জোবায়দুল ইসলাম সুইট, যুবদল, চিলমারী

  • Home
  • Bangladesh
  • Chilmari
  • জোবায়দুল ইসলাম সুইট, যুবদল, চিলমারী

জোবায়দুল ইসলাম সুইট, যুবদল, চিলমারী সভাপতি, যুবদল, রমনা, চিলমারী।

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে এক বিরাট মিছিল শেষে রাত ১২ঃ ০১ মিনিটে  চিলমারী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুস্প স্তবক অর্পণ করছে চিলমা...
15/12/2014

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে এক বিরাট মিছিল শেষে রাত ১২ঃ ০১ মিনিটে চিলমারী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুস্প স্তবক অর্পণ করছে চিলমারী উপজেলা বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ ্‌্‌্‌্‌

বিদ্যুৎ নেই ?নো টেনশন ...এনালগ প্রযুক্তি ব্যাবহার করুন ।
24/04/2014

বিদ্যুৎ নেই ?
নো টেনশন ...
এনালগ প্রযুক্তি ব্যাবহার করুন ।

১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ ঢাকার উত্তরার মাওছাইদ গ্রামের সবুর হোসেন খানের বয়স ছিল ২ বছর ৭ মাস ১০ দিন। অথচ তিনি একজন মুক্তিযো...
20/04/2014

১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ ঢাকার উত্তরার মাওছাইদ গ্রামের সবুর হোসেন খানের বয়স ছিল ২ বছর ৭ মাস ১০ দিন। অথচ তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে পেয়েছেন সনদ। মুজিবনগর কর্মচারী হিসেবে হয়েছেন নথিভুক্ত। আর এ জালিয়াতির সুযোগ
নিয়ে মুজিবনগর কর্মচারী হিসেবে ১৯০ জনের সঙ্গে তিনিও ২০০৯ সালের ৯ই ডিসেম্বর সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগ দিয়েছেন। বর্তমানে তার কর্মস্থল জামালপুরের মাদারগঞ্জ। বরিশালের উজিরপুর থানার চকমান গ্রামের মো. নূরুল হকের বয়স ছিল ২ বছর ৯ মাস ১১ দিন। তিনিও মুজিবনগর কর্মচারী হিসেবে ১৩ই ডিসেম্বর ২০০৯ সালে সাবরেজিস্ট্রার হিসেবে যোগ দেন। তার বর্তমান কর্মস্থল বরগুনার পাথরঘাটা। মুক্তিযোদ্ধা সনদে পিলিটিক্যাল মটিভেটর হিসেবে তার দায়িত্ব পালন করার কথা বলা হয়েছে। মুজিবনগর কর্মচারীর সনদ নিয়ে এমন ভয়াবহ জালিয়াতির প্রমাণ মিলেছে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির তদন্তে। শুধু তা-ই নয়, আরও আছে। তদন্ত কমিটির কাছে কিভাবে জালিয়াতি হয় তার বর্ণনা দিয়েছেন নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার মোশারফ হোসেন চৌধুরী। তিনিও ১৯০ জনের একজন। সে সময় তার বয়স ছিল ৮ বছর ৫ মাস ১২ দিন। তদন্ত কমিটিকে তিনি বলেছেন, আমি মুজিবনগর কর্মচারী নই। যুদ্ধকালে ভারতেও যাইনি। সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের একটি চক্রের কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে কাগজ সংগ্রহ করেছি। আর কাগজ সংগ্রহ করতে আমার ব্যয় হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা। অন্যরা কেউ ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা খরচ করেছে। নিয়োগ পেতে আমার মোট খরচ হয়েছে ৫ লাখ ২০ হাজার টাকা। তিনি তদন্ত কমিটিকে জানিয়েছেন, মুজিবনগর কর্মচারী নিয়ে বিরাট একটি চক্র সারা দেশে টাকার বিনিময়ে কাজ করছে। সবার কাগজই ভুয়া। মোশারফ হোসেন চৌধুরী ফেনীর ফুলগাজীতে সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তিনি কাজে যোগ দেন ২০০৯ সালের ৭ই সেপ্টেম্বর। নবম সংসদের আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ২৬তম বৈঠকে এ সংক্রান্ত তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটির সভাপতি করা হয় আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্ম সচিব (প্রশাসন-২) মো. মজনুল আহসানকে। সদস্য করা হয় একই বিভাগের যুগ্ম সচিব (মতামত) সহিদুল করিম ও উপ-সচিব (মতামত-৪) আবু আহমেদ জমাদারকে। দীর্ঘ তদন্ত শেষে তদন্ত কমিটি স্থায়ী কমিটির ২৯তম বৈঠকে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেন। তদন্ত রিপোর্টে বলা হয়েছে, মুজিবনগর কর্মচারী হিসেবে ১৯০ জনকে সাব রেজিস্ট্রার পদে আত্তীকরণের বিষয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে দেখা গেছে মুজিবনগর কর্মচারী হিসেবে যে ১৯০ জন মুক্তিযোদ্ধা সনদ নিয়েছেন ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ তাদের বয়স ছিল ২ থেকে ১৬ বছর। এর মধ্যে রয়েছেন বরিশালের আগৈলঝরার বারপাইকা গ্রামের কাজী নজরুল ইসলাম। সে সময় তার বয়স ছিল ৩ বছর ১১ মাস ২৪ দিন। তিনি নিয়োগ পেয়েছেন ২০০৯ সালের ১৩ই ডিসেম্বর। তার কর্মস্থল শরীয়তপুরের জাজিরায়। তদন্ত কমিটির কাছে তিনি বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ইনফরমার হিসেবে কাজ করেছেন। কত তারিখে, কার অধীনে মুক্তিযুদ্ধ করেছেন? তদন্ত কমিটির এ প্রশ্নে তিনি বলেন, তারিখ মনে নেই। তালিকার ৪৩ নম্বরে রয়েছেন বরিশাল গৌরনদীর সাহাজিরা গ্রামের মো. আবদুল মতিন। তিনি ২০০৯ সালের ৯ই ডিসেম্বর যোগ দেন সাব রেজিস্ট্রার হিসাবে। তার কর্মস্থল শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে। তিনিও ইনফরমার হিসেবে কাজ করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তালিকার ৫১ নম্বরে রয়েছেন ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার চকজেস গ্রামের স্বপন কুমার দে। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ তার বয়স ছিল ৪ বছর ১১ মাস ৮দিন। তিনিও চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগ দেন ২০০৯ সালের ৭ই সেপ্টেম্বর। তালিকার ৬৬ নম্বরে রয়েছে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের বড় অভিরামপুর গ্রামের মো. ওবায়েদ উল্লাহ। সে সময় তার বয়স ছিল ৫ বছর ২ মাস ২৫ দিন। তিনি ২০০৯ সালের ৭ই ডিসেম্বর ফেনীর পরশুরামে সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগ দেন। তিনিও মুক্তিযুদ্ধের সময় ইনফরমার হিসেবে কাজ করেন। তালিকার ৭৬ নম্বরে রয়েছে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের কাছিহাটি গ্রামের মো. আবুল বাশার। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ তার বয়স ছিল ৪ বছর ২ মাস ২৬ দিন। তিনি ২০০৯ সালে ৯ই ডিসেম্বর হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগ দেন। তিনিও ছিলেন ইনফরমার। মানিকগঞ্জের দৌলতপুরের সমেতপুর গ্রামের বোরহান উদ্দিন সরকারও মুক্তিযুদ্ধে ইনফরমার হিসেবে কাজ করেন। তিনিও মুজিবনগর কর্মচারী ছিলেন। ’৭১-এর ২৬শে মার্চ তার বয়স ছিল ৫ বছর ২ মাস ২৬ দিন। তিনি সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে সাব-রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগ দেন ২০০৯ সালের ৬ই ডিসেম্বর। টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার বাসাইল গ্রামের আজহার আলী খানের বয়স ছিল ৭ বছর ১৫ দিন। তিনিও ছিলেন ইনফরমার। মুজিবনগর কর্মচারী হিসেবে আত্তীকরণের মাধ্যমে তিনি রাজশাহীর দুর্গাপুরে সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগ দেন ২০০৯ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর। বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার দীঘলকান্দি গ্রামের মো. শফি হাসান একই সুযোগ নিয়ে নওগাঁর বদলগাছীতে সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগ দেন ২০০৯ সালের ১৩ই সেপ্টেম্বর। সে সময় তার বয়স ছিল ৫ বছর ২ মাস ২৬ দিন। তিনিও ইনফরমার ছিলেন। ৪ বছর ৩ মাস ২৬ দিন বয়সে মুজিবনগর কর্মচারী ছিলেন বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার দীঘলকান্দি গ্রামের লিয়াকত হোসেন। মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি ইনফরমার হিসেবে কাজ করেন। তিনি ২০০৯ সালের ১৩ই ডিসেম্বর নওগাঁর দামইরহাটে সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগ দেন। বগুড়া সদরের বৃন্দা পাড়ার সহিদুল ইসলামও একই ভাবে মুজিবনগর কর্মচারী হিসেবে নথিভুক্ত হন। আর এ সুবিধা নিয়ে তিনি ১৬ই সেপ্টেম্বর নওগাঁর আত্রাইয়ে সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগ দেন। সে সময় তার বয়স ছিল ৬ বছর ৫ মাস ২৬ দিন। জামালপুরের সরিষাবাড়ীর হল পূর্ব পাড়া গ্রামের একেএম রফিকুল ইসলামও মুক্তিযুদ্ধের সময় ইনফরমার ছিলেন। তিনি মুজিবনগর কর্মচারী হিসেবে সিরাজগঞ্জের গান্দাইলে সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগ দেন ২০০৯ সালের ৬ই ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ তার বয়স ছিল ৬ বছর ৫ মাস ৩ দিন। কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর নিঝুর খামার গ্রামের মো. জাহাঙ্গীর আলমের বয়স ছিল ৬ বছর ৪ মাস ৩ দিন। তিনিও ছিলেন ইনফরমার। মুজিবনগর কর্মচারী হিসেবে বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগ দেন ২০০৯ সালের ৮ই সেপ্টেম্বর। জয়পুরহাট আক্কেলপুরের মালিগ্রাম গ্রামের মুক্তিওয়ারা খাতুনের বয়স ছিল ৫ বছর ৬ মাস ২৬ দিন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় ক্যাম্পের সেবিকা ছিলেন বলে দাবি করেছেন। আর মুজিবনগর কর্মচারী হিসেবে ২০০৯ সালের ৬ই ডিসেম্বর বগুড়ার নন্দীগ্রামে সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগ দেন। ৭ বছর ২৫ দিন বয়সে ইনফরমারের কাজ করেন গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর বুজরুক বিষ্ণুপুর গ্রামের মো. মনিরুজ্জামান। তিনি মুজিবনগর কর্মচারী হিসেবে নথিভুক্ত হয়ে সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগ দেন ২০০৯ সালের ৬ই ডিসেম্বর। বগুড়ার শিবগঞ্জের মাঝপাড়া গ্রামের মো. শাহ আলমের বয়স ছিল ৮ বছর ৩ মাস ১৬ দিন। তিনিও মুক্তিযুদ্ধের সময় ছিলেন ইনফরমার। আর মুজিবনগর কর্মচারী হিসেবে নথিভুক্ত হয়ে ২০০৯ সালের ৬ই ডিসেম্বর সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগ দেন। তার কর্মস্থল জয়পুরহাটের কালাইয়ে। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর ধনিরামপুর গ্রামের আবু বকর সিদ্দিকের বয়স ছিল ৭ বছর ২ মাস ২৩ দিন। তিনিও ছিলেন ইনফরমার। মুজিবনগর কর্মচারী হিসেবে আত্তীকরণের মাধ্যমে ২০০৯ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগ দেন। তার কর্মস্থল জয়পুরহাটের আক্কেলপুর। তালিকার ১১৩ নম্বরে রয়েছে রংপুর পীরগঞ্জের ঘোষপুর গ্রামের মো. খায়রুজ্জামান ম-ল। ১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চে তার বয়স ছিল ৪ বছর ১১ মাস ১৭ দিন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ইনফরমার হিসেবে কাজ করেছেন। মুজিবনগর কর্মচারী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন। ১৯০ জন ভাগ্যবানের তিনি একজন। ২০০৯ সালের ১০ই ডিসেম্বর সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগ দেন দিনাজপুরের বোচাগঞ্জে। ১১২ নম্বরে রয়েছেন কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর সন্তোষপুর গ্রামের মো. আফসার আলীর নাম। সে সময় তার বয়স ছিল ৪ বছর ৫ মাস ১৫ দিন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ইনফরমার হিসেবে কাজ করেছেন। আর পরে নথিভুক্ত হয়েছেন মুজিবনগর কর্মচারী হিসাবে। এ সংক্রান্ত কাগজ জমা দিয়ে তিনি ২০০৯ সালের ১৫ই ডিসেম্বর দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগ দেন। তালিকার ১১৬ নম্বরে রয়েছে কুড়িগ্রাম ভুরুঙ্গামারী উপজেলার আবুল বাশার মো. ইউসুফের নাম। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ তার বয়স ছিল ৪ বছর ১১ মাস ১ দিন। তিনিও ইনফরমার ছিলেন। মুজিবনগর কর্মচারী হিসেবে ২০০৯ সালের ১৪ই ডিসেম্বর পঞ্চগড়ের আটোয়ারিতে সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগ দেন। দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার ধোবাকল গ্রামের মোহাম্মদ আবু হেনা মোস্তফা কামালের বয়স ছিল ৫ বছর ৮ মাস ৯ দিন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনিও ইনফরমার হিসেবে কাজ করেন। আর যুদ্ধের পর ১৯৮৬ সালে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ে কাগজ জমা দিয়ে মুজিবনগর কর্মচারী হিসেবে নথিভুক্ত হন। আর এ সুবাধে পঞ্চগড়ের দ্বেবীগঞ্জের সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগ দেন। রংপুর খেসামত পুনকির গ্রামের সুধীর কুমার সরকারের বয়স ছিল ৭ বছর ৫ মাস ১২ দিন। তিনিও ইনফরমার হিসেবে কাজ করেন। মুজিবনগর কর্মচারী হিসেবে তিনি ২০০৯ সালের ৯ই সেপ্টেম্বর পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগ দেন। কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর বলদীটারী গ্রামের মো. আবদুল মতিনের বয়স ছিল ৬ বছর ১০ মাস ১২ দিন। তিনিও ছিলেন ইনফরমার। মুজিবনগর কর্মচারী হিসেবে সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগ দেন ২০০৯ সালের ৬ই ডিসেম্বর। তার কর্মস্থল ঠাকুগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে। রংপুর গঙ্গাচড়ার নিলকচ-ী গ্রামের মো. আবদুর রশীদ মুজিবনগর কর্মচারী হিসেবে রংপুরের পীরগঞ্জে সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগ দিয়েছেন। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ তার বয়স ছিল ৭ বছর ৮ মাস ২৬ দিন। কুড়িগ্রাম নাগেশ্বরীর আনছারহাট গ্রামের সোহরাব হোসেন সরকারের বয়স ছিল ৫ বছর ৫ মাস ১ দিন। যুদ্ধের ময়দানে তিনি ছিলেন ইনফরমার। তিনি মুজিবনগর কর্মচারী হিসেবে সাব রেজিস্ট্রার পদে যোগ দেন ২০০৯ সালের ৬ই ডিসেম্বর। তার কর্মস্থল গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে। ৫ বছর ৬ মাস ৬ দিন বয়সের শিশু কুড়িগ্রাম রাজারহাটের রাম জীবন কু-ু মুক্তিযুদ্ধের সময় ছিলেন ইনফরমার। আর মুজিবনগর কর্মচারী হিসেবে লালমনিরহাটের পাটগ্রামে সাব রেজিস্ট্রার পদে যোগ দেন ২০০৯ সালের ৬ই ডিসেম্বর। ৫ বছর ৪ মাস ১দিন বয়সের মিজানুর রহমানের বাড়ি নীলফামারীর জলঢাকায়। তিনিও ছিলেন ইনফরমার। তিনি সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগ দেন ২০০৯ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর। তার কর্মস্থল কুড়িগ্রামের রাজারহাট। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ শফিকুল ইসলাম সরকারের বয়স ছিল ২ বছর ১০ মাস ১ দিন। তার বাড়ি কুড়িগ্রাম সদরের নারায়ণপুর গ্রামে। এ শিশুও ইনফরমার হিসেবে কাজ করেছে যুদ্ধের ময়দানে। মুজিবনগর কর্মচারী হিসেবে সাব রেজিস্ট্রার পদে যোগ দিয়েছেন ২০০৯ সালের ৬ই ডিসেম্বর। তার কর্মস্থল নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে। তালিকার ১৩৫ নম্বরে রয়েছেন রংপুর পীরগঞ্জের খোহাটি গ্রামের খোন্দকার গোলাম কবিরের নাম। সে সময় তার বয়স ছিল ৫ বছর ১ মাস ১৬ দিন। তিনিও যুদ্ধের ময়দানে ছিলেন ইনফরমার। মুজিবনগর কর্মচারী হিসেবে তিনি কুড়িগ্রামের রৌমারিতে সাব রেজিস্ট্রার পদে যোগ দেন ২০০৯ সালের ৬ই ডিসেম্বর। ৪ বছর ৮ মাস ২ দিন বয়সে ওসমান গণি ম-ল যুদ্ধের ময়দানে ইনফরমার হিসেবে কাজ করেন। ছিলেন মুজিবনগর কর্মচারী। তার বাড়ি কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীর মইদাম গ্রামে। সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগ দিয়েছেন ৭ই ডিসেম্বর। তার কর্মস্থল কুড়িগ্রামের চিলমারী। তালিকার ১৪৩ নম্বরে রয়েছে ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার জীবনদাস কাঠি গ্রামের ফিরোজ আলমের নাম। সে সময় তার বয়স ছিল ৫ বছর ৭ মাস ২৬ দিন। মুজিবনগর কর্মচারী হিসেবে তিনি বাগেরহাটের কচুয়ায় সাব রেজিস্ট্রার হিসাব যোগ দিয়েছেন একই বছর ৭ই ডিসেম্বর। তালিকার ১৫৮ নম্বরে রয়েছে বরিশাল উজিরপুর কারফা গ্রামের নীহার রঞ্জন বিশ্বাসের নাম। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ তার বয়স ছিল ৩ বছর ৬ মাস ২১ দিন । তিনিও ইনফরমার হিসেবে যুদ্ধের ময়দানে কাজ করেন। ছিলেন মুজিবনগর কর্মচারী। ২০০৯ সালের ৬ই ডিসেম্বর মাগুড়ার শ্রীপুরে সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগ দেন। আর মাদারীপুর কালকিনির সাহেব পাড়া গ্রামের আবুল হোসেনের বয়স ছিল ৪ বছর ৪ মাস ৭ দিন। তিনিও কুচবিহারে গিয়ে ইনফরমারের কাজ করেন। মুজিবনগর কর্মচারী হিসেবে তিনি শালিখার আড়পাড়ায় সাব রেজিস্ট্রার পদে যোগ দেন ২০০৯ সালের ১৬ই সেপ্টেম্বর। ৫ বছর ১২ দিন বয়সের ঢাকার সূত্রাপুর ৩৫ অভিসার ভবনের মিনতি দাস কুচবিহারে সেবিকা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আর মুজিবনগর কর্মচারী হিসেবে তিনি সাব রেজিস্ট্‌্রার পদে যোগ দেন ২০০৯ সালের ৯ই ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ মাদারীপুর সদরের তরমুগরিয়া মাস্টার কলোনির লুৎফর রহমান মোল্লার বয়স ছিল ৫ বছর ২ মাস ২৬ দিন। তিনিও চব্বিশ পরগনায় ইনফরমার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মুজিবনগরের কর্মচারী হিসেবে তিনি খুলনার তেরখাদায় সাব রেজিস্ট্রার পদে যোগ দেন। বরিশাল উজিরপুরের বাহেরঘাট গ্রামের নুরুজ্জামান হাওলাদার মুক্তিযুদ্ধের সময় ইনফরমার হিসেবে কাজ করেন। সে সময় তার বয়স ছিল ৪ বছর ৮ মাস ১৫ দিন। তিনি ঝালকাঠির রাজাপুরে সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগ দেন ২০০৯ সালের ৭ই ডিসেম্বর। বরিশাল উজিরপুরের করফা গ্রামের বাদল কুমার বিশ্বাসও ইনফরমার ছিলেন। ’৭১-এর ২৬শে মার্চ তার বয়স ছিল ৪ বছর ৬ মাস ১দিন। মুজিবনগর কর্মচারী হিসেবে নথিভুক্ত হয়ে তিনি ভোলার রাধাবল্লভে সাব রেজিস্ট্রার পদে যোগ দেন ৯ই ডিসেম্বর। তালিকার ১৯০ নম্বরে রয়েছে ভোলা চরফ্যাশন থানার চর তোফাজ্জল গ্রামের মোহাম্মদ ফারুকের নাম। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ তার বয়স ছিল ২ বছর ১০ মাস ৪ দিন। তিনি যুদ্ধের সময় কাজ করেছেন পলিটিক্যাল মটিভেটর হিসেবে। তিনি বরিশালের চাখারে সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগ দেন একই বছর ৭ই ডিসেম্বর। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- সাক্ষাৎকার গ্রহণকালে ১৮৯ জন সাব রেজিস্ট্রারের মধ্যে ১৩৬ জন ইনফরমার ছিলেন বলে দাবি করেছেন। ১৫ জন ছিলেন ক্যাম্প সহকারী। নার্স ও সহকারী নার্স ছিলেন ১৫ জন। পলিটিক্যাল মটিভেটর ছিলেন ১০ জন। এফ এফ কালেক্টর ছিলেন বলে দাবি করেছেন ৭ জন। স্পাই ছিলেন ২ জন। স্টোরকিপার ছিলেন ১ জন। কোন পদের নাম বলতে পারেননি এমন রয়েছেন ৩ জন। এ ছাড়া সাক্ষাৎকার গ্রহণের আগেই মারা গেছেন ১ জন।

পথের ক্লান্তি ভুলে স্নেহ ভরা কোলে তবমাগো, বলো কবে শীতল হবোকত দূর আর কত দূর …বল মা?আঁধারের ভ্রুকুটিতে ভয় নাই,মাগো তোমার ...
18/04/2014

পথের ক্লান্তি ভুলে স্নেহ ভরা কোলে তব
মাগো, বলো কবে শীতল হবো
কত দূর আর কত দূর …
বল মা?

আঁধারের ভ্রুকুটিতে ভয় নাই,
মাগো তোমার চরণে জানি পাবো ঠাঁই ।।
যদি এ পথ চলিতে কাঁটা বেঁধে পায়
হাসিমুখে সে বেদনা সবো
কত দূর আর কত দূর …
বল মা……

চিরদিনই মাগো তব করুণায়
ঘর ছাড়া প্রেম দিশা খুঁজে পায় ।।
ঐ আকাশে যদি মা কভু ওঠে ঝড়
সে আঘাত বুক পেতে লবো
কত দূর আর কত দূর …
বল মা……

যতই দুঃখ তুমি দেবে দাও
তবু জানি কোলে শেষে তুমি টেনে নাও,
মাগো তুমি ছাড়া এ আঁধারে গতি নাই
তোমায় কেমনে ভুলে রবো
কত দূর আর কত দূর …
বল মা……

পথের ক্লান্তি ভুলে স্নেহ ভরা কোলে তব
মাগো, বলো কবে শীতল হবো
কত দূর আর কত দূর …
বল মা

বাংলাদেশের এই দুর্দিনেজিয়া তোমায় পড়ে মনে
16/04/2014

বাংলাদেশের এই দুর্দিনে
জিয়া তোমায় পড়ে মনে

21/02/2014

৫ই জানুয়ারির একতরফা নির্বাচন করার বিরুদ্ধে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ অনাস্থা ব্যক্ত করেছে। গৃহপালিত বিরোধীদলকে তো রীতিমতো প্রত্যাখ্যান করেছে। আর সবকিছু ছাপিয়ে প্রকারান্তরে সরকার গঠনে বিএনপি’র নেতৃত্বাধীন জোট ম্যান্ডেট প্রাপ্ত হয়েছে। এটা কোন বিদেশী সংস্থার জরিপ ফল নয়। কিংবা কোন সুযোগসন্ধানী কিংবা সরকার বর্ণিত তার কোন অবান্ধব গোষ্ঠী পরিচালিত জনমত জরিপও নয়। এটা ১০০% খাঁটি জনমত জরিপের প্রতিফলন। শুধু নামটাই আইনগতভাবে ‘উপজেলা নির্বাচন’, কিন্তু সকল বিচারে ইতিহাসের এক নজিরবিহীন নির্বাচনের দু’মাস না পেরোতেই বাংলাদেশের জনগণ একটি উপযুক্ত জবাব দিতে সক্ষম হলো।
জাতীয় নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রায় ২৫০ আসনে জেতার কৃতিত্ব মিলিয়ে না যেতেই রেশ এখনও বাতাসে ভাসছে। নির্বাচন নিয়ে ফলাফল স্পষ্টতঃই ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে জনগণের ম্যান্ডেট হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ব্যাপক কারচুপি সত্ত্বেও আ.লীগের ভরাডুবি :
20/02/2014

ব্যাপক কারচুপি সত্ত্বেও আ.লীগের ভরাডুবি :

বিচার-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে উচ্চ পর্যায়ের বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ বার কাউন্সি...
16/02/2014

বিচার-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে উচ্চ পর্যায়ের বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল। একই সাথে স্বল্প সময়ে কমিটির তদন্ত রিপোর্ট জনসম্মুখে প্রকাশের দাবি করেছে সংস্থাটি। অন্যথায় এ বিষয়ে জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকার সংস্থার সনদে স্বাক্ষরকারী দেশ হিসেবে তা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উপস্থাপনের হুশিয়ারি দেয়া হয়। পাশাপাশি দেশে সব ধরনের বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধেরও দাবি জানানো হয়।
রোববার বার কাউন্সিল ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলা হয়। সংস্থাটির পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সংস্থাটির নির্বাচিত নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান, অ্যাডভোকেট কাইমুল হক ও অ্যাডভোকেট মো. ইসহাক।
লিখিত বক্তব্যে খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, দেশে আজ বিচার বহির্ভূত হত্যা, গুম, নির্যাতন ভয়াবহ আকারে দেখা দিয়েছে। বিরোধীদলকে নির্মূল করার জন্য সরকার ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের আগে থেকে এখন পর্যন্ত এই হিংসাত্মক ও মানবতাবিরোধী কার্যক্রমে নিরব ভূমিকা পালন করছে। এ ব্যপারে দেশ-বিদেশের মানবাধিকার সংস্থা সরকারের কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা এবং তাদের গভীর উৎকন্ঠা প্রকাশ করছেন। তিনি দেশের বিভিন্ন সংবাদপত্র ও মানবাধিকার সংস্থার রিপোর্ট উল্লেখ করে বলেন, ২০০৯ সালে ২২৯ জন, ২০১০ সালে ১১৩ জন, ২০১১ সালে ১০০ জন, ২০১২ সালে ৯১ জন, ২০১৩ সালে ৭১ জন এবং গত ১ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ পর্যন্ত ৪৪ জন বিচার-বহির্ভূত হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছে। তিনি বলেন, এই সংখ্যা ছাড়াও বিচার-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড সঙ্ঘটিত হয়েছে যা এখনোও প্রকাশের অপোয় রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, সরকার বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি প্রচ্ছন্নভাবে শিকার করে বলছে যে- এই ধরনের হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ আসলে তারা বিষয়টির তদন্ত করবে। কিন্তু দেশের বর্তমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে যে
ব্যক্তি এই ধরনের হত্যার অভিযোগ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট করতে যাবে তিনিও যে বিচার-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হবেন না, তার নিশ্চয়তা কে দিবে

14/02/2014
বর্তমান সরকার অবৈধ। শিগগিরই এই অবৈধ সরকারকে হটিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। অবৈধ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেই ...
27/01/2014

বর্তমান সরকার অবৈধ। শিগগিরই এই অবৈধ সরকারকে হটিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। অবৈধ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেই এই সরকার বিরোধী দল নির্মূলের এজেন্ডা হাতে নিয়েছে। সারা দেশে বিরোধী নেতাকর্মীদের ওপর মামলা-হামলা চালাচ্ছে। এ অবস্থা থেকে বাঁচতে হলে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরাতে হবে।

ভোট বর্জনের বিপ্লব : বেশিরভাগ কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ১৫-২০টি করে, অসংখ্য কেন্দ্রে একটি ভোটও পড়েনি, ভোট দেননি অনেক আ.লীগ সমর্...
05/01/2014

ভোট বর্জনের বিপ্লব : বেশিরভাগ কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ১৫-২০টি করে, অসংখ্য কেন্দ্রে একটি ভোটও পড়েনি, ভোট দেননি অনেক আ.লীগ সমর্থকও

১৩১ঘন্টার অবরোধ কর্মসুচিকে সফল করতে চিলমারী উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন সহ ১৮ দলের মিছিল। ০৪/১২/১৩
04/12/2013

১৩১ঘন্টার অবরোধ কর্মসুচিকে সফল করতে চিলমারী উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন সহ ১৮ দলের মিছিল। ০৪/১২/১৩

Address

Jorgach
Chilmari
5631

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জোবায়দুল ইসলাম সুইট, যুবদল, চিলমারী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share