Johir Uddin Ahmed Masud

Johir Uddin Ahmed Masud Memeber of amnesty international Australia

The CPB is working with a strategy of bringing about a 'revolutionary democratic transformation of society and state' with the ultimate goal of socialism-communism.

মার্ক্স, তুমি লিখেছিলে কতকগুলো কথা,জল হয়ে গেল বালুর বুকেই কিছু অলিখিত ব্যথা।তবু তুমি এলে বলে খেওয়াঘাটের ওই ছেলেটাভাঙা আয়...
06/05/2026

মার্ক্স, তুমি লিখেছিলে কতকগুলো কথা,
জল হয়ে গেল বালুর বুকেই কিছু অলিখিত ব্যথা।

তবু তুমি এলে বলে খেওয়াঘাটের ওই ছেলেটা
ভাঙা আয়নায় দেখল প্রথম নিজের মুখের বাঁকা রেখা।

শুভ জন্মদিন কমরেড মার্ক্স, শুভ জন্মদিন বন্ধু—
যে পথে আজ পৃথিবী জাগে, তোমায় ভোলে কী কুন্ঠা!

মহান মে দিবসের সংগ্রামী শুভেচ্ছা।
01/05/2026

মহান মে দিবসের সংগ্রামী শুভেচ্ছা।

21/04/2026
চুক্তির বোঝা নয়, স্বাধীন সিদ্ধান্তের অধিকার চাই: অন্তর্বর্তী সরকারের আমেরিকা চুক্তির যুক্তিসংগত সমালোচনাকমরেড,আমরা যখন এ...
21/04/2026

চুক্তির বোঝা নয়, স্বাধীন সিদ্ধান্তের অধিকার চাই: অন্তর্বর্তী সরকারের আমেরিকা চুক্তির যুক্তিসংগত সমালোচনা

কমরেড,

আমরা যখন একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের সংগ্রামে নিয়োজিত, তখন রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ দিকনির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার শুধুমাত্র জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদেরই থাকা উচিত। ২০২৬ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি, জাতীয় নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সাথে একটি বাণিজ্য চুক্তি (ART) স্বাক্ষর করে। এই তড়িঘড়ি সিদ্ধান্তটি কেবল কূটনৈতিক কৌশলহীনতার পরিচয় দেয়নি, বরং এটি রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতার ওপর একটি সুস্পষ্ট আঘাত।

একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষে ক্ষমতা হস্তান্তরের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়ানো সরকারের কর্তব্য ছিল রুটিন কাজ সম্পন্ন করা, কিন্তু তারা উল্টো দেশকে দীর্ঘমেয়াদি দায়িত্বে জড়িয়ে ফেলেছে। নিচে এই চুক্তির যুক্তিসংগত ও প্রামাণ্য ভিত্তিতে একটি বিস্তারিত সমালোচনা উপস্থাপন করছি।

১. গণতান্ত্রিক বৈধতার অভাব ও গোপনীয়তার আড়াল

আমলাতান্ত্রিক দৃষ্টিকোণ থেকেও এই চুক্তির সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো এর গণতান্ত্রিক বৈধতার অভাব। অন্তর্বর্তী সরকারের মূল কাজ ছিল একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান পরিচালনা করা, দেশের নীতি-নির্ধারণী কাঠামো নির্ধারণ করা নয়। বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলেছেন, একটি নির্বাচিত সরকারের ওপর এই সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার কি কোনো যৌক্তিকতা আছে?

এটি আরও জটিল হয়েছে গোপনীয়তার (Non-Disclosure Agreement) কারণে। দীর্ঘ সময় ধরে আলোচনা গোপন রাখা হয়। অর্থনীতিবিদ ফাহমিদা খাতুন সঠিকভাবেই লক্ষ্য করেছেন যে, এই আলোচনায় জনগণ বা অর্থনীতিবিদদের সম্পৃক্ততা ছিল “নিছক আনুষ্ঠানিকতা” মাত্র। একটি চুক্তি যা প্রতিরক্ষা, শুল্ক, জ্বালানি ও প্রযুক্তি নির্ধারণ করছে, তা জনগণের কাছ থেকে গোপন রেখে দ্রুত স্বাক্ষর করার প্রক্রিয়া স্বাধীনতার পররাষ্ট্রনীতির পরিপন্থী।

২. প্রতীকী সুবিধার বিনিময়ে বিপুল অর্থনৈতিক বোঝা

চুক্তির আমেরিকান দিকটি দেখে মনে হবে তারা রেসিপ্রোক্যাল ট্যারিফ (প্রত্যাশিত শুল্ক) ২০ শতাংশ থেকে ১৯ শতাংশে নামিয়ে এনেছে। কিন্তু এই ১ শতাংশ ছাড়ের বিনিময়ে বাংলাদেশ যে মূল্য দিতে রাজি হয়েছে, তা সম্পূর্ণ অসামঞ্জস্যপূর্ণ।
চুক্তির শর্ত অনুযায়ী বাংলাদেশ বাধ্য হচ্ছে:

· বোয়িং থেকে ২৫টি বিমান কিনতে (যার মূল্য প্রায় ৫৩,০০০ কোটি টাকা)।
· বাজার মূল্যের চেয়ে দামি গম, সয়াবিন ও তুলা কিনতে (ন্যূনতম ৩.৫ বিলিয়ন ডলার)।
· এলএনজি কিনতে ১৫ বছরে ১৫ বিলিয়ন ডলার খরচ করতে হবে, যা দেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্যের সাথে সাংঘর্ষিক।

অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য সতর্ক করে বলেছেন, এই চুক্তি বর্তমান সরকারের জন্য ঋণের বোঝা আরও বৃদ্ধি করেছে। রপ্তানি আয়ের সামান্য সুবিধা পেতে আমদানিতে বিপুল ডলার খরচ করে বাণিজ্য ভারসাম্য আরও অসম করা এই চুক্তির স্বাক্ষর দেয়।

৩. সার্বভৌমত্ব খর্ব করে জ্যামিতিক আধিপত্য

এটি শুধু একটি বাণিজ্য চুক্তি নয়, বরং এটি একটি জিও-পলিটিক্যাল আত্মসমর্পণ। চুক্তির বিভিন্ন ধারা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, চীন ও রাশিয়ার মতো দেশের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখার ওপর বাধা এসেছে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী:

· বাংলাদেশ যদি “নন-মার্কেট ইকোনমি” হিসেবে চিহ্নিত দেশগুলোর সাথে কোনো চুক্তি করে, যুক্তরাষ্ট্র সেই সুযোগকে পুঁজি করে এই চুক্তি বাতিল করতে পারবে।
· বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থবিরোধী কোনো ডিজিটাল বাণিজ্য চুক্তি করতে বাধা দেওয়া হয়েছে।
· অর্থনীতিবিদ আনু মুহাম্মদ স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, এই চুক্তি কার্যত বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করেছে।

উপসংহার

কমরেড, সিপিবি সবসময়ই বলে আসছে যে, এই অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ ছিল ব্যতিক্রমী ও অসাংবিধানিক। সেই সরকার যদি দেশের মূল্যবান সম্পদ ও ভবিষ্যৎ বিদেশনীতি ৫০ বছরের জন্য বন্ধক দিয়ে দেয়, তবে তা মেনে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

যুক্তরাষ্ট্রের আদালত যখন ট্রাম্পের শুল্ক আরোপকে অবৈধ ঘোষণা করেছে, তখন এই চুক্তির ভিত্তি আরও দুর্বল হয়ে পড়েছে। বিএনপি সরকার যদি দেশের স্বার্থে সত্যিই কাজ করতে চায়, তাহলে সংবিধানের ১৪৫ এর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই চুক্তি জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করে পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনা করুক। জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া এই “গোপন চুক্তি” বাতিলের উদ্যোগ নেওয়াই এখন সময়ের দাবি।

চুক্তির শর্তে যুক্তরাষ্ট্র যদি বাংলাদেশকে "পুতুল" বানাতে চায়, তাহলে দেশের প্রকৃত কমিউনিস্ট ও গণতান্ত্রিক শক্তির কর্তব্য হলো রাস্তায় নামা, সংসদে সরব হওয়া এবং এই শর্ত প্রত্যাখ্যান করা। স্বাধীন দেশের ভাগ্য তার নিজের জনগণ ও নির্বাচিত প্রতিনিধিরা নির্ধারণ করবেন, কোনো অন্তর্বর্তী সরকারের হাত ধরে আমেরিকার ইম্পেরিয়াল স্বার্থ নয়।

জহির উদ্দিন আহমদ মাসুদ
অনলাইন লেখক
আহবায়ক
বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন অস্ট্রেলিয়া।

14/04/2026
26/03/2026

১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন-পরবর্তী বাস্তবতায় বাংলাদেশের বাম রাজনীতি:

২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। আওয়ামী লীগের পতনের পর প্রথম এই নির্বাচনে বাম রাজনীতির অবস্থান, ফলাফল এবং তার পরবর্তী বাস্তবতা বিশ্লেষণ করাই এই লেখার মূল প্রতিপাদ্য।

নির্বাচনী ফলাফল: বামদের জন্য হতাশাজনক অধ্যায়

নির্বাচনের ফলাফল বাম দলগুলোর জন্য প্রত্যাশার চেয়েও কম সাফল্য বয়ে এনেছে। গণতান্ত্রিক বাম জোট (ডিএলএ) এবং ফ্যাসিবিরোধী বাম ফ্রন্ট উভয় জোটই কোনো একক আসন জিততে পারেনি। পৃথকভাবে কিছু দল প্রার্থী দিলেও তাদের অবস্থান ছিল নগণ্য।

দল/জোট প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আসন প্রাপ্ত আসন উল্লেখযোগ্য ফলাফল
গণতান্ত্রিক বাম জোট (ডিএলএ) ৮৫টি ০ জামালপুর-৫, চট্টগ্রাম-৮-এ ভোট পায়নি
ফ্যাসিবিরোধী বাম ফ্রন্ট ৪২টি ০ সিলেট-২-এ জামানত হারান
সিপিবি (স্বতন্ত্র) ১২টি ০ সর্বোচ্চ ৮,২৩৪ ভোট (মাগুরা-১)
বাসদ (স্বতন্ত্র) ৮টি ০ সর্বোচ্চ ৫,৬১২ ভোট (ঢাকা-৮)

তথ্য অনুযায়ী, বাম প্রার্থীরা যে কয়েকটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে, সেখানেও তাদের ভোটের হার ছিল মাত্র ২-৫ শতাংশের মধ্যে। জাতীয় পার্টি (এরশাদ) এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পরাজিত প্রার্থীরাও অনেক আসনে বাম প্রার্থীদের চেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন।

নির্বাচন-পরবর্তী বাস্তবতার বিশ্লেষণ

১. বিএনপির উত্থান ও বামদের প্রান্তিকায়ন

নির্বাচনের সবচেয়ে বড় ফলাফল ছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন। দলটি ২৯৮টি আসনের মধ্যে ২১৫টিতে জয়লাভ করে সরকার গঠন করে। এতে দেশের রাজনৈতিক কাঠামোতে ডান-মধ্যপন্থী শক্তির আধিপত্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

বাম দলগুলোর জন্য এর প্রভাব ছিল সুদূরপ্রসারী:

· সংসদীয় প্রতিনিধিত্বের শূন্যতা: সংসদের বাইরে থাকায় বাম দলগুলো জাতীয় নীতি নির্ধারণী প্রক্রিয়া থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
· মিডিয়ায় উপস্থিতি হ্রাস: বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে প্রধান রাজনৈতিক আলোচনা সীমাবদ্ধ থাকায় বামদের অবস্থান গণমাধ্যমে প্রায় অদৃশ্য হয়ে যায়।
· তহবিল সংকটের তীব্রতা: নির্বাচনে বিপুল অর্থ ব্যয় করেও কোনো ফল না পাওয়ায় ছোট দলগুলো আরও আর্থিক সংকটে পড়ে।

২. 'জাতীয় ঐক্য' বনাম বাম স্বাতন্ত্র্য

নির্বাচনের পর বিএনপি একটি "জাতীয় ঐক্য সরকার" গঠনের উদ্যোগ নেয়, যেখানে তারা বিভিন্ন ছোট দলকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানায়। বাম দলগুলো এখানে এক কঠিন দ্বিধাদ্বন্দ্বের মুখোমুখি হয়:

· সরকারে যোগদানের পক্ষে যুক্তি: দীর্ঘ ১৬ বছর পর একটি গণতান্ত্রিক সরকার গঠিত হয়েছে। বাম দলগুলো যদি এতে যোগ দেয়, তবে তারা নীতি নির্ধারণী প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে এবং তাদের নিজস্ব এজেন্ডা বাস্তবায়নের সুযোগ পাবে।
· বিরোধিতার পক্ষে যুক্তি: বিএনপি একটি বুর্জোয়া ও ধর্মীয়-রক্ষণশীল দল। তাদের সাথে জোটে গেলে বাম দলগুলোর নিজস্ব আদর্শ ও শ্রেণি-ভিত্তিক অবস্থান আপসহীন হয়ে পড়বে। এছাড়া, বিএনপির অর্থনৈতিক নীতি বাজার-ভিত্তিক ও পুঁজিবাদী, যা বামদের সমাজতান্ত্রিক লক্ষ্যের বিপরীত।

বর্তমানে অধিকাংশ বাম দলই সরকারে যোগদান না করে "গঠনমূলক বিরোধিতা"র পথ বেছে নিয়েছে। সিপিবি ও বাসদ যৌথ বিবৃতিতে বলেছে, "আমরা সরকারের উন্নয়নমূলক উদ্যোগে সহযোগিতা করব, কিন্তু কোনো অবস্থাতেই বুর্জোয়া রাজনীতির অংশীদার হব না।"

৩. সংসদ-বহির্ভূত আন্দোলনের নতুন সম্ভাবনা

সংসদের বাইরে থাকার ফলে বাম দলগুলো তাদের কার্যক্রম আন্দোলন-কেন্দ্রিক করে সাজানোর চেষ্টা করছে। নির্বাচনের পর গত দুই মাসে নিম্নলিখিত আন্দোলনগুলো বাম দলগুলো পরিচালনা করেছে:

আন্দোলনের বিষয় সময়কাল অংশগ্রহণকারী দল অর্জন
শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ২৫,০০০ টাকা নির্ধারণের দাবি ২৫ ফেব্রুয়ারি-১০ মার্চ সিপিবি, বাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি সরকার মজুরি বোর্ড পুনর্গঠনে সম্মত হয়েছে
ভূমিহীন কৃষকদের পুনর্বাসনের দাবিতে মানববন্ধন ১৫ মার্চ বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ, সিপিবি-এমএল জেলা প্রশাসন ২টি উপজেলায় ভূমি জরিপের উদ্যোগ নিয়েছে
গাজা ও ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি সমাবেশ ২৮ মার্চ সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন, বাসদ-মার্কসবাদী আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে স্থান পেয়েছে
বিদ্যুৎ, গ্যাস মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে স্মারকলিপি ৫ এপ্রিল সকল বাম জোট (যৌথভাবে) সংসদীয় কমিটি বিষয়টি পর্যালোচনার উদ্যোগ নিয়েছে

এই আন্দোলনগুলো বাম দলগুলোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প রাজনৈতিক স্থান তৈরি করে দিয়েছে। যদিও এগুলো তাত্ক্ষণিকভাবে নির্বাচনী ফলাফল পরিবর্তন করতে পারেনি, তবে দীর্ঘমেয়াদে জনসংযোগ ও সাংগঠনিক ভিত্তি গড়তে সহায়তা করছে।

নতুন প্রজন্মের বামপন্থী সংগঠনের উত্থান

আইনি বাম দলগুলোর পাশাপাশি নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে ছাত্র ও তরুণ-কেন্দ্রিক বেশ কিছু নতুন বামপন্থী সংগঠন সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য:

১. গণতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট (জিএসএফ): ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছে। তাদের স্লোগান "শিক্ষার বাণিজ্যীকরণ বন্ধ কর" তরুণদের মাঝে সাড়া ফেলেছে।

২. বিপ্লবী যুব মৈত্রী: ২০২৫ সালের শেষ দিকে গঠিত এই সংগঠনটি রাজশাহী ও খুলনা অঞ্চলে সক্রিয়। তারা বেকার যুবকদের সংগঠিত করে ছোটখাটো উদ্যোগ ও সমবায় গড়ে তুলতে কাজ করছে।

৩. শ্রমিক-কৃষক ঐক্য পরিষদ: পাবনা ও সিরাজগঞ্জ অঞ্চলে কৃষক ও মজুরদের মধ্যে এটি একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।

এই সংগঠনগুলো মূলধারার বাম দলগুলোর সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত না হলেও, তাদের আদর্শগত অবস্থান মার্কসবাদী বা সমাজতান্ত্রিক। এটি ইঙ্গিত করে যে বাম ধারার ভবিষ্যৎ হয়তো নতুন এই প্রজন্মের হাত ধরেই গড়ে উঠবে।

বাম দলগুলোর মধ্যে ঐক্যের নতুন মাত্রা

নির্বাচনের ফলাফলে হতাশ হয়ে বাম দলগুলোর মধ্যে ঐক্যের বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে। মার্চ ২০২৬-এর শেষ সপ্তাহে ১৪টি বাম ও বাম-অনুসারী দলের এক যৌথ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে নিম্নলিখিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে:

· আগামী ৬ মাসের মধ্যে একটি "বামপন্থী জাতীয় ঐক্য" গঠন করা হবে
· নির্বাচনী কৌশল ও সংসদীয় রাজনীতি নিয়ে একটি সমন্বিত নীতি প্রণয়ন করা হবে
· তৃণমূল পর্যায়ে যৌথ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য জেলা-উপজেলা কমিটি গঠন করা হবে
· বিদ্যুৎ, গ্যাস, সার ও ভূমি সংক্রান্ত ইস্যুতে যৌথ আন্দোলন গড়ে তোলা হবে

সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেছেন, "আমরা যদি আলাদা থাকি, তাহলে মূলধারার রাজনীতিতে আমাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা কঠিন। ঐক্যই এখন আমাদের বেঁচে থাকার পথ।"

তবে ঐক্যের পথে বাধা রয়ে গেছে। গণফোরাম, জাসদ (ইনু) এবং কিছু ন্যাপ গ্রুপকে এই জোটে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে মতভেদ রয়েছে। আরও কট্টরপন্থী দলগুলো মনে করে, যারা অতীতে আওয়ামী লীগের সাথে জোট করেছিল, তারা বুর্জোয়া রাজনীতির অংশ এবং তাদের সাথে এক কাতারে আসা উচিত নয়।

ভবিষ্যতের করণীয়: তিনটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ

নির্বাচন-পরবর্তী বাস্তবতায় বাম রাজনীতিকে টিকিয়ে রাখতে হলে তিনটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে:

১. নির্বাচনী রাজনীতি ও আন্দোলনের মধ্যে ভারসাম্য

বাম দলগুলোকে বুঝতে হবে যে সংসদের বাইরে থাকা মানে রাজনীতি থেকে সরে যাওয়া নয়। তাদেরকে আন্দোলনের মাধ্যমে জনগণের কাছে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিতে হবে, পাশাপাশি আগামী নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। ২০২৮ সালের পৌরসভা নির্বাচন বামদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হবে।

২. শ্রমিক-কৃষক ভিত্তি পুনর্গঠন

এক সময়ের শক্তিশালী শ্রমিক-কৃষক ভিত্তি আজ দুর্বল। বাম দলগুলোকে গ্রামীণ জনগোষ্ঠী, প্রান্তিক কৃষক, গার্মেন্টস শ্রমিক এবং বস্তিবাসীদের কাছে পৌঁছাতে হবে। 'ভূমি ওপর চাষির দখল'-এর মতো পুরোনো স্লোগানকে নতুন করে উপস্থাপন করতে হবে এবং সমসাময়িক দাবির সাথে সংযুক্ত করতে হবে।

৩. ডিজিটাল ও প্রযুক্তিগত শক্তিকে কাজে লাগানো

নির্বাচনে বাম দলগুলো অর্থের অভাবে পিছিয়ে পড়েছে। কিন্তু প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার এই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে পারে। টেলিগ্রাম, এনক্রিপ্টেড মেসেজিং অ্যাপ, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এবং ক্রাউডফান্ডিংয়ের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহের ব্যবস্থা করতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে সংগঠিত করতে ডিজিটাল মাধ্যমের কোনো বিকল্প নেই।

---

উপসংহার

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বাম রাজনীতির জন্য যেমন একটি হতাশাজনক অধ্যায়, তেমনি এটি একটি নতুন করে শুরুর সম্ভাবনাও তৈরি করেছে। আওয়ামী লীগের পতনের পর সৃষ্ট রাজনৈতিক শূন্যতায় বিএনপি দ্রুত সেই জায়গা দখল করে নিয়েছে। কিন্তু বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকার যদি জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়, তাহলে সেই শূন্যতায় বাম দলগুলোর জন্য একটি নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হতে পারে।

তবে এই সম্ভাবনা বাস্তবায়ন করতে হলে বাম দলগুলোকে তিনটি কাজ করতে হবে:

· ঐক্য: খণ্ডিত অবস্থায় টিকে থাকা অসম্ভব
· আদর্শ ও বাস্তবতার সমন্বয়: বিশুদ্ধ আদর্শের নামে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া চলবে না
· তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠন: শুধু সমাবেশ ও বক্তৃতার রাজনীতি ছেড়ে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে হবে

বাংলাদেশের বাম রাজনীতি এখন এক সংকটময় মোড়ে দাঁড়িয়ে। আগামী দুই-তিন বছর এই রাজনৈতিক ধারার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে দেবে। নতুন প্রজন্মের উত্থান, ঐক্যের নতুন উদ্যোগ এবং আন্দোলনের মাধ্যমে ফিরে আসার প্রচেষ্টা—এই তিনটি উপাদানই ইঙ্গিত দেয় যে বাম রাজনীতি এখনো শেষ হয়ে যায়নি। তবে তাকে নিজের ভুল থেকে শিখতে হবে এবং সময়ের চাহিদা অনুযায়ী নিজেকে নতুন করে সাজাতে হবে।

জহির উদ্দিন আহমেদ মাসুদ
অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট
আহবায়ক
বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন অস্ট্রেলিয়া।

স্বাধীনতা দিবসের পবিত্র মুহূর্তে শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা : সিপিবি সমর্থক গ্রুপ অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে ফুলেল শ্রদ্ধা...
26/03/2026

স্বাধীনতা দিবসের পবিত্র মুহূর্তে শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা : সিপিবি সমর্থক গ্রুপ অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন

সিডনি, অস্ট্রেলিয়া : মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে সাপোর্টাস গ্রুপ অব বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) অস্ট্রেলিয়া।

বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) অস্ট্রেলিয়া শাখার সমর্থক ও অনুসারীদের উদ্যোগে আজ ২৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে সিডনি শহরের লাকেম্বায় পিল পার্কে এক অনুষ্ঠানে এ শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। অনুষ্ঠানটি স্বাধীনতা দিবসের চেতনা, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ এবং দেশের গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতিশীল মূল্যবোধকে ধারণ করার প্রত্যয়ে আয়োজিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাপোর্টাস গ্রুপ অব বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম সংগঠক কমরেড জহির উদ্দিন আহমেদ মাসুদ। তাঁর নেতৃত্বে সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ শহীদ মিনার বা নির্ধারিত স্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করেন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের অন্যতম কর্মী কমরেড সাইফুর রহমান, কমরেড মাসুক আহমেদ, কমরেড ফাইয়াজ আহমেদ, কমরেড রাফি, কমরেড অমিত হাসান প্রমুখ। নেতৃবৃন্দরা তাদের বক্তব্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের চেতনা প্রবাসে ধারণ এবং আগামী প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ও অসাম্প্রদায়িক ইতিহাস তুলে ধরার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সংগঠক কমরেড জহির উদ্দিন আহমেদ মাসুদ বলেন, “মহান স্বাধীনতা দিবস আমাদের জাতীয় জীবনের সবচেয়ে গৌরবময় দিন। আমরা প্রবাসে থাকলেও আমাদের হৃদয় সর্বদা বাংলাদেশের মাটি, মানুষের মুক্তি ও স্বাধীনতার চেতনার প্রতি উৎসর্গীকৃত। বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সমর্থক হিসেবে আমরা সব সময় বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতিশীল আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে যাব। মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস রক্ষা এবং দেশের শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আমরা সর্বদা সোচ্চার।”

অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিরা জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন এবং দেশের সমৃদ্ধি, শান্তি ও অগ্রগতি কামনায় বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা করেন।

---

Happy International Mother Language Day.
21/02/2026

Happy International Mother Language Day.

২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদ...
20/02/2026

২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা

২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে আজ শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহীদ মিনারের পাদদেশে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছে বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন অস্ট্রেলিয়া। ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের চেতনা ধারণ করে নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিক ইতিহাস পৌঁছানোর আহ্বান জানান।

সিডনিতে ভাষা শহীদ মিনারের সামনে আয়োজিত শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন অস্ট্রেলিয়ার আহবায়ক কমরেড জহির উদ্দিন আহমেদ মাসুদ, সাইফুর রহমান ও মাসুক আহমেদসহ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কমরেড জহির উদ্দিন আহমেদ মাসুদ বলেন, "১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি কেবল একটি তারিখ নয়, এটি বাঙালি জাতির আত্মপরিচয়ের মাইলফলক। রফিক, সালাম, বরকত, জব্বার, শফিউরসহ ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই আমরা আজ বাংলায় কথা বলতে পারি। এই ঐতিহাসিক চেতনা নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছানো আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব।"

তিনি আরও বলেন, "নতুন সরকারের প্রতি আমাদের আহ্বান, যেন ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের সঠিক ইতিহাস বিকৃতিমুক্তভাবে শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ইতিহাস বিকৃতির সুযোগ রাখা যাবে না। জেনারেশন টু জেনারেশন এই চেতনা পৌঁছাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক মাধ্যম ও সাংস্কৃতিক উদ্যোগকে কাজে লাগাতে হবে।"

সাইফুর রহমান তাঁর বক্তব্যে বলেন, "ভাষা শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এটি সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও জাতীয় পরিচয়ের প্রতীক। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিশ্বজুড়ে বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত করেছে। এবারের দিনটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে—ভাষার জন্য সংগ্রাম, মৃত্যুবরণ করা শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।"

মাসুক আহমেদ বলেন, "অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের কাছে ভাষা ও সংস্কৃতি চর্চার গুরুত্ব অপরিসীম। আমাদের সন্তানদের বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও ইতিহাসের সাথে পরিচিত করানো জরুরি। এজন্য স্থানীয়ভাবে বাংলা স্কুল, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা চক্র নিয়মিত আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও বর্তমান তাৎপর্য

১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের তৎকালীন শাসকগোষ্ঠী বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিকে দমন করতে গিয়ে ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালায়। এতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের সামনে রফিক, সালাম, বরকত, জব্বার ও শফিউর শহীদ হন। তাঁদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে বাংলা ভাষা রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা পায় এবং পরবর্তীতে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

আজকের দিনে এই ঐতিহাসিক চেতনা কেবল স্মরণীয় নয়, বরং বাস্তবায়নের বিষয়। ভাষা আন্দোলন ছিল বাঙালির আত্মমর্যাদা ও স্বাধিকারের সংগ্রামের প্রথম ধাপ, যা পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতায় রূপ নেয়।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও আহ্বান:

বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন অস্ট্রেলিয়া ঘোষণা করেছে, আগামী দিনগুলোতে ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছাতে নিয়মিত আলোচনা সভা, সেমিনার, ডকুমেন্টারি প্রদর্শনী ও শিক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। প্রবাসী বাংলাদেশি তরুণ-তরুণীদের এই উদ্যোগে সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

সংগঠনের পক্ষ থেকে সকল ধর্ম, বর্ণ ও ভাষার মানুষের সমান মর্যাদা, সংস্কৃতির প্রতি সম্মান এবং জাতীয় ঐক্য ও সংহতি বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়।

সমাপ্তি

মহান ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ অক্ষুণ্ণ রাখতে এবং বাংলা ভাষার চর্চা ও বিকাশে বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন অস্ট্রেলিয়া প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কেবল একটি অনুষ্ঠান নয়, এটি আমাদের জাতীয় চেতনার পুনর্জাগরণের দিন। আসুন, শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধ হই।

যোগাযোগ:
বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন অস্ট্রেলিয়া ই মেইল: [email protected]
ফেসবুক:https://www.facebook.com/share/17DRWmShUK/
সম্পাদনায়: বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন অস্ট্রেলিয়া মিডিয়া সেল

Address

Sydney, NSW

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Johir Uddin Ahmed Masud posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Featured

Share