Masum - মাসুম

Masum - মাসুম Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Masum - মাসুম, Political organisation, Morrelgonj, Bagerhat, Khulna, Bangladesh, Bagerhat Town.

Masum is now the most popular person from Bangladesh,It’s bringing News events from Bangladesh to the world,events that Social media wont let you know.It is working for Justice,freedom & dignity.You are invited to join us.

মোড়েলগঞ্জ উপজেলা বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত একটি ঐতিহ্যবাহী উপজেলা। প্রাকৃতিক সম্পদ, ন...
18/07/2026

মোড়েলগঞ্জ উপজেলা বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত একটি ঐতিহ্যবাহী উপজেলা। প্রাকৃতিক সম্পদ, নদীনির্ভর জীবন, কৃষি, নীলবিদ্রোহ এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে মোড়েলগঞ্জের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।

নামকরণের ইতিহাস
মোড়েলগঞ্জ নামটি এসেছে ব্রিটিশ নীলকর হেনরি মোরেল (Henry Morrel)-এর নাম থেকে। ১৮৪৯ সালের দিকে তিনি এ অঞ্চলে একটি নীলকুঠি (কুঠিবাড়ি) স্থাপন করেন এবং স্থানীয় কৃষকদের জোরপূর্বক নীল চাষে বাধ্য করতেন। তাঁর নাম থেকেই এলাকার নাম হয় মোরেলগঞ্জ, যা পরে বাংলা উচ্চারণে মোড়েলগঞ্জ নামে পরিচিতি লাভ করে।

নীলবিদ্রোহ ও কৃষক আন্দোলন
ব্রিটিশ আমলে নীলকরদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে মোড়েলগঞ্জের মানুষ প্রতিবাদে ফেটে পড়ে। বারইখালী গ্রামের কৃষক নেতা শহীদ রহিমউল্লাহ কৃষকদের সংগঠিত করে নীলকরদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। ১৮৬১ সালের ২৫ নভেম্বর তিনি শহীদ হন। তাঁর আত্মত্যাগ বাংলাদেশের কৃষক আন্দোলনের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

প্রশাসনিক ইতিহাস
১৯০৯ সালে মোড়েলগঞ্জ থানা প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৮৫ সালে থানাকে উপজেলায় উন্নীত করা হয়।
১৯৯৮ সালে মোড়েলগঞ্জ পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়।
বর্তমানে উপজেলাটিতে ১টি পৌরসভা ও ১৬টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধে মোড়েলগঞ্জ
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে মোড়েলগঞ্জ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মে মাসের শেষদিকে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের সহযোগীরা মোড়েলগঞ্জ বাজারে গণহত্যা চালায়। এছাড়া দাইবাগন্যাহাটি, ধানসাগর, রাজাপুর, শারালিয়া ও অন্যান্য এলাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে একাধিক সম্মুখযুদ্ধ সংঘটিত হয়। বহু মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষ শহীদ হন। তাঁদের স্মরণে এখানে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে।

ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক বৈশিষ্ট্য
মোড়েলগঞ্জ উপজেলার আয়তন প্রায় ৪৬০.৯০ বর্গকিলোমিটার। বলেশ্বর, পানগুচি, ঘাসিয়াখালী ও ভোলা নদী এ অঞ্চলের জীবন-জীবিকার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কৃষি, মৎস্য, চিংড়ি চাষ এবং নদীপথের বাণিজ্য এখানকার অর্থনীতির প্রধান ভিত্তি। সুন্দরবনের নিকটবর্তী হওয়ায় এ অঞ্চল জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্যও পরিচিত।

প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহ্য
মোড়েলগঞ্জে রয়েছে ঐতিহাসিক মোরেল কুঠিবাড়ি (১৮৪৯), লক্ষ্মীখালী আশ্রম এবং বনগ্রামের রাজবাড়ি—যা এ অঞ্চলের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।

মোড়েলগঞ্জ কেবল একটি উপজেলা নয়; এটি নীলবিদ্রোহ, কৃষক আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, নদীনির্ভর সংস্কৃতি ও সুন্দরবন-সংলগ্ন জনপদের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য বহনকারী বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল।

২০১৮ সালের শুরুরদিকে কোন একটা কাজে কক্সবাজার গিয়েছিলাম। রাত তখন সাড়ে এগারোটা কি বারোটা বাজে, হঠাৎ খুব করে মন চাইল সমুদ্র...
18/07/2026

২০১৮ সালের শুরুরদিকে কোন একটা কাজে কক্সবাজার গিয়েছিলাম। রাত তখন সাড়ে এগারোটা কি বারোটা বাজে, হঠাৎ খুব করে মন চাইল সমুদ্রের পাড়ে যেতে। সমুদ্রের শো শো শব্দ যেন আমার কানে তোলপাড় শুরু করেছে আর যেন কী এক মাতাল করা মোহিনী আবেশে আমাকে ডেকে চলেছে তার দিকে!

সমুদ্র আমার বরাবরই পছন্দের। তীরহারা দিগন্তবিস্তৃত তার জলরাশি, ঢেউয়ের উথাল-পাতাল গর্জন, আকাশের নিচে তার নিঃসীম নিরন্তর বয়ে চলা আমাকে বরাবরই মুগ্ধ করে রাখে। কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের একটা পাহাড় কেনার শখ ছিল, আর আমার অনেক ইচ্ছে একটা সমুদ্র কেনার। একটা সমুদ্র—একান্ত নিজের করে!

সেই মাঝরাতে আমরা কয়েকজন মিলে চলে এলাম সমুদ্রের পাড়ে। সমুদ্রের যতো কাছে আসি, তার শো শো শব্দ মাথার আরো ভিতরে ভীষণভাবে বাজতে থাকে। নিউরণে অনুরণনের মতো—যেন মহাশূন্যের কোথাও চলছে অবিশ্রান্ত মহাজাগতিক বোঝাপড়া।

সমুদ্রের নিকটে এসে আমি একেবারে তাজ্জব বনে গেলাম! এ যেন সমুদ্র নয়, এন্টাকর্টিকা মহাদেশ থেকে উড়ে এসে পড়া বিশাল এক শুভ্র বরফখন্ড—যতোদূর চোখ যায় তার বিস্তৃতি! পুরো সমুদ্র যেন ঢেকে আছে শাদা বরফের চাদরে। আমার ঘোর কাটে পাশ থেকে একজনের আওয়াজে যখন সে বলল, 'বাহ, সমুদ্রে এমন ফেনা তো আগে কোনোদিন দেখিনি!'

আচ্ছা, এই শুভ্র সফেদ বস্তু তাহলে সমুদ্রের ফেনারাশি বটে! এতো সুন্দর তার আস্তরণ, এতো চমৎকার তার জলের গায়ে লেপ্টে থাকার ধরণ! শুভ্র ফেনার অলঙ্কার গায়ে সমুদ্রের এই রূপ ছিল আমার কাছে নতুন এবং নান্দনিক।
নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একটা হাদিস পড়ে আমার সেদিনকার কক্সবাজারের ওই স্মৃতির কথা মনে পড়ে গেল। একটা উদাহরণ দিতে গিয়ে নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমুদ্রের ফেনার কথা উল্লেখ করেছিলেন বলেই হয়তো-বা, আমার মস্তিষ্ক স্মৃতির অতল গহ্বর থেকে ঠিক ওইদিনের স্মৃতিটাকে আমার মানসপটে মেলে ধরল।

বেশ পরিচিত একটা হাদিস, তবু এর শব্দচয়নে আমার জীবনের ভালো একটা স্মৃতির উপাদানের উপস্থিতি থাকায় সেটা আমাকে একটু থমকে দাঁড়াতে বাধ্য করল। আমি চোখ বন্ধ করে ভাবতে চাইলাম সেদিনের সেই মাঝ রাতের দৃশ্যটা—অথৈ জলের একটা সমুদ্র, চারদিকে তার ভাঙা-গড়ার তর্জন-গর্জন, বাতাসের বুক ফেড়ে আসা শো শো শব্দ আর দৃষ্টির সীমানা অবধি শুভ্র বরফের চাদর!

যে হাদিসটা আমাকে আমার স্মৃতির শহরে হারিয়ে যেতে উদ্বুদ্ধ করেছে সেটা হলো—নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি প্রতিটা ফরয সালাতের পরে তেত্রিশবার সুবহান-আল্লাহ, তেত্রিশবার আলহামদুলিল্লাহ এবং তেত্রিশবার আল্লাহু আকবার বলবে এবং এরপর এই দুয়া পাঠ করবে—লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শরীকা লাহু, লাহুল মুলক্বু ওয়া লাহুল হামদু ওয়াহুয়া 'আলা কুল্লি শাইয়্যিন ক্বাদীর', আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তায়ালা তার গুনাহ মাফ করে দেবেন এমনকি তার গুনাহ যদি সমুদ্রের ফেনারাশির পরিমাণও হয়—তবুও।

আমি ভাবতে লাগলাম—সমুদ্রে কী পরিমাণ ফেনা থাকতে পারে?

ভারত মহাসাগরের খুব ছোট একটা অংশকে আমরা বঙ্গোপসাগর হিশেবে জানি। সেই ছোট অংশটার খুবই ছোট একটা কোণায় দাঁড়িয়ে আমি যে বিস্তৃত ফেনারাশি দেখেছি একদিন, তা-ও যদি হিশেবের খাতায় তুলি, আমার ধারণা সেটাও আমার কল্পনাকে ছাড়িয়ে যাবে। যদি সেখানে গোটা ভারত মহাসাগরটাকে ধরা হয়? যদি এর সাথে যোগ করা হয় পৃথিবীর সমস্ত সাগর-মহাসাগরকে? যদি আটলান্টিক আর প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে তৈরি হওয়া ফেনারাশিকে আমার হিশেবের খাতায় তুলতে হয়—কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে সেই পরিমাণ?

জানি এই পরিমাণটাকে কল্পনায় আনাও অসম্ভব। কিন্তু, নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছেন—যদি আমাদের গুনাহের পরিমাণ সেই অসম্ভবের পর্যায়েও পৌঁছায়, তবুও আমাদের রব আমাদের সেই গুনাহগুলো অবশ্যই অবশ্যই মাফ করে দেবেন যদি আমরা ক্ষমালাভের নিয়তে আমলটা করতে পারি।
যদি জান্নাতে যেতে পারি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তায়ালার কাছে একটা সমুদ্র চাইব। আমার সেই সমুদ্রের পাড়ে একদিন দাওয়াত করব নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে। সমুদ্রের অঢেল ফেনারাশির দিকে তাকিয়ে আমি নবিজীকে বলব—ইয়া রাসুলাল্লাহ, আমি সমুদ্র ভালোবাসতাম। একদিন সমুদ্রের পাড়ে এসে এর ফেনারাশির বিস্তৃতি দেখে আমি যারপরনাই মুগ্ধ হয়ে যাই। তারপর অন্য আরেকদিন আপনার একটা হাদিসে সমুদ্রের ফেনারাশির উল্লেখ পেয়ে আমি হারিয়ে যাই আমার পূর্বের সেই স্মৃতিতে। ওই হাদিসটা আমার মনে এতো গভীরভাবে দাগ কেটে যায় যে—আপনার শেখানো আমলটাকে আমি আমার জীবনের পাথেয় করে নিই।

আমি কোন হাদিসটার কথা বলছি তা কি নবিজীর মনে পড়বে? যদি মনে পড়ে তবু আলাপটাকে দীর্ঘায়িত করার জন্যে তিনি হয়তো জিগ্যেশ করবেন, 'কোন হাদিসটার কথা বলছো, বলো তো?'

‘ওই যে, সালাতের শেষ করে তাসবীহ, তাহলীল আর তাহমিদের পরে যে দুয়াটা করলে আল্লাহ বান্দার গুনাহ মাফ করে দেন বলেছিলেন আপনি, সেটা। এমনকি—বান্দার গুনাহ যদি সমুদ্রের ফেনারাশির পরিমাণও হয়, তবুও। জানেন ইয়া রাসুলাল্লাহ, একজীবনে এতো এতো গুনাহ করেছি যে, মাঝে মাঝে মনে হতো—আমার গুনাহের স্তুপ করলে তা উচ্চতায় আকাশ স্পর্শ করবে। কিন্তু আমার পরম করুণাময় রব আমাকে মাফ করে দিয়েছেন। এমনকি, আমার একটা সমুদ্র নিজের করে পাওয়ার শখ ছিল বলে তিনি আমাকে এই সুবিশাল সমুদ্রটা উপহারও দিয়েছেন। কী সুমহান, কী অপার দয়া আমার রবের! আলহামদুলিল্লাহ!'

নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হয়তো মুচকি হেসে বলবেন, ‘রাব্বানা ওয়া-লাকাল হামদ! সমস্ত প্রশংসা কেবলমাত্র আমার রবের! দেখলে মাসুম, আমার রবের কোন ওয়াদা মিথ্যে ছিল না।’

সত্যিই, আমাদের রবের কোন ওয়াদা মিথ্যে নয়।

18/07/2026

কেউ যদি ৭৫ বছরের হায়াত পায়, তাহলে পৃথিবীতে সাকুল্যে সে বেঁচে থাকবে ৩৬০০ টি সপ্তাহ। আবারও পড়ুন—৩৬০০ টি সপ্তাহ কেবল!!

এখন ভাবুন তো, আমাদের জীবনের প্রত্যেকটা সপ্তাহ কতোটা অবহেলা আর অযত্নে কেটে যাচ্ছে।

একটা সপ্তাহ পার হওয়া মানে ৩৬০০ টি সপ্তাহ থেকে ১ টা সপ্তাহ বিয়োগ হয়।

আপনার বয়স যদি এখন ৩০ বছর হয়, আর যদি ধরে নিই যে আপনি ৭৫ বছরের হায়াত পাবেন, তাহলে দুনিয়ায় আপনি আর বেঁচে থাকবেন কেবল ২১৬০ সপ্তাহ।

গত জুমুয়াহ পড়েছি মনে হয় দুই দিনও পার হয়নি৷ অথচ আরেকটা জুমুয়াহ দরোজায় এসে উপস্থিত হয়ে গেল৷ কতো দ্রুত ফুরোচ্ছে হায়াতের দিন। এটাও কিয়ামতের একটা আলামত যে—শেষ সময়ে সময়গুলো দ্রুত ফুরোবে। একদম চোখের পলকে।

সেই বরফওয়ালার বরফের মতো আমাদের জীবনও ফুরিয়ে যাচ্ছে যে বাজারে বরফ বিক্রি করতে এসেছিল। দিন যতো গড়ায়, তার বরফ ক্রমে গলতে থাকে। প্রতিটা সপ্তাহ পার হচ্ছে আর গলে যাচ্ছে জীবনের বরফটুকু যাকে আমরা ‘হায়াত’ নামে চিনি।

প্রতি চার বছর পরপর বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হলেই ক্রিকেটপ্রেমী বাংলাদেশ যেন বদলে যায় এক ফুটবলপাগল দেশে। রাজধানী ঢাকার ছাদ, স...
18/07/2026

প্রতি চার বছর পরপর বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হলেই ক্রিকেটপ্রেমী বাংলাদেশ যেন বদলে যায় এক ফুটবলপাগল দেশে। রাজধানী ঢাকার ছাদ, সড়ক, দোকানপাট ও আবাসিক ভবনে উড়তে থাকে আকাশি-সাদা আর্জেন্টিনার পতাকা। দেশের বিভিন্ন এলাকায় বসানো হয় বিশাল পর্দা, আর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে হাজারো দর্শকের উপস্থিতিতে আয়োজন করা হয় বিশ্বকাপ ম্যাচ দেখার অনুষ্ঠান। প্রায় ১৭ কোটি ৫০ লাখ মানুষের দেশ বাংলাদেশ এখনো বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন না করলেও, আর্জেন্টিনার থেকে ১০ হাজার মাইল বা ১৬ হাজার কিমি দূরে অবস্থিত এই জাতির অনেকেই দলটিকে নিজেদের দল হিসেবে সমর্থন করেন।

18/07/2026

আজ ম‌নে হয় ফ্রান্স সে‌ভেন আপ খা‌বে।
গোল তিনটা খাইছে ৩৫ মি‌নিটে। ছয়টা যে খায় নাই, এটাই কুদরত। ইংল‌্যান্ড গোলের যে চান্সগু‌লো মিস করতা‌ছে, ওইগু‌লো দি‌য়ে মোটামু‌টি মা‌নের ফা‌নি ভি‌ডিও বানা‌নো যা‌বে।
দুই দলই অবশ‌্য সে‌কেন্ড সা‌রির দল নামাইছে। গোল মি‌সের মজা দেখার জন‌্য খেলা দেখ‌দে পা‌রেন। বাংলা‌দেশ বাংলা‌দেশ ফিল পা‌বেন।

আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতাদের অংশগ্রহণ চায় না বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) আও...
18/07/2026

আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতাদের অংশগ্রহণ চায় না বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের সুযোগ বন্ধে প্রস্তাব দিয়েছে দলটি।

ইসির জ্যেষ্ঠ সচিবকে দেওয়া এক চিঠিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ কোনো রাজনৈতিক দলের পদধারী বা সক্রিয় নেতা-কর্মীদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার বিধান প্রস্তাবিত আচরণবিধিতে যুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে জামায়াত।

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানতে চাইলে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন আরপিওতে কিছু সংশোধনী আনার প্রস্তাব করেছে। সে প্রস্তাবগুলো সব রাজনৈতিক দলকে তারা দিয়ে বলেছে, ৩০ জুনের মধ্যে যেন আমরা আমাদের বক্তব্য তাদের দেই। সে হিসাবে ৩০ তারিখ সংশোধনী প্রস্তাবের বিষয়ে আমাদের বক্তব্য জমা দিয়েছি।’

মাহবুব জুবায়ের আরও বলেন, ‘সংশোধনী প্রস্তাবের বিষয়ে বক্তব্যের সঙ্গে আমরা আরেকটি বিষয় যুক্ত করেছি। সেটি হলো, নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো দলের নেতারা যাতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে না পারে।’ তবে এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশন এখনো কোনো জবাব বা সিদ্ধান্ত জানায়নি বলেও জানান তিনি

এর আগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণর সুযোগ পায়নি আওয়ামী লীগ। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয় প্রতীকে হওয়ায় এতে দলটির নেতা-কর্মীদের অংশগ্রহণ নিয়ে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

১৯৮১ সালের ৩০ মে, সেনাবাহিনীর কতিপয় সদস্যের হাতে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান নিহত হন। বহুল আলোচিত এ হত্য...
18/07/2026

১৯৮১ সালের ৩০ মে, সেনাবাহিনীর কতিপয় সদস্যের হাতে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান নিহত হন। বহুল আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কাহিনি তখন পর্যন্ত ছিল গোপনীয়তার আবরণে ঢাকা। বিভিন্ন সূত্র থেকে সংগৃহীত জানা-অজানা বহু তথ্যের সমাবেশে এই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন সাউথ এশিয়ান মনিটরের সম্পাদক ও অধুনালুপ্ত প্রোব নিউজের প্রধান সম্পাদক ইরতিজা নাসিম আলী। ১৯৯৪ সালের ৩০ মে থেকে প্রতিবেদনটি আট পর্বে ধারাবাহিক ছাপা হয়েছিল মতিউর রহমান সম্পাদিত তৎকালীন দৈনিক ভোরের কাগজে। লেখকের অনুমতি নিয়ে আজকের পত্রিকার পাঠকদের জন্য প্রতিবেদনটি আবার প্রকাশ করা হলো। আজ তৃতীয় কিস্তি।

৩০ মে সকাল ১০টা। প্রেসিডেন্ট জিয়া নিহত হয়েছেন এ খবর জনসাধারণ সবেমাত্র জানতে শুরু করেছে। তবুও সার্কিট হাউসের আশপাশে কৌতূহলী জনতা দেখা গেল না। সকালের দিকে খবর পেয়ে জেলা কমিশনার, পুলিশ কমিশনার, বিভাগীয় কমিশনার এবং নৌবাহিনী প্রধান ঘটনাস্থল এক ঝলক দেখে গিয়েছেন মাত্র।

সারা রাত যেখানে যেভাবে ছিল সেভাবেই পড়ে আছে মৃত দেহগুলো। কর্নেল মতিউর মেজর মোজাফফরকে বললেন, রাঙামাটির দিকে কোনো এক পাহাড় থেকে জিয়ার মৃতদেহ নিচে ফেলে দেওয়ার জন্য। ইতস্তত করছিলেন মেজর মোজাফফর। কর্নেল মতি বললেন, ‘জিয়াকে কবর দিয়ে আমরা তাঁকে জাতীয় বীর তৈরি করতে চাই না। সুতরাং যেভাবে আপনাকে বলছি তাই করুন।’ কোনো কথা না বলে বেরিয়ে গেলেন মেজর মোজাফফর।

সকাল ১০টার কিছু পর পরই একটা জিপ ও একটা পিকআপসহ সার্কিট হাউসে পৌঁছলেন মেজর মোজাফফর। সকালের আলোয় গুলিতে ঝাঁজরা হয়ে যাওয়া মৃতদেহগুলো দেখলেন। রক্তে ভেসে আছে দোতলায় ওঠার সিঁড়ির মুখটা। ৮/১০টা মৃতদেহ পড়ে আছে সেখানে। কয়েকজন সিপাইসহ মোজাফফর সোজা উঠে গেলেন দোতলায়। আধখোলা দরজার ভেতরে পড়ে আছে প্রেসিডেন্ট জিয়ার মৃতদেহ। একটা ম্যাগাজিনে থাকা সব গুলিই আঘাত করেছে জিয়ার দেহকে। উপুড় হয়ে পড়ে থাকা দেহের পাশে কার্পেট ভিজে কালচে রং ধারণ করেছে।

বারান্দার দিকে তাকালেন মেজর মোজাফফর, সেখানে পড়ে আছে আরও দুটো মৃতদেহ। কাছে গিয়ে চিনতে পারলেন একজন লে. কর্নেল আহসান আর অন্যজন তাঁর অত্যন্ত কাছের মানুষ ক্যাপ্টেন হাফিজ। বুকের ভেতর কেমন জানি একটু মুচড়ে উঠল। মনের আবেগ ঝেড়ে ফেললেন তাড়াতাড়ি। সোজা হেঁটে চলে গেলেন প্রেসিডেন্টের ঘরের দিকে।

হাতের কাছে মৃতদেহ জড়ানোর কিছু না পেয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন বিছানার চাদর দিয়েই আপাতত কাজ সারতে হবে। দরজার কাছে পড়ে থাকা জিয়ার মৃতদেহকে বাধ্য হয়ে টপকাতে হলো তাঁকে। ঘরে ঢুকে তাকালেন চারদিকে। খাটের ওপর মশারি ফেলা, ডান ধারে একটা সোফা। একটা নীল রঙের টেলিফোন এলোমেলো হয়ে পড়ে আছে মেঝেতে।

বিছানার চাদরগুলো টেনে নিলেন মেজর। কয়েকজন সিপাইয়ের সহায়তায় লাশগুলো চাদর দিয়ে জড়িয়ে নিলেন। এরপর সেনাবাহিনীর গ্রাউন্ড সিট দিয়ে মুড়ে দিলেন। দোতলা থেকে ধরাধরি করে লাশগুলো নিয়ে নিচে নামল সিপাইরা। তোলা হলো পিকআপে। সার্কিট হাউসের গেট দিয়ে জিপ আর পিকআপটা বেরিয়ে গেল রাঙ্গুনিয়ার পথে। লাশ বহনকারী গাড়িগুলো এগিয়ে চলছে আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথ দিয়ে। গত রাতের বৃষ্টিতে ভেজা পাহাড়গুলোর ওপর পড়েছে সকালের রোদ। চলন্ত গাড়িতে বসে সেই দৃশ্যই দেখছিলেন মেজর মোজাফফর।

হঠাৎ মনে পড়ে গেল অতীতের দুটো ঘটনার কথা। ১৯৭৫-এর ৩ নভেম্বর পাল্টা অভ্যুত্থানের পর দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া ফারুক-রশীদ দীর্ঘদিন পর্যন্ত ক্যু-এর আশঙ্কায় ব্যস্ত রেখেছিলেন জিয়াউর রহমানকে। ১৯৭৬-এর ২০ এপ্রিল ঢাকা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায় কর্নেল রশীদ। আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী ফারুকও সিঙ্গাপুর থেকে এসে চলে যায় সাভারে। সেখানে তাঁর সমর্থিত প্রায় দুই হাজার সৈন্য তাঁকে অভ্যর্থনা জানায়, কণ্ঠে ছিল তাঁদের ‘ফারুক জিন্দাবাদ’ ধ্বনি।

ঢাকা আসার দুদিন পর ২৭ এপ্রিল বগুড়া সেনানিবাসে ফারুকের সমর্থক বেঙ্গল ল্যান্সারের সৈনিকেরা খবর পাঠায় যে ফারুককে বগুড়া না পাঠালে তাঁরা ট্যাংক বহর নিয়ে ঢাকার দিকে রওনা দেবে। এর ফলে অনেকটা বাধ্য হয়েই জিয়া ফারুককে বগুড়া যেতে অনুমতি দেন। এদিকে সাভার ক্যান্টনমেন্টের অবস্থারও অবনতি হতে থাকে।

মেজর জেনারেল মঞ্জুর ডেকে পাঠালেন মেজর মোজাফফরকে। সাভার ও বগুড়ার পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে তাঁকে নিয়ে গেলেন প্রেসিডেন্ট জিয়ার কাছে। জিয়া মোজাফফরকে জিজ্ঞেস করলেন, এ অবস্থা কীভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা যায়। মোজাফফর তখন আর্মি হেড কোয়ার্টারে স্টাফ ক্যাপ্টেন। রক্ষীবাহিনীকে কিছুদিন আগেই সেনাবাহিনীতে মার্জ করা হয়েছে। রক্ষীবাহিনীর সিনিয়র অফিসার হিসেবে সেনাবাহিনীতে এসেছেন মোজাফফর।

সাভারে সেনাবাহিনীতে অবস্থানরত রক্ষীবাহিনীর মনোভাব পর্যবেক্ষণের জন্য জিয়া সঙ্গে সঙ্গে মোজাফফরকে মিলিটারি ইন্টেলিজেন্সে অ্যাটাচ করলেন। মোজাফফর সাভারে পৌঁছে অত্যন্ত সততার সঙ্গে রক্ষীবাহিনীর অবস্থান দৃঢ় করেন যাতে বিদ্রোহী গ্রুপকে প্রতিহত করা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পরবর্তীকালে রশীদ ও ডালিমকে গৃহবন্দী করে দেশের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। অন্যদিকে বগুড়া সেনানিবাসে জিয়ার অনুগত ব্রিগেডিয়ার হান্নান শাহ (তৎকালীন কর্নেল) ফারুকের সমর্থক বেঙ্গল ল্যান্সারকে নিরস্ত্র করেন। এদিকে ডালিম-রশীদের দেশ ছাড়ার খবর পেয়ে ফারুকও হতাশ হয়ে পড়লেন।

ফারুকের বোন ও বাবাকে হেলিকপ্টারে বগুড়া পাঠিয়ে আত্মসমর্পণ করতে রাজি করানো হয়। ফারুক আত্মসমর্পণ করলে পরে তাঁকে বিদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয় এবং একই সঙ্গে বেঙ্গল ল্যান্সারকে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। প্রথম অভ্যুত্থান থেকে বেঁচে যান জিয়াউর রহমান।

এর পরের ঘটনা—১৯৭৭-এর ২৫ সেপ্টেম্বর জিয়াউর রহমান কায়রো যান। সেখানে আনোয়ার সাদাত জিয়াকে জানান, বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট এবং ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের হত্যা করার একটা পরিকল্পনার কথা কায়রো গোয়েন্দা বিভাগ যেকোনোভাবে জানতে পেরেছে। আর কদিন পর বাংলাদেশ বিমানবাহিনী অফিসার্স মেস উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিদ্রোহী সৈনিকেরা অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জিয়াকে হত্যা করার জন্য চক্রান্তের বিষয়টিও তিনি জানলেন কায়রো থেকে। এরপর জিয়া দেশে ফিরে ২৭ সেপ্টেম্বরের অনুষ্ঠানে যাননি। ওই দিনই রেড আর্মি জাপানের একটি ডিসি-৮ বিমান ছিনতাই করে ঢাকা বিমানবন্দরে অবতরণ করলে সেই সুবাদে অফিসার্স মেস উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়।

২ অক্টোবর ১৯৭৭। মেজর মোজাফফর তখন ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ৮ম বেঙ্গল রেজিমেন্টের কমান্ডিং অফিসার। রাত দেড়টার সময় প্রচণ্ড গোলাগুলির আওয়াজে জেগে উঠলেন তিনি। টেলিফোন তুলে যোগাযোগ করলেন ৪৬ ব্রিগেডের ব্রিগেডিয়ার আমিনের সঙ্গে। জানতে পারলেন আর্মি সিগনাল ব্যাটালিয়ন বিদ্রোহ করেছে। কুর্মিটোলা এয়ারবেসের সৈনিকেরাও তাঁদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে।

একটুও অপেক্ষা না করে এক কোম্পানি ট্রুপস নিয়ে মেজর মোজাফফর পজিশন নিলেন বনানী গেটে। তাঁর নির্দেশে আরেক ট্রুপ ইতিমধ্যেই জিয়ার বাসস্থানে অবস্থান নিয়েছে।

মেজর মোজাফফরের বিচক্ষণতায় সেবারের মতো রক্ষা পেলেন প্রেসিডেন্ট জিয়া। পরের দিন এরশাদকে সঙ্গে নিয়ে সশরীরে উপস্থিত হলেন জিয়া ৮ম বেঙ্গল রেজিমেন্টে। ধন্যবাদ জানালেন মোজাফফরকে।
..লাশবাহী গাড়ির বহর এগিয়ে চলেছে। মেজর মোজাফফর ফিরে এলেন বর্তমানে। কর্নেল মতিউরের পাহাড় থেকে লাশ ফেলে দেওয়ার বিষয়টিতে কেন যেন সায় দিচ্ছিল না মন। হঠাৎ করেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন জিয়াকে স্বাভাবিকভাবেই কবর দেবেন তিনি।

কাপ্তাই রোডে পাথরঘাটা নামে ছোট্ট একটা গ্রাম। এক টুকরো সমতল ভূমির পাশে দাঁড়িয়ে থাকা দুটো খেজুর গাছ। জায়গাটা পছন্দ হলো মেজর মোজাফফরের। ভাবলেন খেজুর গাছ দুটো অন্তত কবরের নিশানা জানাবে। ডেকে আনলেন স্থানীয় মাদ্রাসার এক ইমামকে। তাঁকে জানালেন পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি বাহিনীর হাতে প্রাণ হারিয়েছেন তিনজন সামরিক অফিসার। তাঁদের তিনি এখানে দাফন করতে চান। যথারীতি জানাজা হলো। একটা বড় কবর খুঁড়ে দাফন করা হলো প্রেসিডেন্ট জিয়াসহ আরও দুজনের লাশ একসঙ্গে।

গাড়ি দুটো আবার ফিরতে শুরু করল চট্টগ্রামের দিকে। সূর্য তখন পশ্চিমে হেলে পড়তে শুরু করেছে।

18/07/2026

ইউনিয়ন সমাজকর্মী (১৬তম গ্রেড) ৩১২ টি পদের জন্য আবেদন করেছে ১২ লাখ ৩৪ হাজার ৪০৯ জন। 🙁

ময়মনসিংহ নগরীর পাটগুদাম ব্রিজ এলাকায় মধ্যরাতে পরিবহন থেকে চাঁদা আদায়ের সময় জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের দুজনকে হাতেনাতে ধরে প...
18/07/2026

ময়মনসিংহ নগরীর পাটগুদাম ব্রিজ এলাকায় মধ্যরাতে পরিবহন থেকে চাঁদা আদায়ের সময় জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের দুজনকে হাতেনাতে ধরে পুলিশে দিয়েছে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক রুকুনোজ্জামান সরকার রোকন।

ঈমানের দাবি ও দ্বীনের স্বার্থে জামায়াত উলামায়ে কেরামের ঐক্য সমুন্নত রাখতে চায়।নবীগণ মানবজাতির মধ্যে সর্বোত্তম ও সর্বশ্রে...
18/07/2026

ঈমানের দাবি ও দ্বীনের স্বার্থে জামায়াত উলামায়ে কেরামের ঐক্য সমুন্নত রাখতে চায়।

নবীগণ মানবজাতির মধ্যে সর্বোত্তম ও সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ। তাঁরা সদা নিষ্পাপ, এতে কোন সন্দেহ নেই। ঠিক তেমনি করে রাসুলুল্লাহ (সা.) এর সাহাবীগনের আদালত বা ন্যায়পরায়নতার নীতি ধারণ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ঈমানের দাবি ও দ্বীনের স্বার্থে জামায়াত উলামায়ে কেরামের ঐক্য সমুন্নত রাখতে চায়।

রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র কাটাবন সেন্টারে আজ শনিবার সকালে উলামা বিভাগ ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে আয়োজিত দেশবরেণ্য আলেমদের সমন্বয়ে “ইসমতে আম্বিয়া ও আদালতে সাহাবা” শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় উলামা বিভাগীয় কমিটির সভাপতি মাওলানা আব্দুল হালিম প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

Address

Morrelgonj, Bagerhat, Khulna, Bangladesh
Bagerhat Town
9320

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Masum - মাসুম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share