07/01/2026
ধর্মীয় মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ জীবনসঙ্গী বাছাইয়ের উপায়।
বিবাহ জীবনের মোড় পরিবর্তনকারী সিদ্ধান্ত।
জীবনসঙ্গী নির্বাচন এমন একটি সিদ্ধান্ত যা একজন মানুষের পুরো জীবনকে প্রবাহিত করে। ইসলামী শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধের আলোকে বিবাহ করিলে তা মানসিক শান্তি। পারিবারিক সুখ ও জীবনের পূর্ণতা বয়ে আনে। একজন সৎ ও উত্তম জীবনসঙ্গী মহান আল্লাহর অন্যতম বড় নিয়ামত। এমন সঙ্গী পরিবারের সৌভাগ্য, উন্নতি, অন্তরের প্রশান্তি সুশিক্ষিত সন্তান এবং বিশুদ্ধ বংশধারা গঠনের কারণ হয়। তাই বিয়ের সময় বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হবে আল্লাহর নিকট প্রর্থনা করতে হবে যেন তিনি আমাদের জন্য একজন নেক জীবনসঙ্গী নির্ধারণ করেন।
ইমাম জাফর সাদিক (আ.) বলেন.
" তোমাদের কেউ যখন রিয়ের ইচ্ছে করে, তখন যেন দুই রাকাত নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে, যেন তিনি এমন এক জীবনসঙ্গী দান করেন।
যে হবে ধর্মপরায়ণ, বিশ্বস্ত, মার্জিত, লজ্জাশীল ও গোপনীয়তার রক্ষক।"
তিনি আরোও উপদেশ দেন, বিয়ের সময় আবেগ, আকার্ষণ বা কল্পনার বশবর্তী না হয়ে। পিতা মাতা ও অভিজ্ঞ পরামর্শকের সঙ্গে আলোচনা করা উঠিত।
ভালো জীবনসঙ্গীর সাধারণ গুণাবলী ( পুরুষ ও নারী উভয়ের জন্য )
(১) ঈমান ও ধর্মপরায়ণতা
ইমাম বাকের (আ.) বলেন. " রাসূলুল্লাহ (সা.) - এর কাছে এক ব্যক্তি এসে বিয়ের বিষয়ে পরামর্শ চাইলেন। নবীজি বললেন, এমন ব্যক্তিকে বিয়ে করো যে আল্লাহভীরু ও ধর্মপরায়ণ।
(২) সদাচারণ ও উওম চরিত্র.
ইমাম রেজা (আ.) কে এক ব্যক্তি লিখলেন.
" আমার আত্মীয়দের একজন খারাপ স্বভাবের লোক আমার মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছে কী করা উচিত? "
ইমাম উত্তরে বললেন. " যদি সে খারাপ স্বাভাবের হয়।
তাহলে তোমার মেয়েকে বিয়ে দিও না।.
(৩) সৎ ও সম্মানিত পরিবার.
পারিবারিক সম্মান কেবল ধনসম্পদ বা সামাজিক মর্যাদায় নয়! বরং ধার্মিকতা, শালীনতা ও চরিত্রেই নিহিত। নবী করিম (সাঃ) বলেছেন!
" উত্তম পরিবারে বিয়ে করো কারণ বংশ ও বীজ ( রক্তের প্রভাব) প্রজন্মে প্রভাব ফেলে!"
(৪) বুদ্ধি ও প্রজ্ঞা!!
ইমাম আলী (আ.) বলেন. " মূর্খ ও অজ্ঞ ব্যাক্তির সঙ্গে বিয়ে করো না! তার সঙ্গে বসবাস বড় বিপদ এবং তার সন্তানরাও অপচয় হবে।
(৫) সমমান ও সামঞ্জস্য (কাফু)
ধর্ম, নীতি,শিক্ষা,আর্থিক অবস্থা, মানসিকতা,বয়স,শারীরিক ও মানসিক,সাদৃশ্যের দিক থেকে যতটা সম্ভব সামঞ্জস্য থাকা দরকার।
(৬) জ্ঞান ও শিক্ষিত মন।
জ্ঞানী ব্যাক্তির সঙ্গে বোঝাপড়া সহজ হয়. জীবনের আনন্দ ও গভীর হয়।
(৭) শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা অসাধ্য শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতা বিয়ে-পরবর্তী জীবনে বড় বাধা হতে পারে। ইসলাম কুষ্ট, পাগলামি গুরুতর ত্বকের রোগ ইত্যাদিতে আক্রান্ত ব্যাক্তির সঙ্গে বিয়ে নিষিদ্ধ করেছে।
(৮) সৌন্দর্য।
নবী করিম (সাঃ) বলেন!
" যেমনভাবে তোমরা মূখের সৌন্দর্য খোঁজ করো, তেমনি চুল ও সামগ্রিক সৌন্দর্য সম্পর্কেও জিজ্ঞাসা করো!..
(৯) লজ্জাশীলতা ও পবিত্রতা।
বিবাহ পারস্পরিক একচেটিয়া সম্পর্ক---যেখানে বিশ্বস্ততা ও পবিত্রতা ভিত্তি।
(১০) যৌন চাহিদা সঠিক পূরণ!!
শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকা এবং পারস্পরিক সন্তুষ্টি রক্ষা করা বৈবাহিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য।
(উত্তম স্ত্রীর গুনবলী) (১) স্বামী আল্লাহকে স্মরণ করলে সহায়তা করা ভুলে গেলে স্মরণ করিয়ে দেওয়া।
(২) ধর্ম ও নৈতিকতায় স্বামীকে সহযোগিতা করা।
(৩) কম ব্যয়বহুল ও সহজ স্বাভাবের হওয়া।
(৪) স্নেহময়, মিষ্টভাষী ও সহৃদয় হাওয়া।
(৫) সন্তান ধারণে সক্ষম হওয়া!
(৬) ঘরকে শান্তির আশ্রয় বানানো।
(৭) স্বামীর পরিশ্রমের কদর করা।
(৮) স্বামীকে তার সাধ্যের বাইরে কিছু না চাওয়া।
(৯) স্বামীর অনুপস্থিতিতে ঘর ও নিজের সম্মান রক্ষা করা।
(১০) স্বামীর জন্য সাজগোজ করা ও মনোরম থাকা।
(১১) বাইরে গেলে পর্দাশীল ও গম্ভীর থাকা।
(১২) অন্য পুরুষের প্রশংসা না করা।
(১৩) ভুল হলে ক্ষমা চাওয়া।
(১৪) স্বামীকে খুশি রাখা ও রাগ প্রশমিত করা!
(১৫)স্বামীর বৈধ আদেশ মানা।
(১৬) পরিমিত ব্যয় করা।
(১৭) স্বামী ভুল করলে ক্ষমা করা।
(১৮) ঘর পরিচ্ছন্ন, সুশৃংখল ও আরামদায়ক রাখা।
(১৯) সন্তানদের স্বাস্থ্য ও লালন পালনে যত্নশীল হওয়া।
(২০) বিশ্বস্ত গোপনীয়তা রক্ষাকারী ও সত্যবাদী হওয়া।
(উত্তম স্বামীর গুণাবলি )
(১) ধর্মপরায়ণতা।
(২) সদাচরণ ও সাহানুভূতি!
(৩) বিচক্ষণতা, পরিশ্রম ও দায়িত্ববোধ।
(৪) পরিবারের স্বাচ্ছন্দ্য ও সুখের জন্য পরিশ্রমী হওয়া।
(৫) পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও রুচিশীল হাওয়া।
(৬) মিতব্যয়ী ও সংযমী হাওয়া।
(৭) স্ত্রীর প্রতি সম্মান কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা।
(৮) স্ত্রীকে ভালোবাসা ও ভালোবাসা প্রকাশ করা।
(৯) স্ত্রীর ভুলত্রুটি ক্ষমা করা।
(১০) পড়নারীর প্রতি বৃষ্টি না দেওয়া।
(১১) গৃহকর্মে সহযোগিতা করা।
(১২) ক্রোধ সংবরণ করা ও স্ত্রী প্রতি কখনো অশোভন অচারণ না করা।
উপসংহার।।
বিবাহ শুধু সামাজিক সম্পর্ক নয়, এটি একটি আধ্যাত্মিক চুক্তি --- আল্লাহর নামে ভালোবাসা দায়িত্ব ও সম্মানের ভিত্তিতে! একজন ধর্মপরায়ণ নীতিবান ও বুদ্ধিমান সঙ্গী জীবনের শান্তি ও সফলতার চাবিকাঠি। তাই একটি সঠিক জীবনসঙ্গী নির্বাচন মানেই সুন্দর জীবনের ভিত্তি স্হাপন।
কিভাবে বিবাহিত জীবন সুন্দর করবেন ?
১) দুইজন একসাথে কখনো রেগে যাবেন না। একজন রেগে গেলে আরেকজন শান্ত থাকবেন।
২) একসাথে সময় কাটানোর জন্য সময় বের করুন।একসাথে মুভি দেখুন , একসাথে রান্না করুন , একসাথে শপিং এ যান।দিনে এক বেলা হলেও একসাথে টেবিলে বসে খাওয়ার অভ্যাস করুন !
৩) আমাদের অনেক ইগো।তাই ক্ষমা চাবোনা। এটা ভুল।অনেক কষ্ট হলেও ক্ষমা চান আর ক্ষমাটা মন থেকে হতে হবে।
৪) অতীতের ভুল নিয়ে কেউ কাউকে বারবার কথা শুনাবেন না বা খোটা দিবেন না।আর অতীতের ভুল বারবার করবেন না। অতীত চলে গেছে , বর্তমান সুন্দর করলে ভবিষ্যৎ সুন্দর হবে।
৫) পার্টনার কে কখনো ছোট করে কথা বলবেন না। মানুষের সামনে মজা করেও ছোট করবেন না। বেশি বেশি প্রশংসা করবেন।
৬) মনে রাখতে হবে আপনারা একটা টিম। টিম হয়ে কাজ করতে হবে। একে ওপরের স্বপ্ন , কাজকে সাপোর্ট করতে হবে , সেই কাজে সাহায্য করতে হবে। তার সাকসেস আপনারও সাকসেস !
৭)একসাথে থাকলে রাগারাগি, ঝগড়া খুবই স্বাভাবিক বিষয়। এটাকে স্বাভাবিক ভাবেই দেখতে হবে। অস্বাভাবিক বানিয়ে ড্রামা করা যাবেনা !
দিন ঝগড়া দিয়ে শুরু হলেও চেষ্টা করতে হবে দিনের শেষটা যেন ঝগড়া দিয়ে না হয়। দিনের শেষটা মাথা ঠান্ডা করে , সব ভুলে , নরমাল হয়ে শেষ করতে হবে।
৮) ব্লেম গেম খেলা যাবেনা।নিজের ভুল আগে স্বীকার করা শিখুন।দেখুন কোথায় আপনার ভুল আছে।
৯) সবথেকে বড় বিষয় ইচ্ছা থাকতে হবে ! একই মানুষের সাথে ১০০ বছর কাটানোর ইচ্ছা থাকতে হবে ! মন যদি বারবার এদিক ঐদিক চলে যায় অন্য নারী - পুরুষের প্রতি তাহলে কেউ ১০০% এফোর্ট দিলেও কাজে দিবেনা।
১০) সিক্রেটস রাখা যাবেনা ! কথা লুকানো যাবেনা। দুইজন দুইজনের কাছে খোলা বই এর মতো এই আকাশের মতো স্বচ্ছ থাকতে হবে !
আপনার রিজিক হতে পারে দেরিতে বিয়ে হওয়া— যাতে আপনি বাবা মায়ের দেখভালে আরও বেশি সময় দিতে পারেন।
আপনার রিজিক হতে পারে দেরিতে সন্তান হওয়া— যাতে আপনি আপনার পার্টনারে সাথে সম্পর্কটাকে আরো ভালোভাবে গড়ে তুলতে পারেন, বোঝাপড়াটা মজবুত করতে পারেন।
আপনার রিজিক হতে পারে দেরিতে পাওয়া— যাতে আপনি ধৈর্য, কৃতজ্ঞতা আর আল্লাহর প্রতি সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ শিখতে পারেন।
আপনার রিজিক হতে পারে একাকীত্ব — যেন আপনি অন্যদের থেকে দূরে থেকে আল্লাহর সাথে আরও ঘনিষ্ঠ হতে পারেন।
সবসময় পাওয়ার মধ্যে নয় বরং অনেক ক্ষেত্রে না পাওয়াটাই হলো রিজিক। একটা বিষয় মাথায় রাখলে সবকিছু মেনে নেওয়া সহজ হবে, আপনার জীবনে যা আছে আর যা নেই সবই আল্লাহ খুব নিখুঁতভাবে বেছে দিয়েছেন! 🤎
প্রিয় হতাশাগ্রস্ত ভাইবোন!
নিজেকে নিঃশেষ করার আগে অন্তত একবার হলেও ঘুরে আসুন কোনো হাসপাতালে! বাঁচার জন্য একেকটি প্রাণের কী করুণ আকুতি! আগুনে পুড়ে, গাড়ির নিচে চাপা পড়ে কিংবা কোনো না কোনো দুর্ঘটনায় আহতদের দেখে বোঝার চেষ্টা করুন। তাদের আর্তনাদ আর হাহাকারের শব্দে নিজেকে বিলিন করলেই বুঝতে পারবেন কত মূল্যবান এ জীবন।
তাদের আহত দেহের কষ্টের চেয়েও কি আপনার সুস্থ জীবনটা বেশি যন্ত্রণাদায়ক? উত্তরটা হয়তো, হ্যাঁ। কিন্তু কদিনেরই-বা জীবন? ভাবুন তো, ছোট্ট এ জীবনে সুখী হোন, কিংবা দুঃখী-বেলা কি অতি শীঘ্রই ফুরিয়ে যাবে না? জীবনের পরেও যে আরেকটা জীবন, সেটা অনন্তকালের।
সেই জীবনের জন্য কি একবারও ভাববেন না?
-রাসূলুল্লাহ ﷺ এর একটি বহুল প্রচলিত হাদিস আছে:
“তোমরা যেমন হবে, তোমাদের বাদশাহ তথা শাসনকর্তাও তেমনি চাপিয়ে দেয়া হবে।”
এই অসৎ শাসকদের দায় আমাদের ও আছে।
কোন এলাকায় যদি বিএনপির একজন সৎ ও যোগ্য নেতা থাকে, তাকে ভোট দেয়া উচিত। আবার অন্য এলাকায় যদি জামায়াত কিংবা এন সিপি কিংবা গন অধিকার পরিষদ কিংবা ইসলামি আন্দোলন বা অন্য কোন দলের সৎ এবং যোগ্য মানুষ থাকে, তাকেও বেছে নেয়া উচিৎ
ভোটের সময় আমরা দল দেখি। যখন দল দেখে ভুল নেতা নির্বাচন করি, তার প্রতিটি অন্যায়ের পাপ আমাদের উপরও বর্তায়।কারণ আপনার ভোটই তাকে ক্ষমতায় বসিয়েছে।
আমরা কি সৎ মানুষকে মূল্য দিচ্ছি, নাকি দলীয় পরিচয়কে বড় করছি?
আপনারা অনেকেই নতুন রাজনীতি করে এমন মানুষকে পছন্দ করেন। কিন্তু তাদের সাপোর্ট লাগলে অনেকসময় সেটা দিতে ভয় পান। অন্যদের পাওয়ার পলিটিক্সের কাছে মাথা নত করেন।
ধরেন আমার কথাই যদি বলি ,আমি যতক্ষণ পর্যন্ত সৎ ততক্ষণ পর্যন্ত আপনার সাপোর্ট আমার অধিকার। কিন্তু দেশ ,এলাকা পরিবর্তনের দায় তো আমার একার না। পরিবর্তন আনার জন্য রাজনীতিতে সৎ এবং যোগ্য মানুষের পাশে দাঁড়ানো ছাড়া বিকল্প নেই।
আমরা যদি শুধু দল দেখে ভোট দিই, তবে প্রকৃত সৎ নেতৃত্ব হারিয়ে যাবে। বরং দেখা উচিত একজন প্রার্থী কেমন মানুষ? তার চরিত্র, সততা, যোগ্যতা দেখা উচিত।
ঢালাওভাবে অন্ধ সমর্থন দিয়ে গেলে শুধু দল টিকে থাকবে, কিন্তু জনগণের স্বার্থ হারিয়ে যাবে। নিজের এলাকার স্বার্থ হারিয়ে যাবে। প্রচলিত ধ্যান ধারণা সম্পন্ন মানুষের বাইরে অন্তত ১০০সৎ এবং যোগ্য মানুষ নির্বাচিত করে আনেন দেখবেন দেশটা অনেকটাই বদলে গেছে।
রিজিক খুলে দেওয়ার সাত দিনের গোপন আমল।
যাদের জীবনে রোজগারের সমস্যা আছে, যে কাজে শুরু করেন, ঠিকভাবে চলে না, চেষ্টা করেও ব্যবসা বা চাকরিতে স্থিরতা পান না।
আপনি যদি ভাই হোন বা বোন হোন, আমি আপনাকে সাত দিনের একটি বিশেষ আমল দিচ্ছি।
আপনি এই আমলটি সাত দিন করবেন, আর ইনশাআল্লাহ দেখবেন, কিভাবে আপনার রিজিকের দরজা একের পর এক খুলে যেতে শুরু করে।
যে কাজ কোথাও আটকে আছে, যে সুযোগ বারবার হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে—আল্লাহ তাআলা তাঁর রহমতে সেই কাজের পথ খুলে দেবেন।
সূরা কুরাইশ, আপনি শুধু এইটা পড়বেন—যখন আপনি কাজের জায়গায় যাবেন, অথবা সকালবেলা ঘর থেকে বের হবেন, তখন সূরা কুরাইশ ৪১ বার পড়বেন।
এভাবে সাত দিন ধারাবাহিকভাবে পড়তে হবে।
ইনশাআল্লাহ আপনি নিজেই অনুভব করবেন—আপনার কাজের সফলতা দেখতে পাবেন।
দেখবেন কিভাবে রিজিকে বরকত আসছে, কাস্টমার বা কাজের সুযোগ নিজের থেকেই আসছে, দেখবেন কিভাবে সেই কাজ ভালো হচ্ছে।
সেটা আপনার চাকরি হলে সেখানেও সফলতা পাবেন।
যদি সেটা আপনার প্রয়োজনীয় কাজও হয় আল্লাহ সেটাকে সহজ করে দেবেন।
সাত দিন ধারাবাহিকভাবে সূরা কুরাইশের আমল করবেন, প্রতিদিন ৪১ বার করতে হবে ৭ দিন নিয়মিত।
তারপর দেখুন কিভাবে আপনার জীবন বদলে যায় ইনশাআল্লাহ।
আজ থেকে আমল শুরু করুন।
টাকা পয়সাই রিজিক না। বাড়ি গাড়িই রিজিক না। ভাল একটা মানুষের সাথে জীবন কাটিয়ে দেয়াটাও রিজিক।বিপদে এগিয়ে আসবে এমন আত্মীয় স্বজন থাকাটাও রিজিক। কাজের বন্ধু বান্ধব থাকাটাও রিজিক।
সুস্থ থাকা,নিরাপদে থাকা,মানসিক শান্তিতে থাকাও রিজিক।
নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারাটাও রিজিক। এগুলো সবাই পায় না। অনেকের রিজিকে এসব নাই।
"সবচেয়ে বড় প্রতারণা আসে সবচেয়ে বিশ্বস্ত উৎস থেকে।"
"যারা নিজেদেরকে নিষ্পাপ মনে করে, তারাই অনেক সময় প্রতারণার জাল বোনে।"
"ছলনাময়ী নারী সমাজের জন্য কেবল অভিশাপই নয়, নিজের জন্যেও সর্বনাশ ডেকে আনে" - এই কথাটি যদিও একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে, তবে এটি যেকোনো ছলনাময়ী ও চরিত্রের সমস্যা আছে এমন নারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে।
"যে বাবা ছলনা করে, সে হয়তো তার সন্তানের কাছ থেকে ভালোবাসা বা ভালো আচরণ আশা করে না।"
"যে কন্যা ছলনাময়ী, সে তার বাবা-মাকেও সম্মান করতে জানে না।"
একমাত্র রব ছাড়া পৃথিবীর আর কারো ভালোবাসাই সম্পূর্ণ নিঃস্বার্থ হয় না।
মা-বাবা? জি না। স্ত্রী-সন্তান? উঁহু। বন্ধু-স্বজন? একদমই না। পৃথিবীর মানুষ তোমার প্রতি ভালোবাসার যে বুলি আওড়ায় তা কিছু শর্তের জালে বন্দি। লেনাদেনার শর্ত। দেবা, নেবা। দেবা না, তো পাবা না। ব্যাস।
সকলপ্রকার শর্তহীন এবং একেবারে নিঃস্বার্থ ভালোবাসা কেবল রব্বে কারীমই বাসতে জানেন। শত নাফরমানির পরও একবার মন থেকে ক্ষমা চাইলেই যিনি খুশি হয়ে যান। এমনই এক রহমান পেয়েছি আমরা! আলহামদুলিল্লাহ! ❤️
নিক্বাহ করে আমি কী পেয়েছি?
-একজন যুবতী, সুন্দরী, স্নিগ্ধ, মায়াবতী, দ্বীনদার স্ত্রী পেয়েছি, যিনি আমার দুনিয়া আর আখিরাতের সঙ্গী।
-একজন সঙ্গিনী পেয়েছি, যিনি আমার ক্লান্ত দিন শেষে শুধু একটি দৃষ্টিতে পুরো ক্লান্তি মুছে দিতে পারেন।
-একজন শ্রোতা পেয়েছি, যিনি আমার অযথা কথাগুলোও মন দিয়ে শোনেন, আর আমার নীরবতাকেও বুঝেন।
~একটা ‘আয়না’ পেয়েছি, যিনি আমার ভুলগুলো সুন্দরভাবে আমাকে দেখিয়ে দেন, আবার ভালো দিকগুলোকে আরও উজ্জ্বল করে তোলেন।
-একজন “দু'আ করার মানুষ” পেয়েছি, যে আমার অনুপস্থিতিতেও আল্লাহর কাছে আমার জন্য হাত তোলে।
~একটা নিরাপদ আশ্রয় পেয়েছি, যেখানে আমি আমার ভয়, দুশ্চিন্তা আর স্বপ্ন সব কিছু খুলে বলতে পারি।
-একজন সঙ্গিনী পেয়েছি, যে শুধু বর্তমান নয়, ভবিষ্যত নিয়েও আমার সাথে স্বপ্ন বুনে চলে।
-একজন বন্ধু পেয়েছি, যার সাথে তর্কও মিষ্টি লাগে, আর অভিমানে লুকানো ভালোবাসা আরও বেশি উজ্জ্বল হয়।
সবচেয়ে বড় কথা—নিক্বাহ করে আমি পেয়েছি ‘সকিনাহ’, আল্লাহর দেয়া সেই নেয়ামত, যেটা না হলে আমার জীবন অসম্পূর্ণই থেকে যেত। 🤍
দ্রুত বিবাহ হওয়া, চাকরি পাওয়া ও রিজিকে বরকত লাভের আমলসমূহ:
১. পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ুন।
২. তাওহীদ ও তাওয়াক্কুলে দৃঢ় থাকুন, তথা আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাস করুন ও তার উপর ভরসা করুন।
৩. সকাল- বিকাল বেশি বেশি ইস্তেগফার ও দুরূদ শরিফ পড়ুন। কমপক্ষে ৭ বার করে। এবং দুআ করুন।
৪. সকাল- বিকাল বেশি বেশি 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ', 'আল্লাহ', 'ইয়া আরহামার রাহিমীন' পাঠ করা। কমপক্ষে ১১ বার করে।
৫. প্রতিদিন সকালে ফজরের পর সূরা ফাতেহা, সূরা ইয়াসীন, মাগরিবের পর সূরা ওয়াকেআ, সূরা রহমান, সূরা মুজাম্মিল, সূরা সাফফাত পড়ুন।
৬. ফজর ও মাগরিবের পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসী ১ বার ও শেষ তিন কুল (ইখলাস, ফালাক, নাস) ৩ বার করে পড়ে হাতে ফুঁ দিয়ে সমস্ত শরীরে ৩ বার হাত বুলিয়ে দিন।
৭. এ ক্ষেত্রে আল্লাহর শেখানো এ দোয়াটি অনেক কার্যকর। সকাল, বিকাল বেশি বেশি পড়া উচিত:
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا
উচ্চারণ: রব্বানা হাব লানা মিন আযওয়াজিনা ওয়া জুররিয়্যাতিনা কুররাতা আ’ইউন, ওয়া জাআলনা লিল মুত্তাকীনা ইমামা।
অর্থ: ‘হে আমাদের রব, আমাদের জন্য এমন স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততি দান করুন, যারা আমাদের চোখ শীতলকারী হবে। এবং আমাদেরকে আল্লাহভীরুদের জন্য আদর্শ করুন।’ (সুরা: ফুরকান, আয়াত: ৭৪)
৭. এ দুআটি বেশি বেশি পড়ুন: যাকারিয়া (আ.)-এর দোয়া:
رَبِّ لَا تَذَرْنِي فَرْدٗا وَأَنتَ خَيۡرُ ٱلۡوَٰرِثِينَ
বাংলা উচ্চারণ:
রব্বি লা তাযার্নী ফার্দান, ওয়া আন্তা খাইরুল-ওয়ারিছীন।
বাংলা অর্থ:
হে আমার পালনকর্তা! আমাকে একা-অকা করে রেখো না। আর আপনি তো সর্বোত্তম উত্তরাধিকারী।
(সূরা আম্বিয়া: ৮৯ )
প্রতিদিন ১০০ বার পড়া। (কমপক্ষে ৭ বার করে পড়া)
৮. এ দুআটি প্রতিদিন অন্তত ৭০ বার পড়ুন (কমপক্ষে ৭ বার করে পড়া): মুসা (আ.)-এর দোয়া:
رَبِّ إِنِّي لِمَآ أَنزَلتَ إِلَيَّ مِنۡ خَيۡرٍ فَقِيرٞ
বাংলা উচ্চারণ:
রব্বি, ইন্নী লিমা আনযালতা ইলাইয়া মিন খাইরিন ফাকীর।
বাংলা অর্থ:
হে আমার পালনকর্তা! আপনি আমার প্রতি যে কল্যাণ অবতীর্ণ করবেন, তার সবকিছুরই আমি মুখাপেক্ষী।
(সূরা কাসাস: ২৪)
~ কঠিন সময়ে টিকে থাকুন!
জীবনের প্রতিটি মানুষই কোনো না কোনো সময় কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়। কখনও প্রিয়জনের দূরত্ব, কখনও চাকরির অনিশ্চয়তা, স্বপ্ন ভাঙার কষ্ট, কখনও নিজের ভিতরের একাকীত্ব, এইসব কষ্ট যেন আমাদের ভেঙে দেয়ার জন্য আসে।
কিন্তু মনে রাখুন, সবচেয়ে অন্ধকার সময়টাই নতুন ভোরের ঠিক আগে আসে।
কঠিন সময় মানেই শেষ না, বরং এটাই আপনার ভিতরের শক্তিকে আবিষ্কার করার সেরা সুযোগ।
আপনার কান্না, হতাশা, ভেঙে পড়া, সব কিছুই স্বাভাবিক।
তবে সেই কষ্টের মাঝেও প্রতিটি মুহূর্তে আপনি বেঁচে আছেন, হাঁটছেন, লড়ছেন, এই টিকে থাকাটাই আপনার সাহসের সবচেয়ে বড় প্রমাণ।
আপনার কষ্টের মূল্য আছে। আপনার চেষ্টার গুরুত্ব আছে।
হয়তো আজ কেউ বুঝবে না, কিন্তু আপনি নিজেই নিজের গল্পের নায়ক।
নিজেকে ভালোবাসুন। সময় দিন। নিজের যত্ন নিন। প্রয়োজন মনে হলে সাহায্য নিন।
একটা সময় আসবে, আপনি পেছনে তাকিয়ে দেখবেন, এই কঠিন সময়টাই আপনাকে আরও শক্তিশালী করে গড়ে তুলেছে।
হাল ছাড়বেন না। কঠিন সময়েও টিকে থাকুন।
নিজের উন্নতি ও মর্যাদা বজায় রাখার জন্য ২০টি রিমাইন্ডার
১. যারা তোমাকে খোঁজে না, তাদের পিছনে দৌড়ানো বন্ধ করো।
২. কারও কাছ থেকে ভিক্ষার মতো কিছু চাইবে না।
৩. প্রয়োজনের বাইরে অযথা কথা বলো না।
৪. কেউ অসম্মান করলে সাথে সাথে সীমা টেনে দাও।
৫. অন্যের জিনিস নিজের চেয়ে বেশি ব্যবহার কোরো না।
৬. যাদের কাছে দাও কিন্তু প্রতিদান পাও না, তাদের সাথে মেলামেশা কমাও।
৭. নিজের উপর বিনিয়োগ করো, নিজেকেই খুশি রাখো।
৮. অন্যদের নিয়ে গসিপ বন্ধ করো।
৯. বলার আগে ভেবে নাও—তোমার কথাই তোমার আসল মূল্য নির্ধারণ করে।
১০. সর্বদা নিজের সেরা ভার্সনটা দেখাও—পোশাক ও ব্যক্তিত্বে।
১১. লক্ষ্য নিয়ে ব্যস্ত থাকো, সফলতার দিকে মন দাও।
১২. সময়কে সম্মান করো, অপচয় কোরো না।
১৩. যেখানে সম্মান বা মূল্য নেই, সেখান থেকে বের হয়ে আসো।
১৪. নিজের উপর টাকা খরচ করো—এভাবেই অন্যরা তোমাকে মূল্য দেবে।
১৫. মাঝে মাঝে নিজেকে দুর্লভ করে তুলো।
১৬. গ্রহীতার চেয়ে দাতা হওয়ার চেষ্টা করো।
১৭. যেখান থেকে আমন্ত্রণ নেই সেখানে যেও না, আর আমন্ত্রণ পেলে বাড়াবাড়ি থেকো না।
18. মানুষের সাথে ঠিক ততটাই আচরণ করো, যতটা তারা প্রাপ্য।
19. যদি টাকা ধার না থাকে তবে কাউকে দু’বারের বেশি ফোন কোরো না। যারা তোমাকে গুরুত্ব দেবে, তারা নিজেই ফিরে আসবে।
20. যা করো তাতে দক্ষ হও, সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করো ।
বাসর রাত কে স্মরণীয় করতে করনীয়
১.সহি নিয়ত রাখুন।বিয়ে শুধুই আল্লাহর সন্তোষ্টের জন্য করুন।
স্ত্রীর হক আদায় করার আপ্রান চেষ্টা করুন।
বিয়ের আগে যে সব নারী পুরুষ নিজেদের পবিত্র রেখেছে তাদের জন্য স্বপ্নের রাত, সেরা রাত,যা জীবনে একবারেই আসে।
২.বিসমিল্লাহ বলে রুমে প্রবেশ করুন
দোআ করুন বেশি বেশি যেন আল্লাহ বরকত দান করে,বিনা কারনে ঝগড়া, অশান্তি থেকে হিফাজত করুন।
৩.দু রাকাআত নফল নামাজ আদায় করুন
৪.স্ত্রীকে বশে রাখার জন্য বা আনুগত্য বা খুশি রাখার জন্য কিছু অপ্রত্যাশিত কিছু হাদিয়া দিন।
৫.মোমবাতি, ঘরে সুগন্ধি ব্যবহার করুন,মোবাইল টা বন্ধ রাখবেন ৩ দিন যা ৩ বছরের শান্তি পাবেন।
৬.স্ত্রী কে অবশ্যই প্রশংসা করুন মন থেকে ভালোবাসুন,রোমান্টিকতা শুরু করুন
স্ত্রী সারা জীবন মনে রাখবে।
৭.পরিবেশ বুঝে মিলন করুন,দু'জনের ইচ্ছে থাকলে,মন ও শরীর চাইলে মিলন ই উত্তম,
ব্যর্থ হলে দ্বিতীয়বার মিলন করবেন।
৮.স্ত্রী কে গোপনে গোল্ড,ফুল, তার পছন্দের কিছু দিন সে আরও বেশি ভালোবাসবে।
৯.কষ্ট বা বিরক্ত হয় এমন কথা আচরণ করবেন না।
১০.একসাথে গরম দুধ বা ফলের জুস পান করুন।
১১.স্ত্রীর মাথায় হাত রেখে দোআ করুন।
১২.সেই সেরা স্বামী যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম।
১৩.ঘামের গন্ধ দূর করা,শরীর, মুখ পরিষ্কার রাখা, সুগন্ধি ব্যবহার করুন।
১৪.মিলনের গোপনীয়তা রক্ষা করা,মোবাইলে ছবি, ভিডিও না করা,
১৫.বাইরের দেশে স্বামী স্ত্রী প্রথম রাত ভালো হোটেল বাসর করে যেন আশেপাশের কেউ ডিসটার্ব না করে,সুযোগ থাকলে আপনি ও চেষ্টা করবেন।
১৬.মিলন হলে ফরজ গোসল করা
কোন ভুল না ধরা,সংসারকে সুন্দর করা যায় কিভাবে সেই পরিকল্পনা, দোআ করা।
রনি সাহেব বয়স ২৮।
বিয়ে করেছেন মাত্র ২ মাস হলো।
সমস্যা সময় কম আর মাঝে মাঝে দুর্বলতা।
প্রথমদিকে লজ্জায় কাউকে বলেননি।
কিন্তু স্ত্রী রূপা সব বুঝতেন। কিছু বলতেন না, শুধু খেয়াল রাখতেন — নীরবে, ধৈর্য নিয়ে।
এক রাতে রূপা হাসিমুখে বললেন,
“তুমি চিন্তা করো না, আমরা একসাথে ঠিক করে ফেলবো।
সেই এক কথায় রহিমের বুকের ভেতর সাহস ফিরে এলো।
স্ত্রীর যত্ন
রূপা প্রতিদিন সকালে তাকে খেতে দিতেন —
১টা সবরি কলা, ৫টা বাদাম, ১ চামচ মধু, আর দুধে ভেজানো ৮-১০টা মরিয়ম খেজুর।
এই ভালোবাসার পানীয় ধীরে ধীরে রহিমের শরীরের শক্তি ফিরিয়ে আনতে শুরু করল।
দুপুরে রান্না করতেন হাঁসের ডিম, শিং মাছ, ক্যাপসিকাম, টমেটো আর অলিভ অয়েল সালাদ।
এই খাবারগুলো ছিল শরীরের ভেতরের জ্বালানি —
Vitamin E, Zinc, আর Omega 3 মিলে যেন নতুন শক্তি এনে দিত।
রাতে থাকত বেদানা ,কচি ডাব ও দেশি ফল, কলা-দুধ আর সামান্য ডার্ক চকোলেট গুঁড়ো
যা মনকে শান্ত রাখত, ক্লান্তি দূর করত।
শুধু তাই নয় এবার স্ত্রী হিসেবে রূপার মানসিক চিকিৎসা শুরু
স্বামী কে ছেড়ে না দিয়ে সাপোর্ট
রূপা শুধু খাবারে নয়, মনের চিকিৎসা আর ভালোবাসা দিতেন।
তিনি কখনও দোষ দিতেন না, চাপ দিতেন না।
বরং বলতেন —
“তুমি পারবে, আমি তোমার পাশে আছি।
নারী পুরুষের পাশে থাকলে ,পুরুষ বিশ্বজয় করতে পারে।
মিলনের আগে তিনি রনিকে সময় দিতেন, চোখে চোখ রেখে কথা বলতেন, ধীরে শ্বাস নিতে বলতেন।
এগুলো সে বই পড়ে জেনেছিল।
ধীরে ধীরে তারা একসাথে শিখালেন “start-stop” আর “slow control” পদ্ধতি।
স্ত্রী হিসেবে রূপার এই ধৈর্য, ভালোবাসা আর বোঝাপড়াই রনিকে নতুন মানুষ বানিয়ে দিল।যা সে কল্পনাও করেনি।
ফলাফল
কয়েক মাসের মধ্যেই সব বদলে গেল।
রনির ভয় উধাও হয়ে গেল, ফিরে এলো আত্মবিশ্বাস আর শান্তি।
তাদের সম্পর্কে এখন আর লজ্জা নেই — আছে বোঝাপড়া, সম্মান আর একসাথে বাঁচার আনন্দ।
শেষে তারা দুজনেই বুঝলেন —
সত্যিকারের চিকিৎসা শুরু হয় ভালোবাসা, ধৈর্য, আর একে অপরের পাশে থাকার মধ্য দিয়ে।
আপনি কেমন স্ত্রী আশা করেন?
আজকে নারীদের জন্য সিক্রেট টিপস দিবো
যারা সামনে বিয়ে করতে যাচ্ছেন।
আপনার দুঃখ এবং দুশ্চিন্তা যদি বৃদ্ধি পেয়ে থাকে, তবে অবশ্যই এই দোয়াটিকে নিত্যসঙ্গী করে নিন।
لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ
(লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লাহ বিল্লাহ)
[সূত্র : যাদুল মা'আদ : ৪/৮৩]