বন্ধু মহল লাইব্রেরী

বন্ধু মহল লাইব্রেরী বই হোক আপনার নিত্য সঙ্গি

বন্ধু মহল লাইব্রেরী একটি সম্পূণ অরাজনৈতিক উন্মুক্ত পাঠাগার। এটি ২০০৬ সালে ২৯শে সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাংক আ/এ,খুলশী, চট্টগ্রামে স্থাপিত হয়। "সুস্থ ধারার পাঠক তৈরির লক্ষে " বন্ধু মহল লাইব্রেরীর পথচলা শুরু হয়। এই পথচলায় আপনাদের স্বতঃস্ফূত অংশগ্রহণ হবে আমাদের প্রেরণার উৎস।

20/02/2015

একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালীর অসং্খ্য গৌরবািন্বত অজর্নের মধ্যে অন্যতম যা িনসঃেন্ধহে মাতৃভাষার প্রতি এক অকৃত্রিম ভালোবাসার নিদর্শন স্বরূপ।প্রতি বছর এই দিনটিতে আমরা লাইব্রেরীর পক্ষ থেকে বিশেষ কিছু কার‍্যক্রম পরিচালনা করে থাকি। তবে এবার সাময়িক কিছু জটিলতার কারনে এর ব্যাতিক্রম ঘটায় আমরা আন্তরিক ভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।

বন্ধু মহল লাইব্রেরীর যুগ্ন সম্পাদক সোহেল ভাই এর নতুন জীবন আনেক বেশী সুন্দর হোউক ৷ শুভ কামনায় বন্ধু মহল পরিবার৷
13/12/2014

বন্ধু মহল লাইব্রেরীর যুগ্ন সম্পাদক সোহেল ভাই এর নতুন জীবন আনেক বেশী সুন্দর হোউক ৷ শুভ কামনায় বন্ধু মহল পরিবার৷

19/06/2014

মানুষ গরিব আর ধনী এর মধ্যে তুলনা করে, কিন্তু মধ্যবিত্ত বলে যে একটা অসহায় জাতি আছে তা আমরা মধ্যবিত্ত রা ও ভুলে যাই। গরিব হয়ে বেঁচে থাকা অভিশাপ ! কিন্তু আমার মনে হয় মধ্যবিত্ত হয়ে বেঁচে থাকা ৫ চামচ বেশি অভিশাপ। সাধ আর সাধ্যের কখন ও মিল খুজে পাওয়া যায় না। হয়তো মনে হতে পারে এই জাতিটা প্রয়োজনের অতিরিক্ত চায়। ‍কিন্তু ১০০০ জন এর মধ্যে ১০ জন ও পাওয়া যাবে বলে মনে হয়না যারা একান্ত প্রয়োজনীয় জিনিস ও ঠিক মত পায়। সব সময় না পাওয়ার হতাশা কাজ করে মনে। তারপরও এদের (আমাদের) মত এত সুখি মুখ বিলগেটস এর ও নাই। আনন্দ পাওয়ার জন্য KFC র ডিমলাইট মার্কা দোকানে থুক্কু (রেস্টুরেন্টে) যাইতে হয় না। রাস্তায় দাড়িয়ে টং এর দোকানে বন্ধুদের সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা আড্ডা দেওয়া যায় মনের সুখে। কিছু দিন আগে আমার আইডির এক ফ্রেন্ড এর একটা স্ট্যাটাস দেখে খুব হাসি পাইছিল। ও লিখছে আমাদের মধ্যবিত্তদের র্বাগার হচ্ছে ২ট‍া ডালপুরির মাঝে ১টা আলুরচপ !! এমন কথা এই মধ্যবিত্ত মানুষরাই বলতে পারে। আর আনন্দ নিতে দেশের বাইরে যাইতে হবে না ! সিটি বাসে উঠলেই হইলো, হরেক রকম মানুষ হরেক রকম আলোচনা । জাতীয় সংশোধ থেকে বিশ্বকাপ ফুটবল সবি ‌এই বাসের মধ্যে পাওয়া যায়। হয়তো অনেক না পাওয়াই থাকে এই অভিশপ্ত জীবনে, কিন্তু দিন শেষে মায়ের ভালবাসা , বাবার মমতা ভরা মনের লোক দেখানো বকা, বোনের/ভাইয়ের আদুরে ভালবাসা , প্রিয় কোন মানুষের মিষ্টি কন্ঠ অথবা সবচেয় প্রিয় বন্ধুটির Good Night এসএমএস পেয়ে ঘুমাতে যাওয়ার মাঝে যে সুখ আছে, তা না হাওয়ার হতাশাকে প্রতিদিন নতুন করে মাটি চাপাদেয়। তাই আমার প্রিয় শিল্পি নচিকেতার গাওয়া গানের সাথে সুর মিলিয়ে চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করে “ এই বেশ ভাল আছি..................................”।
লিখা ‍:

ডান পাশ ‍থেকে বন্ধু মহল লাইব্রেরীর সভাপতি মোঃ সাকিব, মাঝে সাংগঠনিক সম্পাদক নয়ন দাশ,বাম পাশে সাধারন সম্পাদক কাজী ইয়াহিয়া ...
08/03/2014

ডান পাশ ‍থেকে বন্ধু মহল লাইব্রেরীর সভাপতি মোঃ সাকিব, মাঝে সাংগঠনিক সম্পাদক নয়ন দাশ,বাম পাশে সাধারন সম্পাদক কাজী ইয়াহিয়া বুলবুল।

‘ রক্ত ’ শব্দটি যদিও মাত্র ২টি অক্ষর দিয়ে গঠিত কিন্তু এর বিস্তার একটি প্রানের অস্তিত্ব, সম্পর্কের বন্ধন। আর মাঝে মাঝে অপ...
23/02/2014

‘ রক্ত ’ শব্দটি যদিও মাত্র ২টি অক্ষর দিয়ে গঠিত কিন্তু এর বিস্তার একটি প্রানের অস্তিত্ব, সম্পর্কের বন্ধন। আর মাঝে মাঝে অপ্রত্যাশিত ভাবে মাএ এক ব্যাগ রক্তের অভাবে একটি প্রানের অস্তিত্ব, একটি দৃঢ় বন্ধন চিরতরে হারিয়ে যায়।সৃষ্টির সেরা জীব মানুষ, আর একজন মানুষের চোখের সামনে রক্তের অভাবে একটি তাজা প্রান, কতগুলো মানুষের স্বপ্ন নিঃশ্বেষ হতে দেখা কতবর লজ্জার তা একজন সচেতন বিবেকবান মানুষ-ই বুঝতে পারেন ।তাই মানব সেবার লক্ষে হঠাৎ প্রয়োজন হওয়া রক্তের সন্ধান দিতে বন্ধু মহল লাইব্রেরী স্বেচ্ছায় রক্ত দাতাদের নিয়ে #বন্ধু_মহল_ব্লাড_ডোনেট_ফাউন্ডেশন গঠন করে। যার লক্ষ একটি মানুষও যেন রক্তের অভাবে পৃথিবী ত্যাগ না করে তা নিশ্চিত করা। আর এই লক্ষ পূরণ করা একা আমাদের পক্ষে কখন সম্ভব না। আপনার ও কখনো রক্ত প্রয়োজন হতে পারে !! রক্ত দিতে ভয় পাই, রক্ত দিলে অসুস্থ হয়ে যাব, ব্যাথা পাবো ইত্যাদি অজুহাত বাদ দিয়ে সকল সচেতন বিবেকবান মানুষের কাছে ‌আহব্বান, আপনারা আমাদের সাথে যুক্ত হয়ে আর্ত মানবতার সেবায় এগিয়ে আসুন। আর একজন স্বাভাবিক মানুষ কোন প্রকার ব্যাথা ছাড়া খুব সহজে মাত্র ৭-১৫ মিনিটের মধ্যে এক ব্যাগ রক্ত দিতে পারেন।আগ্রহি ব্যাক্তিরা তাদের নাম, মোবাইল নাম্বার, এবং রক্তের গ্রুপ, Comment Box অথবা Message Box এ sent করতে পারেন।

25/01/2014

অভিশাপ
- কাজী নজরুল ইসলাম
যেদিন আমি হারিয়ে যাব, বুঝবে সেদিন বুঝবে,
অস্তপারের সন্ধ্যাতারায় আমার খবর পুছবে -
বুঝবে সেদিন বুঝবে!
ছবি আমার বুকে বেঁধে
পাগল হয়ে কেঁদে কেঁদে
ফিরবে মরু কানন গিরি,
সাগর আকাশ বাতাস চিরি'
যেদিন আমায় খুঁজবে -
বুঝবে সেদিন বুঝবে!
স্বপন ভেঙে নিশুত্ রাতে জাগবে হঠাৎ চমকে,
কাহার যেন চেনা-ছোওয়ায় উঠবে ও-বুক ছমকে, -
জাগবে হঠাৎ চমকে!
ভাববে বুঝি আমিই এসে
ব'সনু বুকের কোলটি ঘেঁষে,
ধরতে গিয়ে দেখবে যখন
শূন্য শয্যা! মিথ্যা স্বপন!
বেদনাতে চোখ বুজবে -
বুঝবে সেদিন বুঝবে!
গাইতে ব'সে কন্ঠ ছিড়ে আসবে যখন কান্না,
ব'লবে সবাই - "সেই যে পথিক, তার শেখানো গান না?"
আসবে ভেঙে কান্না!
প'ড়বে মনে আমার সোহাগ,
কন্ঠে তোমার কাঁদবে বেহাগ!
প'ড়বে মনে অনেক ফাঁকি
অশ্রু-হারা কঠিন আঁখি
ঘন ঘন মুছবে -
বুঝবে সেদিন বুঝবে!
আবার যেদিন শিউলি ফুটে ভ'রবে তোমার অঙ্গন,
তুলতে সে-ফুল গাঁথতে মালা কাঁপবে তোমার কঙ্কণ -
কাঁদবে কুটীর-অঙ্গন!
শিউলি ঢাকা মোর সমাধি
প'ড়বে মনে, উঠবে কাঁদি'!
বুকের মালা ক'রবে জ্বালা
চোখের জলে সেদিন বালা
মুখের হাসি ঘুচবে -
বুঝবে সেদিন বুঝবে!

ডিসেম্বর মাস আসলেই বাঙ্গালী জাতির মধ্যে অন্য রকম একটা বিজয় অনুভুতি সৃষ্টি হয়। আমি নিজেও এর ব্যাতিক্রম নই।রেডিও, টেলেভিসন...
15/12/2013

ডিসেম্বর মাস আসলেই বাঙ্গালী জাতির মধ্যে অন্য রকম একটা বিজয় অনুভুতি সৃষ্টি হয়। আমি নিজেও এর ব্যাতিক্রম নই।
রেডিও, টেলেভিসনে বিজয় মাসের অনুষ্ঠান প্রচার করা হয়। বিভিন্ন সংঘঠন গুল বিপুল উৎসাহের সাথে বিজয় দিবসের আয়োজন করে থাকে। রাস্তা,ফুটপাত,মার্কেট,খেলার মাঠ,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সব জায়গায় বিজয়ের সুখ অনুভুতি বিরাজওমান।
অনেকেই আবার বলে থাকেন, লোক দেখানো দেশপ্রেম দেখায় এইসব মানুষরা !!! কিন্তু আমি তাদের সাথে এক মত হতে পারিনা । সবাই দেশকে ভালবাসে, নিম্ন আয়ের দেশে সব সময় ঘটা করে দেশকে ভালবাসা সম্ভব না!!! শুনতে খারাপ লাগলে ও এটাই বাস্তব। এই মানুষগুল দেশের পরিস্থিতি দেখেই যতই গালি দেখ,অন্য উন্নত দেশের সাথে নিজের দেশকে তুলনা করে ছোট করুক না কেন, কিন্তু দিন শেষে ঘুমাতে যায় এই ভেবে, আমি গবির্ত বাঙ্গালী। এটাই সত্যি কারের দেশ প্রেম। আমাদের বাবা মা সারা দিন অনেক বকা দেন। আবার তারাই আমাদের এত কিছু দেয়ার পরও চিন্তা করেন, সন্তান কে মনে হয় কিছুই দিতে পারলাম না !! তাদের এই কঠরতাই সব চেয় বড় ভালবাসা । তাই বছরের ২/৩ টা বড় উৎসব সবাই মিলে উদযাপন করলে, কিছু লোকের কেন এত চুলকানি বেড়ে যায় বুঝলাম না । ঈদ, পুজা, বড়দিন ইত্যাদি ধমিয় উৎসব নিসন্দেহ অনেক মজার, কিন্তু এই অনুষ্ঠানগুল বিভিন্ন্য ধমের লোক যার যার টা সে সে পালন করে। অথচ দেশিয় এই উৎসব সবাই সমান ভাবে পালন করতে পারে। যাই হোক, ডিসেম্বর আসলেই সবচেয় বেশি যে জিনিসটা চোখে পড়ে, তা হল রাস্তাগাটে পতাকা বিক্রি। যে লোকটা ফুটপাত থেকে জিবনে কিছু কেনন নি, সেই লোক ও একটি বারের জন্য হলেও থমকে দাঁড়ায় !! তার ও একটি পতাকা কিনতে ইচ্ছা করে। কোন কিছু না ভেবেই অনেকে কেনেই ফেলেন, আমাদের প্রাণ প্রিয় দেশের প্রাণ প্রিয় লাল সবুজ পতাকা। এভাবেই হয়ত আমরা মনের মধ্য জমে থাকা সুপ্ত ভালবাসা প্রকাশ করি। কথা হচ্ছিলো একজন পতাকা বিক্রেতার সাথে, নাম সুমন, পেশায় টেম্পু চালক, বিজয় মাসে পতাকা নিয়ে বিজয় ফেরিওয়ালার বেশে বের হয়েযান চট্টগ্রামের আনাচে কানাচে। পাইকারি দরে ঢাকার কেরানিগঞ্জ থেকে পতাকা কিনে ফেরি করে বিক্রি করেন। হয়তো অনেকে বলবেন এটা তার পেশা, এটা নিয়ে এত কথা বলার কি আছে। একবার চিন্তা করে দেখেন তো এদের কারনেই কিন্তু বিজয় মাসে রাস্তা ঘাট ছেয়ে যায় লাল সুবুজ পতাকা !! মনের মধ্যে বিজয়ের সুরবাজে । তখন নিজেকে পৃথিবির সবচেয় গবির্ত মানুষ মনে হয়, এটা ভেবে আমি বাংলাদেশের সন্তান, যে জাতি কখন ও অন্যায় মেনে নেয় নি ! সব সময় মাথা উচু করে আছে বিশ্ব মানচিত্রে । জানিনা লেখাটা কেমন হয়েছে, তবে মন থেকে লিখলাম প্রতিটা লাইন। সবাই কে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা ।

#লেখা : কাজী ইয়াহিয়া বুলবুল ( yeahea bulbul )
#ছবি : সাগর

আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ৭১ এর এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার ও তাদের এদেশীয় দোসর আল বদর-রাজাকার মিলে নারকীয়ভাবে হত্যা করেছ...
14/12/2013

আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ৭১ এর এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার ও তাদের এদেশীয় দোসর আল বদর-রাজাকার মিলে নারকীয়ভাবে হত্যা করেছিল এ দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের। চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের ঠিক দুই দিন আগে হানাদার বাহিনী পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে দেশকে মেধাশূন্য করার পরিকল্পনা নিয়ে এই নির্মম হত্যাকাণ্ড চালায়

বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি এ দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের ।।।।

আবদুল হামিদ খান ভাসানী (ডিসেম্বর ১২, ১৮৮০-নভেম্বর ১৭, ১৯৭৬) বিংশশতকী ব্রিটিশ ভারতের অন্যতম তৃণমূল রাজনীতিবিদ ও গণআন্দোলন...
12/12/2013

আবদুল হামিদ খান ভাসানী (ডিসেম্বর ১২, ১৮৮০-নভেম্বর ১৭, ১৯৭৬) বিংশশতকী ব্রিটিশ ভারতের অন্যতম তৃণমূল রাজনীতিবিদ ও গণআন্দোলনের নায়ক, যিনি জীবদ্দশায় ১৯৪৭-এ সৃষ্ট পাকিস্তান ও ১৯৭১-এ প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। দেশের মানুষের কাছে 'মজলুম জননেতা' হিসাবে সমধিক পরিচিত। ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট গঠনকারী প্রধান নেতাদের মধ্যে অন্যতম। স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করেন। তিনি রাজনৈতিক জীবনের বেশীরভাগ সময় মাওপন্থী কম্যুনিস্ট তথা বামধারা রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তাঁর অনুসারীদের অনেকে এজন্য তাঁকে "লাল মওলানা" নামেও ডাকতেন। তিনি ছিলেন একজন দূরদর্শী নেতা এবং পঞ্চাশের দশকেই নিশ্চিত হয়েছিলেন যে পাকিস্তানের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ একটি অচল রাষ্ট্রকাঠামো। ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দের কাগমারী সম্মেলনে তিনি পাকিস্তানের পশ্চিমা শাসকদের 'ওয়ালাকুমুসসালাম' বলে সর্বপ্রথম পূর্ব পাকিস্তানের বিচ্ছিন্নতার ঐতিহাসিক ঘণ্টা বাজিয়েছিলেন।

আজ মহান নেতার জন্মদিন

~বড় হলেও লেখাটি আশা করি সবাই পড়বেন...অনুপ্রেরনার উদাহরন খুঁজতে আমরা দেশ-বিদেশ চষে বেড়াচ্ছি, কিন্তু চোখের সামনে আমাদের জল...
05/11/2013

~বড় হলেও লেখাটি আশা করি সবাই পড়বেন...অনুপ্রেরনার উদাহরন খুঁজতে আমরা দেশ-বিদেশ চষে বেড়াচ্ছি, কিন্তু চোখের সামনে আমাদের জলজ্যান্ত উদাহরন চোখে পড়ছে না। সত্যি আমরা লজ্জিত... ড. আতিউর রহমান এর এক অসহায় রাখাল, ছাগল চড়িয়ে, চা বিক্রি করা থেকে বরেণ্য অর্থনীতিবিদ কাম গভর্ণর হয়ে উঠার গল্প পড়ুন উনার নিজের কাছ থেকেই ~

আমার জন্ম জামালপুর জেলার এক অজপাড়াগাঁয়ে। ১৪ কিলোমিটার দূরের শহরে যেতে হতো পায়ে হেঁটে বা সাইক...েলে চড়ে। পুরো গ্রামের মধ্যে একমাত্র মেট্রিক পাস ছিলেন আমার চাচা মফিজউদ্দিন। আমার বাবা একজন অতি দরিদ্র ভূমিহীন কৃষক। আমরা পাঁচ ভাই, তিন বোন। কোনরকমে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটতো আমাদের।

আমার দাদার আর্থিক অবস্থা ছিলো মোটামুটি। কিন্তু তিনি আমার বাবাকে তাঁর বাড়িতে ঠাঁই দেননি। দাদার বাড়ি থেকে খানিকটা দূরে একটা ছনের ঘরে আমরা এতগুলো ভাই-বোন আর বাবা-মা থাকতাম। মা তাঁর বাবার বাড়ি থেকে নানার সম্পত্তির সামান্য অংশ পেয়েছিলেন। তাতে তিন বিঘা জমি কেনা হয়। চাষাবাদের জন্য অনুপযুক্ত ওই জমিতে বহু কষ্টে বাবা যা ফলাতেন, তাতে বছরে ৫/৬ মাসের খাবার জুটতো। দারিদ্র্য কী জিনিস, তা আমি মর্মে মর্মে উপলব্ধি করেছি- খাবার নেই, পরনের কাপড় নেই; কী এক অবস্থা !

আমার মা সামান্য লেখাপড়া জানতেন। তাঁর কাছেই আমার পড়াশোনার হাতেখড়ি। তারপর বাড়ির পাশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হই। কিন্তু আমার পরিবারে এতটাই অভাব যে, আমি যখন তৃতীয় শ্রেণীতে উঠলাম, তখন আর পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকলো না। বড় ভাই আরো আগে স্কুল ছেড়ে কাজে ঢুকেছেন। আমাকেও লেখাপড়া ছেড়ে রোজগারের পথে নামতে হলো।

আমাদের একটা গাভী আর কয়েকটা খাসি ছিল। আমি সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ওগুলো মাঠে চরাতাম। বিকেল বেলা গাভীর দুধ নিয়ে বাজারে গিয়ে বিক্রি করতাম। এভাবে দুই ভাই মিলে যা আয় করতাম, তাতে কোনরকমে দিন কাটছিল। কিছুদিন চলার পর দুধ বিক্রির আয় থেকে সঞ্চিত আট টাকা দিয়ে আমি পান-বিড়ির দোকান দেই। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দোকানে বসতাম। পড়াশোনা তো বন্ধই, আদৌ করবো- সেই স্বপ্নও ছিল না !

এক বিকেলে বড় ভাই বললেন, আজ স্কুল মাঠে নাটক হবে। স্পষ্ট মনে আছে, তখন আমার গায়ে দেওয়ার মতো কোন জামা নেই। খালি গা আর লুঙ্গি পরে আমি ভাইয়ের সঙ্গে নাটক দেখতে চলেছি। স্কুলে পৌঁছে আমি তো বিস্ময়ে হতবাক ! চারদিকে এত আনন্দময় চমৎকার পরিবেশ ! আমার মনে হলো, আমিও তো আর সবার মতোই হতে পারতাম। সিদ্ধান্ত নিলাম, আমাকে আবার স্কুলে ফিরে আসতে হবে।

নাটক দেখে বাড়ি ফেরার পথে বড় ভাইকে বললাম, আমি কি আবার স্কুলে ফিরে আসতে পারি না ? আমার বলার ভঙ্গি বা করুণ চাহনি দেখেই হোক কিংবা অন্য কোন কারণেই হোক কথাটা ভাইয়ের মনে ধরলো। তিনি বললেন, ঠিক আছে কাল হেডস্যারের সঙ্গে আলাপ করবো।

পরদিন দুই ভাই আবার স্কুলে গেলাম। বড় ভাই আমাকে হেডস্যারের রুমের বাইরে দাঁড় করিয়ে রেখে ভিতরে গেলেন। আমি বাইরে দাঁড়িয়ে স্পষ্ট শুনছি, ভাই বলছেন আমাকে যেন বার্ষিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগটুকু দেওয়া হয়। কিন্তু হেডস্যার অবজ্ঞার ভঙ্গিতে বললেন, সবাইকে দিয়ে কি লেখাপড়া হয় !

স্যারের কথা শুনে আমার মাথা নিচু হয়ে গেল। যতখানি আশা নিয়ে স্কুলে গিয়েছিলাম, স্যারের এক কথাতেই সব ধুলিস্মাৎ হয়ে গেল। তবু বড় ভাই অনেক পীড়াপীড়ি করে আমার পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি যোগাড় করলেন। পরীক্ষার তখন আর মাত্র তিন মাস বাকি। বাড়ি ফিরে মাকে বললাম, আমাকে তিন মাসের ছুটি দিতে হবে। আমি আর এখানে থাকবো না। কারণ ঘরে খাবার নেই, পরনে কাপড় নেই- আমার কোন বইও নেই, কিন্তু আমাকে পরীক্ষায় পাস করতে হবে।

মা বললেন, কোথায় যাবি ? বললাম, আমার এককালের সহপাঠী এবং এখন ক্লাসের ফার্স্টবয় মোজাম্মেলের বাড়িতে যাবো। ওর মায়ের সঙ্গে আমার পরিচয় আছে। যে ক’দিন কথা বলেছি, তাতে করে খুব ভালো মানুষ বলে মনে হয়েছে। আমার বিশ্বাস, আমাকে উনি ফিরিয়ে দিতে পারবেন না।

দুরু দুরু মনে মোজাম্মেলের বাড়ি গেলাম। সবকিছু খুলে বলতেই খালাম্মা সানন্দে রাজি হলেন। আমার খাবার আর আশ্রয় জুটলো; শুরু হলো নতুন জীবন। নতুন করে পড়াশোনা শুরু করলাম। প্রতিক্ষণেই হেডস্যারের সেই অবজ্ঞাসূচক কথা মনে পড়ে যায়, জেদ কাজ করে মনে; আরো ভালো করে পড়াশোনা করি।

যথাসময়ে পরীক্ষা শুরু হলো। আমি এক-একটি পরীক্ষা শেষ করছি আর ক্রমেই যেন উজ্জীবিত হচ্ছি। আমার আত্মবিশ্বাসও বেড়ে যাচ্ছে। ফল প্রকাশের দিন আমি স্কুলে গিয়ে প্রথম সারিতে বসলাম। হেডস্যার ফলাফল নিয়ে এলেন। আমি লক্ষ্য করলাম, পড়তে গিয়ে তিনি কেমন যেন দ্বিধান্বিত। আড়চোখে আমার দিকে তাকাচ্ছেন। তারপর ফল ঘোষণা করলেন। আমি প্রথম হয়েছি ! খবর শুনে বড় ভাই আনন্দে কেঁদে ফেললেন। শুধু আমি নির্বিকার- যেন এটাই হওয়ার কথা ছিল।

বন্ধু মহল লাইব্রেরীর পক্ষ থেকে সকলকে শারদীয় শুভেচ্ছা !!!!!!!
10/10/2013

বন্ধু মহল লাইব্রেরীর পক্ষ থেকে সকলকে শারদীয় শুভেচ্ছা !!!!!!!

08/10/2013

"হুমায়ুন আহমেদ স্যার যখন আমেরিকায়
পলিমার রসায়নে পিএইচডি করতে যান
উনাকে কোয়ান্টিম ম্যাকানিক্সের একটা কোর্স
করতে হয়। খটমটে কেমিস্ট্রি সাব্জেক্টের
ততোধিক খটমটে সাবজেক্ট। নিজের মেধা ও
বুদ্ধির উপর সীমাহীন আস্থা থাকায় আগের
কোন কোর্স না করেই স্যার ৫০০ মার্কস-এর
কোর্স নিয়ে নেন। কোর্স কো-অর্ডিনেটর মার্ক
গর্ডন-এর চোখ রাঙ্গানিকে পাত্তা না দিয়েই
শুরু হয় এই কোর্স যাত্রা। কিন্তু লেকচার শুরু
হতেই স্যার বুঝতে পারেন কত বড় ভুল
করে ফেলেছেন। মার্ক গর্ডন লেকচার
দিয়ে ক্লাসে মোটামুটি ঝড় বইয়ে দিলেন। সেই
ঝড়ে হুমায়ুন স্যার বলতে গেলে প্রায়
উড়ে গেলেন। লেকচার সব মাথার এন্টেনার
উপর দিয়ে চলে গেল। ১ম দিন লেকচার
শেষে স্যার বললেন, 'সহজ
বিষয়গুলো নিয়ে আজকে আলোচনা করলাম'।
স্যারের মাথায় সপ্ত আসমান ভেঙ্গে পড়লো।
সহজ বিষয়েরই উনি কিছু বুঝেন নাই; কঠিন
বিষয় কি করে বুঝবেন? নিজের মেধা ও বুদ্ধির
উপর আস্থা ততক্ষনে ভেঙ্গে শতধা হয়ে গেছে।
উনার ইনসোমনিয়ার মত হয়ে গেল।
লং ডিসট্যান্স কল করে মাঝে মাঝে জাফর
ইকবাল স্যারের সাথে কথা বলে সাবজেক্ট
একটু বোঝার চেষ্টা করেন। মিড টার্ম
পরীক্ষা চলে আসলো। পরীক্ষায় স্যার পেলেন
১০০-তে ০। মার্ক গর্ডন ডেকে বললেন,
'তুমি কোর্স ছেড়ে দাও।' কি লজ্জার কথা। অথচ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের
সভাপতি প্রফেসর আলি নওয়াব স্যার
প্রসঙ্গে চেয়ারম্যানকে একটি চিঠিতে লিখেছেন
—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগ
যে অল্পসংখ্যক অসাধারণ মেধাবী ছাত্র
তৈরি করেছে, হুমায়ূন আহমেদ তাদের অন্যতম।'
স্যার গো ধরে লেগে রইলেন। স্কলারশিপ
বাতিল হয়ে যাবার
আশংকাকে পাত্তা না দিয়ে স্যার
খেটে খেটে কোয়ান্টিম মেকানিক্স
নিজে নিজেই শিখলেন। ফাইনাল পরীক্ষায়
স্যার ১০০-তে ১০০ পেয়েছিলেন। যেই মার্ক
গর্ডন উনাকে কোর্স ছেড়ে দিতে বলেছিলেন
তিনি স্যারকে তার সাথে কাজ করার অফার
করলেন যদিও স্যার রাজি হন নাই। এত কিছু
বলার একটাই অর্থ দুনিয়াতে অসম্ভব বলে কিছু নেই।

Address

বিশ্বব্যাংক আ/এ, খুলশী
চট্টগ্রাম
৪২০৭

Opening Hours

Monday 09:30 - 00:30
Friday 09:30 - 18:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বন্ধু মহল লাইব্রেরী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category