়েছে' বলে চারদিকে নাটক সাজায় এবং সুকৌশলে সেন্ট্রাল ভয়েসের সভাপতি সাইদুল ইসলামের হাত ধরে আমাদের রাউজানের অভিভাবক, জননেতা এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর সুযোগ্য সন্তান এবং তরুণ প্রজন্মের আইডল জনাব ফারাজ করিম চৌধুরী’র রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার চেষ্টা করে।
ফারাজ করিম চৌধুরীর সাথে যুক্ত হওয়ার পর থেকেই তার বিভিন্ন কার্যকলাপ সন্দেহজনক মনে হতে থাকে। ফলশ্রুতিতে, তার অনৈতিক ও রহস্যজনক আচরণের কারণে তাকে ফারাজ করিম চৌধুরীর রাজনৈতিক বলয় থেকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়।
সেখান থেকে বিতাড়িত হয়ে সে কদলপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন চৌধুরীর সাথে লিয়াজোঁ (লেয়াজু) করে কিছুদিন নিজের আখের গোছানোর রাজনীতি বজায় রাখার চেষ্টা করে।
৫ই আগস্টের পর আসল রূপ: গত ৫ই আগস্ট সরকার পতনের পর এই মীরজাফরের আসল রূপ পুরোপুরি উন্মোচিত হয়েছে। আসলে রোটনের সাথে মনোমালিন্যের বিষয়টি ছিল একটি সাজানো নাটক! সে মূলত শুরু থেকেই রোটনের ‘গুপ্তচর’ হিসেবে ফারাজ করিম চৌধুরীর বলয়ে ঢুকেছিল।
বর্তমানে এই মুবিন বিভিন্ন ফেক আইডি ব্যবহার করে আমাদের প্রিয় নেতা ফারাজ করিম চৌধুরীর নামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নোংরা ও ভিত্তিহীন মন্তব্য করছে। শুধু তাই নয়, তার আসল প্রভু রোটনের অনুসারীদের রিয়েল আইডি থেকেও ফারাজ করিম চৌধুরীকে বিভিন্নভাবে হেনস্তা ও হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
যারা দীর্ঘদিন ধরে রাউজানে ফজলে করিম চৌধুরী ও ফারাজ করিম চৌধুরীর হাতকে শক্তিশালী করতে রাজপথে রাজনীতি করেছেন, আপনাদের সবার প্রতি অনুরোধ—এই নিম্নমানের, নীতিহীন গুপ্তচর মুবিনকে রাউজানের মাটিতে আর কোনো ধরনের সুযোগ দেবেন না। এদের মতো মীরজাফরদের এখনই বয়কট করুন এবং এদের সব ধরনের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলুন।
বর্তমানে তার সহযোগী হিসেবে কাজ করছে রাউজানের কমিশনার আজাদ। আজাদ একজন সুবিধাবাদী।
আস্তে আস্তে সবার মুখোশ উন্মোচন করা হবে।