14/05/2023
বগুড়ার শিল্পোন্নয়নে আলো ছড়াচ্ছেন মৃত আবুল হোসেন সরকারের চার পুত্র।
১ম ছেলের নাম আব্দুল মজিদ সরকার (বাবলু) বয়স ৭১ বছর, ২য় আব্দুল রাজ্জাক সরকার (জুয়েল) বয়স ৬৮, ৩য় আব্দুল মতিন সরকার (ভুট্টো) বয়স ৫৯ বছর এবং ৪র্থ আবুল কালাম (আজাদ) বয়স ৪৮ বছর।
১৯৪৯ সালে আবুল হোসেন ট্রেডিং ব্যবসা শুরু করেন। পরবর্তীতে ধানের কল দেন গ্রামে। সেই সুবাদে ১৯৭৪ সালে বাবার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে বগুড়ায় বসিরন মার্কেটে একটি দোকান ক্রয়ের মাধ্যমে যাত্রা শুরু। ১৯৭৮ সালে সাবান কারখানা,
১৯৮০ সালে সরিষার মিল,
১৯৮৩ সালে সেমাই কারখানা,
১৯৮৪ সালে সুতলি মিল,
১৯৮৬ সালে R-3 ময়দা মিল,
১৯৮৯ সালে তারকাটা কারখানা, ১৯৯০ সালে নারিকেল তেল মিল স্থাপন করেন।
ক্ষুদ্র পরিসরের যাত্রা শেষ। তারপর শুরু বৃহৎ শিল্পায়নের। ১৯৯৮ সালে জুট মিল দিয়ে সফলতা। ২০০৫ সালে পেপার মিল স্থাপন, পরবর্তীতে ৬টি ইউনিটের মাধ্যমে ৬০০ মেঃটন প্রতিদিন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ইউনিট স্থাপন।
২০০৯ সালে পাটিকেল বোর্ড মিলের যাত্রা শুরু। ২০১২ সালে ABC সিরামিক নামে টাইলস মিলের যাত্রা শুরু, যা প্রতিদিন ৪ লক্ষ ৫০ হাজার স্কয়ার ফিট উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন। ২০১৫ সালে সেনেটারী ওয়্যার উৎপাদন শুরু।
২০১৬ সালে ABC গ্লাস ফ্যাক্টরি যা ৭০ টন ক্ষমতা সম্পন্ন সিট গ্লাস। ২০২৩ সালে ৪৫০ টন ক্ষমতা সম্পন্ন ফ্লট গ্লাস ফ্যাক্টরি যা বাংলাদেশের মধ্যে সর্বোচ্চ।
এছাড়াও রয়েছে প্যাকেজিং কারখানা, ফিল্টার ফ্যাক্টরি, ময়দার মিল, সরিষার তেল মিল, এগ্রো ফার্ম, ট্রান্সপোর্ট ব্যবসা, ট্রেডিং ব্যবসা ইত্যাদি। এছাড়াও আরো বৃহৎ পরিসরে শিল্প কারখানা করার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে তারা। সামাজিক দায়বদ্ধতার আলোকে বহু কাজ করে যাচ্ছেন যা অনেকেরই অজানা। তাদের এই প্রতিষ্ঠান গুলোতে মোট কর্মকর্তা কর্মচারীর সংখ্যা ৭৬০০ জন। এছাড়াও দিনমজুর হিসাবে কাজ করে আরো অনেক মানুষ। নিরহংকার ও সদালাপী এ মানুষ গুলোর সাথে আমাদের পথচলা বহুদিনের। শিল্পাঞ্চল হিসাবে খ্যাত বগুড়া যখন তার ঐতিহ্য হারাতে বসেছিল ঠিক তখনই আজাদ গ্রুপ সেই হারানো ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে এনে গর্বের জায়গায় বগুড়াকে অধিষ্ঠিত করেছেন। আমরা চাই সৃষ্টিকর্তা তাদের অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে দেন যেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভিশন বাস্তবায়নে ভূমিকা পালন করে আরো অনেক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারে। এটিই আমরা প্রত্যাশা করছি।