৫নং কাঁচেরকোল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ

  • Home
  • ৫নং কাঁচেরকোল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ

৫নং কাঁচেরকোল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ৫নং কাঁচেরকোল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ, Political organisation, কাঁচেরকোল, শৈলকুপা, ঝিনাইদহ।, .

২৩ জুনের দীপ্ত শপথ বঙ্গবন্ধুর আদর্শে শেখ হাসিনার বাংলাদেশ—-২৩ শে জুন ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য ...
23/06/2025

২৩ জুনের দীপ্ত শপথ বঙ্গবন্ধুর আদর্শে শেখ হাসিনার বাংলাদেশ
—-
২৩ শে জুন ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়েছিলো । আর ১৯৪৯—এই দিনটি কেবল একটি রাজনৈতিক সংগঠনের জন্মদিন নয়, এটি বাঙালির আত্মপরিচয়ের সূচনা, অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পথচলা, এবং গণতন্ত্রের বীজ বপনের দিন। ঢাকার ঐতিহাসিক রোজ গার্ডেনে যে সংগঠনটির জন্ম হয়েছিল—আজ সেই আওয়ামী লীগ জাতির আশা, সংগ্রাম, ও সাফল্যের প্রতিচ্ছবি।

এই দলই দিয়েছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে,
যাঁর অদম্য নেতৃত্বে জন্ম নিয়েছে স্বাধীন বাংলাদেশ।
আর আজ, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে
আওয়ামী লীগ কেবল অতীতের গৌরবোজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্যও নেতৃত্ব দিচ্ছে সাহস, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের দৃপ্ত প্রত্যয়ে।

আজ যখন বাংলাদেশকে ঘিরে আবার স্বাধীনতা বিরোধী চক্র নতুন চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে।
জনগণের রায়কে অস্বীকার করে, দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে—
ঠিক তখনই শেখ হাসিনার নেতৃত্ব আমাদের নতুন প্রত্যয় জোগায়।

ড. ইউনূস নামের বিদেশি প্রভাবিত স্বৈরাচার

যিনি দেশবিরোধী অপশক্তির অংশ হয়ে উঠেছেন,
তাঁর মুখোশ আজ উন্মোচিত।

তিনি কোনোদিনই জনগণের প্রতিনিধি ছিলেন না,
তিনি ছিলেন প্রলুব্ধক, প্রপঞ্চের কারিগর।
বাংলাদেশের গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা ধ্বংসের নেপথ্য কুশীলব।

কিন্তু শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ বাঙালি জেগে উঠেছে।
এই বাংলাদেশে ষড়যন্ত্রকারীদের কোনো ঠাঁই হবে না—
কারণ আওয়ামী লীগ আছে, জনগণ আছে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ আছে।

২৩ জুন আমাদের শপথের দিন

আজকের দিনে আমাদের শপথ হোক—
১,আমরা প্রতিহত করবো সব অপশক্তি ও ষড়যন্ত্রকারীকে।
২, আমরা গড়ে তুলবো বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা ও শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ।
৩,আমরা রক্ষা করবো মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা।

এই বাংলাদেশে স্বৈরাচার ইউনূসের কোনো স্থান নেই।
এই বাংলাদেশ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাবে আরও দৃপ্ত পদক্ষেপে।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
জয় হোক ২৩ জুনের দীপ্ত শপথের
জয় হোক শেখ হাসিনার গণতান্ত্রিক নেতৃত্বের

- সাখাওয়াত হোসেন

23/06/2025
22/06/2025

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বাণী
----

২৩ জুন ২০২৫, বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল , বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দেশবাসীর প্রতি শুভেচ্ছা ও সংগ্রামী অভিবাদন।

১৯৪৭ সালে পূর্ব বঙ্গের মানুষের আকাঙ্ক্ষা পাকিস্তানের জন্মের পরপরই হোঁচট খায়। পাকিস্তান সৃষ্টির আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী কিছু জাতীয়তাবাদী তরুণ রাজনীতিক ঐ সময় উপলব্ধি করেন- বাংলার গণমানুষের রাজনীতিতে ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ আগ্রহী নয়। পূর্ববঙ্গীয় মুসলিম লীগের প্রগতিশীল ধারার এই তরুণরা ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর অনুসারী। আসাম প্রাদেশিক মুসলিম লীগের সভাপতি বর্ষীয়ান নেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীকে সভাপতি ও আরেক তরুণ নেতা শামসুল হককে সাধারণ সম্পাদক করে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার রোজ গার্ডেনে আওয়ামী লীগের প্রথম কমিটি গঠিত হয়। যেখানে কারাবন্দী অবস্থায় শেখ মুজিবুর রহমান যুগ্ম সম্পাদকের পদ লাভ করেন। আজকের এই দিনে আমি শ্রদ্ধা জানাই আওয়ামী লীগের অন্যতম স্বপ্নদ্রষ্টা বাঙালি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির প্রবাদপুরুষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। শ্রদ্ধা নিবেদন করছি, কৃষক-জনতার নেতা শেরে বাংলা একে ফজলুল হক, গণতন্ত্রের মানসপুত্র হোসেন শহীদ সোহরোওয়ার্দী ও মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীকে। অবিভক্ত বাংলার নেতা দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ, নেতাজী সুভাষ বোসসহ এই মূলধারার নেতাদের উত্তরাধিকার বহনকারী বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি ছিল জন আকাঙক্ষারই ভাষা। বাঙালির মিলিত আকাঙ্ক্ষা ও স্বপ্নই আওয়ামী লীগের আদর্শ।

১৯৫৩ সালে বঙ্গবন্ধু সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হবার পর অসাম্প্রদায়িক সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগ অপ্রতিরোধ্য গতিতে বিস্তৃত হয়। দ্বিজাতিতত্ত্বের বিভেদ পেরিয়ে আওয়ামী লীগের হাতেই জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের বিকাশ ঘটে।

কোন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে কিংস পার্টি হিসেবে আওয়ামী লীগের জন্ম হয়নি। তৎকালীন ক্ষমতাসীনদের বিরোধিতা করে জন্ম নেওয়া এই দল তাই কখনো ক্ষমতার তোয়াক্কা না করে মানুষের অধিকার আদায়ে যেমন সোচ্চার, তেমনি জনকল্যাণেও সর্বাগ্রে। ৭৬ বছরের প্রাজ্ঞ এই দলের সবচেয়ে বড় অর্জন- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। বাংলাদেশ আর আওয়ামী লীগ সমার্থক। বাংলাদেশের মাটি থেকে কেউ আওয়ামী লীগকে মুছে ফেলতে পারবে না।

জাতির পিতার কন্যা হিসেবে, তাঁর আদর্শ ধারণ করে এই মহান সংগঠনের নেতৃত্বে বাংলাদেশ পুনর্গঠন, জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ, দারিদ্র্য হ্রাস, প্রযুক্তি ও অবকাঠামোতে উন্নয়নের পথ রচনা করেছি।

বেদনার সঙ্গে বলতে হয়, আজ আমরা গভীর সংকট পার করছি। একটি অসাংবিধানিক সরকার অন্যায়ভাবে আমাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে, যেমনটি ১৯৭১ সালে ইয়াহিয়া খানও করেছিল। আমাদের লক্ষাধিক নেতাকর্মীকে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করেছে, লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মীকে মিথ্যা মামলায় হয়রানি করছে। এই দমন-পীড়ন আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে নয়, এটি জনগণের বিরুদ্ধে, গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে এক গভীর ষড়যন্ত্র।

এই দুঃসময়ে আমি দলের নেতাকর্মী এবং শান্তিপ্রিয় জনগণকে বলবো- সাহস হারাবেন না। অতীতের মতো এবারও বাংলাদেশকে রাহুমুক্ত করবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। বঙ্গবন্ধুর সাহস, ধৈর্য ও বিচক্ষণতার শিক্ষাই আমাদের যুদ্ধ জয়ের অস্ত্র।

জয় বাংলা। জয় বঙ্গবন্ধু।
আঁধার কেটে ভোর হোক
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।⁩

পবিত্র ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বাণীপ্রিয় দেশবাসী,আসসাল...
06/06/2025

পবিত্র ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বাণী

প্রিয় দেশবাসী,
আসসালামু আলাইকুম। ঈদ মোবারক।

দেশ ও বিশ্বের সকল মানুষকে পবিত্র ঈদ-উল-আজহার শুভেচ্ছা জানাই। ঈদ-উল-আজহা মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঈদ-উল-আজহা উদযাপিত হবে এবং এর ত্যাগের মহিমা আমাদেরকে আরও উদার ও মানবিক হতে শিক্ষা দিবে। ঈদ-উল-আজহার ত্যাগ ও উৎসর্গের মধ্য দিয়ে আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করবো এবং পরস্পরের নৈকট্যে আসবো বলে প্রত্যাশা করি।

প্রিয় দেশবাসী,
ঈদের দিন আমাদের অত্যন্ত আনন্দের দিন। কিন্তু এ বছর সেই আনন্দ প্রাণ থেকে উদযাপন করতে পারছে না দেশ ও দেশের শান্তিকামী জনতা। কারণ দেশের কোথাও জানমালের নিরাপত্তা নেই, চতুর্দিক দিক থেকে মানবিক বিপর্যয় নেমে এসেছে। মবের পাশবিক উল্লাসে বিনষ্ট হচ্ছে মানুষের আত্মিক প্রশান্তি, জাগতিক সুখ ও সমৃদ্ধি।

প্রিয় শান্তিকামী জনতা,
এই পরম আনন্দের দিনও উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটছে আপনাদের। অনির্ণেয় আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের স্বাধীনতা আজ চরমভাবে ভূলুণ্ঠিত। লাঞ্ছিত আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধারা। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব নিলামে তুলে নিজেদের আখের গোছাতে মরিয়া লুটেরার দল।

প্রিয় মুক্তিকামী জনতা,
এই পবিত্র দিনে তাই আমাদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে হবে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা ও জুলুমের হাত থেকে দেশের মানুষকে মুক্ত করা প্রত্যেক মুসলমানের নৈতিক দায়িত্ব। দেশের ১৮ কোটি মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে আজ যারা বাংলাদেশকে চিরকালের মতো ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে তাদের প্রতিহত করতে হবে। দেশমাতৃকার সম্মান ও মর্যাদা রক্ষার দায়িত্ব আমাদের সকলের।

আমার প্রাণপ্রিয় বাংলাদেশ,
আসুন, আমরা পবিত্র ঈদ-উল-আজহার মহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে নিজেদের মনের পাপ ও ভেদাভেদকে কুরবানি দিয়ে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের মঙ্গলের জন্য একতাবদ্ধ হই। ঈদের আনন্দে যাতে আলোকিত হয় প্রতিটা ঘর, অন্যায় ও জুলুমের হাত থেকে মুক্তি পায় দেশ ও দেশের মানুষ—আমরা সেই প্রার্থনা করি।

প্রিয় দেশবাসী,
বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য ফেরানোর যে ব্রত নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমৃত্যু কাজ করে গেছেন, সেই ব্রত নিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এখন এবং আগামীতেও কাজ করে যাবে। আমাদের ইতিহাস ত্যাগ ও সংগ্রামের ইতিহাস। আমাদের ইতিহাস অর্জনের ইতিহাস। আপনারা বিশ্বাস হারাবেন না। মনোবল ধরে রেখে আমাদের জন্য প্রার্থনা করবেন। আল্লাহ সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে আত্মোৎসর্গকারীদের সঙ্গে সব সময় আছেন। পবিত্র ঈদ-উল-আজহা আমাদের সেই শিক্ষা দেয়।

আপনারা আমার সালাম ও শুভেচ্ছা গ্রহণ করবেন।
ঈদ মোবারক।

জয় বাংলা। জয় বঙ্গবন্ধু।
আঁধার কেটে ভোর হোক
বাংলাদেশ মুক্তি পাক।

মুক্তিযুদ্ধের সংজ্ঞায় পাক আর্মির সহযোগী জামায়াতইউনুসের ৩রা জুনের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গেজেটের একটা ইন্টারেস্টিং সংজ্ঞা:"মুক...
05/06/2025

মুক্তিযুদ্ধের সংজ্ঞায় পাক আর্মির সহযোগী জামায়াত

ইউনুসের ৩রা জুনের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গেজেটের একটা ইন্টারেস্টিং সংজ্ঞা:

"মুক্তিযুদ্ধ" অর্থ ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ২৬শে মার্চ হইতে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত একটি স্বাধীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশের জনগণের জন্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আকাঙ্ক্ষায়

হানাদার ও দখলদার পাকিস্তানী সশস্ত্রবাহিনী এবং তাহাদের সহযোগী-
রাজাকার,
আল-বদর,
আল-শামস,
তৎকালীন মুসলিম লীগ,
জামায়াতে ইসলামী,
নেজামে ইসলাম এবং
দালাল ও শান্তি কমিটির বিরুদ্ধে পরিচালিত যুদ্ধ;

এই সংজ্ঞা থেকে পর্যবেক্ষণ -
১) ২৬শে মার্চ থেকেই বাংলাদেশ একটি স্বাধীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এই গেজেটের পরবর্তী একটি ধারায় বলা হয়েছে "২৬শে মার্চ হইতে ১৬ই ডিসেম্বর পর্যন্ত স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে" - এই স্টেটমেন্টটি ভুল। ২৬শে মার্চেই স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে। যুদ্ধ হয়েছে দখলদার বাহিনী থেকে মুক্তির জন্য। এ কারণেই যুদ্ধটার নাম মুক্তিযুদ্ধ।

২) মুক্তিযুদ্ধ কাদের বিরুদ্ধে হয়েছিলো, তার একটি টপ লেভেল তালিকা এই সংজ্ঞায় আছে। এই তালিকায় জামায়াতে ইসলামীও আছে। অর্থাৎ তারা যে স্বাধীনতা চায় নি, তাই-ই নয়, মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের সহযোগী ফোর্স হিসেবে তারা যুদ্ধও করেছে। জামায়াত যথারীতি মিথ্যাচার করে যে, তারা শুধু পাকিস্তান ভাঙার বিপক্ষে ছিলো। এটা শুধুমাত্র একটা রাজনৈতিক অবস্থান। কোনোরকম খুনখারাবির সাথে তারা জড়িত না। বাস্তবে জামায়াত আল-বদর, রাজাকার বাহিনীগুলো তো তৈরি করেছেই, এমনকি জামায়াতে ইসলামী নামেরও তারা মুক্তিযুদ্ধের সশস্ত্র বিরুদ্ধ পক্ষ ছিলো। পাকিস্তান আর্মিও যা করেছে, তারাও তাই করেছে - বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ।

প্রশ্ন হলো, যে দেশের বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধ করলো জামায়াত, সেই দেশে কেন তাদের রাজনীতি করার অধিকার থাকবে? মহামান্য সুশীলগণ, পয়েন্ট নোট করে রাখেন। দেশ যখন আবার জামায়াতের দখল মুক্ত হবে, তখন তাদের পক্ষে সাফাই গাইতে আসার আগে কাজে লাগবে। তখন হয়তো মত প্রকাশের স্বাধীনতার দোহাই খুব একটা কাজে লাগবে না।

20250606

02/06/2025

১/জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু
২/মুজিব আমার চেতনা, মুজিব আমার বিশ্বাস
৩/কে বলেরে মুজিব নাই, মুজিব সারা বাংলায়
৪/এক মুজিব লোকান্তরে, লক্ষ মুজিব ঘরে ঘরে।
৫/একাত্তরের হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার।
৬/তুমি কে আমি কে, বাঙালি বাঙালি।
৭/আমরা সবাই মুজিব সেনা, ভয় করিনা বুলেট বোমা।
৮/তোমার আমার ঠিকানা, পদ্মা মেঘনা যমুনা।
৯/শেখ হাসিনার ভয় নাই, আমরা আছি লাখো ভাই।
১০/মুজিবের বাংলায়, রাজাকারের ঠাঁই নাই।
১১/পাকিস্তানের দালালেরা, হুশিয়ার সাবধান।
১২/মুক্তি যুদ্ধের বাংলায়, ইউনুসের ঠাঁই নাই।
১৩/এক দফার এক দাবি, ইউনুস তুই কবে যাবি।
১৪/পাকিস্তানের প্রেতাত্মা, পাকিস্তানে চইলা যা।
১৫/হই হই রই রই, ইউনুস গং গেলি কই।
১৬/শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ আসবে‌।
১৭/একটা একটা সমন্বয়ক ধর, ধইরা ধইরা জেলে ভর।
১৮/একটা একটা রাজাকার ধর, ধইরা ধইরা জবাই কর।
১৯/একটা একটা জামাত ধর,ধইরা ধইরা জেলে
ভর।
২০/লাখো শহীদের বাংলায়, রাজাকারের ঠাঁই নাই।

অসাংবিধানিক সরকারের প্রস্তাবিত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাজেটের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিক্রিয়া------------ জনতার ন...
02/06/2025

অসাংবিধানিক সরকারের প্রস্তাবিত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাজেটের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিক্রিয়া
------------

জনতার নয়, ক্ষমতার বাজেট

অবৈধ দখলদার সরকারের প্রস্তাবিত ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের কোন রাজনৈতিক বৈধতা নেই। অনির্বাচিত কোন সরকার জনগণের ওপর করারোপের কোন আইনি ক্ষমতা রাখে না। সরকার অন্তবর্তী হলে দৈনন্দিন আয়-ব্যয়ের হিসাব রাখাই কেবল তাদের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে। রাজনৈতিক দর্শন সম্বলিত বাৎসরিক আর্থিক বিবরণী বা বাজেট প্রদান করা তাদের কাজ না। কিন্তু ড. ইউনূসের দখলদার সরকার অন্য সব এখতিয়ারবহির্ভূত কাজের মতো বাজেট প্রণয়নের কাজও করেছে। বাজেট কেবল সংখ্যার সমষ্টি নয়; এটি একটি রাষ্ট্রের নৈতিক দায়বদ্ধতা, ইউনূস সরকারের প্রস্তাবিত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট সেই দায়বদ্ধতা থেকে পুরোপুরি বিচ্যুত। এটি যেমন জনগণের চাহিদাকে উপেক্ষা করে তৈরি হয়েছে, তেমনি সংবিধান আদিষ্ট রাজনৈতিক নৈতিকতাও এতে অনুপস্থিত।

একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বাজেট হলো জন-প্রতিনিধিদের মাধ্যমে অনুমোদিত একটি রাজনৈতিক চুক্তি। কিন্তু বর্তমান সরকার একটি প্রশাসনিক কাঠামো—যেখানে সংসদীয় বিরোধী দল, সংসদীয় বিতর্ক কিংবা জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণ অনুপস্থিত।

অংশগ্রহণহীনতা ও গণতান্ত্রিক ঘাটতি

এই বাজেট তৈরি হয়েছে নাগরিক সমাজ, অর্থনীতিবিদ, পেশাজীবী সংগঠন, বিরোধী দল, কিংবা শ্রমজীবী মানুষের মতামত ছাড়াই। জনমত যাচাই বা জনসাধারণের প্রস্তাব গ্রহণের কোনো প্ল্যাটফর্মই চালু করা হয়নি। এটি একটি ক্লোজড-ডোর টেকনোক্রেটিক প্রক্রিয়া—যা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের ধারণার পরিপন্থী।

দায় এড়ানোর কথামালা

প্রস্তাবিত বাজেটে আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সাফল্যকে কালিমালিপ্ত করতে অসত্য বক্তব্যের ফুলঝুরি ছোটানো হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের অর্থনৈতিক সাফল্য বাংলাদেশের ইতিহাসে অভূতপূর্ব। ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি, জীবনমানের উন্নতি, অবকাঠামো উন্নয়নের অভাবিত অগ্রগতির সাক্ষী দেশের মানুষ। বিশ্ববাসী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশকে ‘গ্রোথ মিরাকল’ হিসেবে অভিহিত করতেন। কিন্তু ড. ইউনূসের মাত্র দশ মাসের শাসনে তার সমর্থক পত্রিকাও লিখতে বাধ্য হচ্ছে দেশে বিনিয়োগে স্থবিরতা, অর্থনীতির গতিহীনতা, অনিশ্চয়তা ও আশঙ্কার কথা। সবমিলে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ত্রাহি ত্রাহি। এই অবৈধ সরকার এহেন প্রেক্ষাপটে বাজেট বক্তৃতায় সমস্ত দোষ চাপানোর চেষ্টা করেছে আওয়ামী লীগ সরকারের উপর। একদিকে আওয়ামী লীগ সরকারের উপর দোষ চাপিয়েছে, অন্যদিকে ২০২৬ সালে এলডিসি থেকে গ্র্যাজুয়েশনের লক্ষ্যে কাজ করার কথাও বলেছে। এক্ষেত্রে প্রশ্ন জাগে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যদি অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে থাকে এবং ইউনূস সরকারের দোষ মাসে প্রবৃদ্ধির হার ৪ শতাংশের নিচে নেমে আসে, তাহলে পরের বছর এলডিসি থেকে উত্তরণের বাস্তবতা থাকে কি? যদি থাকে তাহলে তা আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের শক্ত অর্থনৈতিক অবস্থার কারণেই সম্ভব হবে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অর্থনীতি ধ্বংসপ্রাপ্ত হলে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের অবস্থায় দেশ পৌঁছালো কীভাবে? খুব সাধারণ যুক্তিতেই সরকারের এই মিথ্যা প্রচারণা খারিজ হয়ে যায়।

প্রস্তাবিত বাজেটের শুরুতেই বলা হয়েছে, তারা প্রবৃদ্ধি কেন্দ্রিক বাজেট দেবে না। এটা একটি প্রতারণামূলক বক্তব্য। প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ না করে বাজেট প্রণয়ন করা হলো- লক্ষবিহীন গন্তব্যের উদ্দেশে পথচলার মতো। কমিটমেন্ট বা অঙ্গীকারহীনতাই এই সরকারের বড় একটি বৈশিষ্ট্য। বাজেট বক্তৃতাতেও তা দৃশ্যমান স্বাক্ষর রেখেছে তারা। একথা বলে সরকার ৫ দশমিক ৫ শতাংশের একটি লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, যা আওয়ামী লীগ আমলে অর্জিত গড় প্রবৃদ্ধি থেকে অনেক কম। অথচ এবার প্রবৃদ্ধির হার ৪ শতাংশের নিচে নেমে গেছে, অথচ স্বাভাবিক প্রবৃদ্ধি হলে প্রবৃদ্ধির হার ৭ শতাংশের বেশি হবার কথা। লক্ষ্য কম ধরেও তা অর্জনের অঙ্গীকার না থাকায় প্রবৃদ্ধিকেই আক্রমণ করে বসেছে সরকার। অবশ্য সমালোচকেরা বলছেন যে, বড় বড় লুটপাট ও দুর্নীতিকে আড়াল করতে প্রবৃদ্ধির অংক কমিয়ে দেখাতে চায় তারা। কেননা, বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের শ্রমে-ঘামে গড়া চলমান অর্থনীতিতে স্বাভাবিক প্রবৃদ্ধি আরও বেশি হবার কথা।

মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় নেওয়া হয়নি

প্রবৃদ্ধির পর বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়েও অস্পষ্টতা রয়েছে। দুই অংকের ওপরে চলে যাওয়া মূল্যস্ফীতি কিভাবে পাঁচে আনবে তা নিয়ে বাস্তবোচিত কোন সমাধান দেয়নি। আওয়ামী লীগ সরকারের অনুসৃত অনেক নীতি যেমন সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীসহ সামাজিক সুরক্ষামূলক কর্মসূচির ওপর ভর করে অর্থনীতির গতি বাড়ানোর কথা বলেছে এই বাজেটে। কিন্তু গতি হারানো অর্থনীতিতে অক্সিজেনের সঞ্চার করতে দরকার বিনিয়োগ। সেই বহু কাঙ্ক্ষিত বিনিয়োগের কোন রূপরেখাই দেয়নি সরকার। অথচ এডিপি বাস্তবায়নের অদক্ষতা্ ঢেকেছে রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়ে। এডিপির আকার হ্রাস তথা সরকারি বিনিয়োগ কমানোর মতো আত্মঘাতী সিদ্ধান্তও নিয়েছে সরকার। একদিকে বেসরকারি বিনিয়োগ নেই, অন্যদিকে সরকারি বিনিয়োগ হ্রাস—এই দুই আঘাত দেশের কর্মসংস্থান সৃষ্টির বদলে অসংখ্য বেকার তৈরি করবে। বাজেটে এই সংকট থেকে উত্তরণের কোন দিক নির্দেশনা দেয়া হয়নি।

উদাহরণস্বরূপ, স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ জিডিপির মাত্র ১.৯%—যেখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশ ৫%। শিক্ষা খাতে প্রকৃত অর্থায়ন কমেছে(মুদ্রাস্ফীতির হিসাবে)। ডিজিটাল নজরদারির প্রকল্পে কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে, যেখানে গ্রামীণ এলাকায় বিদ্যালয় ও হাসপাতাল চালু রাখাই কঠিন হয়ে পড়ছে।

বর্তমানে বাংলাদেশের গড় মূল্যস্ফীতি ৯–১০ শতাংশ। এই অবস্থায় যেখানে সাধারণ মানুষের চাল, ডাল, তেল, ওষুধ কেনার ক্ষমতা কমে গেছে, সেখানে বাজেটে পর্যাপ্ত খাদ্য ভর্তুকি বা নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কোনো কৌশল নেই। এই বাজেটে সাধারণ মানুষের—বিশেষত দরিদ্র, প্রান্তিক ও নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষের জীবিকার প্রশ্নে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায় না। উপরন্তু, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য মহার্ঘ্য ভাতা বা বিশেষ সুবিধা ঘোষণা করা হলেও বেসরকারি বা অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমজীবীরা থাকছেন সম্পূর্ণ উপেক্ষিত। এতে করে সামাজিক বৈষম্য আরও বাড়বে। অথচ কর্পোরেট কর ছাড়, সাশ্রয়ের কথা বলে সরকারের উচ্চবর্গের মানুষের সুযোগ-সুবিধায় উদারতা এই বাজেটের প্রধান বৈশিষ্ট্য।

ঋণনির্ভর বাজেট ও কর কাঠামোর দুর্বলতা

এই বাজেটের একটি বড় অংশ অর্থায়ন করা হবে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের মাধ্যমে। রাজস্ব আয়ের বড় অংশ এখনও আসে শুল্ক (ভ্যাট) ও পরোক্ষ কর (ট্যাক্স) থেকে, যা সরাসরি সাধারণ মানুষের ওপর চাপ তৈরি করে। কিন্তু ধনীদের ওপর প্রত্যক্ষ কর বাড়ানো, কর ফাঁকি রোধ বা সম্পদের উপরে কর আরোপের মতো সাহসী সিদ্ধান্ত এই বাজেটে অনুপস্থিত।

উন্নয়নের নামে শহরকেন্দ্রিক পক্ষপাত

অর্থনৈতিক উন্নয়ন বলতে এখনো মেগা প্রকল্প আর শহরভিত্তিক অবকাঠামো উন্নয়নকে বোঝানো হচ্ছে। গ্রামের কৃষক, হাওর এলাকার বাসিন্দা, উপকূলের জলবায়ু বাস্তুচ্যুত জনগণ—তাদের জন্য নেই কোনো আলাদা পরিকল্পনা বা পর্যাপ্ত বাজেট। অথচ, বাংলাদেশের প্রায় ৬৫% মানুষ এখনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষি ও গ্রামের সঙ্গে যুক্ত। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য বাজেটে প্রতিশ্রুতি আছে, কিন্তু বাস্তবায়নের নির্দেশনা নেই।

সংকটের সময়ে সাহসহীন বাজেট

বাংলাদেশে বর্তমানে ডলার সংকট, রেমিট্যান্সের হ্রাস, বৈদেশিক বাণিজ্য ঘাটতি, বেকারত্ব এবং জলবায়ু ঝুঁকির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রয়োজন ছিল একটি সাহসী, পুনর্বিন্যাসকৃত এবং বৈষম্যহ্রাসক বাজেট। কিন্তু এই বাজেট নতুন কোনো দিগন্ত উন্মোচন করেনি। এটি গতানুগতিক, শহরমুখী, আমলাতান্ত্রিক এবং জনবিচ্ছিন্ন বাজেট হিসেবেই উপস্থাপিত হয়েছে।
• ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তুলনায় প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ৯% হ্রাস পেয়েছে, এবং পূর্ববর্তী কয়েক বছরের গড় বাজেটের তুলনায় এটি প্রায় ১০% কম। অন্যদিকে, আগের বছরগুলোতে বাজেট গড় হিসাবে প্রতি বছর ১০% হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই দুই দিক বিবেচনায়, নতুন বাজেটটি পূর্ববর্তী বছরগুলোর তুলনায় ২০% কম।
• উন্নয়ন খাতে গুরুত্ব কমেছে, কারণ উন্নয়ন ব্যয়ের বরাদ্দ পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় গড়ে ১০% হ্রাস পেয়েছে। এর ফলে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিনিয়োগ কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
• ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে সরকারের মোট দায় ২০২৪-২৫ সালের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ১৫% বৃদ্ধি পাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। এর মানে, সরকার আগামী বছর বেশি ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে, যার ফলে প্রতি নাগরিকের ওপর দায়ভার আরও বাড়বে।
• বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দ ৩৫% হারে হ্রাস করা হয়েছে, যা দেশের বাণিজ্য ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমকে হুমকির মুখে ফেলবে, এবং অর্থনীতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলবে। একই অবস্থা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা খাতেও, যেখানে ৯% বাজেট কাটছাঁট হতে পারে। এতে দেশের সবার জন্য মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা এবং মানবসম্পদ উন্নয়ন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হবে। এটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs)-এর সাথেও সাংঘর্ষিক।

বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ বিশ্বাস করে একটি রাষ্ট্রের প্রকৃত শক্তি তার মানুষ। তাদের কণ্ঠস্বর, প্রয়োজন ও মর্যাদা প্রতিফলিত না হলে কোনো বাজেটই জনকল্যাণমুখী হতে পারে না। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একতরফা নীতির বহিঃপ্রকাশ, যা দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এই বাজেট গণতান্ত্রিকতার ঘাটতি, অর্থনৈতিক বৈষম্য এবং সামাজিক বিচ্যুতির একটি রূপরেখা মাত্র। বাংলাদেশকে প্রয়োজন একটি মানবিক, অংশগ্রহণমূলক এবং বৈষম্যহ্রাসক বাজেট, যা গণতন্ত্রের ন্যায্য ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করে।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনে করে, এই বাজেট দেশের কোন কল্যাণ বয়ে আনবে না, বরং দেশের অর্থনীতিকে আরও দুর্বল ও পঙ্গু করবে। দেশকে আরও সংকটে পতিত করবে। ফলে এই বাজেট ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি।

জয় বাংলা। জয় বঙ্গবন্ধু।
আঁধার কেটে ভোর হোক
বাংলাদেশ মুক্তি পাক।⁩

02/06/2025

পাকি জারজদের উদ্দেশ্যে....

'এই বিচার কেবল অতীতের প্রতিশোধ নয়'- তাজুল স্বীকার করে নিলো ৭১ এর রাজাকারদের ফাঁসির প্রতিশোধ নিচ্ছে  #জামাতিরাএদের বিচার ...
02/06/2025

'এই বিচার কেবল অতীতের প্রতিশোধ নয়'
- তাজুল স্বীকার করে নিলো ৭১ এর রাজাকারদের ফাঁসির প্রতিশোধ নিচ্ছে #জামাতিরা

এদের বিচার জনসম্মুখে করবে বাংলাদেশ!

Address

কাঁচেরকোল, শৈলকুপা, ঝিনাইদহ।

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ৫নং কাঁচেরকোল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your organization to be the top-listed Government Service?

Share