বড়ঘিঘাটি পাবলিক লাইব্রেরী - Boroghighati Public Library

বড়ঘিঘাটি পাবলিক লাইব্রেরী - Boroghighati Public Library The Library of Times..

11/03/2015

সবার কাছে অনুরোধ লেখাটি মনোযোগ সহকারে পড়বেন...শেয়ার করবেন।
মাহমুদ আহমেদিনেজাদ: কামারের ছেলে থেকে ইরানের প্রেসিডেন্ট
বিশ্বের প্রতিটি দেশেই একজন করে শাসনকর্তা রয়েছেন। একটি রাষ্ট্রের প্রধান ব্যক্তি হিসেবে সারা বিশ্বজুড়েই তারা স্বাভাবিকভাবে পরিচিতি লাভ করেন। কিন্তু সবাই সমানভাবে পরিচিতি লাভ করেন না। নির্বাচিত হওয়ার কিছুদিন পরই মানুষ তাদের ভুলে যান। কিন্তু সবাইকে মানুষ ভুলে যায় না। এমন অনেক দেশের শাসনকর্তা রয়েছেন যারা যুগ যুগ ধরে মানুষের হৃদয়ে থাকবেন। এমনই একজন হচ্ছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমেদিনেজাদ।
ধরুন আপনি একটি শহরের মেয়র। তাহলে আপনি কি করবেন? নিশ্চয়ই সকাল বেলা দামী গাড়িতে করে অফিসে এসে এসি রুমে বসে সারাদিন অফিস করবেন আর দিনশেষে আবার দামী গাড়িতে করে বাসায় যাবেন। কিন্তু শুনে অবাক হতে হয় যে, মাহমুদ আহমেদিনেজাদ যখন তেহরানের মেয়র ছিলেন তখন তিনি নিজ হাতে তেহরানের রাস্তা ঝাড়ু দিতেন। আমাদের দেশে এরকমটি হলে সেটি সপ্তম আশ্চর্যের অন্যতম দাবীদার। আমাদের দেশে কেনো বিশ্বের আর কোনো দেশে এমন নজিড় আছে কিনা সে বিষয়ে সন্দেহ রয়েছে।
কে এই আহমেদিনেজাদ?
আহমেদিনেজাদ এর বাবা ছিলেন একজন সামান্য কামার। এটা তেমন কোনো আশ্চর্যজনক তথ্য নয়। বিশ্বে এরকম আরও অনেক ভুরি ভুরি তথ্য রয়েছে। তবে কামারের ছেলে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরও তিনি নিজেকে অর্থলোভী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন নি এ রকম উদাহরণ বাইনোকুলার দিয়ে খুঁজে আরও দু একটি পাওয়া যেতে পারে। ১৯৭৯ সালে ইরানের যে হাজার হাজার ছাত্র আমেরিকান দূতাবাস আক্রমণ করে ৫৩ জন কূটনীতিক কে বন্দী করে আহমেদিনেজাদ ছিলেন তাদের মধ্যে একজন। মাহমুদ আহমেদিনেজাদ পেশায় একজন পিএইচডি ধারী সিভিল ইঞ্জিনিয়ার। এছাড়াও তিনি ছিলেন তেহরান ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির অধ্যাপক, রাজধানী তেহরানের মেয়র এবং ইরান রেভলুশনারি গার্ড এর প্রধান। ইরানের ষষ্ট প্রেসিডেন্ট হিসেবে ২০০৫ – ২০১৩ মেয়াদে তিনি নির্বাচিত হন।
জন্ম:
মাহমুদ আহমেদিনেজাদ ১৯৫৬ সালের ২৮ আক্টোবর সেমনান প্রদেশের গারমশার নামক এক প্রত্যন্ত গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। খুব গরিব পরিবারে জন্মগ্রহন করেন তিনি।তার বাবা ছিলেন পেশায় একজন কামার আর মায়ের নাম খানম। মায়ের উপাধি ছিল সাইয়েদা যা শুধু মাত্র মুহাম্মদ (সা ) এর বংশধর হলেই এই উপাধিতে ডাকা হয়।
শিক্ষা জীবন:
আহমেদিনেজাদের বয়স যখন চার বছর তখন তার বাবা জীবিকার সন্ধানে পরিবারসহ তেহরানে চলে আসেন। সেখানেই আহমেদিনেজাদের স্কুল জীবন শুরু। ১৯৭৬ সালে আহমেদিনেজাদ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেন এবং তিনি ৪০০,০০০০ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৩২তম স্থান দখল করেন। তিনি ইরান ইউনিভার্সিটি অ্যান্ড টেকনোলোজিতে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এ ভর্তি হন এবং ১৯৯৭ সালে তিনি ট্রান্সপর্টেশন ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড প্লানিংয়ে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেন।
একেবারেই সাদামাটা জীবনযাপন:
প্রেসিডেন্ট হবার আগে তার জীবনযাপন যেমনটি ছিল এখনও ঠিক তেমনটিই রয়েছে। আভিজাত্য তাকে কখনও স্পর্শ করতে পারে নি। প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর বিলাসবহুল এক বাড়ি তার জন্য অপেক্ষা করছিল কিন্তু সেই বাড়িকে তুচ্ছজ্ঞান করে পৈতৃক সূত্রে পাওয়া বস্তির সেই দুই রুমের ছোট্ট বাড়িতেই বসবাস করতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু নিরাপত্তার কারনে সরকারের কর্মকর্তাগণের অনুরোধে তিনি প্রেসিডেন্ট ভবনেই বসবাস করেন তিনি। তার নিজের বাড়িতে যে আসবাবপত্র রয়েছে তা আমাদের দেশের অনেক কেরানির বাড়িতেও এর চাইতে ভালো আসবাবপত্র রয়েছে। তার বাসায় কয়েকটি কাঠের চেয়ার ছাড়া আর কোনও আসবাবপত্র নেই। তাহলে ঘুমায় কোথায়? ঘুমানোর জন্য রয়েছে মাটির বিছানা। প্রেসিডেন্ট ভবনেও তিনি ফ্লোরে কার্পেটের উপর ঘুমাতেন।
প্রেসিডেন্টের ছেলের বিয়েতে পোলাও-কোরমা নেই!
ভাবতে অবাক লাগে একটি দেশের প্রেসিডেন্টের ছেলের বিয়ে। সেখানে হাজার হাজার লোক আমন্ত্রিত হবে, কোরমা-পোলাও দিয়ে আপ্যায়ন করা হবে। কিন্তু হাজার তো দূরের কথা দাওয়াত দিয়েছিলেন মাত্র ৪৫ জন অতিথিকে। আর পোলাও-কোরমা তো কোনো ছাড়। অতিথিদের আপ্যায়নের কোনো ব্যবস্থাই ছিল না। শুধুমাত্র কমলা, আপেল, কলা ও ছোট এক টুকরো কেক দিয়ে অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয়েছিল। অবাক হওয়ার কিছু নেই। কারণ এর চেয়ে বেশি অতিথি দাওয়াত করে ওই ফলটুকুও খাওয়ানোর সামর্থ্য তার নেই।
ব্যক্তিগত সম্পত্তির পরিমাণ ও সংসার খরচ:
তিনি ইরানের সরকার প্রধান তারপরও ব্যক্তিগত সম্পত্তি বলতে তার আছে তেহরানের বস্তিতে অবস্থিত ছোট্ট একটি বাড়ি, যা ৪০ বছর আগে তিনি তার বাবার কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছিলেন। বাড়িটির নাম Peugeot 504. শুনলে অবাক লাগে তার ব্যাংক একাউন্টে বেতনের জমানো কিছু টাকা ছাড়া আর কোনও সম্পদ নেই। বেতন হিসেবে তিনি তেহরান ইউনিভার্সিটি থেকে মাত্র ২৫০ ইউ এস ডলার পান। তিনি রাষ্ট্রের প্রধান অথচ রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য রাষ্ট্র থেকে তিনি কোনও টাকা নেন না। তিনি ইউনিভার্সিটি থেকে প্রাপ্ত বেতনের টাকা দিয়ে সংসার পরিচালনা করেন।
নিতান্তই সাদামাটা একজন মানুষ:
সময়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আহমেদিনেজাদ সকাল ৭ টায় অফিসে যান। স্ত্রীর হাতে বানানো সাদামাটা নাস্তা খেয়েই রওনা হন অফিসের দিকে। যাওয়ার সময় সাথে করে কালো ব্যাগে করে নিয়ে যান দুপুরের খাবার। দুপুরে অফিসে সবার সামনে মেঝের কার্পেটে বসে সেই খাবার খান। দিনের একটা উল্লেখযোগ্য সময় তিনি বাসার দারোয়ান, পথচারী ও সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে কাটান এবং তাদের সাথে সুখ-দুঃখ শেয়ার করেন।
প্রতিদিন মাত্র ৩ ঘন্টা ঘুমান!
আহমেদিনেজাদের দিন শুরু হয় ভোর ৫ টায় এবং শেষ হয় রাত ২ টায়। মাঝখানের এই ৩ ঘন্টা সময় তিনি ঘুমান। বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে। তারপরও যে মানুষটি প্রেসিডেন্ট হয়ে ছেড়া জামা পড়ে অফিসে যেতে পারেন, বস্তিতে থাকতে পারেন তার পক্ষে কোনো কিছুই অসম্ভব নয়। প্রতিদিন সকাল ৫ টায় ফজরের নামায পড়ে কাজ শুরু করেন আর রাত ২ টায় এশার নামায ও ব্যক্তিগত স্টাডি শেষ করে ঘুমাতে যান। এই লোকটি কখনও নামায বাদ দেন না। রাস্তায় থাকাকালে নামাযের সময় হলে তিনি রাস্তায় ছোট্ট কাপড় বিছিয়ে সেখানেই নামায আদায় করে নেন। রাষ্ট্রীয় সব বড় বড় নামাযের জামাতে তিনি সব সময় পিছনের সারিতে সাধারণ মানুষের সাথে বসতে ভালবাসেন। তিনি তার নিজের জীবন নিয়েও শঙ্কিত থাকে না। সেজন্য অধিকাংশ সময় সামরিক বাহিনী ছাড়াই তিনি চলাফেরা করেন। তিনি মনে করেন মহান আল্লাহ তার সর্বোত্তম দেহরক্ষী।
রাজনৈতিক জীবন:
আহমেদিনেজাদ রাজনীতিতে আসেন ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামী বিপ্লবের পরপরই। ২০০৩ সালে মেয়র নির্বাচিত হন তেহরানের। এরপর ক্রমশ এগিয়ে যান তিনি। দুই বছর তেহরানের মেয়র থাকার পর ২০০৫ সালে ব্যাপক জনসমর্থন নিয়ে আহমাদিনেজাদ ক্ষমতায় আসেন। ২০০৯ সালে দ্বিতীয় দফায় নির্বাচিত হন। প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরপরই তিনি তার অফিসে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনেন। প্রেসিডেন্ট ভবনের দরজা-জানালা খুলে দেয়া হয় সাধারণের জন্য। প্রেসিডেন্ট অফিসে সপ্তায় পাঁচ দিন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত সাধারণ ইরানিদের চিঠি গ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়।
প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েই প্রেসিডেন্ট ভবনের দামি কার্পেটগুলো তেহরাণের মসজিদে দান করে দেন। এরপরিবর্তে সাধারণ মানের কার্পেট বিছানো হয় প্রেসিডেন্ট ভবনে। প্রেসিডেন্ট ভবনের ভিআইপি অতিথিশালাও বন্ধ করে দেয়া হয়। একটি সাধারণ ঘরেই ভিআইপিদের সঙ্গে বৈঠকের ব্যবস্থা রাখা হয়।
প্রেসিডেন্ট পদ থেকে বিদায় গ্রহণ:
৩ আগস্ট, ২০১৩ ইরানের প্রেসিডেন্ট পদ থেকে বিদায় নেয়ার আগেও ইতিহাস তৈরি করে গেলেন আহমেদিনেজাদ। ইরানের বিচার বিভাগের প্রধান আয়াতুল্লাহ সাদেক লারিজানির কাছে লেখা এক চিঠিতে আট বছরে অর্জিত সম্পদের হিসাব দিয়ে যান তিনি। যে হিসাবে দেখা যায়, ২০০৫ সালে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর তার সম্পদে যে পরিবর্তন এসেছে, তা হলো- তিনি তার পুরোনো বাড়িটি পুনর্নিমাণ করেছেন। তবে বাড়িটি পুনর্নিমাণের জন্য তিনি ব্যাংক ও প্রেসিডেন্ট দপ্তরের ফান্ড থেকে ঋণ নেন। প্রেসিডেন্টের দপ্তরের ফান্ড ও ব্যাংক থেকে বাড়ি নির্মাণের জন্য অসংখ্য মানুষ ঋণ নিয়েছেন। প্রেসিডেন্টও সাধারণ একজন নাগরিক হিসেবে সেই ঋণ নিয়েছেন। ঋণ নেয়ার ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট হিসেবে কোন ধরনের প্রভাব খাটাননি। একইসঙ্গে বাড়ি পুনর্নিমাণের ক্ষেত্রে তার স্ত্রী, সন্তান ও স্বজনরাও সহযোগিতা করেছেন। পুনর্নিমিত দুই তলা ভবনে চারটি ফ্লাট রয়েছে। ওই ভবনেই তিনি ও তার স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে বসবাস করবেন। যে জমিতে বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে, সেটার আয়তন মাত্র ১৭৫ বর্গমিটার। জমিটুকু বাবার কাছ থেকে পাওয়া।
পরিশেষে:
বর্তমান সময়ে বিশ্বে ইরানের অবস্থান কোথায় তা আমরা সকলেই জানি। এই সাদামাটা একজন মানুষই ইরানকে এই অবস্থানে নিয়ে গেছেন। কিন্তু তিনি এখন আর ইরানের প্রেসিডেন্ট নন। তাহলে কি ইরানের জনগণ তাকে ভোট দেননি? না সেরকম নয়। সম্ভব হলে ইরানের জনগণ তাকে সারাজীবন প্রেসিডেন্ট করে রাখতো। ইরানের আইনে পরপর দুইবার প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর তৃতীয়বার সে আর প্রার্থী হতে পারেন না। সারা বিশ্বের শাসনকর্তাদের জন্য তিনি একজন রোল মডেল। তার গুণের ৫% যদি অনুন্নত অন্য কোনো দেশের প্রেসিডেন্টের মধ্যে থাকে তাহলে সেই দেশ উন্নতি কেউ ঠেকাতে পারবে না বলে বিশ্বাস করি।

10/03/2015

The Library of Times..

10/03/2015

1) Yahoo! : আবিস্কার হয় March 1994.
2) Amazon : আবিস্কার হয় 1994.
3) Google : আবিস্কার হয় Sept 4, 1998.
4) Tencent QQ : আবিস্কার হয় February 1999.
5) Baidu : আবিস্কার হয় Jan 1, 2000.
6) Wikipedia : আবিস্কার হয় Jan 15, 2001.
7) Facebook : আবিস্কার হয় Feb 4,2004.
8) YouTube : আবিস্কার হয় Feb 14, 2005.
9) Windows Live : আবিস্কার হয় Nov 1, 2005.
10) Twitter : আবিস্কার হয় March 21, 2006. (৩৫তম বিসিএস)

28/02/2015

এক বনে একটি কাক বাস করতো এবং তার জীবন নিয়ে সে মোটামুটি সন্তুষ্ট ছিল ।

কিন্তু এক দিন কাকটি উড়তে উড়তে একটি লেকের পারে যায়,
সেখানে সে একটি সাদা রাজ হাসের
দেখা পায় । এতে সে মনে ভীষন কষ্ট পায় আমি কত কালো !
এতে সে নিজেকে অসুখী মনে করে ।

কাক রাজহাসকে বলে তুমি দেখতে কত সুন্দর তোমার গায়ের রং কত সাদা তুমি কি বিশ্বের সব চেয়ে সুখী পাখি __?

রাজ হাস চিন্তা করে দুঃখের সাথে উত্তর
দেয় " না " আমার তো মাত্র একটা রং ! আমার মনে হয় তোতাপাখি বিশ্বের সব
চেয়ে সুখী পাখি তার গায়ে দুইটা রং ।

লেকের ধারে ঝোপেই ছিল তোতাপাখির বাসা " কাক তাকে প্রশ্ন করল ? তুমি কত সুন্দর তোমার গায়ে দুই রংগের আলপনায় তোমাকে কত ভালো লাগছে নিশ্চয় তুমি বিশ্বের সব চেয়ে সুখী পাখি ?

তোতা পাখি হতাশ কন্ঠে বলে আমার
তো শুধুমাত্র দুটি রং আছে, কিন্তু ময়ুরের
একাধিক রং আছে. আমার মনে হয় সেই
বিশ্বের সব চেয়ে সুখী পাখি ___?!

তারপর কাক চিড়িয়াখানা যান এবং খাচায় বন্ধী একটি ময়ুর দেখতে পান এবং খাচার সামনে শত শত মানুষ ছিল
যারা তাকে দেখতে ছিল । এক সময় মানুষ গুলো চলে যায় তখন কাক ময়ুরের কাছে যেয়ে প্রশ্ন করে
"প্রিয় ময়ুর,"।তুমি এত সুন্দর !!, .

প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ তোমাকে দেখার জন্য এখানে আসে অথচ দেখুন
মানুষ আমাকে দেখলেই, তারা অবিলম্বে আমাকে দূরে তাড়াই। আমার মনে হয় তুমিই বিশ্বের সব চেয়ে সুখী পাখি ___??

ময়ুর দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছেড়ে বলে আমি সবসময় বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর এবং সুখী পাখি নিজেকে মনে করতাম ।
কিন্তু আমার সৌন্দর্যের কারনেই আমি এই চিড়িয়াখানা মধ্যে বন্ধী আছি । আর
খাঁচায় বন্ধীথাকা পাখি আর পাখি থাকে না এটা কি তুমি উপলব্ধি করতে পার !!
""
কাক এবার মনের আনন্দে আকাশে উড়ে চললো আর মনে মনে চিন্তা করল" হোক না আমি কালো তাতে কি আমি যে মনের আনন্দে নীল আকাশে উড়ে বেড়াচ্ছি এর চেয়ে বড় সুখ আর কি হতে পারে ""

আমাদের সমস্যা. আমরা অন্যদের
সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় তুলনা করি ।
আল্লাহ আমাদের যা দিয়েছেন, তার
মূল্যায়ন না করে কি পেলাম না এসব ভেবে , কষ্ট পাই ও দু:খিত হই এবং নিজেদের অসুখী করি ।

আমরা যদি এর পরিবর্তে আমার যা আছে তাই নিয়ে এ খুশি থাকি সন্তুষ্ট
থাকি তবে আপনিই হবেন বিশ্বের হ্যাপিয়েস্ট ব্যক্তি বা সুখী ব্যক্তি,,,,,,,,,,

20/02/2015

অতীত হচ্ছে একজন মানুষের সবচেয়ে ভাল শিক্ষক

বিল গেটস একটি রেস্টুরেন্টে খেতে গেছে খাওয়ার পর বিল গেটস ওয়েটারকে ৫ ডলার বকশিস দিল…

বকসিস পেয়ে ওয়েটার বিল গেটস এর দিকে হা করে তাকিয়ে রইল…. ওয়েটারের কাণ্ড দেখে বিল গেটস জিজ্ঞেস করল “কি হয়েছে? আমার দিকে এভাবে তাকিয়ে আছ কেন?

ওয়েটার বলল “স্যার গতকাল আপনার ছেলে এইখানে নাস্তা করার পর আমাকে ১০০ ডলার বকসিস দিয়েছেন আর আপনি তার বাবা এবং এত বড় ধনী হয়ে আমাকে মাত্র ৫ ডলার দিলেন?”

বিল গেটস হেসে ওয়েটারকে বলল “সে হচ্ছে বিশ্বের এক নম্বর ধনী মানুষের ছেলে আর আমি হচ্ছি একজন কাঠুরিয়ার ছেলে”

Moral: কখনো আপনার অতীতকে ভুলে যাবেন না অতীত হচ্ছে একজন মানুষের সবচেয়ে ভাল শিক্ষক….;

18/02/2015

মেন্ডেলিয়ান ইনহেরিটেন্স
গ্রিক শব্দ gen থেকে genetics এর উৎপত্তি।
gen=প্রকাশ পাওয়া(to became বা উদ্ভুত
হওয়া)।পিতামাতার আকৃতি ও প্রকৃতিগত
বৈশিষ্ট্যাবলী যে প্রক্রিয়ার
বংশানুক্রমে সন্তান-সন্ততির
দেহে সঞ্চারিত হয়
তাকে বংশগতি(heredity)বলে।
এভাবে বংশানুক্রমে সঞ্চারনের
ফলে পিতা ও মাতার সাথে যেমন সাদৃশ্য
দেখা যায় তেমনি কিছু বৈসাদৃশ্য পরিলক্ষিত
হয়।একই প্রজাতির দুটি সদস্য এমনকি সহোদর
ভাই বোনের মধ্যেও সূক্ষ্ম পার্থক্য বিদ্যমান।
নিকট সম্পর্কীয় জীবের
মধ্যে বৈসাদৃশ্যকে ভেরিয়েশন বা প্রকরণ
বলে।বংশগতি বা প্রকরণ জীবের নতুন
প্রজাতি গঠনে ভূমিকা পালন করে।
মেন্ডেলের
সূত্র
সমূহ
মেন্ডেলের
সাধারণ
দুটি সূত্র
আছে।
একটি হল
“একজোড়া বিপরীত
বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন
দুটি জীবের
মধ্যে প্রজননে সৃষ্ট
সঙ্কর জীবে বিপরীত বৈশিষ্ট্যের
জীনগুলো পরস্পরের মিশ্রিত না হয়ে পরস্পর
পাশাপাশি অবস্থান
করে এবং পরবর্তী গ্যমিট উৎপাদনের সময়
ভিন্ন ভিন্ন গ্যামিটে প্রবেশ করে।”
মেন্ডেলের প্রথম সুত্রের জীন ত্বাত্ত্বিক
ব্যাখ্যা
আমরা যদি মানুষ
যদি বিবেচনা করি তাইলে গায়ের রঙ
হিসেবে বিবেচনা করলে দুই ভাগে ভাগ
করতে পারবো। মনে রাখতে হবে যে সাদা রঙ
শক্তিশালী এবং কালো রঙ হালকা।
কিন্তু এ সাদা কালো কেন হয়? জ্বীনের
ভেতরে তথ্য থাকে আপনি সাদা হবেন
নাকি কালো হবেন।এখন
আমরা সাদা জ্বিনকে W
এবং কালো জিনকে b দ্বারা প্রকাশ করি।
আপনারা হয়তো প্রশ্ন করতে পারেন যে W
টা বড় হাতের কিন্তু b টা ছোট হাতের কেন
লিখলাম?? এর কারণটা হচ্ছে b
জিনটা প্রচ্ছন্ন অর্থাৎ দুর্বল।কিন্তু জ্বীনের
মধ্যে সাদা কালো আবার তিনপ্রকারঃ
1. খাঁটি সাদা(WW)
2. সঙ্কর সাদা(Wb)
3. কালো(bb)
তাহলে একজন মানুষের ভেতর কালো রঙের
দায়ী জিন থাকলেই যে সে কালো হবে এমন
কোন কথা নেই তার ভেতর একাধিক
কালো জিন থাকলেই সে কালো হবে। কিন্তু
সাদা রঙের জন্য দায়ী জিন মাত্র
একটি থাকলেই সে সাদা হবে। অর্থাৎ
আমরা বাইরে থেকে কালো সাদা যা দেখি তাকে ফেনোটাইপ
ও ভিতরে যে কোড
থাকে সেটা জ্বীনোটাইপ বলে।এখন
আমরা যদি দুইজন সঙ্কর সাদা (Wb) ছেলে ও
মেয়ের বিয়ে দিই তালে তাদের
সন্তানগুলো কেমন হবে তা নিম্নের
চেকারবোর্ড বা চার্ট থেকে দেখি।
এখানে সংকর সাদা মানে Wb
এখানে আপনি প্রথম
তিনজনকে একদসাথে দেখলে বুঝতে পারবেন
না এরা কি সংকর সাদা নাকি খাঁটি সাদা।
অর্থাৎ প্রথম তিনজনের ফিনোটাইপ একই
অর্থাৎ সাদা। কিন্তু জিনোটাইপ ভিন্ন।কিন্তু
চতুর্থ জনের জিনোটাইপ ও ফিনোটাইপ দুইটাই
কালো তালে এখানে জিনোটাইপিক অনুপাত
হবে ১:২:১ কিন্তু ফিনোটাইপিক অনুপাত
হবে সাদা:কালো=৩:১।
আশা করি বুঝতে পেরেছেন দুইজন সঙ্কর
সাদা (বাইরে থেকে দেখতে সাদা কিন্তু
ভিতরে জ্বীনোটাইপে কালো জিন আছে)
ব্যাক্তির মাঝে যৌনপ্রজনন
ঘটলে প্রতি চারজনে একজন
করে কালো হবে। এটি প্রথম জনু সন্তান বলে।
দেখা যাচ্ছে শুধু মাত্র প্রচ্ছন্ন জ্বীনের
দ্বিত ঘটলেই সেটী প্রকাশ পাচ্ছে তার
আগে নয়। ঠিক একইভাবে লম্বা-খাটো, মোটা-
চিকন এদের প্রত্যকের ক্ষেত্রেও মেন্ডেলের
এ সুত্র প্রজোয্য।এবার নিশ্চয়ই
বুঝতে পেরেছেন মা বাবা দুইজন
সাদা বা মোটা হওয়া স্বত্ত্বেও কেন চিকন
বা কালো সন্তানের জন্ম দেয়!!
এরপরের পর্বে আমরা f2 জনু এবং মেন্ডেলের
দ্বিতীয় সুত্র নিয়ে আলোচনা করব। এই
পোস্টটি যদি আপনাদের সামান্য জ্ঞান
বৃদ্ধিতে সাহায্য করে তবে কমেন্ট
করে আমাকে আরো লেখার জন্য উৎসাহিত
করবেন।

13/02/2015

সর্বশেষ Update কিছু তথ্য......
১। দেশের ৮ম বিভাগ হতে যাচ্ছে
=ময়মনসিংহ বিভাগ।।।
২। দেশের ৬৫তম জেলা হবে
= ভৈরব।।।
৩। দেশের ৩য় সমুদ্র বন্দর = পায়রা সমুদ্র বন্দর।।।
৪। বর্তমানে দেশে উপজেলার
সংখ্যা
=৪৮৯টি।।।
৫। বর্তমানে দেশে থানার
সংখ্যা =৬৩৬টি।।।
৬। বর্তমানে দেশে পৌরসভার
সংখ্যা
=৩১৯টি।।।
৭। বর্তমানে মাথাপিছু আয়
=১১৯০মার্কিন ডলার।।। ৮। জনসংখ্যার ঘনত্ব (প্রতি বর্গ
কিমি)
= ১০১৫ জন।।।
৯। দেশে বর্তমানে সচিব পদের
সংখ্যা
=১১০টি।।। ১০। জনপ্রশাসনে বর্তমানে জ্যেষ্ঠ
সচিবের সংখ্যা = ১২ জন।।।
১১। সম্প্রতি বাংলাদেশ বিমান
বহরে যুক্ত হওয়া নতুন
উড়োজাহাজের নাম
=রাঙাপ্রভাত।।। ১২। দেশে তৈরি প্রথম
যাত্রীবাহী স্টিমার
বা জাহাজের নাম = এম
ভি বাঙালি।।।
১৩। প্রস্তাবিত অটিস্টিক
একাডেমি স্থাপিত হবে = ঢাকার মহাখালীতে।।।
১৪। পদ্মা সেতু নির্মাণ করবে =
চায়না মেজর ব্রিজ
ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লি।।।
১৫। বাংলাদেশ ও ভারতের
সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির মামলা হয়
= স্থায়ী সালিশি আদালত
(নেদারল্যান্ডস)।।।
১৬। বাংলাদেশ-ভারতের সমুদ্র
সীমা নির্ধারণী মামলার রায় হয়
=৭ জুলাই ২০১৪. ১৭। বাংলাদেশ-ভারতের
মধ্যে বিরোধপূর্ণ সমুদ্রসীমার
মধ্যে = ১৯৪৬৭ বর্গ কি.মি.
বাংলাদেশ লাভ করে।।।
১৮। বর্তমানে দেশে গ্যাসক্ষেত্র
আছে =২৬টি.

12/02/2015

বিল গেটস এর কিছু উক্তি
১)
আমি ভার্সিটি লাইফে কয়েকটা সাবজেক্টে ফেল
করেছিলাম আর আমার এক বন্ধু সব
সাবজেক্টে পাস
করেছিলো। সে এখন
মাইক্রোসফট এর ইঞ্জিনিয়ার
আর আমি মাইক্রোসফট এর
প্রতিষ্ঠাতা।
------- বিল গেটস।
২) যদি আপনি গরীব
হয়ে জন্মগ্রহণ করেন
তবে সেটা আপনার ভুল নয়
কিন্তু যদি আপনি গরীব
হয়ে মারা যান
তবে সেটা আপনার ভুল।
------- বিল গেটস।
৩) যখন তোমার পকেট
ভর্তি টাকা থাকবে তখন
শুধুমাত্র
তুমি ভুলে যাবে যে তুমি কে,
কিন্তু যখন
তোমার পকেট
ফাকা থাকবে তখন সমগ্র
দুনিয়া ভুলে যাবে যে তুমি কে।
------- বিল গেটস

06/02/2015

: নলডাঙ্গা রাজবাড়ী রিসোর্ট এন্ড পিকনিক স্পট :

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার একটি গ্রাম
নলডাঙ্গা। মোগল সম্রাট আকবরের আমলে মোহাম্মদ শাহী পরগনার রাজধানী ছিল নলডাঙ্গা।
নলডাঙ্গা রাজবাড়ির শেষ রাজা ছিলেন প্রমথ ভূষণ
রায় বাহাদুর। যে রাজ্য রক্ষার জন্য সৈন্য বাহিনী ছিল, সে রাজ্য নেই। রাজপ্রাসাদ রক্ষার জন্য
চারদিকে যে পরিখা খনন করা হয়েছিল সেই প্রাসাদও
আজ নেই। বাঁচার জন্য বেগবতী নদীর সাথে যে সংযোগ সুড়ঙ্গ তৈরি করা হয়েছিল তাও মাটির
সাথে মিশে একাকার হয়ে গেছে অনেক আগেই। এখন রাজপ্রাসাদ না থাকলেও সাতটি মন্দির আজও
রাজবাড়ির সাক্ষী হয়ে আছে।
রাজার ছোট মেয়ের পুত্র প্রণব ভূষণ দেবরায় ১৯৯০
দশকের দিকে ভারত থেকে নলডাঙ্গা রাজবাড়িতে নাড়ির টানে ছুটে এসেছিলেন। এ সময় তার নানার
হাতে প্রতিষ্ঠিত নলডাঙ্গা ভূষণ পাইলট উচ্চ
বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন।
চারদিকে এসব ধ্বংসস্তূপ দেখে তার মনটা কেঁদে উঠে। তিনি একটা আব্দার নিয়ে ছুটে যান তার পিতার
স্নেহধন্য পার্শ্ববর্তী তৈলকুপ গ্রামে পাতা মিয়ার
বাড়িতে। তাকে বলেন, কাকা সবকিছুই ধ্বংস হয়ে গেছে। আপনি যদি পারেন তাহলে এ অঞ্চলে এমন একটা কিছু করেন যাতে আমাদের এ অঞ্চলের হারানো ইতিহাস- ঐহিত্য ফিরে আসে। সেই থেকে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্তকৃষক পাতা মিয়া স্বপ্ন দেখতে থাকেন একটা কিছু করতে হবে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী পাতা মিয়া তার গ্রামের বাড়িতে ২০ একর জমির উপর একটি নলডাঙ্গা রাজবাড়ির আদলে রিসোর্ট এবং গবেষণা কেন্দ্র ও একটি বিনোদন পার্ক নির্মাণ কাজ শুরু করেন। নাম দিয়েছেন
নলডাঙ্গা রাজবাড়ি রিসোর্ট ও প্রাচীন স্থাপত্য
গবেষণা কেন্দ্র।
সম্প্রতি নির্মান কাজটি শেষ হয়েছে এবং জমকালো উদ্বোধনি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে "নলডাঙ্গা রাজবাড়ী রিসোর্ট এন্ড পিকনিক স্পট" উন্মুক্ত করা হয়েছে

06/02/2015

Jupiter shines brightest in February
Our solar system’s largest planet hits opposition this month, making it a perfect time to watch the dance of its four brightest moons.
By Eric Betz | Published: Thursday, January 29, 2015
RELATED TOPICS: JUPITER
When viewed through a telescope, Jupiter reveals lots of interesting features.
Damian Peach
Now’s the time to break out the telescope for a long look at Jupiter. The king of planets is making its closest approach to Earth, showing off its subtle features and dancing moons.
Jupiter lies among the relatively faint background stars of Cancer the Crab at its February peak.
Astronomy: Roen Kelly
Jupiter’s return to opposition happens every 13 months and makes the gaseous giant loom its largest and brightest in our night sky. When it reaches its peak at 1 p.m. EST February 6, the planet will span 45 arcseconds (1 arcsecond equals 1/3,600 of 1°) and shine at magnitude –2.6. That places Jupiter at three times the brightness of the brightest star in the sky, Sirius. It’s easily visible by naked eye, as the only objects in the night sky that are brighter are the Moon and the planet Venus.
Opposition occurs when Jupiter lies directly opposite from the Sun as seen from Earth. That means the planet will rise at sunset and set at sunrise, placing it in the sky all night long. This alignment also puts the solar system’s largest planet highest in the sky at local midnight, where it can be seen through the least amount of Earth’s atmosphere for the best possible view. You’ll easily spot the planet about halfway between the Beehive Cluster (M44), another great binocular target in Cancer the Crab, and 1st-magnitude Regulus, the brightest star in the constellation Leo the Lion.
The solar system's largest planet will shine brilliantly during the long winter nights. It spends this period near the border between Caner and Leo.
Astronomy: Roen Kelly
At opposition, most will find their telescopes reveal Jupiter’s two dark belts, which are separated by a brighter equatorial zone. And the planet’s increase in apparent size should allow eyepiece views of cloud features in the jovian atmosphere too. Observers also will find it obvious that the planet is not perfectly circular, which is not an illusion. This is caused by the gaseous giant’s composition and rapid rotation. In fact, Jupiter spins completely in under 10 hours, which would allow a dedicated viewer to see the entire planet in just one long winter night.
Jupiter’s four brightest moons, which Galileo discovered in 1610, will also be an excellent sight. These Galilean satellites — Io, Europa, Ganymede, and Callisto (in order of increasing distance from Jupiter) — seldom line up by distance. This happens on the night of opposition. Between sunset and about 2 a.m. EST, an observer can name the moons just by noting how far east of Jupiter they lie.
Three jovian moons lie near one another the night of February 26/27. Between 9 p.m. and 3 a.m., four mutual events take place among them.
Astronomy: Roen Kelly
One particularly exciting series of events unfolds on the night of February 26. In a six-hour period above North American skies, there will be four interactions between the moons worth staying up for. Starting at 9:17 p.m. EST, Io will pass in front of Ganymede (an occultation). Then at 10:31 p.m., Io’s shadow will envelop Ganymede (an eclipse). At 11:28 p.m., Callisto eclipses Ganymede. And, for the night’s final event, Callisto’s shadow will engulf Io in an eclipse at 2:49 a.m.
The satellites are easy targets in small telescopes and will put on an inspiring period of dozens of these transits, eclipses, and shadows cast on the planet through August 2015. And for those in cold climes clouded out or not willing to brave the chill, the planet will remain fantastically bright for much of the coming year..

27/01/2015

Address

লাউতলা, কালিগঞ্জ, ঝিনাইদহ
বাংলাদেশ

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বড়ঘিঘাটি পাবলিক লাইব্রেরী - Boroghighati Public Library posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category