17/08/2024
বাংলাদেশের হিন্দুরা শোনো, ভারত সরকার আর তোমাদের নেবে না । কিন্তু তোমাদের জানা উচিৎ তোমাদের এই অবস্থার জন্য কে দায়ী । নিচের লেখাটি পড়লেই বুঝতে পারবে আসল শয়তান কে ।
বাংলাদেশের হিন্দুরা শোনো । বাংলাদেশ ছেড়ে যে সব হিন্দু আগে ভারতে এসে রিফিউজি খেতাব লাভ করেছো তারাও শোনো । রাজাকার এবং জামাতে ইসলামীর ছাত্ররা মিলে রবীন্দ্রনাথের যে মূর্তি ভেঙেছে তা ঠিক ভালো কাজ করেছে । কারণ রবীন্দ্রনাথের মত গাধা প্রকৃতির লোক ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদকে ধ্বংস করে জাতীয়তাবাদের জন্ম দিয়ে তোমাকে আমাকে চিরতরে রিফিউজি নিঃস্ব সর্বহারা বানিয়েছে । সেই জাতীয়তাবাদ তার মূর্তি ভেঙেছে খুব ভালো কাজ করেছে । যে ইংরেজরা আমাদের অন্ধকার যুগ থেকে বের করে আগে চলা শিখিয়েছিল সেই ইংরেজদের তাড়ানোর জন্য এই খানকি মাগীর বাচ্চার দল উঠেপড়ে লেগেছিল । যারা আজ বাংলাদেশে ফেঁসে আছো তারা না পারবে ভারতে থাকতে না পারবে বাংলাদেশে থাকতে । তোমরা বাংলাদেশের হিন্দুরা আজ বলির পাঠায় পরিণত হয়েছো আর এসবের জন্য দায়ী ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের দল কারণ তারা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদকে ধ্বংস করে এমন অবস্থার সৃষ্টি করেছে যে ভারতে এলে তুমি সিল মারা বাংলাদেশী রিফিউজি আর বাংলাদেশে থাকলে তুমি রাজাকারদের চক্ষের শুল । তাই রাজাকার এবং জামাতে ইসলামীরা মিলে যা যা ভাঙছে ঠিক কাজ করছে কারণ 1947 সালে হিন্দুদের সর্বহারা রিফিউজি অবস্থার জন্য তখনকার স্বাধীনতা সংগ্রামীরা দায়ী আর তারপর আবার 1971 সালের ধোনের বাল আওয়ামী লীগ এবং মুজিবর রহমান দায়ী । এইজন্য বাংলাদেশের হিন্দুদের দুঃখ কষ্টের জন্য এই দুই সময়ের শয়তান স্বাধীনতা সংগ্রামীদের দল দায়ী । এরা খানকি মাগীর বাচ্চা । এদেরকে আজকের জামাতে ইসলামী এবং রাজাকাররা শেষ করে দেবে দিক । এটা একপক্ষে ভালো কারণ আজকে বাংলাদেশের হিন্দুদের অবস্থার জন্য এই দুই সময়ের স্বাধীনতা সংগ্রামীরা দায়ী । 1947 সালের এবং 1971 সালের যতো স্বাধীনতা সংগ্রামী আছে তারা নিজেরা দেশের প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি হওয়ার লোভে দেবতা রূপী ইংরেজদের তাড়িয়ে বাংলাদেশের হিন্দুদের অবস্থা বলির পাঠার মতো অবস্থা করে দিয়েছে । বাংলাদেশে থাকলে সময় সময় মুসলমানদের শিকার হবে আর ভারতে এলে নামের পাশে রিফিউজি লেগে থাকবে । তুমি ভারতে যতদিনই থাকো না কেনো এখানকার স্থানীয় অধিবাসীরা তোমাকে চিহ্নিত করে রাখবে যে তুমি বাংলাদেশী । যতই দিন যাক না কেনো ওরা তোমাকে বাংলাদেশী বলেই সম্বোধন করতে থাকবে । তোমার ছেলে মেয়ে পশ্চিমবঙ্গে এসে পড়াশুনো করে চাকরি পেলে যখন পুলিশ ভেরিফিকেশন হবে তখন পুলিশ তোমাকে যে যে ডকুমেন্ট দেখাতে বলবে তা না দেখাতে পারলেই পুলিশ আরামসে বুঝে যাবে যে তুমি বাংলাদেশী । তারপর চাকুরী করার সময় এখানকার লোকেরা খুব ভালো করে তোমার পরিচয় জেনে যাবে । তুমি ভাবছো পড়াশুনো করে ভারতের আর্মি নেভি এয়ার ফোর্সে জয়েন করবে কিন্তু ওখানে যে সব বাঙালিরা আগে থেকে চাকরি করছে তারা অফিসারদের বলে দেবে যে এ বাংলাদেশী । তাহলে আজ তোমার অবস্থা যে বলির পাঠার মতো হয়েছে তার জন্য কারা দায়ী তা বুঝতেই পারছো । কিন্তু ভয় পাওয়ার কারণ নেই কারণ ইসরাইলের মোট জনসংখ্যা মাত্র 93 লাখের মতো । এতো কম জনসংখ্যা নিয়ে তারা চারদিকের মুসলিম লোকগুলোকে সোজা করে রেখেছে । আর বাংলাদেশে হিন্দু বাঙালিদের সংখ্যা প্রায় 1 কোটি 30 লক্ষ । তাহলে তোমরা ধীরে ধীরে বাংলাদেশের মধ্যে হিন্দুস্থান দাবি করতে পারো । 1947 সালের পর যখন হিন্দু মুসলমানের ভিত্তিতে দেশ গঠন করা সম্ভব হয়েছিল তখন তোমরাও আন্দোলনকে জোর করলে বাংলাদেশের কয়েকটি জেলা নিয়ে হিন্দু দেশ গঠন করতে পারবে । আন্দোলন চালিয়ে যাও ।
জামাতে ইসলামী এবং রাজাকাররা যদি স্বাধীনতা সংগ্রামীদের শেষ করে দেয়, তাদের মূর্তি ভাঙ্গে তাহলে দুঃখ না করে বাংলাদেশের হিন্দুদের আনন্দিত হওয়া উচিৎ কারণ আজকে তোমাদের বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হয়ে ফেঁসে থাকার জন্য এই চুতমারানি চোদনার বাচ্চারা দায়ী । 1947 সালের এবং 1971 সালের সব চুত মারানি স্বাধীনতা সংগ্রামিরা দায়ী ।
1947 সালের আগে সবার জীবন যাপন, বেচা কেনা যেমন চলছিল ভারতের সব লোকেরা কিন্তু ঠিক সেভাবেই চলছে । শুধু তোমরাই বলির পাঠায় পরিণত হয়েছো । বাংলাদেশে থাকলে মুসলমানরা বলি দেবে আর ভারতে আসলে এখানকার লোকেরা বলি দেবে । বলি হওয়ার আগে তোমাদের বদলা নিতে হবে । জানি তোমাদের কাছে নিউক্লিয়ার বম্ব নেই কিন্তু তোমরা বিহার, উত্তর প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থানে শক্তিশালী ভাইরাস ছড়িয়ে দিতে পারো । ওদের পানিও জলে ভাইরাস মিশিয়ে দাও । ওদের মধ্যে গোষ্ঠী সংক্রমণ করে দাও ।
আপনি কি জানেন ভারতে রিফিউজি সমস্যা কে তৈরি করেছে ? রাজনৈতিকভাবে দেখলে সৈতান জিন্না সৃষ্টি করেছে কিন্তু ধর্মীয়ভাবে বিচার বিশ্লেষণ করলে বলতে হবে শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু কৌশল করে রিফিউজি সমস্যা সৃষ্টি করেছিলেন । শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু বৈষ্ণব ধর্ম বিকাশ করতে চেয়েছিলেন, যে ধর্মে লোকেরা সংসারের সব কিছু ত্যাগ করে, জমি জমা, ঘর বাড়ি, আত্তীয় স্বজন, বন্ধু বান্ধব, বাবা মা ত্যাগ করে সন্যাসী জিবন অতিবাহিত করবে, এমন একটি ধর্ম ।এইরূপ পরিস্থিতি সর্বহারা রিফিউজিদের দৈনন্দিন জীবনের সাথে পুরো মিলে যায় । একবার ভগবান বিষ্ণু চৈতন্য মহাপ্রভু হিসেবে অবতার নেওয়ার কথা ভাবে এবং আজ থেকে প্রায় সাড়ে পাঁচশ বছর আগে পশ্চিমবঙ্গের নবদ্বীপ বা মায়াপুর নামক স্থানে নিমাই পণ্ডিত হিসেবে অবতার গ্রহণ করে । পরে তিনি বৈষ্ণব ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে পূর্ববঙ্গে গমন করেন । পূর্ব বঙ্গ মানে বর্তমান বাংলাদেশ । পূর্ব বঙ্গ ভ্রমণের সময় তার বৈষ্ণব বেশ দেখে ওখানকার লোক হাসাহাসি করা শুরু করে । ঠাট্টা করে । উনি দেখলেন পূর্ববঙ্গের লোকেদের অবস্থা খুব স্বচ্ছল । গোলা ভরা ধান, পাট, সর্সে, মুসুরি, কলাই, গাছে প্রচুর ফল, কলা, কাঠাল, আম, জাম, তেতুল, নারিকেল, কুল, পেয়ারা, লেবু, পেঁপে, ক্ষেতে আখ, বাদাম আর পুকুর ভরা মাছ । সবাই সুখে আনন্দে উদ্বেলিত উল্লসিত আত্বহারা হয়ে অনেকটা কমিউন সিস্টেমে বা গোষ্ঠী সাম্যবাদী ধাঁচে জিবন নির্বাহ করছেন।এমন সময় শ্রী চৈতন্যের সন্যাসী বেশ দেখে সবাই হাসাহাসি করা শুরু করে দেয় আর তখুনি ভগবান ক্রোধান্বিত হয়ে সবাইকে অভিশাপ দেয় যে তাদের সুখের বাসা যেনো অচিরেই ভেঙে যায় । কারণ বৈষ্ণব ধর্মের বিকাশের জন্য প্রচুর সংসার ত্যাগী লোকের দরকার ছিলো আর লোক কেনো তার সব কিছু পরিত্যাগ করে সন্যাস ধর্ম গ্রহণ করে না খেয়ে ঘুরে বেড়াবে ? তাহলে এমন অবস্থার সৃষ্টি করতে হবে যাতে লোকে বৈষ্ণব ধর্ম গ্রহণ করতে বাধ্য হয় আর সেটা হলো কোটি কোটি সর্বহারা রিফিউজি তৈরি করা । কোটি কোটি লোক রিফিউজি হলে কমপক্ষে তার মধ্যে থেকে কয়েকশো লোক দৈনন্দিন জীবনের অভাব অনটনের হাত থেকে রক্ষা পাবার জন্য বাড়ি থেকে পালিয়ে বৈষ্ণব সংঘে বা ইস্কনে গিয়ে যোগদান করবে এবং বৈষ্ণব ধর্ম বিকাশ লাভ করবে । কিন্তু মানুষের মনের দুঃখ, অভিশাপ ভগবানেরও লাগে যেমনটি কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের পর গান্ধারী ভগবান শ্রী কৃষ্ণ কে অভিশাপ দিয়েছিলেন । ঠিক তাই হচ্ছে । জামাতে ইসলামী এবং রাজাকাররা মিলে ইসকন মন্দিরে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে । ভালো হইছে । শ্রী চৈতন্যের অবতারকে হিন্দিভাষী ক্ষেত্রের লোকেরা মানে না, ওনাকে অবতার না মেনে একজন সাধু বলে মনে করে । উনি যে ভগবান বিষ্ণুর পূর্ণ অবতার একথা হিন্দিভাষী ক্ষেত্রের লোকেরা মানতে চায় না । তারা ওনাকে কবীর, নানক, মিরাবাইয়ের সমকক্ষ বলে মনে করে এবং বইয়ের আলোচ্য ভক্তি আন্দোলন অংশে তাই বলা হয়েছে । হিন্দিভাষী ক্ষেত্রের ইতিহাস বইতে ওনাকে নানক, কবীর, মিরাবাইয়ের সমকক্ষ বলে সাধারণত বর্ণনা করা হয়ে থাকে । আমরা যখনই হিন্দিভাষী ক্ষেত্রের লোকেদের, দক্ষিণ ভারতীয় এবং আসামের লোকেদের এই বোঝাতে চেষ্টা করি যে ভগবান শ্রী কৃষ্ণ শ্রী শ্রী রাধারাণীর ঋণ পরিশোধ করার জন্য কলিযুগে শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু হয়ে অবতার গ্রহণ করেছিলেন, এই কথা বোঝাই তখনি তারা আমাদের উল্টো বুঝিয়ে দেয়, তারা হাসাহাসি করে । তারা তাদের এলাকার কোনো সাধুর সাথে তুলনা করে । যেমন, মহারাষ্ট্রের কোনো লোককে যদি বলা হয় যে জানো, স্বয়ং ভগবান বিষ্ণু স্বয়ং শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু হয়ে অবতার গ্রহণ করেছিলেন তাহলে তারা পরস্পরের দিকে তাকিয়ে মিটমিট করে হাসে, তারা কিছুতেই একথা মানতে চায় না । তারা বাংলাকে এতই অবজ্ঞা করে যে তারা কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারে না যে ভগবান বাংলাতে অবতার গ্রহণ করতে পারে । হিন্দিভাষী ক্ষেত্রের লোকেরা কিছুতেই বাংলার আধিপত্যকে মেনে নিতে চায় না, দক্ষিণ ভারতের লোকেরাও চায় না আর তাই তারা ভাবে যদি শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুকে পূর্ণ অবতার মেনে নেওয়া হয় তাহলে বাঙালিদের ভাও বা ভ্যালু অনেক বেড়ে যাবে তাই তারা নিজেদের ক্ষেত্রের প্রাধান্য বজায় রাখার জন্য তাদের ক্ষেত্রের অবতারীকেই প্রাধান্য দিয়ে থাকে, যেমন সাইবাবা । স্বাধীনতার পর ভারত বিভাগের ফলে যে বিপুল সংখ্যক মানুষ রিফিউজি হয়েছে তাদের জিবন ধারনের মান এত নিম্ন যে তার থেকে ইসকনের সন্যাসীদের জিবন ধারনের মান অনেক বেশি । তুলনামূলকভাবে, রিফিউজিদের জীবন ধারণ একজন সন্যাসীর থেকেও বেশি ত্যাগী । তা সে মনের দিক থেকে ত্যাগী না হলেও পরিস্থিতির বশবর্তী হয়ে সর্বত্যাগী হতে বাধ্য হইয়াছে । 1947 সালের পর এবং 1971 সালে যারা সর্বহারা রিফিউজি হয়েছে, নিজের আত্মীয়, বন্ধুবান্ধব গুষ্টির লোকেদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে অন্য জাতির লোকেদের তাবেদারী সহ্য করে বেচে আছে তার জন্য পশু বিনয় বাদল দীনেশ, গান্ধী সুভাষ, লাল বাল পাল এবং পরবর্তীতে দেশবন্ধু মুজিবর রহমান দায়ী । একজন রিফিউজি যে ত্যাগের মাধ্যমে বেঁচে থাকে তাতে সেই হলো মহান বৈষ্ণব । একজন রিফিউজি জানে না কাল সে কি খাবে, কি কামাবে, কি অর্জন করবে কিছুরই নিশ্চয়তা নেই । ঠিক বৈষ্ণবদের যেমন শেখানো হয় সে যেনো কাল কি খাবে তার চিন্তা না করে । বৈষ্ণবরা সংসার ছেড়ে পুনরায় একজায়গায় জড়ো হয়ে অনেকটা সাংসারিক জীবের মতই বসবাস করে । তাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রায় সব জিনিসেরই দরকার হয় ।
পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু রিফিউজিদের বলছি :
বাংলাদেশের হিন্দুদের বলছি, শোনো, তোমাদের বাংলাদেশী প্রমাণ করে আদালতের আইন অনুসারে এদেশ থেকে চলে যেতে বললেই যেনো তোমরা মাথা নিচু করে আবার যেনো ওদেশে চলে যেও না । ভারতের মুসলমানদের মতো সাহস অর্জন করতে হবে । উদাহরণস্বরূপ, উত্তরাখণ্ডের মসজিদ এবং মাদ্রাসা অবৈধ ভাবে সরকারি জায়গায় নির্মাণ করা হয়েছে এই অজুহাত দেখিয়ে প্রশাসন ওই মসজিদ এবং মাদ্রাসা বুল ডোজার দিয়ে ভাঙতে এলে ওখানকার মুসলমানরা যেমন প্রতিরোধের ব্যবস্থা করেছিল ঠিক সেরকম পদক্ষেপ তোমাদেরও নিতে হবে । সরকার এবং আদালত রায় দিলেই যে সব সময় সেই রায় চোরের মত মাথা নিচু করে মেনে নিতে হবে তার কোনো মানে নেই । গুজরাট এবং উত্তরপ্রদেশের লোক যদি আজ আপনাকে বাংলাদেশী রিফিউজি বলে পুনরায় বাংলাদেশে চলে যেতে বলে তাহলে আপনি উল্টো স্লোগান দিন, গুজরাট এবং উত্তর প্রদেশের লোক ভারতের নয়, গুজরাট এবং উত্তর প্রদেশের লোক ভারত ছেড়ে আফগানিস্তানে চলে যাও, চলে যাও । শুধু এই জিগির তুললেই হবে না । ভারতের মুসলমানদের মতো পাথর বাজ হতে হবে । ভারতের মুসলমানরা যেমন পাথর ছুড়ে ছুড়ে পুলিশ এবং আর্মির উপর আক্রমণ করে দেয় এবং তাদের ঘায়েল করে দেয়, মাথা ফাটিয়ে দেয় ঠিক তোমাদেরও সেরকম করতে হবে । দেখো, বন্দুক পিস্তল বম্ব দিয়ে সবসময় সংগ্রাম করা সম্ভব নয় । এগুলো জোগাড় করাও এতো সহজ নয় । এই জন্য হাতের কাছে যা পাওয়া যায় তাই দিয়ে সরকারি আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে হবে । কেন্দ্রীয় সরকারের লোকেরা বিভিন্ন জায়গায় ক্যাম্প খুলবে এন আর সি করার জন্য । তখন ইট এবং পাথর দিয়ে ওদের উপর হামলা করতে হবে । এমনভাবে ইট এবং পাথর ওদের বিরুদ্ধে ছুড়তে হবে যাতে মাথা ফাটে, কপাল ফাটে, কোমর ভাঙ্গে, বুকে লাগে, হাত ভাঙ্গে, পা ভাঙ্গে এবং ওরা ক্যাম্প ছেড়ে পালায় । বাবুরা যখন কোনো ক্যাম্পে বসবে আপনার দলিল এবং কাগজপত্র চেক করার জন্য তখন বম্ব ব্লাস্ট করে ওদের উড়িয়ে দিতে হবে । আক্রমণ করার ব্যাপারে তোমাদের মুসলমানদের মত সাহসী হতে হবে । সরকার যখন আইনবলে এই প্রমাণ করার চেষ্টা করবে যে আপনি ভারতীয় নন, আপনি বাংলাদেশী রিফিউজি তখন আপনার মনে দুর্বলতা আনলে হবে না । আপনাকে ওদের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে হবে । আর এই স্লোগান হবে, গুজরাট এবং উত্তর প্রদেশের লোক ভারত ছাড়ো, ভারত ছাড়ো । আফগানিস্তানে যাও, আফগানিস্তানে যাও । চারিদিকে জিগির তুলতে হবে, গুজরাট এবং উত্তর প্রদেশের লোক ঘুস পেটি, ওরা ঘুস পেট করে ভারতে ঢুকেছিল । এই স্লোগান তুলতে হবে । জিগির তুলতে হবে যারা দেবতা ইংরেজদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিল তারা ভারতের নাগরিক নয় । যারা দেবতা ইংরেজদের এদেশ থেকে তাড়িয়েছে তারা ভারতের নাগরিক নয় । চারিদিকে এই জিগির তুলতে হবে । রেল লাইনের পাশে যে পাথর আছে সেই পাথর ছুড়ে ছুড়ে পুলিশ এবং আর্মির লোকেদের উপর হামলা করতে হবে । বাড়ির ছাদের উপর অনেক পাথর জমা করে রাখতে হবে যাতে সময়মতো ওই পাথর দিয়ে উপর থেকে হামলা করা যায় । এখন এমন অবস্থা হয়েছে যে আমরা যতই গুজরাট এবং উত্তর প্রদেশের লোকদের ভারত ছাড়তে বলবো ওরা কিছুতেই ভারত ছেড়ে আফগানিস্তানে যাবে না । ওরা অত্যন্ত নাছোড় বান্দা প্রকৃতির রিফিউজি লোক । বিহার, উত্তর প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ, ছত্তিশগড়, পাঞ্জাব, রাজস্থানের লোকদের যতই ভারত ছেড়ে আফগানিস্তানে চলে যেতে বলা হয় না কেনো ওরা কিছুতেই ভারত ছাড়ছে না, উল্টো ওরা তেড়ে মারতে আসে । ওদের যতই বলি, এখনও সময় আছে তোরা ভারত ছেড়ে আফগানিস্তানে গিয়ে আশ্রয় নে, কিন্তু ওরা তো কথা শোনে না । ভারত না ছাড়লে ওদের পচিয়ে মেরে ফেলবো । ওরা সর্বশক্তি দিয়ে ভারতে আকড়ে থাকলে ওদের সাথে গায়ের বলে পারা যাবে না কিন্তু ওদের রক্ত যদি ধ্বংস করে দেওয়া যায় তাহলে ওরা পচে পচে মরবে । ওদের গায়ের রক্ত খুব গরম তাই ওদের রক্ত ধ্বংস করে ফেলতে হবে । ওদের রক্তে যদি পচন ধরিয়ে দেওয়া যায় তাহলে ওরা গোষ্ঠীগত ভাবে পচে পচে মরবে । বিহার থেকে রাজস্থান এবং গুজরাত থেকে উত্তরাখণ্ড পর্যন্ত ওরা প্রচুর জমি দখল করে নিয়েছে । এখন ওই জমি ওরা কিছুতেই ছাড়বে না । ওদের জমি কেড়ে নেওয়ার জন্য আমাদের এগোতে হবে । ওদের পক্ষে পুলিশ, মিলিটারি, আদালত পার্টির লোক সবাই । গায়ের বলে ওদের ধ্বংস করে ওদের জমি দখল করা সম্ভব নয় । একাজ তখুনি সম্ভব হবে যখন ওদের রক্ত ধ্বংস করে দিতে পারবে । ওদের কোনো লজ্জা নেই । ওদের যতই ভারত ছেড়ে আফগানিস্তানে চলে যাওয়ার কথা বলা হোক না কেন ওরা কিছুতেই ভারত ছেড়ে যেতে রাজি নয় । ওরা বিনা পয়সায় প্রচুর কৃষি জমি দখল করে নিয়েছে । ওরা গোপনে মিথ্যা দলিল বানিয়ে নিয়েছে যা কিনা এখন আসল মনে হচ্ছে । ওদের কাছে যে পুরনো দিনের দলিল আছে সেটা আসলে নকল । ওরা বিনা পয়সায় জমি দখল করে দলিল বানিয়ে নিয়েছিল । এইজন্য ওদের কাছে মাথা নত করলে চলবে না । মুসলমানরা যেমন পাথর ছুড়ে ছুড়ে পুলিশ এবং মিলিটারির মাথা ফাটিয়ে দেয় ঠিক সেইরকম তোমাদেরও করতে হবে । তুমি ভারতের নাগরিক কিনা তার প্রমাণ নেওয়ার জন্য যারা বিভিন্ন কেন্দ্রে জমা হবে ওদের উপর পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিতে হবে । পুলিশ স্টেশন ঘেরাও করে আগুন ধরিয়ে দিতে হবে । ওদের এতো সাহস যে ওরা তোমার কাগজ পরীক্ষা করবে । ওদের কাছে যে দলিল আছে সেই দলিল ছিড়ে ফেলতে হবে । ওরে চোত মারানি চোদনার বাচ্চা । ওদের চোত মারানি চোদনার বাচ্চা বলে মনে করলেই তুমি ওদের মারতে পারবে, তোমার হাত কাঁপবে না ।
রিফিউজি সমাচার ।আজ তুমি রিফিউজি, সর্বহারা, অন্যের কৃপার পাত্র, সেই দিন থেকে তুমি নিজের জাতির লোক হারিয়ে, নিজের গুষ্ঠির লোক হারিয়ে অন্য জাতির লোকেদের মধ্যে পদদলিত হয়ে একটা ঘৃণ্য জীব হয়ে বেঁচে আছো, জানো তোমার এই অবস্থার জন্য দায়ী কারা ? তোমার এই অবস্থার জন্য দায়ী তারা যারা দেবতা ইংরেজদের তাড়িয়ে যাদের অনেক জমির দলিল আছে তাদের দেশের শাসক বানিয়েছে । এরা হলো পশুর বাচ্চা বিনয়, বাদল, দিনেশ, লালা লজপত রায়, বাল গঙ্গাধর তিলক, বিপিন চন্দ্র পাল, সুভাষ চন্দ্র বসু, মাস্টার দা সূর্য সেন, বদমাশ অরবিন্দ ঘোষ, শয়তান মহাত্মা গান্ধী, চোর জ্বাহারলাল নেহেরু, ক্ষুদিরাম, মঙ্গল পান্ডে । যখন ইংরেজরা ভারতকে একটি আধুনিক দেশ বানিয়ে উন্নতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল তখন এই উন্মত্ত, উদ্বেলিত, হট টেম্পার্ড লোকরা সবাইকে এই বোঝাতে শুরু করে যে ইংরেজরা এক স্থান হইতে অন্ন স্থানে দ্রুত সৈন্য প্রেরণের উদ্দেশ্যে রেল লাইন বানাচ্ছে । এই রকম মিথ্যা কথা বলে লোককে বুঝিয়ে তাদেরকে দেশ ছাড়া করে তোমাকে সর্বহারা রিফিউজি গরীব, চির গরীব বানিয়ে এখন তারা, তাদের বংশধরেরা সমাজে প্রচুর কৃষি জমির মালিক হয়ে সমস্ত রকমের সুযোগ সুবিধা সুবিধা ভোগ করছে । সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে করতে গুজরাটি জাতির লোকেদের তেল যখন খুব বেড়ে গেছে তখন সেই বদমাইশ গান্ধী জাতির গুজারাতিদের মনের মধ্যে এই ধারণার সৃষ্টি হয়েছে যে যাদের কাছে 1972 সালের আগের জমির দলিল নেই তারা ভারতের নাগরিক নয় । আমি তোমাদের বলছি তোমরা মনে এই কথা গেঁথে নাও যে, যাদের 1972 সালের আগের জমির দলিল আছে তাদের সবাইকে শেষ করে দেবো । তাদের ভারতে থাকার প্রশ্ন আসে না, তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার প্রশ্ন তৈরি করতে হবে । উত্তর ভারতের লোকেদের, গুজরাটি জাতির লোকেদের তেল খুব বেড়ে গেছে । এই পশুদের শেষ করে দিতে হবে কারণ যাদের 1972 সালের আগের জমির দলিল আছে তারা যুগ যুগ ধরে অনেক সুযোগ সুবিধা ভোগ করেছে, অনেক শ্রেণী শোষণ করেছে, যুগ যুগ ধরে লোকেদের, গরীব লোকেদের পদদলিত করে রেখেছে তাই সরকারের টার্গেট যাদের 1972 সালের আগের জমির নেই । আর আমাদের টার্গেট হবে যাদের 1972 সালের আগের জমির দলিল আছে । যাদের 1972 সালের আগের জমির দলিল আছে তারা শোষক, অত্যাচারী তাই তাদেরকে শেষ করে দেওয়া তোমার আমার ধর্ম । তারা সংখ্যায় প্রচুর কিন্তু আমার কৌশল মেনে চললে তাদেরকে জাতির পর জাতি, গুষ্ঠীর পর গুষ্ঠি শেষ করে দেওয়া সম্ভব এবং এ কাজের জন্য কোনো দল গঠনের প্রয়োজন নেই । তুমি আমি একাই যথেষ্ঠ, শুধু কৌশল টা শিখতে হবে । শহরে পানিও জলের যে ওভারহেড ট্যাংক আছে তুমি যদি সেই ট্যাংকে একটু ভাইরাস মিশিয়ে দিতে পারো তাহলে ধীরে ধীরে সেই ভাইরাস এমনভাবে ছাড়াবে যে দেখতে দেখতে গুষ্টির পর গুষ্ঠি শেষ হয়ে যাবে ।এন আর সি শুধু যে বি জে পি সরকার করতে চায় তা সত্য নয় । যে রাজনৈতিক দল ই ক্ষমতায় আসুক না কেন তারা যখন বেশ সুবিধাজনক জায়গায় পৌঁছে যাবে তখুনি তারা বাংলাদেশ থেকে আগত রিফিউজিদের পিছনে লাগবে । এর কোনো অন্ত নেই । রিফিউজিস দের ব্যাপারে মাঝে মাঝেই মাথা চারা দিয়ে উঠবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল । যুগ যুগ ধরে এই বাংলাদেশি শরণার্থীদের সমস্যা চলতে থাকবে আর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এই বিতর্কের, এই ইস্যুর ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করতে থাকবে । বর্তমানে গুজরাটের লোক বাংলাদেশী শরণার্থীদের ব্যাপারে বেশ সজাগ হয়েছে । এখন গুজরাটি লোকের সামনে উন্নয়নের একটি রাস্তা খোলা রয়েছে, আর সেটা হলো পশ্চিমবঙ্গ থেকে 1972 সালের পর আসা রিফিউজিদের আইনবলে তাড়ানো, আর সেটা করতে পারলেই ভারতের সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে, গুজরাতিরা এখন (2021 সাল) এরকমই মনে করছে ।