22/02/2026
"খেলা যে কোন লেভেলে
চলছে কেউ জানেনা"😁
১১ দলীয় জোটের মুখপাত্র বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ
অর্থাৎ নাহিদের হাতে সংসদের সত্যিকারের চাবুক দেওয়া হয়েছে,
এক সময় শিকারের উদ্দেশ্যে পোষা নেকড়েদের নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়ন্ত্রণকের হাতে whipper দেওয়া হতো,, এখান থেকেই হুইপ শব্দটি সংসদদের দলীয় শৃঙ্খলা ও এমপিদের নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ব্যবহার করার কনসেপ্ট আসে।
যাই হোক গনভোট এর ফলাফল বিরোধী দলীয় চিপ হুইপের হাতে গনতন্ত্রের সার্বভৌম ক্ষমতার চাবুক দিয়ে দিয়েছে,
দেখা যাক খেলা কোন লেভেলে যায়।
শ্রদ্ধেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মহোদয় সালাউদ্দিন সাহেব কি পারবেন শেষ পর্যন্ত আইনি কু যুক্তি দিয়ে এই সংবিধান সংষ্কার আদেশ এর বাস্তবায়ন ঠেকাতে?
এই আদেশ সংবিধানের ৫৫ অনুচ্ছেদের ৫ম ধারা অনুযায়ী সাংবিধানিক বৈধতার ভেতরে থেকেই একই সংবিধানের ৭ ধারাকে আরো শক্তিশালী করতে দেওয়া হয়েছে।
সালাউদ্দিন সাহেব বললেন আমরা ২১২ জন সংবিধান সংষ্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়ে আসিনি,
তাই শপথ নেবোনা।
ভালো করেছেন নেন নাই,
কিন্তু এখন কি করবেন চাচা?
এই সনদ আপনাদের ছাড়াও নাহিদ একাই পদাধিকারবলে বাস্তবায়ন করতে পারে একই সংসদে দাঁড়িয়ে এবং আপনি যে সংবিধানের যুক্তি দেখাচ্ছেন ওই একই ৭২ এর সংবিধানের ভেতরে থেকেই।
আপনি কিছুই করতে পারবেন না এখানে কারন আপনারা যে প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত ১১ দলীয় জোটও একই প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত।
সংবিধান সব এমপিকে একই আইনে বৈধতা দেয়।
গনভোটের রায় এই ৭৭ এমপি মেনেই শপথ নিয়েছে এবং দুইটা নিয়েছে।
এই জোটের হাতে মোট ভোটের ৩৮.৫০ শতাংশ ভোট বিদ্যমান যা গনভোটে কাস্ট হওয়া ৬৮% ভোটের অর্ধেকেরও (৩৪%) অনেক বেশি।
তাই গনভোটের রায়কে বাস্তবতান করার জন্য বৈধতা দিতে এই জোটের সরকারি দলের এমপিদের প্রয়োজন নেই।
সংসদের অধিবেশন ডাকার জন্য রাষ্ট্রপতির আহবান অনিবার্য কিন্তু এই গেজেটে আদেশ আকারে পরিষদের হাতে এই পরিষদের আহবান ও কার্য পরিচালনার সার্বভৌম ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে যা আবার ৬৮% ভোটারের ভোটে "হ্যা" জয় যুক্ত।এখানে সরকারি দল চাইলেও রাষ্ট্রপতিকে চাপ দিয়ে পরিষদের অধিবেশন ডাকা ঠেকাতে পারবেনা কারন পরিষদ আহবান করার সম্পূর্ণ স্বাধীন ক্ষমতা পরিষদের চিফ হুইপের হাতে, সংসদ অধিবেশন রাষ্ট্রপতির আহবান ছাড়া হয়না কিন্তু এই পরিষদ গন প্রতিনিধিত্ব আইনের বলে স্বাধীন। যা কোর্টে চ্যালেঞ্জ করা অসাংবিধানিক বলে গন্য হবে।
এখন তারা নিজেরাই পাবলিক ম্যান্ডেটে সংসদীয় ক্ষমতার অধিকারী এবং পাবলিক রেফারেন্ডাম এর সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগের অধীনে শপথ গ্রহণকারী।
তাই এই জোট নিজেরাই সংবিধান সংষ্কার করার জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যা গরিষ্ঠ এবং ৭২ সংবিধান অনুযায়ী সাংবিধানিক ভাবে শতভাগ বৈধ।
(এইটা Ordinance না যে নির্বাচিত সংসদ রেটিফাই করার পর দুই তৃতীয়াংশ ভোটে বৈধতা দেবে,
এটা সংবিধানের ৫৫ অনুচ্ছেদের ৫ ধারা ভুক্ত অর্ডার যা সাংবিধানিক ভাবে বৈধ এবং এই আদেশের বিপরীতে কোর্টে প্রশ্ন তোলা যাবেনা স্পষ্ট ভাবে সংবিধানেই লেখা)
সংগৃহীত
❤️
゚viralfbreelsfypシ゚viral ゚ #বইছবি #বইকথা